ফিরে দেখা

২০১১ সালের সেপ্টেম্বর এর মাঝামাঝি । আমরা সাত দিনের শিক্ষাসফরে । জলপাই রঙের লক্কর ঝক্কর মার্কা কলেজ বাসে করে বেরিয়েছি । দিনের অধিকাংশ সময় কাটছে বাসের ভেতর যেন । নিজেদের বোঁটকা গন্ধে নিজেদেরই নাড়ি উল্টে আসে । আমরা যারা ষড়যন্ত্র করে পেছনের সিটগুলো দখল করেছিলাম, তাদের বাইরের মানুষদের বিরক্ত করেই সময় কেটে যেত । পাশ দিয়ে একটা মোটরসাইকেল যাচ্ছে,ওমনি আমরা  “ও ভাই!

বিস্তারিত»

মিষ্টিমুখর বউ…

ঘ্যানঘ্যানানী প্যানপ্যানানী
খ্যাচর ম্যাচর নয়,
বিনামেঘে বজ্রপাত?
আর প্রাণে না সয়।

মলিন-মুখো হও কেনো গো?
কারণ-অকারণে,
রও সদাহাস্য শান্তিমুখর,
ঢালো মিষ্টি মধু কানে।

“নানান ফুলের মালা হয়ে
স্বামীর ঘরের শোভা?”
চাই না সেতো তোমার কাছে
যার সবই ক্ষণপ্রভা!

আবার বিকেল হলেই
চপ সিঙ্গারা ভেজে বসে থাকা?
চাইনা সেটাও তোমার কাছে
করছি যেসব আধা।

বিস্তারিত»

আমি জেলে আসার পর

মূল কবিতাটি টার্কিশ কবি নাজিম হিকমেত রানের।কবিতার নাম:Ben içeri düştüğümden beri,অনুবাদ করা সবসময়ই কঠিন কাজ,আর তা যদি হয় নাজিম হিকমেতের কবিতা তা আরও কঠিনতর হয়ে ওঠে।এটাই আমার প্রথম অনুবাদ,সময় সুযোগ আর সাহস পেলে আরও টার্কিশ কবিতা অনুবাদের দুঃসাহস দেখাবো

আমি জেলে আসার পর সূর্যের চার পাশে দশ দশবার ঘুরে এসেছে পৃথিবী,
পৃথিবীকে জিজ্ঞেস করলে বলবে দশ বছর? এতো কিছুই নয়,অণু পরমাণুর মতই ক্ষুদ্র এক সময়।

বিস্তারিত»

ব্যক্তিগত রেসিপি-১০

আমার প্রাণের পরে চলে গেলো কে

বসন্তের বাতাসের মতো একটা পোস্টকার্ড এসেছে আজ অফিসের ঠিকানায় – সেখানে সবকটা গাছে আগুন লেগে আছে আর হ্রদের উদ্দামরকমের নীল পাড়ে থোকা থোকা সে-আগুন উল্টো ঝুলে আছে। আমি ব্যস্ত ঢাকার ভেতরে এক ডুবে সাঁতরে সে হ্রদের পাড়ে গিয়ে মাথা তুলতে’ পৃ-র দেখা পেয়ে যাই। তোয়ালে দিয়ে মাথা মুছিয়ে দিতে দিতে বলে – কতক্ষণ ধরে ডাকছি!

‘এই ভালো।

বিস্তারিত»

একটি গান লিখার প্রচেষ্টা…

লিখতে বসেছিলাম একখানা পদ্য। লিখার পর মনে হলো, এটা কি পদ্য হলো নাকি গান?
সঙ্গিতে দখল-সম্পন্ন ভাই ও বোনেরা, দেখুন তো এটা গানের শর্ত পুরন করে কিনা?

ইচ্ছে ছিল,
একদিন তোমার সাথে সাগর দেখতে যাবার।
ইচ্ছে ছিল,
একদিন সৈকতে বসে সাগরের ঢেউ গুনবার।
ইচ্ছে ছিল,
একদিন ভেজা নোনাবালুতে পা ঢুবিয়ে হাটবার।
ইচ্ছে ছিল,
একদিন ঢেউ-এর চুড়ায় জ্যোৎস্নার ভাঙ্গন দেখবার।

বিস্তারিত»

নক্ষত্রেরা ফিরে গেছে

সারাদিন কর্মব্যস্ত। সেই সাড়ে পাঁচটার পর নিজের বলে কিছু সময় পাওয়ার শুরু। আসলেই কি নিজের সময় বলে কিছু রয়েছে ওর জীবনে। অফিস আওয়ারের পরে বাসায় সময় দেয়া। বাসা বলতে বাসাই। এখনো যখন বাড়ি হয়ে উঠেনি, বাসাই বলতে হচ্ছে। ছোট্ট একটি শান্তির নীড়… কিন্তু ওর বাসাটা ছোট ঠিকই, তবে শান্তি রয়েছে কিনা… সেটি পরীক্ষার বিষয়। পাখির বাসা দেখে দেখে সেরকম একটা বাসার কল্পনা করেছে। কিন্তু পাখি কখন বাসা বাঁধে?

বিস্তারিত»

অডিও ব্লগঃ চার

সাজেক ভ্যালি থেকে নিলয় কল করে বলেছে, ডার্লিং আম্মা তুমি এখনই চইলা আসো এই ভ্যালিতে নইলে এ জীবন রেখে তোমার কি হবে বলো!

আমি সাজেক ভ্যালির নাম শুনি নাই আগে, যদিও অস্ট্রেলিয়ার বারোসা আর কেপারটী ভ্যালির রূপে মুগ্ধ হয়েছিলাম অনেক আগেই। নিলয়ের চোখে আমি বাংলাদেশের সাজেক ভ্যালি দেখি তের নদীর ওপার থেকে আর তাতেই আমার মুগ্ধতা কাটে না! সত্যি এ জীবন রেখে কী হবে আর!!

বিস্তারিত»

সংবাদপত্র ও নৈতিকতা

২০০৮ বা ২০০৯ সালে রোজা বা কুরবানির ঈদে মাচাক্কালি নামে এক ড্রেস জনপ্রিয় হয়। মাচাক্কালি কোন এক হিন্দি ছবির গানের নাম, আর সেই গানে নায়িকা কি এক পোষাক পড়েছিলো তাই হয়ে যায় মাচাক্কালি ড্রেস। এক ছোটভাই যখন আমাকে এটা জানিয়েছিলো তখন বেশ হেসেছিলাম। কি নামের ছিরি।
মুখের সেই হাসি আর হাসি থাকেনি। গেলো বছর মনে হয় বাজার মাত করলো সানি লিওন ড্রেস। এহ! সানি লিওন টা কে?

বিস্তারিত»

যাযাবরের দৃষ্টিপাত

আমার পড়ার অভ্যাস তৈরী হয়েছিলো একেবারে ছোটবেলা থেকেই। পড়াটা শুধু গল্পের বইকেন্দ্রিক ছিল না, চোখের সামনে যা পড়তো তাই পড়া শুরু করে দিতাম, নতুন বা পুরাতন পত্রিকা, ম্যাগাজিন, লিফলেট এমনকি লন্ড্রি থেকে কাপড় ফেরত দেবার সময় পুরোনো পত্রিকার যে টুকরো কাপড় দিয়ে কাপড়গুলো মুড়ে দিত সেটাও বাদ যেত না।

সেবা প্রকাশনীর কল্যানে এই পড়ার ক্ষুধা মেটানোর জন্য বিশাল ভান্ডার পেয়ে গেলাম, গোয়েন্দা রাজু থেকে শুরু,

বিস্তারিত»

Mocha উইথ আ ‘k’ ফ্রম মিশিগান – ৪র্থ সংস্করণঃ তোমার শীতল স্পর্শে আমার ফ্রস্টবাইট।

অল্প লিনাক্স বিদ্যা কার্যকরী
লাইব্রেরীর তিনটি তলার মোট শ-খানেকের উপরে কম্পিউটারের সবগুলো কারো না কারো দখলে। শুধুমাত্র দ্বিতীয় তলার ৬টি কম্পিউটার খালি পড়ে আছে। অবাক হয়ে কাছে গিয়ে দেখি ছয়টি কম্পিউটারের স্টিকারে লিখা “লিনাক্স বুট অনলি।” চলচিত্রের বিখ্যাত ভিলেন প্রয়াত রাজিবের মত অট্টহাসি দেয়ার ইচ্ছা সংবরণ করে একটিতে বসে পড়লাম। আইন ও পলিসি সায়েন্সের ছাত্র হয়ে লিনাক্সভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রতি ভালবাসাটা বেশখানিকটা “সমাজ বহির্ভূত”

বিস্তারিত»

হাওরের দেশ, হাসন রাজার দেশ, নীলজলা নদীর দেশ

তোমরা ভ্যাকেশন কাটাতে যাও ব্যাংকক, পাতায়া, মানালী, কাঠমুন্ডু, মরিশাশ, বালি আর ফিরে এসে ফেইজবুকে ছবি ভরে দিয়ে আমাদের বুকের হাহাকার বাড়াও! টাকা খরচ করে, ভিসার ঝামেলা মাথায় নিয়ে, বিমানবালার হাতের ফ্রি খাবার খেয়ে, শীতোতাপ নিয়ন্ত্রিত বিলাসবহুল হোটেলের নরম বিছানায় গা না এলালে ঠিক যেন ভ্যাকেশনটাকে জাতে তোলা যায় না। আজকাল ফেবু কবিদের ভীড়ে আমরা এককালের কাগজ আর কালি খরচ করে গড়ে ওঠা কবিদের কথা মনেই রাখি না।

বিস্তারিত»

দোস্ত দুশমান

বন্ধু আমার বড়ই দুষ্টু। মস্তিষ্কের নিউরনে অনুরণন করে ঠিক যেমন বড় বড় ক্যাল্কুল্যাস এর শেষ টেনে ছাড়ে, যেমন করে সব সময় স্যারের শেখানো, দেখানো নিয়মের বাইরে তাকে অংক করার নেশা চেপে ধরে, ঠিক তেমনি সেই গুচ্ছগুচ্ছ নিউরন দিয়েই ছুটিতে গিয়ে কিছু একটা বাগিয়ে নিয়ে আসে। বাগাবে না কেনো? সেতো বাগানোরই বয়স। তো যাই হোক, বন্ধু আমার গত ছুটিতে এক বালিকার সাথে ফোনআলাপের তুঙ্গে পৌছে এসেছে।

বিস্তারিত»

তুমি বধু না হয়ে প্রেমিকা হয়ে রইলেই ভালো করতে

তুমি বধু না হয়ে প্রেমিকা হয়ে রইলেই ভালো করতে
—————————— ড রমিত আজাদ

তুমি বধু না হয়ে প্রেমিকা হয়ে রইলেই ভালো করতে,
তখন তুমি আমার কাছে প্রেম ছাড়া আর কিছুই চাইতে না,
আমিও তোমাকে নিয়ে কবিতা লিখতাম রাশি রাশি,
স্বপ্ন দেখতাম তোমার হাত ধরে সমুদ্র দেখার,
গায়ে গায়ে ঘেষে তোমার পাশে ছাদে বসে অপরূপ জোৎস্না দেখার,
সেইসব স্বপ্নে বিভোর হয়ে কেটে যেত একের পর এক নির্লোভ বসন্ত।

বিস্তারিত»

অণু ব্লগঃ তিন

আমাদের বাড়ীর কাছেই রুবি ফলস। এর আগেও বার কয়েক গেছি মাটির নিচের এই রূপের জলধারা দেখতে। এবারের জার্নিটা একটু অন্য রকম কারণ কানাডা থেকে ভাই-ভাবী এসেছেন, আর আমি তাদের গাইড হয়ে আমেরিকার রূপ বৈচিত্র্য দেখাতে বেরিয়েছি। হাজার উপায়ে আমাকে তো তাদের কাছে প্রমাণ করতে হবে যে রূপে গুণে কানাডার চাইতে আমার দেশটি উত্তম! আমাদের বাড়ী থেকে মাত্র দুশো কিলোমিটার দূরে এই মেঘ পাহাড়ের দেশ। সবাই মিলে গল্প করতে করতে যখন টেনেসি পৌঁছুলাম আলো ঝলমলে একটি দিনের শুরু হয়েছে সবে।

বিস্তারিত»

আমেরিকা আবিষ্কার (ভানু ই প্রথম)

উপস্থাপক: আচ্ছা ভানুবাবু, কানাঘুষা শুনলাম আপনি নাকি দাবী করেছেন যে, কলম্বাস নয় আপনিই প্রথম আমেরিকা আবিষ্কার করেছিলেন?

ভানু: কি কইতাছেন কানাঘুষা! না না, এগুলা আমার সুনাম নষ্ট করার জন্য কেউ কেউ বইলা থাকেন। আমি কানাঘুষায় বিশ্বাসী না, আমি পাবলিকের কানে ঘুসা মাইরা মাইরা তত্ত্বকথা ঢুকাইতে বেশি পছন্দ করি।

উপস্থাপক: সে কি? আপনি এরকম মাস্তানদের মত গায়ের জোরে …
ভানু: আরে রাখেন আপনার গায়ের জোর!

বিস্তারিত»