Sparkling diamonds !
Dew droplets
In morning sun.
Cold breeze
Green gold waves !
Bee buzz.
Your Promises,
Ultimate truth like
Weather forecast !
Sparkling diamonds !
Dew droplets
In morning sun.
Cold breeze
Green gold waves !
Bee buzz.
Your Promises,
Ultimate truth like
Weather forecast !
১ দ্যাশরে বালা পাই,
আও পোয়ারা আও পুরিরা দ্যাশরে বালা পাই,
দ্যাশরে লইয়া দুই চোখ ভরিয়া স্বপ্ন দেখিয়া যাই।
দ্যাশটা আমরার অনেক আপন কিতা যে তার দাম,
পাইলাম তুকায়া পরানের দামে বাংলাদেশের নাম।
এ দ্যাশ আমরার অনেক প্রিয় প্রিয় মাদানের রোদ,
বাংলায় মাতি আও রাখি মনো চেতনাবোধ।
২ বাংলাদেশের মাডি মোগো
বেইন্না কালে নিশির ঢোলে কাডাল পাতার গায়,
বিস্তারিত»পিতৃ ভুমির দায়বদ্ধতা,,,
মাতৃ ভাষার অমর কবিতা,,,,,,,,,,,
আমার একটা দুঃখ আছে সুখের প্রলেপ দেয়া,
সেই সুখেতেই কান্না আছে যত্ন করে পাওয়া।
সুখ দুঃখের আস্তাবলে কষ্ট লাগাম টানে,
বেদনা বিলাসে শান্তি বলো পেলাম কেমন করে?
পিতৃ ভুমির দায়বদ্ধতা,,,
মাতৃ ভাষার অমর কবিতা,,,,,,,,,,,
রাত্রিটাকে খুব ভালবাসি প্রখর সূযর্্য তাপে,
অমাবস্যায় অনেক কালো চাঁদনীর অনুতাপে।
ভুল করে যত জাগতিক ভুল স্বপ্নের কান্ডারী,

শুরুতেই বলি, আমি নিজেই একজন ঘনঘন সিরিজ হাঁচির কষ্টে ভোগা মানুষ। নিজে বাঁচার জন্যে জ্ঞান নিতে যেয়ে এই লেখাটা তৈরি হয়ে গেল। অনেক সময় ব্যয় করে, ঘাঁটা-ঘাঁটি করে অবশেষে লেখাটাকে যখন দাঁড় করালাম তখন দেখি এটা হাঁচির রচনা হয়ে গেছে। এটাকে ছোট করতে গেলেই মনে হচ্ছে নিজের জন্যই কিছু একটা তথ্য বাদ পড়ে যাচ্ছে। অবশ্য জ্ঞানটা নিয়ে উপকার পেয়েছি বটে। কিন্তু তারপরও মাঝেমধ্যে ফেক্সোফেনাড্রিন জাতীয় ওষুধ খাই।
বিস্তারিত»ছোট মেয়েটির হাত ধরে তুমি
————————————————— ড. রমিত আজাদ
হাসি-কান্নার ঝুলনে-দোলনে, যামিনীর কোলে বেদনা-বিহনে,
তোমার আঁখির চাওয়ার হাওয়ায়, হিয়া শিহরণে, মৃদু সমীরণে,
যতনা শঙ্কা তার চেয়ে বেশি খুশি, তব মধু অঙ্গনে,
রঙ্গ বিহঙ্গ গোধুলিলগনে মম প্রণয়ের প্রাঙ্গনে,
পুষ্প পসারিনি, বনের হরিণী, সুনীল সাগরপার,
আপন হয়ে তুমি এসেছিলে কাছে, তবু রয়ে গেলে চির পর।
কান পেতে পেতে শুনেছি তখনি তব নুপুরের সুর,
বিস্তারিত»রাগ ভৈরব শুনলেই শান্ত ভোরবেলার কথা মনে হয়। মনে হয়, আঁধার ফুর্যিয়ে গিয়ে একটু একটু করে ফর্সা হয়ে আসছে চারদিক; আরেকটি নতুন দিনের শুরু হতে চলেছে। পুবদিকে উঠে আসছেন সূর্য – কোমল আলো নিয়ে যাত্রা শুরু করে কেমন করে একটু পরেই গনগনে তেজী হয়ে উঠবেন কে জানে
এই রাগটির সঙ্গে আমার কিছু স্মৃতি একদম চিরকালীন হয়ে গেছে। আমাদের কন্যাটি তখন সবে হয়েছে —
বিস্তারিত»বিশ্বায়ন,শিল্পায়ন, মুক্তবাজার অর্থনীতি- এই শব্দগুচ্ছ প্রচলিত হওয়ার কয়েক শত বছর আগে জন্ম চাঁদ সওদাগরের। তারও অনেক আগে থেকে বাঙালি জানে- ‘বাণিজ্যেই লক্ষ্মীর বসতি’।
এই একবিংশ শতাব্দীতে বাণিজ্যের শক্তিতে বিশ্বাস করে না এমন দেশ খুঁজে পাওয়ার চেয়ে দু -একটা জ্যান্ত ডাইনোসর পাওয়া বরং বেশি সহজ। এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বর্তমান বিশ্ববাণিজ্যের ইঞ্জিনঘর। রাজনীতি ও অর্থনীতির মনোযোগী পাঠকের জন্য এই অঞ্চলের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি।
বিস্তারিত»এক
যেকোন দর্শন-সুখে অনুভবি তোমার সঙ্গ
তুমিই আমার সঙ্গি, তুমি অন্তরঙ্গ।
তুমি আমার লাটাই তুমি আমার ঘুড়ি
তোমায় নিয়ে অনুক্ষন আকাশেতে উড়ি।
যেকোন বিরহ-ক্ষনে তোমায় পাশে চাই
তুমিই আমার আশ্রয়, তুমিই আমার ঠাই।
তুমি আমার ঘর তুমি আমার বাড়ি
শেষ পর্যন্ত তাই তোমার কাছেই ফিরি।
যেকোন মৈথুনেই ভেসে ওঠে তোমার মুখ
তুমিই আমার অসুখ,
বোর-আইনস্টাইন বিতর্ক – পর্ব ৪
——————– ড. রমিত আজাদ
Post-revolution: Third stage
১৯৩৫ সালে পোদলস্কি ও রোজেন একটি নতুন আর্গুমেন্টে বিকশিত করেন যা বিখ্যাত জার্নাল ফিজিকাল রিভিউ-এ প্রকাশিত হয়। আর্টিকেলটির টাইটেল ছিলো ‘Can Quantum Mechanical Description of Physical Reality be Considered Complete?’ আর্টিকেলটি লেখা হয়েছিলো দুটি সিস্টেমের এনটেঙ্গেলড স্টেট-এর উপর ভিত্তি করে। বিতর্ক শুরু করার আগে আরেকটি হাইপোথিসিস ফর্মুলেট করা প্রয়োজন –
২১ ডিসেম্বর ২০১৪ – আজ তবে বিদায় জানাও।
সকালে উঠেই বাথরুমে গিয়ে আয়নায় তাকিয়ে বিষন্ন এক টুকরো হাসি দিলাম। সকাল আটটা বাজে। এই এলাকায় আছি আর মাত্র তিনটি ঘন্টা। হাতমুখ ধুয়ে সকালের নাস্তা সেড়ে গোছানোর বাকি কাজটুকু শুরু করলাম। সময় কোনদিক দিয়ে পার হয়ে গেল টের পেলাম না। ঠিক বেলা ১১টার সময় ক্ষুদেবার্তা এলো, “I’m coming to pick you up. My friend needs more time.”
বিস্তারিত»এক মেয়ে আর এক ছেলের সাথে কঠিন সম্পর্ক ছিল। ১৪ বছর আগে তাদের কিভাবে যেন বিচ্ছেদ হয়ে যায়। একটা যুক্তিযুক্ত কারণ ছিল। পারিবারিক, সামাজিক.. আজ তার স্মরণের কিছু প্রয়োজন নাই।
১৪ বছর পরে মেয়েটার ক্লাসমেটদের মধ্যে একজনের সাথে এই ছেলেটা ওই মেয়েটার কিছু মিল পেয়ে যায়। ঠিক কোথায় এই মিল তা ছেলেটাই ভালোভাবে জানে না। বন্ধুদের আড্ডায় তাদের পরিচয় হয়েছিল। কোনো বন্ধুর মাধ্যমে।
বিস্তারিত»জীবনের মানে
————-
————-
কথাঃ বাপ্পী খান
সুর-সংগীতঃ আইউব বাচ্চু
শিল্পী-ব্যান্ডঃ এল.আর.বি
এ্যালবামঃ ডাবল এ্যালবাম (১৯৯২)
——————————-
——————————–
জীবনের মানে আমি পাইনিতো খুঁজে,
আমার দুচোখ তাই অভিধান খোঁজে।
আমি সারাদিন যারে কাছে পাই,
জানতে চেয়ে পাইনা জবাব ফিরে চলে যাই।
একদিন দেখা হলো সময়ের সাথে,
একটি প্রশ্ন আমি রেখেছিনু তারে।
রে পুলা তুই
(কুমিল্লার আঞ্চলিক ভাষায়)
এই পুলা তর বাড়ি কনো থাহস কোনহানে,
হাইঞ্জা বেলা একলা একলা যাস কোন পানে?
তর কি কুনু ডর লাগে না এই জঙ্গল পতে,
কত মানু মরছে জানস এই না নদীর তটে।
তর বাহে কি মারছে তরে মায় কি দিছে বহা?
তারা তো তর ভালা-ই চায় যায় না কি রে সয়া।