মায়ের রুমের সামনে চশমার ফাঁক দিয়ে উঁকিঝুঁকি মারতে দেখা যাচ্ছে মারজুকাকে!
দরজা আবছা ভেড়ানো। পাশের রুম থেকে মায়ের উচ্চস্বরের কথা শুনতে পাচ্ছে সে। কি কথা হচ্ছে কিছু শোনা যাচ্ছে না। কিন্তু মারজু সহজেই বুঝতে পারছে ফোনের অপর পাশের মানুষটি কে। পরিণত মানুষের মতোই সে আঁচ করতে শিখে গেছে।
আদর করে সবাই মারজুই ডাকে তাকে। বয়স সবে আট হলো।
দরজা খুলে বের হলো মারজুর মা জিতু।
বিস্তারিত»



