বুলশীট

[এই লেখাটি কেবলমাত্র প্রচন্ড নিরাবেগ, স্থিরবুদ্ধি এবং চিন্তাশীল ক্যাডেটদের জন্যে…কাজেই, আমার মতন আউলা ঝাউলা পাবলিকরা ফুটতে পারেন!!!!!!!!!]
প্রারম্ভঃ
আমি আগেই বলেছিলাম…[আমি আবারও কিছু বলিতে পারিলামনা-৭ (শেষ পর্ব)]…প্রত্যেকটি ক্যাডেটের মাঝেই একটা দ্বৈতসত্ত্বা বাস করে।
নিজেকে দিয়েই আমি ব্যাপারটা পুরোপুরি উপলব্ধি করি…
প্রতিটা ক্যাডেটই একই সাথে…casual & serious; অলস আবার শেষ রাইতে ঠিকই বাড়ি দিয়া পইড়া ফেলায়…; চরম ইনফরমাল আবার একইসাথে ফরমালিটির বিশাল বস!!!!!
কিন্তু…আমি একটি কথা পুরোপুরি বিশ্বাস করি…
MY STUDY AT CADET COLLEGE HAD BEEN A GREAT WASTAGE………!!!!!!!!!!!
ওয়েল, ব্যাপারটা কিন্তু কেবল আমাকে নিয়ে নয়, ইন ফাক্ট,আমার কমেন্টটা আসলে সো কল্ড সকল ক্যাডেটকে নিয়েই (keeping all/full respect to my seniors…and no hard feelings for my juniors!!!)
আমার সাথে সহমত হলে…আপনার আর আমার লেখাটি পড়ার দরকার নেই, থ্যাংক ইউ!!!!!!!!!!
কিন্তু, আপনি যদি ভাবেন, আমার সাথে আপনি দ্বিমত পোষণ করেন… আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি…”ষাড়ের হা*!!!!!!!!!!!”

কেসঃ ১
আমি আবারও আগে কোট করা কথাটি বলছি…এবার পুরোপুরি, “MY STUDY AT CADET COLLEGE HAD BEEN A GREAT WASTAGE………FOR THIS NATION!!!!!!!!!!!”
কিন্তু কি ভাবে????
“আমি, কাডেট মোঃ জুলহাস উদ্দিন আহমেদ, কাডেট নং : খ-১৩৮২, খায়বার হাউস, ঝিনাইদহ কাডেট কলেজ, ঝিনাইদহ-তে ১৯৮৮ সালে ভর্তি হয়েছি এবং ১৯৯৪ সালে এইচ এস সি পরীক্ষা শেষে উক্ত কলেজ হতে পাশ করেছি ।
অতঃপর, কিছুদিন এইদিক ওইদিক করিয়া…১৯৯৫ সালের ০৫ জানুয়ারী বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগদান করিয়াছি। বিগত প্রায় সোয়া চৌদ্দ বছর ধরিয়া আমি এই দেশমাতৃকার সেবা করিয়া আসিতেছি।”
ladies and gentlemen……….the above two lines are a statement. but, the fact is………………………..
কাডেট কলেজে পড়ার সুবাদে… আমার শরীরে তো সেই ক্লাস সেভেন থেকেই…জনগণের অর্থ (বাবা মায়েরটা ছাড়াও) রয়েছে…
এবং সেই থেকে আজ পর্যন্ত আমি শুধু এই দেশ থেকে নিয়েই যাচ্ছি… এই গরীব দেশটিকে আমি কি আসলেই কিছু দিয়েছি??????!!!!!!
মাঝে মাঝে মনে হয়…বোধহয় কিছু অন্ততঃ দিয়েছি।
কিন্তু…ঐ যে বলেছিলাম…দ্বৈতসত্ত্বা!!!
সে কিন্তু ঠিকই বলে…”ষাড়ের হা*!!!!!!!!!!!”

কেসঃ ২
আমরা কিন্তু প্রায় সকল ফোরাম, আলোচনা, আড্ডা… ইত্যাদিতে নারী, চাকুরী, বউ, বাচ্চা…আবার নারী…খেলাধুলা…আবার নারী…ইত্যাদির পাশাপাশি যে জিনিসটা সবচেয়ে বেশী করি…সেটা হল দেশ উদ্ধার।
এই দেশটার কিছু হলোনা… অমুকে দেশটাকে বিক্রী করে দিলো…আবার অমুকে সেটা কিনে নিলো…আর বলিসনা…এদেরকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না…এই না… সেই না…চায়ের কাপে পুরাপুরি “নার্গিস” তুলতে আমরা ওস্তাদ।
কিন্তু, আমি নিজেও ত কখনো এই দেশটা বদলানোর জন্যে কিছু করলাম না!!!!!!!!!!!!!
সেই আমি যখন আমার বউকে বলি…”জান্টুস, পুন্টুস…এই *********রা দেশটাকে নস্ট করে ফেললো”
আমার ছেলে (মনে করি সে সব বোঝে) কি তখন অন্ততঃ মনে মনে হলেও বলে না…”ষাড়ের হা*!!!!!!!!!!!” ??????
[উপরের টুকুর থিমটা হিন্দী “নায়ক” ছবি থেকে নেয়া, তবে আমার মনে হয়, পুরোপুরি আমাদের সাথে মেলে]

কেসঃ ৩
প্রতি বছর দশটা কাডেট কলেজ থেকে প্রায় কমপক্ষে ৫০০ ক্যাডেট পাশ করে বের হয়।
সেই হিসাবে আজ পর্যন্ত কতজন ক্যাডেট পাশ করেছে??? কেবল স্বাধীনতার পরের বছরগুলি ধরলেই হয় মিনিমাম ‘১৯৭২ থেকে ২০০৮, ৩৬*৫০০=১৮,০০০ জন’, তাই নয় কি?
আর স্বাধীনতার আগের কি ২০০০ জনও হবেন না? তাহলে কত হয়?? ২০,০০০ জন?????????????????????
এটা দেশকে এগিয়ে নিতে আর কতজনকে দরকার??? আমরা-ই তো পারি???!!!!!!!!!!!!!!!
কিন্তু…ঐ যে বলেছিলাম…দ্বৈতসত্ত্বা!!!
আমরা একইসাথে দেশকে নিয়ে ভাবি… কথা বলি… আবার চিন্তা করি, দেশটাকে আমি নয়… অন্য কেউ এসে উদ্ধার করে দিয়ে যাবে।
যতসব…”ষাড়ের হা*!!!!!!!!!!!”

কেসঃ ৪
আমাদের কলেজের একটা অ্যাসোশিয়েশন আছে…আমার বিশ্বাস, সবাই-ই জেক্সা (JEXCA) কে চিনেন।আমাদের এই অ্যাসোশিয়েশনটার আজ পর্যন্ত সর্বোচ্চ সফল কাজ হলো একটা ফ্রী ফ্রাইডে ক্লিনিক…, নিয়মিত পিকনিক এবং অ্যাসোশিয়েশন-এর নির্বাচন করা…আর রি-ইউনিয়ন করা।
এ ছাড়া আমরা, জেক্সা মেম্বার-রা এই দেশের জন্যে আর কি করেছি?????
“ষাড়ের হা*!!!!!!!!!!!”
ওয়েল, অন্য কলেজগুলি নিয়ে বোধহয় তাদের কেউ-ই ভাল বলতে পারবেন। তবে, আমি যতটুকু জানি…অর্কা (ORKA) এবং একক (ECOC) হয়ত বা কিছু একটু করে। আমি সরি, অন্যগুলি সম্পর্কে আমার তেমন কিছু জানা নেই…
আমরা…, এতগুলি কলেজের এতগুলি ক্যাডেট…, আমাদের কি এতদিনে এই দেশের জন্যে আরো বেশী কিছু করার কথা ছিল না???
কেউ যদি ভেবে থাকেন… হি হ্যাজ ডান এনাফ… আমি বলবো…”ষাড়ের হা*!!!!!!!!!!!”

কেসঃ ৫

[যদিও আমার কখনোই কোন রাজনৈতিক বিষয়ে কথার কথা নয়… বলা উচিতও নয়…তবুও… অতীত স্মৃতি রোমন্থন করতে তো আর দোষ নেই!!]
আমি যখন নেভী থেকে বুয়েট-এ পড়তে যাই…তখন আমার কোন এক রুমের দুই সিনিয়র রুমমেট-ই রাজনীতি করতেন। এডুকেটেড এনভারণমেন্ট-এ যা হয়, দুইজন দুই দল করলেও তারা খুবই ভালো বন্ধু।
একদিন, কোনএক কারণে আমাদের রুম-এ খুব সিরিয়াস আলোচনা চলছিলো…কোন দলের লোকেরা ভালো… কোন দলের আদর্শ ভাল…ইত্যাদি, ইত্যাদি।
তখন হঠাৎ কেন জানিনা দুই জনেই ভীষণ খেপে উঠলেন…মোটামুটি মার মার কাট কাট অবস্থা আর কি…
কপাল ফাটা হলে যা হয়…তারা হঠাৎ আমাকে জিজ্ঞেস করলেন…”সৈকত…তুমি বলো তো!!!”
আল্লাহর রহমত, আমার কিছু বলা লাগে নি… আমার আরেক রুমমেট-ই বলেছে…
“***ভাই, এবং ***ভাই, আমি কিন্তু আপনাদের কারও মতের সাথে-ই একমত হতে পারলাম না।
আমার মনে হয়, আপনাদের এই দুই দলের কারোর-ই আদর্শ ঠিক নেই।
বাংলাদেশ-এ কোন রাজনৈতিক দলের যদি আদর্শ ঠিক থেকে থাকে, তবে সেটা হলো **** ****”
আমিসহ তিনজন-ই তাকে একসাথে বলে উঠেছি…”ষাড়ের হা*!!!!!!!!!!!”
জবাবে সে বললো, “দেখেন, ওই দলটার আদর্শটা দেখেন…, বাংলাদেশ-এর জন্ম থেকে তারা এর বিপক্ষে…এবং তারা আজ পর্যন্ত সেই মতাদর্শই ধরে রেখেছে!!!!!!! আর আপনাদের দুই দলের নেতা নেত্রীরা পা চাটা *** মত ক্ষমতায় যাবার লোভে প্রতিবারেই কেউ না কেউ তাদেরকে সাথে নিয়েছে।
এবার আপনারা-ই বলেন…কোন দলের লোকেরা ভালো??????????… কোন দলের আদর্শ ভাল?????????”

কেসঃ ৬
বিগত পর্বে একটি কথা বলেছিলাম…টোটাল নাম্বার অফ ক্যাডেটস নিয়ে।
আমরা যদি ২০,০০০-এও ফিক্সড থাকি… তাহলেও পরের হিসাবটা যে কেউই করে ফেলতে পারবেনঃ
আমাদের ক্যাডেটদের মাঝে অনেকই খুব ভাল পর্যায়ে আছেন। সামরিক বাহিনী, ইঞ্জিনিয়ারিং,ডাক্তারী, পুলিশ বিভাগ, প্রশাসন, শিক্ষকতা, ব্যবসা, বিচার বিভাগ, কোথায় নেই?? (কেউ যদি বাদ পড়ে থাকেন…সরি!)
কিন্তু, আমাকে কেউ কি বলতে পারবেন, রাজনীতি-তে আমাদের কেউ আছেন কি?????
আমি (আমাদের মাঝে) যারা সংস্কৃতি/মিডিয়াতে কর্মরত তাদেরকে আলাদা করে ফেলতে চাই। কারন, তারা-ই বোধহয় “পরিবর্তনের জন্যে দৃশ্যমান” কিছু করে চলেছেন।
আর অন্যরা,………
আমাদের সবার-ই স্টেজ-এর পিছনে কাজ করে অভ্যাস খারাপ হয়ে গিয়েছে…এখন সামনে আসতে তাই আমরা…*** বোধ করি।
এর পরেও যদি কেউ আমার সাথে দ্বিমত পোষণ করেন…আমি তাকে আবারও বলবো, “ষাড়ের হা*!!!!!!!!!!!…

কেসঃ ৭
আমি জানি…, একতাই বল… এই নীতি দিয়ে আর যাই হোক…, আমার মতন পাবলিক-কে কেউই কোন ব্যবসায় পার্টনার করতে পারবে না।
তাহলে, আমি কি কোন কিছুতেই মোটিভেটেড হবো না?????
ওয়েল, সেই চিন্তা আমি নিচ্ছি কেনো? আমার সিনিয়র-রা সানাউল্লাহ ভাই/এডিসন ভাই/শওকত ভাই/ইউসুফ ভাই/ফয়েজ ভাই কিংবা বোদ্ধা জুনিয়ররা…আলম/রায়হান/সামিয়া/জুনায়েদ/সায়েদ/মোহাম্মদ/কামরুল/মাসরুর/শার্লী/বন্য/নাজমুল/তৌফিক ইত্যাদি সবাই (কেউ যদি বাদ গিয়ে থাকো… তোমরা নিশ্চয়ই ইউসুফ ভাইয়ের শ্যালিকা-র জন্যে সিরিয়াল দিতে গিয়ে দেরী করেছো বলে আমার বিশ্বাস!!) আছেন না ??? (actually who not!)
[you know, desh rokkhar kaje eto busy thaki je……. ei shob motivation totivation niye kotha bolar moto time is not available for me??]
কাজেই, আসুন…আসো… আমরা শুরু করি।
আমরা অবশ্যই পারবো!!!
লেট আস ডু সামথিং সিরিয়াসলি।
অনেক সময় চলে গিয়েছে…
আর কারও জন্যে অপেক্ষা না করে…আসুন আমরা নিজেরা-ই দিনটাকে/দেশটাকে গোছানো শুরু করি।
এর পরেও আমার জুনিয়র যারা রয়েছ…… তাদের মধ্যে কেউ যদি বলো… (কিংবা সিনিয়রদের মাঝে কেউ যদি ভেবে থাকেন)
“WE GOT NOTHING TO START WITH FOR CHANGING THIS POOR COUNTRY”
অথবা “SOMEBODY ELSE GOT TO START THE CHANGE FIRST”
অথবা,”WHERE IS THE MONEY TO START WITH? YOU KNOW, MONEY IS REQUIRED EVERYWHERE…EVERY TIME!!!!!!!!!”
আমি তাকে আবারও বলবো, “ষাড়ের হা*!!!!!!!!!!!”
বাই নেম না বললেও আমার কলেজের-ই মিনিমাম ২০০ জন কে খুঁজে বের করা যাবে… যারা কোটিপতি। এবং আমি শিওর…একই গল্প প্রতিটি কলেজের-ই।
তাই, আমার বিশ্বাস, আমি যদি গড়ে “পাশ করা” প্রতিটি ক্যাডেটের সম্পদের অর্থমুল্য ৫,০০,০০০ (পাঁচ লক্ষ টাকা মাত্র) ধরি, তাহলে ভুল হবে না (নব্য পাশকৃতরা কিংবা নতুন ডিফেন্স-এ জয়েন করা-রা হতাশ হয়ো না…তেরা নাম্বার ভি জরুর আয়েগা!!!!)
তো, পাশ করা আমাদের এই ২০,০০০ জনের মোট সম্পদের অর্থমুল্য কত হয়????
২০,০০০*৫,০০,০০০=১০,০০,০০,০০,০০০/ (এক হাজার কোটি টাকা মাত্র)
কাজেই, আপনারা যারা আমার সকল কথার সাথে দ্বিমত পোষণ করে এতক্ষণ ধরে এই পড়াটি পড়ছেন…আপনাদের কি এখনো মনে হয় না… “YES, WE CAN”???
যদি না হয়…
আমি তাকে আবারও বলবো, “ষাড়ের হা*!!!!!!!!!!!”

কেসঃ ৮
আমরা তা হলে কি নিয়ে শুরু করবো? কবে শুরু করবো? কারা কারা শুরু করবো? কি ভাবে শুরু করবো? আসলে আমরা কি করবো??????
আমি জানি, এই রকম হাজার হাজার হতাশার “বাবলস” ইতিমধ্যেই আমাদের মাঝে শুরু হয়েছে…
মিথ্যে বলে লাভ নেই… আমি নিজেও কিন্তু চরম একটা অস্থিরতার মাঝে দিয়ে যাচ্ছি…
মনে হচ্ছে…যা করছি…ঠিক করছি কি?
আমার মনে হয়, প্রতিটি শুরু-তেই এই রকম হয়…
মনে আছে, প্রথম যখন প্রেম-এ পড়ি…এই রকম-ই বোধহয় হয়েছিলো (ওয়েল, অনেক বছর আগের কথা তো, তা প্রায় মিনিমাম ত্রিশ বছর তো হবেই…সব কি আর মনে পড়ে রে ভাই!!!)
কিন্তু, ওই যে,
“আমরা পোংটা, *****-এর দল…
আমরা কাডেট দল…।
মোদের পায়ের তলায় ছিলো প্যারেড গ্রাউন্ড…
উর্ধ্বে ছিলো *** ***-এর *** বল (ক্লাস সেভেন-এ আমাদের হাইট কম ছিলো না!)
আমরা কাডেট দল…।”
আমার মনে হয়, আমরা ঠিকই শুরু করতে পারবো
কাজেই, আপনারা যারা আমার সকল কথার সাথে দ্বিমত পোষণ করে এতক্ষণ ধরে এই পড়াটি পড়ছেন…(এবং এই ব্লগের এডু/মডু ভাইয়েরা/বোনেরা) আপনাদের কাছে আমার সবিনয় অনুরোধ,…..
আসুন, আমার এই কলাম-টি সবাই মিলে লেখি।
এবং কিছু করি।
যদি রাজী না হন, তাহলে কিন্তু আমি তাকে আবারও বলবো, “ষাড়ের হা*!!!!!!!!!!!”

৫,১১০ বার দেখা হয়েছে

৮৩ টি মন্তব্য : “বুলশীট”

  1. সাকেব (মকক) (৯৩-৯৯)

    লেখা এক পোস্টে সংকলন করাটা বুঝলাম...
    কিন্তু আমাদের কমেন্টের কি হবে? 🙁

    আল্লাহ মনে হয় আসলেই চায়না যে আমি সিসিবিতে কোন সিরিয়াস কমেন্ট দেই...এর আগে সামিয়ার পোস্টে করা কমেন্টটাও মুইছা গেসিল... :((


    "আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
    আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস"

    জবাব দিন
  2. কেন জানি জানি না, আপনের চেহারা দেইখাই মনে হইছিল আপনে নেভি তে।
    পড়ে লেখাটা পইড়া দেখি আসলেই। এইডা কি কুনো ধরনের কোইনসিডেন্স?
    "নৌবাহিনীতে যোগদান করিলাম" এইটুকু পইড়া ব্যাপক অবাক হইছি, এখনো পুরাডা পড়ি নাই, কমেন্ট কইরা এইবার বাকিটুকু পইড়া আসি।

    তয় পুরা ব্যাপারডায় আমি ডরাইছি।

    জবাব দিন
  3. আমাদের কলেজের মির্জাপুর সালাউদ্দিন ভাই (সাবেক এম.পি. ঢাকা-১২ সাভার, ধামরাই) কিন্তু রাজনীতিতে আছেন। কিন্তু খুবই দুঃখের কথা যে, উনাকে আমাদের এলাকায় গত দশ বছর এমপি থাকা অবস্থায় দেখা যায় নাই।

    আর বিএনপি-জামাত জোটে থাকার কারণে উনাকে এইবার ভোটটা না দিতে পেরে আমারও খারাপ লাগছে।

    কিন্তু, আমি মনে করি, ইয়েস, উই ক্যান ডু ইট। আমাদের দিয়ে হবে। আশা ছাড়ি নাই মামা।

    জবাব দিন
  4. জিহাদ (৯৯-০৫)

    মাস্ফ্যু বলেছেনঃ
    ফেব্রুয়ারী ১১, ২০০৯ @ ৮:৫৮ অপরাহ্ন

    বিদেশে এম এস করে ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক বা আই এম এফ এ যোগদান করার ইচ্ছে বাদ দিয়ে অথবা কর্পোরেট সেক্টরে বেশি বেতনে চাকরি করার সুযোগের চেষ্টা না করে(আমি কিন্তু বলছি না যে এদের কোনটা খারাপ) আমি কিন্তু গত বছর মে মাসে পাস করা সত্ত্বেও এখনো পর্যন্ত বিসিএস নিয়েই লেগে আছি।বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে এটা অনেক বড় একটা ঝুঁকি কেননা আমার সহপাঠীরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন কর্পোরেট সেক্টরে মাথা খারাপ করা বেতনে চাকরি করছে।প্রিলিমিনারির রেজাল্ট পাওয়ার পর আমি আমার টিচিং এসিস্ট্যান্টশীপ ছেড়ে দিয়েছি,এম এস এ ভর্তি হয়েছিলাম সেটা থেকেও কিছুদিনের জন্য অব্যহতি নিয়েছি বাবা মা কে না জানিয়ে-যাতে বিসিএস পরীক্ষাটা দিতে পারি ভাল মত।সীমিত মেধা নিয়ে আমার টেকার সম্ভাবনা কতটুকু বলতে পারিনা কিন্তু যদি সত্যি সত্যি আমি টিকে যাই,অন্ততঃ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একটা রাস্কেলের সংখ্যা কমাতে সক্ষম হব নিজের মাধ্যমে।যদি না টিকি তাহলে আমার জীবন থেকে দুই বছর অকারণে হারিয়ে যাবে,কিন্তু পরোয়া করিনা।অন্তত নিজের কাছে সৎ থাকতে পারব যে আমি আমার ক্ষুদ্র সামর্থ দিয়ে চেষ্টা করেছি।

    জুলহাস ভাই, জানি আপনি হাসবেন-আপনার মত দেশের জন্যে নিজের জীবনকে সরাসরি ঝুঁকিতে ফেলতে না পারলেও আমার ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র সামর্থ নিয়ে অন্তত চেষ্টাটুকু আমি করে যাচ্ছি। কি হবে সেটা ভবিষ্যতই বলে দেবে-কিন্তুই লড়াই আমি থামাবো না।

    এ ক্যাডেট নেভার রিট্রিটস,হি নেভার সারেন্ডারস-লিওনিডাসের স্পার্টানদের মত আমাদের জন্যও এই কথা প্রযোজ্য।


    সাতেও নাই, পাঁচেও নাই

    জবাব দিন
  5. জিহাদ (৯৯-০৫)

    সাকেব (মকক) (৯৩-৯৯) বলেছেনঃ
    ফেব্রুয়ারী ১১, ২০০৯ @ ৮:৩৯ অপরাহ্ন

    ভাই,
    গঠনমূলক একটা টপিক তুলে আনার জন্য ধন্যবাদ…
    এর আগে সামিয়াও এই ব্যাপারে একটা পোস্ট দিসিল…

    গরীব দেশের গরীব জনগণের পয়সায় টানা ছয় বছর প্রতি সপ্তাহে পোলাও খেয়ে বড় হওয়া এই আমাদের দায়িত্ববোধটাও বেশি থাকাই বাঞ্ছনীয়…

    আমার মনে হয়, আমরা যার যার আইডিয়া বা জাস্ট ফীলিংস দিয়েও একটা ব্রেইনস্টর্মিং এর মত শুরু করতে পারি…কিছু না কিছু তো একটা বের হয়ে আসবেই…

    আপনি যেহেতু টপিকটা তুলে আনছেন…আপনিই বস আলোচনাটাও শুরু করেন…


    সাতেও নাই, পাঁচেও নাই

    জবাব দিন
  6. নাজমুল (০২-০৮)
    সানাউল্লাহ ভাই/এডিসন ভাই/শওকত ভাই/ইউসুফ ভাই/ফয়েজ ভাই কিংবা বোদ্ধা জুনিয়ররা…আলম/রায়হান/সামিয়া/জুনায়েদ/সায়েদ/মোহাম্মদ/কামরুল/মাসরুর/শার্লী/বন্য/নাজমুল/তৌফিক

    কারো নাম বাদ যায় নাই 😀
    ভাই আপনার লেখা পড়ে খুব ভালো লাগলো
    ভাইয়া আমরা ছোটো মানুষ আমরা দেশের কী ধরণের কাজে লাগতে পারি সেটা কী বলা যাবে?? 😕

    আমি অনেক ভাবলাম ব্যাপারটা নিয়ে কিন্তু চিন্তা করে দেখলাম আসলে আমরা যে যেখানে আছি সেখান থেকে যদি নিজেদের নীতি ঠিক রাখি তাহলে কিন্তু অনেকটুকু কাজ হয়ে যায়।
    আসলে আমি বোধহয় ব্যাপারটা ঠিক ভাবে বুঝাতে পারলাম না 🙁

    জবাব দিন
  7. জুলহাস (৮৮-৯৪)

    তার আগে বলো, তুমি কি ভাবছো...
    কয়েকবার একটু ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখ... বুঝবে
    নইলে...বোদ্ধাদের মাঝ থেকে তোমার নামটা কেটে দেবার অপশন-টা তো রয়ে-ই যাচ্ছে!!!!!!!!!!!!!!
    সো, ডু নট ওরি অ্যাট অল!!


    Proud to be an ex-cadet..... once a cadet, always a cadet

    জবাব দিন
  8. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

    জুলহাস : আমার পর্যবেক্ষণ একটাই, পরিবর্তনটা ঘর থেকেই শুরু করতে হবে।

    পরিবর্তনের দুইটা প্রক্রিয়া; এক. উপর থেকে চাপিয়ে দেয়া আর দুই. তৃণমূল থেকে শুরু করা। ইতিহাস বলে উপর থেকে চাপিয়ে কোনোকিছু ভালো হয়নি। পরিবর্তন টেকেনি।

    আমি এর আগেও দুয়েকটা লেখায় বলেছি, আমি তলা থেকে শুরু করতে চাই। রাজনীতির বাইরে সামাজিক আন্দোলন তৈরি করাটা বরং কাজের।


    "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

    জবাব দিন
  9. জুলহাস (৮৮-৯৪)

    সামাজিক বলতে ঠিক কোনটা...কিংবা কোনগুলি...কাইন্ডলি কি একটু বিশদ শেয়ার করবেন সানাউল্লাহ ভাই?
    আর, উইথ অল রেসপেক্ট, শুধু সামাজিক কেনো ভাইয়া?
    এর সাথে অর্থনীতি সংশ্লিস্ট কিছু কি আমরা করতে পারি???
    আর সামিয়া, কামরুলস(!!), মাহমুদ, ইউসুফ ভাই, মাস্ফ্যু, দাদা, শার্লী, নাজমুল, ফয়েজ ভাই, জিহাদ, তৌফিক, এডিসন ভাই, আলম, রায়হান, মাহমুদ...তোমাদের-ই কি ভাবনা?


    Proud to be an ex-cadet..... once a cadet, always a cadet

    জবাব দিন
    • জুলহাস (৮৮-৯৪)

      আর যাদের কথা আমি এখনো জানিনা (কারণ এই ব্লগে আমি আসলেই খুব অল্পদিন হলো এসেছি)...তোমাদের-ই বা কি ভাবনা?????????????
      কাইন্ডলি জানাও...আমার লেখাটির ধারাবাহিকতা-য় সুবিধা হবে


      Proud to be an ex-cadet..... once a cadet, always a cadet

      জবাব দিন
    • সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

      অর্থনীতি সংশ্লিষ্ট বলে কি বোঝাতে চাইছো? কিছু লোককে চাকরি দেয়া, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল করা, ভিক্ষুকদের বাড়ি বানিয়ে দেয়া?

      টমাস মুরের "ইউটোপিয়া" পড়েছ? এই দার্শনিক স্বপ্ন দেখতেন একটা বিচ্ছিন্ন দ্বীপ বানাবেন। যেখানে সবাই ভালো থাকবে, খাবে, পড়বে। একটা অঞ্চল নিয়ে সেই পরীক্ক্ষা-নিরীক্ষা করেছিলেন। সফল হননি। সমাজ, রাজনীতি বিচ্ছিন্ন কিছু হয় না। সমাজ-রাজনীতিকে বদলাতে আধুনিক গণতন্ত্রে প্রবল জনমত, ক্ষমতা ইত্যাদি দরকার।

      একবিংশ শতাব্দীতে আমি মনে করি রাজনীতিতে পরিবর্তন আনবে সামাজিক আন্দোলন। নানামুখী, নানা ধরণের, সৃজনশীল সব শক্তি তৈরি হবে। সবাই যার যার জায়গায় কাজ করবে। এক পর্যায়ে সময়ের দাবিতে সব শক্তি এক মোহনায় মিলবে।

      ধরো, কেউ মানবাধিকার কর্মী, কেউ পরিবেশ আন্দোলন করে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়ছে কেউ কেউ, সুশাসনের জন্য জনমত গঠনে অবদান রাখছে াণ্র কেউ, দারিদ্র বিমোচনে, শিক্ষা, চিকিৎসার উন্নয়নে কাজ করে অনেকে। এদের কিছু নূন্যতম ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ করে রাজনীতির উপর প্রবল চাপ তৈরি করবে।


      "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

      জবাব দিন
      • জুলহাস ভাই একটা কথা খুব ভালো লাগলো যে আমরা বিভিন্ন কলেজ এর সাথে তাল মিলিয়ে কাজ করবো বা সবাই সাথে কাজ করবো।
        আমার অ খুব ইচ্ছা এই ধরণের কিছু।
        কিন্তু আমার জানা মতে বিভিন্ন কলেজ এর নিজেদের প্রতিশঠান এই সমস্যা আছে আমার জানা মতে এগুলো সিনিয়ার জুনিয়র দুই ভাগে ভাগ হয়ে যাচ্ছে 🙁
        তো আমরা সিনিয়র রা বলবো জুনিয়ররা শুনবে আএ ধরণের কথা চিন্তা না করে সবাই মিলে কিছু করা দরকার।
        step by step
        যেমন আমরা প্রথম step হিসেবে নিতে পারি,
        আমাদের ঢাকায় বিশেষ করে বাসের টিকেট না কেটে উঠে হেল্পার কে কম টাকা দেয়া(আমি নিজে করসি 🙁 )
        রিকশা আলাদের গায়ে হাত না তোলা(তবে ঝাড়ি মারা জেতে পারে কারণ মাঝে মাঝে ওনারা সমস্যা করে )
        পরে আরো ব্যাপার নিয়া আলোচনা করবো

        জবাব দিন
        • ফয়েজ (৮৭-৯৩)
          রিকশা আলাদের গায়ে হাত না তোলা(তবে ঝাড়ি মারা জেতে পারে কারণ মাঝে মাঝে ওনারা সমস্যা করে )

          তুমি কখনো রিকসা চালক ভাইয়ের ঝাড়ি খেয়েছো? আমি খেয়েছি। ভুলটা আমারি ছিল। ঝাড়ি খেয়ে তাকে সরিও বলেছি।

          আমার ফল্ট ছিল, রিকশা ভাড়ার টাকাটা আমি তার হাতে দেইনি। আমার খুব তাড়া ছিল। ও সিট থেকে নামার সংগে সংগে আমি ওর সিটে ভাড়া রেখে হাটা ধরেছিলাম। সে আমাকে ঢেকে বল্ল, "আমার উচিৎ টাকাটা তার হাতে দেয়া, সিটে নয়"।

          রিকশায় উঠার সময় ভাড়া ঠিক করে উঠবে, তাহলে আর ঝাড়ি দিতে হবে না।


          পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

          জবাব দিন
          • মেহেদী হাসান সুমন (৯৫-০১)

            আমি একদিন মিরপুর যাচ্ছিলাম, ভাড়া ঠিক করে ছিলাম ৩০ টাকা, মিরপুর ১০ গিয়ে সে বলে আমরা নাকি ৫০ টাকা ঠিক করেছিলাম? আমি ও আমার বন্ধু হতবাক, আমরা কয়েক বার বলার চেষ্টা করলাম, এ রকম কেন করছ? সে পুরা চিৎকার শুরু করল। আমরা তাড়াতাড়ি ৫০ টাকা দিয়ে চলে গেলাম।

            দেশী রিক্সাচালক, সি-এন-জি ড্রাইভার আর মিরপুরের চিটিং (?) বাস হেল্পার সাহেব দের কথা মনে হলে দেশে যেতে ভয় লাগে

            জবাব দিন
  10. আমিন (১৯৯৬-২০০২)

    বস, আপনার পোস্ট টা ভালো লাগলো।
    আসলেই ভালো লাগলো।
    ছয় বছর ক্যাডেট কলেজ আর পাঁচ বছর বুয়েটে দেশের পয়সায় পালিত হইয়া আমি নিজেই দিন বদলের নামে লোক ঠকানো এক কোম্পানির চাকরি করি। সো ফার্স্টে নিজেরে ধিক্কার দিয়া লই।

    কিন্তু সমস্যা হইলো রাজনীতি নিয়া আমি কিছু বলবার পক্ষপাতী না।
    কারণ আমাদের নিজেদের ভাগ্য আমরা নিয়ন্ত্রণ করি না। দেশের রাজনীতির কালচার বদলাইতে নিজেগোরে বদলাইতে হবে। আদর্শের রাজনীতি অনেক দূরের ব্যাপার। তার আগে ছোট একটা প্রশ্ন সবার কাছে। ধরেন আপনি ভার্সিটিতে পড়েন আপনার বাপ নাই। আপনাদের সংসারের উপার্জনক্ষম লোক শুধু বড় ভাই।
    এখন আপনার এলাকায় দুজন প্রার্থী আছে নির্বাচনে। আপনার ভাইয়ের চাকরি রাজনীতির পট পরিবর্তনের উপর নির্ভর করে। কিন্তু যে আসলএ আপনের ভাইয়ের চাকরি থাকবে সে বেশি খারাপ। এখন আপনি কারে ভোট দিবেন?
    সামজিক জীব হয়া যদি আপনি অপেক্ষাকৃত ভালো লোকটারে জিতান তাইলে স্যালুট। কিন্তু অভাব দেইখ্যা উল্টাটা করবেন কয় পারসেন্ট?
    এটার মতামতের পর আমি বাকিটা কই।

    জবাব দিন
  11. রাব্বি (১৯৯৮-২০০৪)

    আমি ঠিক নিশ্চত না জুলহাস ভাই কি করতে চান ? :-/ :-/ কোন রাজনৈতিক দল ?? ;)) নাকি কোন ধরনের সামাজিক সচেতনা ?? ;)) আমি সানাউল্লাহ ভাই এর সাথে একমত। প্রথমে চাই proper leading and guidness এবং নীতিমালা। আর সেটা অবশ্যই বড় ভাই দের থেকে আসা করি।

    জবাব দিন
  12. আমিন (১৯৯৬-২০০২)

    আমার মন্তব্য দেখি কেউ পড়লও না মত দিল না । মনে হয় ফ্লপ খাইলাম। এইবার পয়েন্টে আসি।
    আমাদের দেশের মঊল সমস্যা হইত্বেসে আমরা খুব বেশি ব্যক্তিক তার চেয়ে একটু কম পারিবারিক তার চেয়ে আরেকটু কম সামাজিক তার চেয়ে আরো কম রাষ্ট্রের।
    আমাদের নিজেরদেরকে এই বলয় হতে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করতে হবে। খুব ছোট ব্যাপার থেকে এটার শুরু। পাবলিক বাসে তিন টাকা পাঁচ টাকা ভাড়া - তিন টাকা কন্ট্রাকটরের হাতে ধরিয়ে দেশের ক্ষতি করেণ এমন লোকের অভাব নেই। অথবা পাঁচ টাকাই কাউন্টারে যেতে কষ্ট কন্ট্রাকটরকে দিয়ে দিলাম। দেশের ক্ষতি এমনি ছোট লেভেল থেকে শুরু করে প্রতি স্তরে ভাবতে হবে। এই দেশে অভাবী খাটতে চায় কিন্তু কাজ পায় না, এমন লোককে একটা ছোট ব্যবসা ধরিয়ে দেওয়া কোন ব্যাপার না কিন্তু আমাদের মাঝে। আমার মনে হয় আমাদের মূল সমস্যা দুটি। এক দারিদ্র আর দুই শিক্ষা ( অবশ্যই প্রকৃত শিক্ষা) । এই দুইয়ের সমাধান দিয়ে মনে হয় আমদের শুরু করতে হবে। আমরা সবাই এজন্য ফান্ড করতে পারি। আমার জন্য চা সিগারেট কিংবা রিকসা ভাড়া বাঁচিয়ে এজন্য দিনে কিছু এমাউন্ট জমানো সম্ভব। সেটা সবারই সম্ভব মনে হয়। সিসিবির মেম্বার ৫০০ কাছাকাছি। মাস শেষে ফান্ড গঠন খুবই সম্ভব। দরকার সিনিয়ররা যারা দায়িত্বশীল জায়গায় আছেন তাদের থেকে পদক্ষেপ।

    অফটপিক: সিসিবি রান করার টাকাটা সবাই মিলে শেয়ার করার প্রস্তাব রাখছি।।

    জবাব দিন
    • সাকেব (মকক) (৯৩-৯৯)
      আমরা সবাই এজন্য ফান্ড করতে পারি।

      আমিন,
      তোমার এই পয়েন্টটাও ভালো...
      তবে ফান্ড শুরু করার আগে এর লক্ষ্য আর প্রয়োগের ব্যাপারটা ভালভাবে ডিফাইন করতে হবে...

      যাইহোক, এই ধরণের সুনির্দিষ্ট আইডিয়ার উপর আমরা আরো কথা বলতে পারি...


      "আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
      আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস"

      জবাব দিন
  13. সামিয়া (৯৯-০৫)
    পরিবর্তনটা ঘর থেকেই শুরু করতে হবে।
    আমরা যে যেখানে আছি সেখান থেকে যদি নিজেদের নীতি ঠিক রাখি তাহলে কিন্তু অনেকটুকু কাজ হয়ে যায়
    মুষ্টিমেয় যে কয়জন নিজের নীতি ঠিক রাখতে পারে, সাথে সাথে আশেপাশের মানুষকে সচেতন আর উদ্বুদ্ধ করাও তাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে

    নিজ নিজ ক্ষেত্রে যদি সবাই সৎ এবং অবশ্যই নীতিবান থাকতে পারে, একটা পরিবর্তন আসবেই। আর কেউ যদি একটা জিনিস অন্তর দিয়ে বিশ্বাস করে এবং মেনে চলে, তাতে করে তার আলোটা চারপাশে ছড়াবেই। সত্যি বলতে আমি তো আমার চারপাশে ভাল মানুষই বেশি দেখি।
    আমাদের একটা সমস্যা হলো, আমরা নেসক্যাফে ইন্সট্যান্টের মত ইন্সট্যান্ট পরিবর্তন চাই। এই মানসিকতা পরিবর্তন করে লং টার্ম চিন্তাভাবনাকে আসন দিতে হবে।

    জবাব দিন
  14. মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)

    জুলহাস ভাইরে :salute: এই বিষয়টা তুলে ধরার জন্য।

    আমার মনে হয়, আমরা, মানে ক্যাডেটদের মাঝে সম্ভাবনা+উদ্দীপণার অভাব নাই দেশের জন্য কিছু করার। প্রায় সবার কমেন্টেই সেটা উঠে এসেছে। আমাদের বেশিরভাগই প্রবল্ভাবে আশবাদী; নিচের পোস্টটা দেখলেই তা বোঝা যায়-

    একবিংশ শতাব্দীতে আমি মনে করি রাজনীতিতে পরিবর্তন আনবে সামাজিক আন্দোলন। নানামুখী, নানা ধরণের, সৃজনশীল সব শক্তি তৈরি হবে। সবাই যার যার জায়গায় কাজ করবে। এক পর্যায়ে সময়ের দাবিতে সব শক্তি এক মোহনায় মিলবে।

    কি কি কাজ করতে হবে, কিভাবে করতে হবে এ'সব বিষয়ে মোটামুটি সবারই কিছু কিছু ধারণা আছে। কি কাজ গুলো করবে কে??? এমনি এমনি ত কোনো কিছুই হবে না, "সময়ের দাবি" বলে ভার্চুয়াল কন কর্তা নেই। কর্তা আমাদেরকেই হতে হবে। তবেই আস্তে পারে ইপ্সিত পরিবর্তন।

    আমরা সমস্যা চিহ্নিতকরণে সফল হলেও তা'র 'doable' সমাধানের স্তরে
    যেতে শুধুই হোচট খাই।কেন????


    There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

    জবাব দিন
  15. আমাদের সবার অনেক কিছু করা উচিত। তবুও আমি বলব আপনার analysis ঠিক না।
    এটা নিয়ে আলোচনা করা যায়। আপনি নিজে ক্যাডেট হয়ে এটা বলতে পারেন - আপনার দেশের জন্য ভালোবাসা থেকে।

    ১) আপনার কেস (৩) - মোট ক্যাডেট সংখ্যা ২০,০০০ কথাটা ঠিক না। আপনি ১৯৭২ সাল থেকে ১০ টা ক্যাডেট কলেজের ৫০০ ক্যাডেট গুনেছেন। আমি বরিশাল ক ক। আমাদের 1st batch ১৯৮৪ সালের HSC। ছয়টা নতুন ক্যাডেট কলেজের সবাই ঐ সময়ের দিকেই বেরুনো শুরু করেছে। সঠিক হিসাবে মোট ক্যাডেট সংখ্যা ১৪,০০০-১৫,০০০।

    ২) আপনার কেস (৭) এ বলেছেন, ঝিনাইহের around ২০০ ক্যাডেট কোটিপতি। আমি সরি, আমি আমার কলেজের কোনো কোটিপতির খবর জানিনা। শুরুর দিকের ব্যাচ যেমন শওকত ভাইরা early 40s। সব কলেজের ঐ বয়সের অনেকেই হয়তো ভালো এসটাবলিশড হওয়া শুরু করেছেন। বিশাল ধনী এমন কেউ না যে ক্যাডেটদের টাকা দিয়ে দেশের খুব বিশাল কোনো কিছু হবে। ক্যাডেটদের merit এবং service দেশের বেশি দরকার। ক্যাডেটরা কি সেদিক থেকে পিছিয়ে আছে? আমার তো মনে হয় না। আমাদের চেষটা করা উচিত আরো ভালো করার। এবং দেশ সেবার কথা ভাবা। মাশরুফ কে :salute:

    ৩) আমার মনে হয়, বাংলাদেশের খুব ধনী পরিবারের কেউ ক্যাডেট কলেজে পড়ে না। government employees আর middle class ঘরের ছেলেরা ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হয়ে পড়াশুনা করে অথবা সেনা/নৌ/বিমান বাহিনীতে নিজের মেধায় established হয়। টাকাপয়সা ঠিক ক্যাডেটদের strong point না। এক্স-ক্যাডেট আসোসিয়েশন গুলো ক্যাডেটদের যোগাযোগ রাখার জন্য। সামাজিক কাজ তারা করতে পারে - তবে এতে দেশের খুব বড় কিছু হয় কিনা আমি সনদিহান - শুধু নাম করার জন্য এর কোনো দরকার নাই। আমি অনেক এক্স ক্যাডেট দের চিনি যারা নিজেরাই অনেক ভালো কাজ করছে। পাবলিসিটির কি কোনো দরকার আছে।

    ৪) ক্যাডেটদের সংখ্যা খুব বেশী না। ১৫,০০০ অনেক মনে হয়। কিনতু বাংলাদেশের যে কোনো school অথবা college এর এক্স দের সংখ্যা আরো অনেক। ঢাকার যে কোনো কলেজ বা school থেকে বছরে ৫০০ থেকে ১০০০ বা আরো student বেরোয়। কিনতু আমার চারপাশে আমি তিন institution থেকেই বেশী লোক দেখি। ঢাকা কলেজ, নটরডেম আর ক্যাডেট কলেজ (ছেলেদের কথা বলছি)। অন্য কোনো specific institution থেকে সাধারনত দু এক জনের বেশী চোখে পড়ে না। এটা কি ক্যাডেট কলেজের সাফল্য না। এমনও তো হতে পারতো, ক্যাডেট কলেজের ছেলেরা/মেয়েরা ভালো করছেনা।

    ৫) জনগণের টাকা ক্যাডেটদের পেছনে খরচ হয় - এটা ঠিক। কিনতু এর গভীরে কেউ যায়না। এই টাকা ক্যাডেটদের পেছনে খরচ না হলে, কোন খাতে খরচ হত?? হয়ত আরো ১০ টা মিগ- ২৯, অথবা ৫০ টা ট্যাংক অথবা নতুন ক্যানটনমেনট etc. । ক্যাডেট কলেজের টাকা ডিফেনস থেকে আসে। আর এটাতো আমার মনে হয় ডিফেনস এর টাকার সবচেয়ে গঠণমূলক একটা ব্যবহার। মেধাবী কতগুলো ছেলেমেয়ে বানাতে কিছু টাকা খরচ হলে অসুবিধা কি? ২০-২৫ কোটি টাকা ১০-১২ টা কলেজ চালাতে লাগে বছরে। এটা সামরিক বাজেটের খুবই নগণ্য একটা অংশ।
    এটা জনগণের টাকা ঠিক আছে। এ টাকাটা ঠিক অন্য educational institution এর ব্যবহার হওয়ার বাজেটের টাকাও না। ক ক না থাকলে এ টাকাটা অন্য সামরিক খাতে খরচ হত। open admission - ধনী, গরিব সবাই ই ক ক তে পড়তে পারে। ক্যাডেটদের ন মাস থাকা খাওয়ার খরচ কলেজের দিতে হয় বলে খরচ অন্য institution থেকে বেশী হয়।

    ৬) সবার নিজ থেকে উচিত দেশের জন্য করা। ক্যাডেট বা নন-ক্যাডেট বলে কোনো কথা না। আমরা মেধা দিয়ে, শক্‌তি দিয়ে, ইচছা দিয়ে ভালো কিছু করলেই দেশের ভালো।

    ৭) সা কা চৌ তো এফসিসির (৬০ এর দশকে)। তাতে কি ক্যাডেট কলেজের মান বাড়ে না কমে? রাজনীতি করলেই তো হলো না। দেশের ভালো কি শুধূ রাজনীতি করেই করা যায়?
    ইকবাল কাদির (founder of grameen phone) তো ঝকক এর। তারতো অবদান কম না বাংলাদেশে মোবাইল ফোন চালু করার ব্যাপারে।

    ৮) ক্যাডেটদের সংখ্যা ১/১০০০, ১০০০ জনে একজন (যারা HSC পাশ করেছে)। সেটা ভেবে নেয়া উচিত। আমার তো মনে হয়, এ হিসাবে ক্যাডেটরা চোখেই পরার কথা না। যদিও ক্যাডেটদের সব সেকটরেই চোখে পরে।

    ৯) আমাদের সবারই অনেক কিছু করা উচিত, এতে কোনো ভুল নেই। আরো অনেক লিখার আছে, কিনতু সময় নেই।

    জবাব দিন
  16. আমি যা বলতে চেয়েছি তা হল -

    আমাদের পেছনে যা খরচ হয়েছে, সেটা wastage না। এটা ঠিক টাকা দেয়া নেয়ার হিসাব না।

    আমরা যে যা করি সেটা খুব ভালো ভাবে করলে আর সামাজিক ভাবে সচেতন থাকলেই দেশের উপকার হবে। দেশের জন্য ভালো কিছু করতে ঠিক টাকার বিশাল থলের দরকার নেই - যেটা অধিকাংশ ক্যাডেটেরই নেই। আর দেশকে দেয়া মানেও টাকার হিসাবে দেয়ার হিসাবও না। Social work সবারই করা উচিত। Education, economy, business, arts, culture, politics, service যে যার সাথে জড়িত, তাতে ভালো এবং নীতিগত ভাবে কাজ করলেই দেশের সেবা হবে। এখানে ঠিক ক্যাডেট, নন-ক্যাডেট, কোনো ভেদাভেদ নাই। individually আমাদের সবার অনেক কিছু করা উচিত।

    জবাব দিন
  17. মেহেদী হাসান সুমন (৯৫-০১)

    আসলে, সব কিছুর সাথে অনেক পরিপাশ্বিক ব্যাপার জড়িত, মাস্ফুর কে :salute: জানিয়ে বলছি, যদি মাস্ফুর বাবা না থাকত, তাকে যদি পরিবার কে সাপোট দিতে হত, তাহলে সে কি বিএমএ থেকে চলে আসতে পারত? বা বিসিএস নিয়ে এভাবে জুয়া খেলতে পারত? তাকে তো জব নিয়ে পরিবার কে সাপোট দিতে হত।

    বিরাট সংখ্যক ক্যাডেট এসেছে মিডল ক্লাশ ফ্যামিলি থেকে, তাদেরকে নিজের ক্যারিয়ার, পরিবার নিয়ে অনেক ভাবতে হয়। সেজন্য হয়ত দেশের কাজে ততটা এগিয়ে আসতে পারছে না ।

    জবাব দিন
  18. বন্য (৯৯-০৫)

    জুলহাস ভাই অনেক ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য।

    আসলে সব ক্যাডেটকেই মনে হয় এরকম এইজিনিসগুলা কখনো না কখনো খুব নাড়া দেয়..দেশকে নিয়ে ভাবা..দেশের জন্য কিছু করা..

    তবে এইরকম অনেক দেখসি বলে আজকাল আর এইগুলাতে তেমন কিসু মনে হয়না।

    অনেক চিন্তা ভাবনা করে ঠিক করসি..আমি আমার বিবেকের কাছে আমার নিজের কাছে যদি সৎ(সলিডভাবে) থাকতে পারি,তাহলেও অনন্ত কিছু করতে পারব।যেমন,আমি জানি আমি দেশের মানুষের টাকায় পড়াশুনা করতেসি...যে রিকশাওয়ালার ট্যাক্স দেওয়া টাকায় আমি পড়ালেখা করি,তার রিকশায় চড়েই যখন পড়াশুনা লাটে উঠায়া বসুন্ধরা থেকে ডিভিডি নিয়া আসি মৌজ করে দেখব বলে..তখন কিভাবে বলি যে টাকাটার অপচয় হয় নাই... বলতেসি না যে সবাইকে আতেল হয়ে যেতে হবে...কিন্তু মনে রাখা দরকার আমি somehow যে পজিশনে আছি..আমার থেকে অনেক ভাল ক্যাটাগরীর ছেলেও হয়ত কোন কারনে এইখানে আসতে পারেনাই...সো এইজায়গার মর্যাদা তো অনন্ত আমার রাখা উচিত।
    আমার দেশ যে আমাকে এই জায়গায় নিয়ে আসলো...দেশকে আমি কি দিবো তা কি ঠিক করসি?

    আমার আমাকে দিয়ে কি সম্ভব,কি সম্ভব না,তা আমি ভাল করেই জানি..সো আমার পজিশন থেকে বর্তমান ও ভবিষ্যতে আমি দেশের জন্য সুনির্দিষ্টভাবে কি করতে পারতে পারি,কি করতে চাই সেটা পুরোপুরি ফিক্স করে ওইভাবে এগিয়ে যেতে চাই...তাতে সামনে যেই বাধা পড়ুক সেইটারে ডাইরেক্ট পাওয়ার কিক মাইরা উড়ায়া দিব ইনশাল্লাহ!

    সবচে বড় কথা,ক্ষনিকের নয়..একটা লং-টাইম আবেগ দরকার,অনেক চিন্তাভাবনা দরকার...অনেক ভাবা দরকার সাথে অবশ্যই এই ডায়লগটা

    knowing is not enough,we must apply
    thinking is not enough,we must do

    আরও অনেক কথা আছে..আমিন ভাইর সাথেও একটু বাতচিৎ করব...পরে..

    জবাব দিন
    • মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)
      মনে রাখা দরকার আমি somehow যে পজিশনে আছি..আমার থেকে অনেক ভাল ক্যাটাগরীর ছেলেও হয়ত কোন কারনে এইখানে আসতে পারেনাই…সো এইজায়গার মর্যাদা তো অনন্ত আমার রাখা উচিত।
      আমার দেশ যে আমাকে এই জায়গায় নিয়ে আসলো…দেশকে আমি কি দিবো তা কি ঠিক করসি?

      .........সামনে যেই বাধা পড়ুক সেইটারে ডাইরেক্ট পাওয়ার কিক মাইরা উড়ায়া দিব ইনশাল্লাহ!

      এক্কেবারে হৃদয়ে নাড়া দিয়ে গেলো। :hatsoff:


      There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

      জবাব দিন
  19. ফয়েজ (৮৭-৯৩)

    তুমি লিখছে আবার এখানে আমি যে কি পরিমান খুশি হয়েছি, বলে বোঝাতে পারব না। তুমি আমাকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিলে।

    তোমার লেখা পড়ে "সা" করে নিচে নেমে এসেছি, কারন অন্যের মন্তব্য পড়তে পড়তে হয়ত যা বলতে চাইছি তাই ভুলে যাব। তাই আমার মত হয়ত অনেকেই উপরে বলে ফেলেছে। যদি এরকম হয়, ক্ষমা চাই

    ১। আমাদের সিসিবির একটা প্লাটফর্ম করা যায়। সচেতনা মুলক কাজের জন্য, কিংবা ইস্যু ভিত্তিক, অনেকটা সুজন কিংবা বিশ্ব-সাহিত্য কেন্দ্রের মত। একটা কথা খুবই সত্যি যে সিসিবির মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই একটা ভার্চুয়াল জগত তৈরি করে অনেক কিছু আলোচনা করে ফেলতে পারি, সবাই মতামত দিতে পারবে এবং আমরা একটা সর্ব-সম্মতি ক্রম সিদ্ধান্ত নিতে পারব। এটা কাজে পরিনত করার জন্য পরবর্তীতে একটা কমিটি করা যেতে পারে। আমরা দেশ ভিত্তিক সব ধরনের ইস্যু নিয়ে আলোচনা করে একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ করব।

    ২। নিজেদের বদলানো দরকার। এবং যথা-সম্ভব নিজেদের চারপাশ বদলে দেয়া। নিজের বাসা, নিজের অফিস এবং নিজের ২৮ ঘন্টা।

    ৩। বিভিন্ন এক্স-ক্যাডেটস এসোসিয়েশনে সংগে লিয়াজো রাখা যেতে পারে, ইন-ফ্যাক্ট এটা দরকার, কিন্তু এমন যাতে না হয় এমন কেউ মাথায় চড়ে বসল, যাদের সংগে সিসিবির মিলে না। তাই কোর-কমিটিতে তারাই থাক যারা সিসিবি মেম্বার।

    ৪। একটা ব্যাংক-একাউন্ট খোলা দরকার, কিছু ফান্ড করা দরকার টুকটাক কাজের জন্য। পরে ইসু-ভিত্তিক কাজের জন্য আমরা খুব সহজেই স্পন্সর যোগাড় করতে পারব।


    পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

    জবাব দিন
    • সাকেব (মকক) (৯৩-৯৯)

      বস,
      আপনার জন্যই অপেক্ষা করতেসিলাম...
      ভাবগম্ভীর আলোচনা অনেক জায়গায় অনেক হইসে...সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব এবং সেইটার রোডম্যাপের উপর আলোচনা করা দরকার...


      "আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
      আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস"

      জবাব দিন
      • জিহাদ (৯৯-০৫)

        ফয়েজ ভাইয়ের এক নাম্বার পয়েন্টটাই আমি কালকে রাতে শুয়ে শুয়ে ভাবতেসিলাম। যদি কোন ভাবে সিসিবি কে কোন সামাজিক বা যে ক্ষেত্রেই হোক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ধরে এগোনো যায় কীনা। খুব বড় পরিসরে চিন্তা করতে দোষ নাই, কিন্তু কাজ শুরু করার জন্য প্রথমে নিজের পরিসরকে মানে সিসিবি থেকে আমরা কি করতে পারি সেটাই আগে ভাবা উচিত। কারণ আমরা এখানে যারা আছি সবাই মূলত সিসিবির সংগে থেকেই একে অপরের সাথে সম্পর্কযুক্ত।

        আর একটা বারুদ জ্বালিয়ে দিলে সেটা যে আস্তে আস্তে দাবানলে পরিণত হবেনা সেটা কে বলতে পারে?


        সাতেও নাই, পাঁচেও নাই

        জবাব দিন
  20. আদনান (১৯৯৭-২০০৩)

    ফৌজিয়ান মাহবুব ভাই (১৯৯৫-২০০১) এখানে খুলনাতে র‌্যাব-এ আছেন। প্রায় প্রতিদিন-ই উনার সাথে আমার বিকালে আড্ডা জমে উনার ব্যাটেলিয়ন-এ। উনি সেদিন একটা কথা বলেছিলেন সেটা হলঃ START FROM YOURSELF. আমি তাঁর এই কথাটা অসম্ভব পছন্দ করেছি। আসলেই, আমরা যদি নিজেরা নিজেদের HONEST রাখতে পারি, সবাই, দেশপ্রেম DEVELOP করি নিজেদের মধ্যে, মিথ্যাচার কমাই, স্বার্থপরতা না করি... (আরো বেশ কিছু বিষয় আছে এই মুহুর্তে মনে আসছে না) এই গুনগুলা যদি নিজেদের ভেতর আমরা প্রত্যেকে নিয়ে আসি তাহলে কিন্তু আর এত হা-হুতাশ করা লাগেনা, বুলশীট বলে কাউকে/নিজেকে গালি দেবার প্রয়োজন-ও হয়না! আমরা নিজেরাই একেকটা UNIT হয়ে কেন যাই না?

    জবাব দিন
    • বন্য (৯৯-০৫)

      একমত
      কিন্তু কথাগুলো বলা যত সহজ..করা বোধহয় ততটাই কঠিন...
      আসলে সমস্যা হল কথাগুলো মনে ঠিকমত দাগ কাটে না বেশিরভাগেরই..

      আড্ডা-টাড্ডাতে এইসব ব্যাপারে উত্তপ্ত আলোচনা করে দেশউদ্ধার করার পরের দিনই যখন পাসপোর্ট করার সময় ঝামেলা করার দরকার নাই চিন্তা করে পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় ঠোলাটার হাতে ৫০ টাকা ধরাই দেই...তখন আমরা নপুংশক ছাড়া আর কিছুই না...

      সবার মনে মাপা তিন ইঞ্চি একটা দাগ সরকারীভাবে বসায়া দেওয়া দরকার x-( x-( x-(

      কি লাভ এত ভাইবা..পাস কইরা একটা চেয়ার আর টেবিল নিয়া বসমু..তারপর সরকারের পেট কাইটা ভাত খামু..পাক্কা... :grr: :grr:

      জবাব দিন
  21. সাকেব (মকক) (৯৩-৯৯)
    পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় ঠোলাটার হাতে ৫০ টাকা ধরাই দেই

    তুমি তো দেখি চাল্লু মাল আছো...
    আমার কাছ থেকে ৩০০ টাকা নিসিল...তাও প্রায় ১০ বছর আগের কথা... :((

    যাইহোক, পয়েন্টে একমত...কথাগুলা বলা যত সহজ, করা তারচেয়ে অনেক কঠিন...


    "আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
    আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস"

    জবাব দিন
  22. জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)

    আমি আমাদের সব এক্স-ক্যাডেট এসোসিয়েশন নিয়ে একটা কথা বলতে চাই...

    আমাদের বেশিরভাগ এসোসিয়েশনেরই বলার মতন কোন পার্মানেন্ট ইনকাম সোর্স নেই...
    জেক্সকা'র ব্যাপারটা যেমন, বছর শেষে এর আয় এফ ডি করা ১০/১২ লাখ টাকা থেকে আসা ইনটারেস্ট, মেম্বারদের সাবক্রিপশন...ব্যাস!!! আর যদি কেউ দয়া করে এর বাইরে কিছু দেয়...

    আল্লাহ্‌ না করুক, কাল যদি আমার খুব বড় একটা অসুখ ধরা পড়ে...যদি ৩০/৪০ লাখ টাকা দরকার পড়ে, সেক্ষেত্রে জেক্সকা নিজে আমার কোন হেল্প করতে পারবে না...অন্য কাউকে বলে চেয়ে দেবে...আবার যেমন ধরুন, কাউকে বৃত্তি বা ভাতা দেবার ক্ষমতাও এদের নেই...

    তাই, আমার মনে হয় আমাদের এসোসিয়েশনগুলোর ইনকাম সোর্স থাকা উচিৎ...সেটা নিজ নিজ কলেজ হতে পারে...কিংবা সব কলেজ মিলেও হতে পারে...তবে অবশ্যই, সেই রকম মনিটরিং এবং ট্রান্সপারেন্সি থাকতে হবে...


    ঐ দেখা যায় তালগাছ, তালগাছটি কিন্তু আমার...হুঁ

    জবাব দিন
  23. শার্লী (১৯৯৯-২০০৫)

    ভাই মন্তব্যের ক্ষেত্রে অনেক দেরি করে ফেললাম, তাই সকলের চোখে যাতে পরে তাই নতুন পোস্টে আমার মন্তব্য জানিয়ে দিলাম। চামে রকক-র পোস্ট বাড়ানোর চেষ্টা করতেসি। 😀

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।