মহাশয় হাউজ কাঁপিয়ে চিৎকার দিয়ে উঠেন “চিয়ারের পাইয়া ধরে শুয়ে পড় বাপু ” অগত্যা হারাধনের তিন ছেলে নীল রঙা স্লিপিং ড্রেসে রঙ চটা সবুজ কার্পেটের জমিনে নিজের বুক বিছিয়ে দেয়, শক্তহাতে চেয়ারের পায়া ধরে দাঁত চেপে অপেক্ষা করে, শাল কাঠের বেতের বাড়ি খাওয়ার জন্য। ঘাস পোকাকে আমরা শয়তানের ঘোড়া বলতাম, গরমকালে যখন শয়ে শয়ে শয়তানের ঘোড়া আমাদের নাগালে এসে ধরা দিত, ধরে ধরে আমরা ভার্জিনের ক্যান ভর্তি করতাম।
বিস্তারিত»বনজোভির “ইটস্ মাই লাইফ” – শোনার পর
কারো অন্তিম যাত্রায় যতবার গোরস্তানে গিয়েছি
সব কাজ ফেলে রেখে
কেবলই শবভোজী পোকাগুলোর সাথে গল্প করতে,
আড্ডা জমাতে ইচ্ছা হয়েছে প্রবল।
ওদের কাছে যে অনেক প্রশ্ন আমার –
ওদের কাছ থেকে জানতে ইচ্ছা হয়েছে বার বার:
এই টাটকা লাশটির চর্ম-মাংশ-অস্থি-মজ্জার
ঠিক কোন কোন অংশ
কতটা প্রিয়, তাদের কার?
ওদেরও হয়তো পরিভাষা আছে,
মানব শবের
রান-থান-সীনা-নলী-গিলা-কলিজা
বর্ননার।
অনুব্লগঃ বেবীবুম
শোনা যায়, যে যে বছর বিশ্বকাপ হয়, তার পরবর্তি বছরের মার্চ-এপ্রিলে নাকি পৃথিবী জুড়ে বেবীবুম ঘটে।
আদর করে অনেকে এই বেবীগুলোকে “ওয়ার্ল্ডকাপ বেবী” বলেও ডাকেন।
*** *** *** ***
গত সপ্তাহে যুদ্ধোপরাধের রায় নিয়ে একের পর এক যেভাবে হরতাল চলছে, তাতে আগামি বছর জুলাই-এর দিকে আরেকটা বেবীবুম দেখা দিলে তার দায় নেবে কে?
মাননীয় স্পীকার, সংসদের কাছে প্রশ্ন –
বিস্তারিত»নোনাজল
এই পুষ্পনগরীতে
একদিন বিচরণ ছিলো আমাদেরও।
সন্ধ্যার মেঘমালায়
বুকে মাথা রেখে
কান্নায় ভাসাতাম
কত রাত!
রাতজাগা দুটি পাখি
অনায়াসেই নির্ঘুম অপেক্ষায়
গুনতো ক্লান্তিহীন প্রহর।
ভোরের অন্ধকার মাড়িয়ে
একরাশ আলো নিয়ে সাথে
ফিরতাম রোজ তার কাছে –
পথ চেয়ে থাকা
নিষ্পলক চোখের নোনাস্রোত তার
যখন যেতো শুকিয়ে!
বিস্তারিত»অ-দাস
দাসত্ব আমাদের সমাজে একটা ঋণাত্বক শব্দ। চিন্তায়, কাজে, এমনকি শরীরেও আকণ্ঠ দাসত্বে ডুবে থাকা একটা মানুষও চিন্তা করার সময় “দাসত্ব” ব্যাপারটাকে খারাপ হিসেবে জানে। যদিও তাদের কাছে “দাসত্ব” আসলে যে কি বস্তু, খায় না মাথায় দেয় সেটা পরিষ্কার না। আবার মজার ব্যাপার হল এই লোকগুলাই আবার “অ-দাসদের” সন্দেহের চোখে দেখে, একটা ঘিনঘিনে অবজ্ঞার ভাব নিয়ে অ-দাসদের দিকে তাকায়, দাসের মগজ দিয়ে ওদেরকে ঠিক বুঝা যায়না কিনা।
বিস্তারিত»ফরিয়াদ
আধা বর্বর থুড়ি আধা পরিবাহী
তড়িচ্চুম্বকীয় আবু গারিবের ফরিয়াদ
কানে তোলো কিচিরমিচির
এত কষ্ট দিও না নিউরন রেটিনাকে
ক্যাথোড গামা কাপড় খুলে
এলইডি পরালেই চলবে না
অবরোধ তুলে নিতে হবে
ঘাস ফুল মৌমাছি থেকে
নির্বাসন থেকে ফিরিয়ে আন
ফড়িং আর সব প্রজাপতি।
অণু কবিতাঃ এক
এক
এক চুমুতে আগুন জ্বলে
দুই চুমুতে ধূপ
তিন চুমুতে রক্তে দ্রোহ
চার চুমুতে চুপ।।
দুই
ইলেকট্রিক কম্বল কত উষ্ণতা দেবে বলো
প্রেয়সী যখন দূরতম দ্বীপে একা??
তিন
চুমুর চকাসে নিস্তব্ধতা ভাঙে, ভোরের কুয়াশায়!
চার
পূর্বে কাজল চোখে জল,
পশ্চিমে নির্ঘুম রাত।।
বিস্তারিত»মর্মান্তিক প্যাথেটিক
সামনেই রিইউনিওন। পুরোনো অনেক কথা মনে পড়তেছে বিভিন্ন সিচ্যুয়েসনে,গল্পে গল্পে। কিছু গল্প শোনা, বেশীর ভাগই প্রত্যক্ষ করা।
১) ক্লাস সেভেনের ১ম প্যারেন্টস ডে। সবার প্যারেন্টস আসল। শুধু আমি আর মুসফিক রুমে চুপচাপ বসে আছি। আমার খুবই মন খারাপ। প্যারেন্টস আসে নাই তাতে নাকি সবার প্যারেন্টস আসল শুধু আমার আসে নাই তাতে, কোনটা তে যে বেশী খারাপ লাগতেছে ঠিক বুঝতেছি না। আর মুসফিকের প্যারেন্টস আসবে না সেটা আগেই জানানো ছিল।
বিস্তারিত»“দি ভ্যালি অফ দি উল্ফ” – ইন বাংলাদেশ!!!
এইসব কেন লিখি? কিজন্য লিখি, কাদের জন্যই বা লিখি? হয়তো নিজের জন্যই শুধু লেখা। না লিখে চুপ করে থাকলে নিজেকে কেন যেন অপরাধী বলে মনে হয়। বোবা-মুখ হয়ে সময় পার করা? সেতো অনেকেই করছেন। যারা একটু উচ্চবাচ্য হবার চেষ্টা করছেন তাদেরকে গালিগালাজ শুনতে হচ্ছে, নিষেধাজ্ঞা মানতে হচ্ছে, হয়রানী-হুমকি-ধামকিও সহ্য করতে হচ্ছে। সংঘবদ্ধ প্রতিবাদও কেউ করছেন না সেইসবের। সবাই যেন গা বাঁচিয়ে চলতে চায়। পাছে আমাকেও অশ্রাব্য গালি শুনতে হয়!
বিস্তারিত»রাধাকথন- ১১
চিঠির মতো দুস্তর কিছু না,
বর্তে যাই
মামুলি কিছু এসএমএস পেলে’-
চুমোয় ভরা ক’টা মিসকল
কি ক্ষতি দুচারটা লাইক
ফেস কিংবা বুকে
কী অসুখে
তোর হাত ছুঁলাম কালা!
হোস্টেলের বিছানায়
কবরী হয়ে গাইছি
‘সে যে কেন এলো না’
খান্দান
রূপার নানীজান সালেহা খাতুন উনিশ থেকে বিশ বলতে পারতেন না, বলতেন উনিশ থেকে বিনিশ! এই নিয়ে বাড়ীর বছুইরা কামলারা পর্যন্ত হাসাহাসি করে আড়ালে আবডালে। কিন্তু ঐ পর্যন্তই! তার সামনে চোপা খুলবে এমন সাহস ছনকান্দা গ্রামে কারোরই নাই। নানীজান পান থেকে চূণ খসা বুঝাতে গেলেই বলছেন উনিশ থেকে বিনিশ!
শারীরিক উচ্চতায় খানিক ঘাটতি থাকলেও রূপার নানা জমির মুনশীকে রীতিমত সুপুরুষ বলা চলে। দুধ মাখন খাওয়া চকচকা শরীর তার।
বিস্তারিত»চুম্বনের স্বাদ
চুম্বনের স্বাদ
———— ড রমিত আজাদ
আনত নয়নের তলে মিশে থাকা উদগ্র বাসনা,
তুলে ধরে পানপাত্র নেশাগ্রস্ত অধর মদিরার,
সর্বাঙ্গে গাহিয়া ওঠে গান প্রাচীন ঝর্ণার,
ধরা দিয়ে বাহুডোরে তৃষিত হৃদয় রাখে অধরে অধর।
কঠিন দেহের আলিঙ্গনে দুটি কোমল কুসুম,
হৃদয়ের ব্যকুলতা বাসনা হয়ে মিশেছে অধর মিলনে,
ঘণিভূত কুয়াশা ঝরেছে শিশির হয়ে ওষ্ঠদ্বয়ের স্পর্শরেখায়,
প্রণয়ে লাজ ভেঙে সজল আবেগে হয়েছে বিলীন ঐ চুম্বনের স্বাদে।
তারুন্য
বার্থডে আসে বার্থডে যায় বয়স বাড়ে দেহের।
মনের বয়স কি বাড়ে?
মনের বয়স বাড়তে যেমন বার্থডে লাগে না। তেমনি আবার শত বার্থডেতেও কারো কারো মনের বয়স বাড়ে না।
বার্থডে যতই আসুক না কেন, মনের বয়স থেমে থাক একজায়গাতেই।
কলেজে থাকতে আমাদের অনেকেরই লিখালিখির গুরু ছিলেন এন্ডু অলক কুমার দেওয়ারী ভাই। তার উৎসাহে, প্ররোচনায়, আদেশে, প্রশ্রয়ে কবিতা লিখায় হাতে খড়ি তখন।
বিস্তারিত»মেডিক্যাল! মেডিক্যাল!!
বছর কয়েক আগের ঘটনা। এক ব্যাংকে গেছি কি এক কাজে। ম্যানেজারের রুমে বসে আছি। দেখি এক বাবা-মা মেয়েসহ এলেন। নিজেদের সব সঞ্চয় তুললেন।
কিছুক্ষণ পর মেয়েটার নানা এলেন। সাধারন বেশভুষার মানুষ। প্যাকেটে করে আনা অনেক গুলো ৫০০ টাকার নোট তুলে দিলেন নাত্নির হাতে।
আরও কিছুক্ষণ পর মেয়েটার দাদা এলেন। আরও কিছু টাকা তুলে দিলেন।
মোট দরকার সাড়ে সাত লাখ।
বিস্তারিত»বাঙ্গালনামা
অনেক অনেক দিন আগের কথা। রাম-রাবণের যুদ্ধ সবে শেষ হয়েছে। স্বর্ণলঙ্কা পুড়ে ছাই। বিজয়ীরা কেউ রং ছিটাচ্ছে, কেউ পটকা ফোটাচ্ছে, কেউবা আবার রংমহলে আনন্দ উল্লাসে মাতোয়ারা। চারিদিকে বিজয়ী পক্ষের বীরদেরকে নানান মাপের পুরষ্কার প্রদান ও গ্রহনের ছড়াছড়ি চলছে। আনন্দ আর উত্তেজনার আতিশয্যে দেবতাগনও একফাঁকে কয়েকজনকে অমর বর দিয়ে দিলেন। একবার এই বর পেলে তাঁকে আর কোনোদিন মরতে হবে না। হনুমান থেকে শুরু করে বিভীষণ পর্যন্ত অনেকেই পেয়ে গেলেন সেই অমূল্য বর।
বিস্তারিত»