বন্ধু তোমার পথের সাথীকে চিনে নিও

বন্ধু তোমার পথের সাথীকে চিনে নিও

এর মধ্যে বেশ কয়েকদিন এই ব্যপারটা ঘটেছে। মনে বেশ দোলা দিয়েছে। পুরোনো স্মৃতির নতুন দোলা। কাকতালিয়ভাবে পরপর কয়েকদিন দেখি ঘড়িতে ৬টা বেজে ২৮ মিনিট। অর্থাৎ ৬.২৮ বাজে। আমার ক্যাডেট নম্বর ৬২৮। খুব স্বাভাবিক ভাবেই মনের অজান্তে ক্যাডেট কলেজের অনেক স্মৃতি স্ট্রীম অফ কনশাসনেসের মত একে একে ভেসে আসে। আর এটাই তো স্বাভাবিক! আমার মনে হয় ঘড়ির কাঁটার সাথে নিজের ক্যাডেট নম্বরের মত এমন চিরসঙ্গির সঙ্গতি দর্শনে আমার মত যে কোন ক্যাডেটের মন আলোড়িত হবে।

বিস্তারিত»

ইয়াহু চরিতঃ বাল্যখিল্য কড়চা

গোলবাস্টো মোমারেন এভলেস গুরডিলো শেফিন মুলি উলি গিউ

লিলিপুটদের সর্বশক্তিমান সম্রাট যিনি একই সাথে বিশ্বের আনন্দ ও ভীতি, পৃথিবীর শেষ সীমা পর্যন্ত যার সাম্রাজ্য, যিনি রাজার রাজা, মানব সন্তানদের থেকেও উঁচু, যাঁর পদভারে জমিন কাঁপে, যাঁর মাথা সূর্যকে স্পর্শ করে এবং যার আঙ্গুলের হালকা ইশারায় পৃথিবীর সমস্ত রাজার হাঁটু কাঁপে, যিনি বসন্তের মত মনোরম, গ্রীষ্মের মত আরামপ্রদ, শরতের মত ফলপ্রসু কিন্তু শীতের মত ভয়ংকর ।

বিস্তারিত»

সখী ভালবাসা কারে কয়

ভালবাসা কি জানতে চেয়ে যে প্রশ্নবোধক চিহ্ন পাঠালে তার উত্তরে বলি,
ভালবাসা হলো হঠাৎ বৃষ্টির দুপুরে ধোঁওয়া ওঠা খিচুরি আর বেগুন ভাজার পাশে এক চামচ ঘি
গ্লোরিয়া জিনসে কফির কাপে চকিতে চুম্বন
অথবা তার আধ খাওয়া বারিটোয় আলতো কামড়,
রাস্তার ঐ পাড়ে জানালার শিকে একটি ভীরু মুখ
অথবা তার অবিন্যস্ত বাদামী চুলে একটি রূপার কাটা।
ভালবাসা মানে হলো প্রিয়ার ঘুম ঘুম ঠোঁটে জন্মের প্রতিশোধ
অথবা তের নদীর ওপাড়ে কনিয়াকবিহীন একজোড়া মুগ্ধ চোখ,

বিস্তারিত»

ফ্রেঞ্চ কিস্

ঢংঢংঢং …… গীর্জার ঘন্টায় ঘুম ভাঙল। চোখ মেলেই দেখি সিলিং থেকে ঝুলছে ঝাড় বাতি। অবাক হবার পালা! এ আমি কোথায়এলাম! অচেনা ঘর? নাকি হারিয়ে গেছি আমি? মনটা বড় ভুলো। এসেছি তো একটা লম্বা ছুটি কাটাতে, কিন্তু দুষ্টু মনটা যেন রয়ে গেছে কর্মব্যস্ত জীবনে। ঘুম ভাঙল ছুটিতে,মন রয়ে গেল অফিসে। তাতে কি? আড়মোরা ভেঙে, গরম লেপটা সরিয়ে,পা রাখলাম -১৮ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ঘেরা স্যুইটজারল্যান্ডের জুরিখ শহরে, আমার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শয়নকক্ষে।

বিস্তারিত»

ইয়াহু চরিতঃ বাল্যখিল্য মূল্যবোধ

250px-Gullivers_travels

 

 

 

 

 

 

লিমুয়েল গালিভার ছিলেন এক মহাপণ্ডিত। ইয়াহু জাতির বৈশিষ্ট নিয়ে ভয়ানক নাক সিটকাতেন। এজন্য তাকে অনেকে মঙ্গল গ্রহের মানুষ বলতো। মনুষ্য সমাজে তিনি জোনাথন সুইফট নামে পরিচিত ছিলেন। পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্রমণ করে উদ্ভট চিন্তাধারা আর আজব সব প্রথা সম্পর্কে ব্যাপক জ্ঞান অর্জন করেন  তিনি।

বিস্তারিত»

করাতটা উপরে পাঠান। মগডালে বইসা আছি। সময় থাকতে কাইটা ফালাই।

প্রফেসর ডঃ জাফর ইকবাল। আমার মতে উনার হেটার্স ক্লাবের স্পেকট্রামের মত বড় স্পেক্ট্রামের হেটার্স ক্লাব আর কারো নাই। বাম, ডান, মধ্যম, আধা-বাম-কিছুটা-ডান, ছুপা সুশীল ইত্যাদি সবাই উনার কথাবার্তায় কম বেশী তেড়েফুঁড়ে উঠেন। কারণ সময়-অসময়ে উনার মতামত, চিন্তা-ভাবনা বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। স্পেক্ট্রামের মানুষগুলো যেন আশা করে বসে থাকে, কবে মানুষটি একটি বিতর্কিত কথা বলবেন। কিন্তু যখন এই মানুষটি কিছু কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন, ভবিষ্যতের ভয়াবহ পরণতির কথা সবাইকে মনে করিয়ে দিতে চান তখন উনার পাশে মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় না।

বিস্তারিত»

নিলীন তুষারকন্যা

নিলীন তুষারকন্যা
—————- ড রমিত আজাদ

গিয়েছিলাম পরের ক্ষেতে,
হিমের সাথে ভাব জমাতে।
হলুদ ফুল আর ঘাসের মাঠে,
তুষার জমে চাদর পাতে।
চারিদিকে সাদার খেলা ঝলোমলো,
আকাশ ঢাকা ঘন মেঘে কালো কালো,
এই বুঝি এই ঝুপঝুপিয়ে সন্ধ্যা এলো,
সন্ধ্যা তো নয় রূপ জ্বালানো কন্যা এলো।
তুষার দেশের কন্যা সে যে!
তাই বুঝি তার চরণ পাতায়,

বিস্তারিত»

অডিও ব্লগঃ বাংলা গানের বুলবুলি

ক্যাডেট কলেজে বাংলা সংবাদ শোনাটা আমাদের বাধ্যতামূলক ছিল। “সব ক’টা জানালা খুলে দাও না” শুরু হলেই টিভির ভলিউম বাড়ানো হতো আর আমরা পড়িমরি করে ছুট লাগাতাম টিভি রুমের দিকে। দেশের খবর শোনাতে আমাদের আগ্রহ ছিল না মোটে, আমরা বরং এই গানের টানে যেতাম সেখানে। “ওরা আসবে চুপিচুপি যারা এই দেশটাকে ভালবেসে দিয়ে গেছে প্রাণ” শুনলেই দিন শেষের ঝিমিয়ে পরা রক্ত উত্তাপ ছড়াতো সেই কৈশোরে!

যে মানুষটির গান শুনে দেশ আর মাটির প্রতি আমাদের প্রজন্মের ভালবাসা জন্মেছে তাঁর নাম আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল।

বিস্তারিত»

প্রবাসে প্রাকৃতজন (পর্ব ০.৫)

পূর্বের পর্ব: প্রবাসে প্রাকৃতজন: পরিবেশ পরিচিতি (১ম ভাগ)

একদিন স্কুল থেকে ফিরে গোধূলি জানালো যে তাদের ক্লাসে একটা নতুন মেয়ে এসেছে, নাম লীয়াহ। কয়েকদিন পরেই পরিচয় হল লীয়াহর বাবা অ্যান্ডির সাথে। ভদ্রলোক পেশায় অর্থপেডিক সার্জন, (তাঁকে আমি ফাজলামো করে মাঝে মধ্যে বাংলায় হাড়-কবিরাজ বলে ডেকে থাকি) । আমাদের মিডল্যান্ডস এলাকায় বেশ নাম ডাক ওয়ালা কনসালটেন্ট। আদিতে নাইজেরিয়ান, দীর্ঘদিন স্লোভানিয়াতে ছিলেন। গায়ে গতরে নেহায়েত মন্দ না,

বিস্তারিত»

দ্য লাস্ট পেইন্টিং

আজিজ মিসির আর রেবেকার ডিভোর্স হয়েছিল পনের বছর আগে । সেটার একটা যুক্তিযুক্ত কারণ ও ছিল।দেশের একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হিসেবে মিসির নিজের ছবি, আর্ট কম্পিটিশন নিয়ে এতোটা ব্যস্ত থাকত। বড় লোকের মেয়ে রেবেকা যদিও ওকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিল, কিন্তু ওর ওকে সময় না দেয়াতে সে ধীরে ধীরে বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়ে মিসিরের উপরে।
রেবেকার বাবা-মা যদিও মেয়ের বিয়েটা মেনে নিয়েছিলেম, কিন্তু তাঁরা চাইতেন ভার্সিটি থেকে চারুকলায় গ্রাজুয়েট মিসির ছবি আঁকা ছেড়ে দিয়ে একটা সরকারি জবে ঢুকে যাক।

বিস্তারিত»

অস্তিত্বের সংকট…

মোদের দেশে মানুষ তো নেই-ই,

মোদীর দেশেও নেই,

মোদীর কলে জ্যান্ত মানুষ

হিন্দু হয়েই রই!

 

দাঙ্গাবাজি আর অস্ত্রবাজি

হচ্ছে শিশুর খেলা,

গুম, খুন আর অপহরণ

বাড়ছে লাশের মেলা।

 

নিরাপত্তা দেবেন যারা

বিক্রি টাকার কাছে,

অশ্লীলতা-ধান্দাবাজিও

ঘুরছে তাদের পিছে।

বিস্তারিত»

বিমূর্ত জোছনায় মোহনা

বিমূর্ত জোছনায় মোহনা
—————– ড রমিত আজাদ

ঐ নদী তোলে ঝড়, সুরের লহরী, ঢেউয়ের মাতম তুলি,
ঐ সাগরের বুকে হারিয়েছে নদী, বাসনা হৃদয় খুলি,
সাগরের ঢেউ আর নদীর প্রবাহে মোহনায় মাতামাতি,
বিমূর্ত জোছনা উথাল হয়েছে, আহলাদে রাতারাতি।

ধরাধরি করি জড়ায়েছে দেহ, পাণির উপরে পাণি,
নবীন কেশের ঘ্রাণ জড়িয়েছে, হৃদয়ে আঁচর টানি,
তবুও সাধনা, এখানে মোহনা,

বিস্তারিত»

কাব্যধর্মি ধারাবাহিক নাটিকা – ১ম ও ২য় কিস্তি

এটা একক অভিনয়ের জন্য লিখার প্রক্রিয়াধীন একটি কাব্যধর্মি নাটিকা। একক অভিনয়, একক মূকাভিনয় (নেপথ্য বর্ননার সাথে), অথবা একক নৃত্যাভিনয় যে কোন মাধ্যমেই এটা ফুটিয়ে তোলা সম্ভব বলে এটার লেখক মনে করেন। তবে ডাইরেক্টর যেটা সবচেয়ে ভাল মনে করবেন, সেটা করার স্বাধীনতা তার থাকবে। লিখা শেষ হলে এটা প্রযোজনায় লেখকের কোন অনুমতি লাগবে না। তবে লেখককে জানানো হলে ও ফেসবুকে ছবি প্রকাশ করে লেখককে ট্যাগ করা হলে তিনি খুবই খুশী হবেন।

বিস্তারিত»

টুবিতা মালা

১। (ভূমিকা)
আপন মনে,  গেলাম  বুনে, টু-লাইনের কবিতা
– আদর করে নাম দিয়েছি ‘টুবিতা’।।

 

২। (গৌরচন্দ্রিকা)

আমি বলি, আমারেও ধরিলো কি ও রোগে?
ছড়া কেটে ঘুরি কেন কবিদের সড়কে!

 

৩। (হুমায়ুন আহমেদ স্মরণে)
গল্প থেকে মানুষগুলো নামিয়ে দিতেন বাস্তবে,
হঠাত বলে গেলেন চলে, ‘আজ এখানেই থাক তবে’

 

বিস্তারিত»

বাড়ি ফেরা

বাসায় ফেরার দিনে সময়টা খুব দ্রুত কেটে যায়। সকল কাজকর্ম অন্যদিনের তুলনায় একটু আগেই শেষ করে ফেলতে ইচ্ছে হয়। করেও।একটু তাড়া থাকেই। সহকর্মীদের মৃদু হাসি…আসন্ন কোনো ষড়যন্ত্রের আভাস কি? যার উৎপত্তি ওদের যার যার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ঝুলি থেকে।

বাইরে বের হতে হতে সোয়া সাতটা বেজে যায়। অন্যরা আরো পনের মিনিট আগেই বের হয়েছে। অফিস গেটের সামনের চায়ের দোকানগুলোতে অলস আড্ডা দিচ্ছে কেউ কেউ।

বিস্তারিত»