অবিশ্বাসের দর্শনের তৃতীয় প্রকাশ হাতে পেয়ে

অবিশ্বাসের দর্শন‘ বইটা যখন প্রথম প্রকাশিত হয় ২০১১ সালে তখন আমার ছোটভাই আহমেদ রেদওয়ান জান্না ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ে। ইন্টারনেট, মোবাইল, কম্পিউটারবিহীন ওর জীবনের একমাত্র সঙ্গী ছিলো ‘আউট বই’। কিন্তু সে বয়সের জন্য অবিশ্বাসের দর্শন একটু বেশিই ‘আউট’ হয়ে যায় তাই আমি তখন পড়ে দেখতে বলি নি। তাছাড়া ধর্মান্ধদের মতো আগ বাড়িয়ে ওকে নির্ধর্ম নিয়ে কখনও মোটিভেশন দিতে ইচ্ছা করতো না, কাউকেই করে না।

বিস্তারিত»

প্রলাপ-১৩

থোকা থোকা বেগুনী সে-অর্কিডফুল
পোর্সেলিনের জল থেকে উন্মুখ
জানলাপ্রান্তে ঝুঁকে দেখে
তুষারের মোলায়েম গান –
দিনভর। অবিরাম।

অথচ জলের নির্বিবাদ কোলে
গাঢ়সবুজ তার পত্রাবলির সাথে
বেগুনী আভার সখ্যতা দেখে
জলার ধার ধরে
কি করে
সারসার জারুলের গাছ
মনে চলে আসে,
সবুজের হাত ধরে।
বরফের কনকনে কামড়
ফালাফালা করে দেবার আগে
নিমেষ জুড়ে
বাংলাদেশ।

বিস্তারিত»

শাহবাগ

মাঝে মধ্যে অবাক হইয়া ভাবি শাহবাগ যেন জোঁকের মুখে নুন হইয়া গেছে!
প্রায় তো দুই বছর হইতে চললো। তেরো সালের ফেব্রুয়ারি থেকে-
এখন অব্দি কম তো গালি খায় নাই শাহবাগ। নিরীহ মাসুম চৌরাস্তার মোড়টারে
কী পরিমাণ এবিউজের শিকার হইতে হইলো – ভাবলেই মায়া লাগে।

কে না তারে গালি দিছে! কাদের মোল্লার পুত্র থেকে গোলামাজমের পুত্র,
লন্ডনের বড়ো গণতন্ত্র থেকে ব্যারনেস ভার্সি,

বিস্তারিত»

বরিশাল ক্যাডেট কলেজ রিউনিয়ন ২০১৫

ভাইয়েরা, অতি উৎসাহী হয়ে কয়েকটা লাইন লিখে ফেললাম…ভুলত্রুটি ক্ষমার চোখে দেখবেন, আমি কোন বড় লেখক/ কবি নই…ঃ)

(প্রতিটি লাইনের প্রথম অক্ষর মিলায় আমার কলেজের নাম হয়!)
***********************************************************
ব রিশালের বৃষ্টি মাখা, স্নিগ্ধ দিনের ভাঁজে
রি ণিঝিনি হাওয়ার তালে, মাতাল মাদল বাজে।
শা ন্তি আজি তারই মাঝে, খুঁজছে কোলাহল
ল ক্ষ্য পানে আসছে ছুটে বাঁধন ছেড়ার দল!

 

বিস্তারিত»

একজন বিসিসি১৭ এর চোখে বরিশাল ক্যাডেট কলেজ রিউনিয়ন ২০১৫ঃ

10933744_10152707732239436_2579516722135620511_n10931687_10153596814326164_8822977008468374306_o

 

 

 

 

moments

10915222_10155162686305193_7726664750684326970_n

 

 

বরিশাল ক্যাডেট কলেজ এর রিউনিয়ন থেকে ফিরে আসলাম ১৮ জানুয়ারী ২০১৫ সকালে। শুরুটা ছিলো ১৪ জানুয়ারী ২০১৫ সন্ধ্যায় লঞ্চ যাত্রা এর মধ্য দিয়ে। সারারাত ধরে লঞ্চের কেবিন এ বসে জাতিকে উদ্ধার করার পর ভোরবেলা নামলাম বরিশাল শহরে!

বিস্তারিত»

অবশেষে স্নিগ্ধ সকাল

অবশেষে স্নিগ্ধ সকাল
——————– ড. রমিত আজাদ

অবশেষে স্নিগ্ধ সকাল নিয়ে আসে মৃদু মোলায়েম রোদ,
নিটোল পাহাড়ী ঝর্ণার কোমল নিস্বন গভীর অন্তস্রোতে।
অবশেষে স্নিগ্ধ সকাল মুছে ফেলে শীতল নিরুত্তাপ রাত,
নির্মেঘ অন্তরীক্ষে সূর্যকরোজ্জ্বল চুনূরি দু্যতির ক্রীড়া।

এখানে প্রিপাত্রী উৎসবে বন্য-আহলাদ বসন্তের অরণ্যে,
এখানে সজীব বৃক্ষপত্রে বিহ্বল সমীরণ নিরত বিভোর।
এখানে বিশৃংখল উর্বীরূহ তান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণে দুর্বোধ ত্তলটান।

বিস্তারিত»

আত্মজৈবনিক

এবং কয়েক যুগ পেরিয়ে গেলে খেয়াল হলো যে কবিতা লিখি না
মাথার ভেতর এই খেয়াল মাটিতে পড়ার আগেই আমি দুই ভাগ হয়ে
তর্কে নামলাম। এক ভাগ বলে ওঠে হয়তো আপ্নে কখনই
কবিতা লিখতে পারতেন না। শুনে অন্য ভাগ তেড়ে আসে,
বেশি বুঝেন ইচ্ছা হয় না তাই লিখি না নাহলে দেখিয়ে দিতাম।
আমি দুই ভাগের তর্ক শুনি, কমলার জুস খাই
জুস বেশ তেতো লাগলে ভাবি একটু চিনি মেশালে মন্দ হতো না।

বিস্তারিত»

ইতিহাসের ভিন্নপাঠ।। চেঙ্গিস খান

“চেঙ্গিস খান ছিলেন শক্তিমান, প্রজ্ঞাবান, কুশলী, সম্ভ্রম-জাগানিয়া, কসাই, ন্যায়বান, দৃঢ়চেতা, শত্রুর বিনাশকারী, অকুতোভয়, আশাবাদী ও নির্মম এক মানুষ। ’’

– পারসিক এক ইতিহাসবিদ

১.
গত ২০ বছরে তথ্যের জগতে অবিশ্বাস্য একটা পালাবদল হয়েছে। যেকোনো ব্যাপারে জানতে চাইলে গুগল সার্চবারে লিখলেই চিচিং ফাঁক। চোখের নিমেষে হাজারটা তথ্য (কিংবা অপতথ্য) আপনার সামনে হাজির হয়ে যাবে। কিন্তু, অজ্ঞানতা খানিকটা কমল কি ?

বিস্তারিত»

আজ গান হোক

আজ নিজের পছন্দের কিছু গান শোনাই। না, কোন টপ টেন বা টুয়েন্টি নয় বরং যা ভালো লাগে বা লেগেছে তার লিষ্টি দিলাম।

Screen Shot 2015-01-25 at 14.39.13

জন ডেনভার 

জন ডেনভার এক অসাধারণ কান্ট্রি গায়ক। তার ভালো গানের শেষ নেই। রকি মাউন্টেন হাই, সানশাইন অন মাই শোল্ডার, কান্ট্রি রোড টেক মি হোম , লিভিং অন এ জেট প্লেন, আই এম সরি ইত্যাদি।

বিস্তারিত»

নরবলি

ধিক ! একবিংশ শতাব্দী

এখনও চালু আছে নরবলি !

গণতন্ত্র কিংবা ধনতন্ত্র

মানবাধিকার কিংবা দানবাধিকার

ধ্বংস কিংবা রক্ষায়

অবরোধ হরতাল

আর পেট্রল বোমায় !

[ একই সাথে  বাঁধ ভাঙার আওয়াজ -এ প্রকাশিত]

বিস্তারিত»

অন্তর যন্তর অথবা জাদুর শহর

অদ্ভুত জাদুগন্ধময় এক পরাবাস্তব উৎসব ছিল তার শৈশবের ঈদ।

স্কুল কমিটির ফান্ড ক্রাইসিস, বেতনের এরিয়ার আর সোনালী ব্যাংক এর চেক এর চক্কর কে আম্মা কেমন করে যেন চান রাতে বানিয়ে ফেলতেন চকচকে বাটার জুতো অথবা বাচ্চামিয়া কাপুড়িয়ার দোকান থেকে কেনা নতুন নতুন “বাশনা-আলা” শার্ট। ইব্রাহীম খাঁ এর পুটূ গল্পের মত প্রতি বছরই নিজের সন্তানতুল্য পোষা খাসি কুরবানী দিয়ে সারাদিন কাঁদতেন বড় মা।

কোন এক সোনার কাঠি রুপোর কাঠির বলে তার সাম্যবাদী বাবা আর ধর্মবাদী বড় চাচা খেতে বসতেন একসাথে ওই এক দিনই।

বিস্তারিত»

সুসময়ের মাছি………………………….।।।।।।।

সুসময়ের মাছি…………………..

দুই চোঁখ বুঁজলেই যদি ঘুমানো যেতো,

তাহলে বিনিদ্র রাত কি করে জায়গা পেতো,

দুটি কথা বললেই যদি মানুষটা বোঝা যেতো,

তাহলে মানুষকে চেনাটা হয়ত সহজ হতো।।

শুধু সুখেরই লগ্নে যদি কেউ আশে পাশে থাকে,

কষ্টের লগ্নে যদি খুঁজে কভূ না পাও তাকে,

আড়ালে লুকিয়ে তথা যদি কেউ বলে আমি আছি,

বিস্তারিত»

বুমেরাং

একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ভিন্ন ডিপার্টমেন্টে অনেক ছেলেমেয়ের সাথে দুটো ছেলে মেয়ে পড়তো।
একজন জগৎ সংসার ভোলার জন্য রাতদিন নেশায় ডুবে থাকতো। অন্যজন সংসার করবে বলে সবার অমতে বিয়ে করে অকূলে পড়লো। এরা একদিন সেন্ট্রাল লাইব্রেরীর সিড়িতে এক আড্ডায় বন্ধুদের ভীড়ে পড়ে পরিচিত হলো। ছেলেটার লাল চোখ, ফর্সা মুখ আর আরো কী কী ব্যাপারের কম্বিনেশন মেয়েটার কেমন যেন লাগলো। বান্ধবীর কাছে সে জানলো ছেলেটা অসুখী,

বিস্তারিত»