দাসত্ব আমাদের সমাজে একটা ঋণাত্বক শব্দ। চিন্তায়, কাজে, এমনকি শরীরেও আকণ্ঠ দাসত্বে ডুবে থাকা একটা মানুষও চিন্তা করার সময় “দাসত্ব” ব্যাপারটাকে খারাপ হিসেবে জানে। যদিও তাদের কাছে “দাসত্ব” আসলে যে কি বস্তু, খায় না মাথায় দেয় সেটা পরিষ্কার না। আবার মজার ব্যাপার হল এই লোকগুলাই আবার “অ-দাসদের” সন্দেহের চোখে দেখে, একটা ঘিনঘিনে অবজ্ঞার ভাব নিয়ে অ-দাসদের দিকে তাকায়, দাসের মগজ দিয়ে ওদেরকে ঠিক বুঝা যায়না কিনা।
বিস্তারিত»ফরিয়াদ
আধা বর্বর থুড়ি আধা পরিবাহী
তড়িচ্চুম্বকীয় আবু গারিবের ফরিয়াদ
কানে তোলো কিচিরমিচির
এত কষ্ট দিও না নিউরন রেটিনাকে
ক্যাথোড গামা কাপড় খুলে
এলইডি পরালেই চলবে না
অবরোধ তুলে নিতে হবে
ঘাস ফুল মৌমাছি থেকে
নির্বাসন থেকে ফিরিয়ে আন
ফড়িং আর সব প্রজাপতি।
অণু কবিতাঃ এক
এক
এক চুমুতে আগুন জ্বলে
দুই চুমুতে ধূপ
তিন চুমুতে রক্তে দ্রোহ
চার চুমুতে চুপ।।
দুই
ইলেকট্রিক কম্বল কত উষ্ণতা দেবে বলো
প্রেয়সী যখন দূরতম দ্বীপে একা??
তিন
চুমুর চকাসে নিস্তব্ধতা ভাঙে, ভোরের কুয়াশায়!
চার
পূর্বে কাজল চোখে জল,
পশ্চিমে নির্ঘুম রাত।।
বিস্তারিত»মর্মান্তিক প্যাথেটিক
সামনেই রিইউনিওন। পুরোনো অনেক কথা মনে পড়তেছে বিভিন্ন সিচ্যুয়েসনে,গল্পে গল্পে। কিছু গল্প শোনা, বেশীর ভাগই প্রত্যক্ষ করা।
১) ক্লাস সেভেনের ১ম প্যারেন্টস ডে। সবার প্যারেন্টস আসল। শুধু আমি আর মুসফিক রুমে চুপচাপ বসে আছি। আমার খুবই মন খারাপ। প্যারেন্টস আসে নাই তাতে নাকি সবার প্যারেন্টস আসল শুধু আমার আসে নাই তাতে, কোনটা তে যে বেশী খারাপ লাগতেছে ঠিক বুঝতেছি না। আর মুসফিকের প্যারেন্টস আসবে না সেটা আগেই জানানো ছিল।
বিস্তারিত»“দি ভ্যালি অফ দি উল্ফ” – ইন বাংলাদেশ!!!
এইসব কেন লিখি? কিজন্য লিখি, কাদের জন্যই বা লিখি? হয়তো নিজের জন্যই শুধু লেখা। না লিখে চুপ করে থাকলে নিজেকে কেন যেন অপরাধী বলে মনে হয়। বোবা-মুখ হয়ে সময় পার করা? সেতো অনেকেই করছেন। যারা একটু উচ্চবাচ্য হবার চেষ্টা করছেন তাদেরকে গালিগালাজ শুনতে হচ্ছে, নিষেধাজ্ঞা মানতে হচ্ছে, হয়রানী-হুমকি-ধামকিও সহ্য করতে হচ্ছে। সংঘবদ্ধ প্রতিবাদও কেউ করছেন না সেইসবের। সবাই যেন গা বাঁচিয়ে চলতে চায়। পাছে আমাকেও অশ্রাব্য গালি শুনতে হয়!
বিস্তারিত»রাধাকথন- ১১
চিঠির মতো দুস্তর কিছু না,
বর্তে যাই
মামুলি কিছু এসএমএস পেলে’-
চুমোয় ভরা ক’টা মিসকল
কি ক্ষতি দুচারটা লাইক
ফেস কিংবা বুকে
কী অসুখে
তোর হাত ছুঁলাম কালা!
হোস্টেলের বিছানায়
কবরী হয়ে গাইছি
‘সে যে কেন এলো না’
খান্দান
রূপার নানীজান সালেহা খাতুন উনিশ থেকে বিশ বলতে পারতেন না, বলতেন উনিশ থেকে বিনিশ! এই নিয়ে বাড়ীর বছুইরা কামলারা পর্যন্ত হাসাহাসি করে আড়ালে আবডালে। কিন্তু ঐ পর্যন্তই! তার সামনে চোপা খুলবে এমন সাহস ছনকান্দা গ্রামে কারোরই নাই। নানীজান পান থেকে চূণ খসা বুঝাতে গেলেই বলছেন উনিশ থেকে বিনিশ!
শারীরিক উচ্চতায় খানিক ঘাটতি থাকলেও রূপার নানা জমির মুনশীকে রীতিমত সুপুরুষ বলা চলে। দুধ মাখন খাওয়া চকচকা শরীর তার।
বিস্তারিত»চুম্বনের স্বাদ
চুম্বনের স্বাদ
———— ড রমিত আজাদ
আনত নয়নের তলে মিশে থাকা উদগ্র বাসনা,
তুলে ধরে পানপাত্র নেশাগ্রস্ত অধর মদিরার,
সর্বাঙ্গে গাহিয়া ওঠে গান প্রাচীন ঝর্ণার,
ধরা দিয়ে বাহুডোরে তৃষিত হৃদয় রাখে অধরে অধর।
কঠিন দেহের আলিঙ্গনে দুটি কোমল কুসুম,
হৃদয়ের ব্যকুলতা বাসনা হয়ে মিশেছে অধর মিলনে,
ঘণিভূত কুয়াশা ঝরেছে শিশির হয়ে ওষ্ঠদ্বয়ের স্পর্শরেখায়,
প্রণয়ে লাজ ভেঙে সজল আবেগে হয়েছে বিলীন ঐ চুম্বনের স্বাদে।
তারুন্য
বার্থডে আসে বার্থডে যায় বয়স বাড়ে দেহের।
মনের বয়স কি বাড়ে?
মনের বয়স বাড়তে যেমন বার্থডে লাগে না। তেমনি আবার শত বার্থডেতেও কারো কারো মনের বয়স বাড়ে না।
বার্থডে যতই আসুক না কেন, মনের বয়স থেমে থাক একজায়গাতেই।
কলেজে থাকতে আমাদের অনেকেরই লিখালিখির গুরু ছিলেন এন্ডু অলক কুমার দেওয়ারী ভাই। তার উৎসাহে, প্ররোচনায়, আদেশে, প্রশ্রয়ে কবিতা লিখায় হাতে খড়ি তখন।
বিস্তারিত»মেডিক্যাল! মেডিক্যাল!!
বছর কয়েক আগের ঘটনা। এক ব্যাংকে গেছি কি এক কাজে। ম্যানেজারের রুমে বসে আছি। দেখি এক বাবা-মা মেয়েসহ এলেন। নিজেদের সব সঞ্চয় তুললেন।
কিছুক্ষণ পর মেয়েটার নানা এলেন। সাধারন বেশভুষার মানুষ। প্যাকেটে করে আনা অনেক গুলো ৫০০ টাকার নোট তুলে দিলেন নাত্নির হাতে।
আরও কিছুক্ষণ পর মেয়েটার দাদা এলেন। আরও কিছু টাকা তুলে দিলেন।
মোট দরকার সাড়ে সাত লাখ।
বিস্তারিত»বাঙ্গালনামা
অনেক অনেক দিন আগের কথা। রাম-রাবণের যুদ্ধ সবে শেষ হয়েছে। স্বর্ণলঙ্কা পুড়ে ছাই। বিজয়ীরা কেউ রং ছিটাচ্ছে, কেউ পটকা ফোটাচ্ছে, কেউবা আবার রংমহলে আনন্দ উল্লাসে মাতোয়ারা। চারিদিকে বিজয়ী পক্ষের বীরদেরকে নানান মাপের পুরষ্কার প্রদান ও গ্রহনের ছড়াছড়ি চলছে। আনন্দ আর উত্তেজনার আতিশয্যে দেবতাগনও একফাঁকে কয়েকজনকে অমর বর দিয়ে দিলেন। একবার এই বর পেলে তাঁকে আর কোনোদিন মরতে হবে না। হনুমান থেকে শুরু করে বিভীষণ পর্যন্ত অনেকেই পেয়ে গেলেন সেই অমূল্য বর।
বিস্তারিত»প্রবাসে প্রাকৃতজন: পরিবেশ পরিচিতি (১ম ভাগ)
পূর্বের পর্ব: প্রবাসে প্রাকৃতজন: যাত্রা পর্ব – The Exodus
ডাক্তারের রুম থেকে বেরিয়ে আমাদের লাগেজ সংগ্রহ করে বেরিয়ে এলাম । এখন যাবো মাসুমের বাসায়, সে থাকে ইষ্ট লন্ডনের বেথনাল গ্রীন এলাকায়। ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে সার বেঁধে দাঁড়ানো অনেক ট্যাক্সি। নিয়মানুযায়ী সবার সামনে দাঁড়ানো ট্যাক্সির ড্রাইভার আমাদেরকে নিতে বাধ্য। কিন্তু গন্তব্য শুনেই বলল যে, সে যাবেনা। তবে আমরা কিছু বলার আগে সেই তাড়াতাড়ি বলল,
বিস্তারিত»প্রেমের প্রথম পাঠ
যতই বলো ডাকবে না
যতই বলো থাকবে না
যতই বলো আসবে না
কাছে,
আড়কাঠিটা নামিয়ে নিয়ে
পর্দাগুলো সরিয়া দিয়ে
যদি আমি যাই বেরিয়ে
পাছে?
চোখ রেখেছো দরজায়
চোখ রেখেছো আলনায়
মন কি তোমার বিছানায়
আছে?
সংশয় ঘুচিয়ে দিয়ে
সংকোচ মুছিয়ে নিয়ে
এইতো এলে এগিয়ে
কাছে।
ভালবাসার সুরভী
তুমি আমার সবুজ চায়ে সোনালী মধু
শীতের ভোরে পথের মোড়ে ভাঁপা পিঠা, তিলের নাড়ু
তুমি আমার হারিয়ে যাওয়া চুলের ফিতা
নাকছাবি আর আলতা চুড়ি, নখের পালিশ
তুমি আমার মেঘের দুপুর, সবুজ পিরান, কাজলদানি
পথ হারিয়ে আবার পাওয়া অচিনপুরে
তুমি আমার দুরন্ত চিল, এক লহমায় কোন সুদূর
তুমি আমার শুন্য ঘরে একলা থাকা ঝিম দুপুর
তুমি আমার ঘুঘুর ডাকে মন উদাসী,
বকর-ব্লগর
কিছু মানুষ অতীত নিয়ে পড়ে থাকে, অনেক চিন্তা করে দেখলাম আমিও মনে হয় সেই দলে। শীত আসছে, আর সেই সময়ে আমিও শীত আগে কেমন ছিল সেই চিন্তায় পড়ে আছি। সকাল বেলায় বের হতেই হালকা যেই বাতাসটা গায়ে লাগে সেই বাতাসটা কত বছর আগের ঠিক কোন সময়কার কথা মনে করিয়ে দেয় সেই হিসাব খুলে বসি। বলা চলে, নিজের অজান্তেই এসব শুরু হয়। শীতের শুরুর দিকে কলেজের স্টোর থেকে দুটো কম্বল দিত।
বিস্তারিত»