কাটপেষ্ট কৌতুক -৪

বাংলাদেশের খেলা দেখলে সবসময়ই মেজাজ খারাপ হয়।আগে হইত প্লেয়ারগুলার ঢুসঢাস আউট হওয়া দেখলে আর এখন
আম্পায়ারগুলার কাজকাম দেখলে।রড টাকার আর টনি হিল্রে যে কি করতে ইচ্ছা করতেসে…দেখা যাক কালকে কি হয়।আমার মত মেজাজ খ্রাপ
কইরে লাভ নেই বইসে বইসে জুক্স পড়েন। =((

১.
একবার স্বর্গের দেবতারা আর নরকের শয়তানেরা মিলে ক্রিকেট খেলবে বলে ঠিক করল। স্বর্গের দেবতারা খেলায় জিত নিয়ে খুবই আত্মবিশ্বাসী, কারণ সব ভালো ভালো ক্রিকেটাররা স্বর্গে তাদের সঙ্গেই আছেন। কিন্তু শয়তানদের এই নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত দেখা গেল না।তাদের নিশ্চিন্ত ভাবভঙ্গি দেখে এক দেবতা এক শয়তানকে ডেকে বলল, কী ব্যাপার, ভালো ভালো ব্যাটসম্যান তো সব আমাদের এখানে,কিন্তু তোমাদেরকে বিশেষ চিন্তিত মনে হচ্ছে না! শয়তান সঙ্গে সঙ্গে দাঁত বের করে শয়তানি হাসি দিয়ে বলল, তোমাদের যতই ব্যাটসম্যান থাকুক, আম্পায়ারগুলো তো সব আমাদের এখানে! :gulli2:

২.
ফকির – বাবা আমারে ১০টা টাকা দেন চা খাব।
ভদ্রলোক – চা খেতে তো ৫টাকা লাগে, তুমি ১০ টাকা চাচ্ছ কেন?
ফকির – গার্ল ফ্রেন্ড-রে নিয়া খামু।
ভদ্রলোক – হালার পাবলিক।ফকির হইয়াও গার্ল ফ্রেন্ড বানাইয়া ফেলছ!!
ফকির – না স্যার,গার্ল ফ্রেন্ড-ই আমারে ফকির বানাইছে। :thumbdown:

৩.
ছেলে পরীক্ষায় ফেল করেছে দেখে তার বাবা তাকে বকছে।

বাবাঃ হারামজাদা, পরীক্ষায় শেষ পর্যন্ত ফেল করলি। পাশের বাসার মালতীকে দেখ। সব বিষয়ে পাশ করছে।
ছেলেঃ পরীক্ষার সময়ও তো ওকেই দেখছিলাম, বাবা। 😡

৪.
শিক্ষক ছাত্রকে পড়াচ্ছেন…..

শিক্ষকঃ আচ্ছা, বলতো Grammar কাকে বলে?
ছাত্রঃ যারা গ্রামে থাকে তাদেরকে Grammar বলে। বাংলাদেশের গ্রামে যারা থাকে তাদেরকে বাংলা Grammar এবং বিদেশের গ্রামে যারা থাকে তাদেরকে ইংলিশ Grammar বলে, স্যার। :-B

৫.
ম্যাডাম সাহিত্যের ক্লাসে টেস্ট নিতে গিয়ে ছাত্রদের বললেন, তোমরা এমন একটা ছোট গল্প লেখ, যাতে একই সংগে রহস্য, যৌনতা,

রাজকীয়তা, ধর্মীয় আবেশ সবই থাকে। সময় ২০ মিনিট।
২ মিনিট যেতে না যেতেই একজন হাত তুলে বললো, ম্যাডাম আমার শেষ। এত কম সময়ে শেষ দেখে ম্যাডাম তো রীতিমত অবাক।

ম্যাডাম: যে চারটা বিষয় বলেছিলাম তার সবগুলো তোমার গল্পে আছে তো?
ছাত্র: জ্বী ম্যাডাম।
ম্যাডাম:তোমার গল্প পড়ে শোনাও দেখি।
ছাত্র: ওহ আল্লাহ, রাজকুমারী আবার প্রেগন্যান্ট! কে করলো আকামটা!!! :grr:

৬.
মক্কেল গোয়েন্দা বিভাগে ইন্টারভিউ দিতে এসেছে।

প্রশ্নকর্তাঃ কেন চোর সব সময় চুরি স্থলে ফিঙ্গার প্রিন্ট রেখে যায়…
মক্কেলঃ ওরা বেশির ভাগ সময় অশিক্ষিত হয় তাই আঙ্গুলের ছাপ রেখে যায়…শিক্ষিত হলে অবশ্যি সাইন করে যেত।

৭.
দুই চাপাবাজের মধ্যে আলাপ হচ্ছে-

প্রথম চাপাবাজ: জানিস মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় ফ্রান্সের আইফেল টাওয়ারটা কিনে ফেলি।
দ্বিতীয় চাপাবাজ: অত সহজ না বন্ধু! ওটা আমি বেচলেতো। :gulti:

৮.
মনোচিকিৎসকের কাছে এসেছেন একজন।এসে তার স্বপ্নের বর্ননা দিচ্ছেন ।

“প্রতি রাতেই আমি একটা ভয়ঙ্কর স্বপ্ন দেখছি। দেখি, আমার শাশুড়ি পানিতে পড়ে গেছেন। তাঁর দিকে এগিয়ে আসছে একটা কুমির। ভেবে দেখুন, ইয়া বড় বড় দাঁত, কটকটে চোখ, ঘৃণার দৃষ্টি, ঠান্ডা ম্যাড়মেড়ে চামড়া···”
মনোচিকিৎসকঃ ঠিকই বলেছেন, এ এক ভয়ঙ্কর স্বপ্ন!
-রাখেন মিয়া, আমি তো কেবল শাশুড়ির কথা বললাম, কুমিরের কথা তো বলাই হয়নি! :no:

৯.
শিক্ষকঃ বলতো আলম, আম বা যে কোন ফল উপরের দিকে না গিয়ে নিচে পড়ে কেন?
ছাত্রঃ উপরে খাওয়ার লোক নেই তাই।

১০.
শিক্ষক ছাত্র-ছাত্রীদের বলছেন কে কি হতে চায় ভবিষ্যতে-
রানা: আমি পাইলট হতে চাই।
সুমিত: আমি ডাক্তার হতে চাই।
দীপা: আমি একজন ভালো মা হতে চাই।
সুমন: আমি দীপাকে সাহায্য করতে চাই। ;;;

১১.
অশিক্ষিত ধনী বাবাকে ছেলে বলছে,
—বাবা, আর্টস, কমার্স, নাকি সায়েন্স নেব?
—ব্যাটা, আমার কি পয়সার অভাব? তিনটাই নে!

১২.
বব রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে সে এটা নিয়ে ভাবছে, এমন সময় খুব সুন্দর এবং বছর চব্বিশের এক মেয়ে তাকে জিজ্ঞেস করল,
-আচ্ছা, ৭৭ নম্বর ফার্মটা কোনদিকে?
-৭৭? আমার বাসার পাশেই। হেটে যেতে বড়জোর দশমিনিট লাগবে। আমিই আপনাকে সাথে নিয়ে যেতাম কিন্তু একটা হাস, দুইটা মুরগি,বালতি আর রঙের কৌটা নিয়ে হাটতে পারছি না।
-এককাজ করেন। রঙের কৌটাটা নেন বালতির ভিতর। মুরগি দুইটা নেন দুই বগলে আর হাসটা নেন আরেক হাতে।

বব তাই করল। চমৎকার কাজ করছে। পথে কথাবার্তায় মেয়ের নাম জানা হল লিসা। সে যাচ্ছে কাজিন জনের বাসায়।
পথের এক জায়গায় বব বলল, এই ওয়ালটার পাশ দিয়ে একটা শর্টকাট -আছে। এখান দিয়ে গেলে তাড়াতাড়ি হবে।
লিসা বলল, কিন্তু খুব নির্জন মনে হচ্ছে পথ।
-তাতে কি?
-আপনি একজন যুবক। আমি একজন তরুনী। ধরেন, আপনি যদি নির্জনে আমার সাথে u know what শুরু করতে চান?
-হা হা হা! আমার একহাতে বালতি, যেটার ভিতর রঙের কৌটা, আরেক হাতে হাস। দুই বগলে দুইটা মুরগি। আমি কিভাবে আপনার সাথে জোর করে কিছু করতে পারি?
-ধরেন, আপনি বালতি থেকে রঙের কৌটাটা বের করে সেটা উল্টিয়ে হাসটা রাখলেন। হাসটা যেন না পালাতে পারে সেজন্য রঙের কৌটাটা বালতির ওপর রাখলেন। তাহলেই হল।
-ভুল করছেন। দুইটা মুরগি আছে যে, সেগুলার কি করব শুনি?
একটু হেসে লিসা বলল, মুরগি দুইটা না হয় আমিই ধরে রাখলাম। ;;;

১৩.
একদিন নাসিরুদ্দিন হোজ্জা নদীর তীরে বসে ছিলেন। ঠিক সেই সময় ১০ জন অন্ধ লোক তাঁর কাছে এসে অনুরোধ করল তাদের নৌকায় করে ওপারে নিয়ে যেতে। হোজ্জা কাজটা করে দিতে রাজি হলেন ১০টি তাম্রমুদ্রার বিনিময়ে। হোজ্জা অন্ধ ১০ জনকে নৌকায় তুলে বৈঠা মেরে এগিয়ে যেতে লাগলেন। নৌকাটা ছিল বেশ ছোট, আবার হোজ্জা নৌকা ভালো বাইতে পারতেন না। তাই নৌকা টালমাটাল হতে লাগল। ফলে একজন অন্ধ ভারসাম্য হারিয়ে নদীতে পড়ে গেল। অন্য অন্ধরা জিজ্ঞেস করল হোজ্জাকে, কী ঘটেছে? জবাবে হোজ্জা বললেন, “ভয়ের কিছু নেই, সব ঠিক আছে, তোমাদের ৯টি তাম্রমুদ্রা দিলেই চলবে।” O:-)

১৪.
বিমান চলছে। এক প্যাসেঞ্জার হঠাৎ করে হুড়মুরড় করে প্লেনের চালকের ঘরে ঢুকে পড়লো। চালকতো অবাক। চালককে আরোও অবাক করে দিয়ে লোকটা চালকের হেডফোনটাকে ছিনিয়ে নিল।

তারপর লোকটা বলল, “হারামজাদা! আমরা টাকা দেব আর তুমি এইখানে বইসা কানে হেডফোন লাগাইয়া গান শুনবা!!!” x-(

১৫.
পুলিশ – কিরে এত মাইর খাইলে কি করে?
ধৃত ব্যক্তি : আর বইলেন না, মানুষের চাপাচাপিতে হাত থেকে ফটোটা এক মহিলার পায়ের নিচে পড়ে যায়।
পুলিশ-এর জন্য মাইর খেতে হবে নাকি।
ধৃত ব্যক্তি : মহিলাকে বললাম, আপা কাপড় তুলেন ছবি তুলব। 😮

১৬.
১ম বন্ধু : জানিস আমাদের বাড়ির সবাই বাথরুমে গান গায় ।
২য় বন্ধু : স-বা-ই ?
১ম বন্ধু : সব্বাই,চাকর-বাকর পর্যন্ত।
২য় বন্ধু : তোরা তাহলে সবাই গানের ভক্ত ।
১ম বন্ধু : দুর, তা নয় , আসলে আমাদের বাথরুমের ছিটকিনিটা নষ্ট তো …………

১৭.
উকিল জেরা করছেন এক ভদ্রমহিলাকে,
উকিলঃ সেকি ম্যাডাম ? আপনার স্বামী তো পাঁচ বছর আগে মারা গেছেন । তাহলে চার বছরের আর একটি দুই বছরের বাচ্চা এলো কোথা থেকে ?
ভদ্রমহিলা রাগের স্বরেঃ তা আমি তো বেঁচে আছি না কি? 😐

১৮.
ডন ঘরে ঢুকতেই দেখলো তার স্ত্রী জিমির সাথে শুয়ে আছে | সে জিমিকে বললো, বাস্টার্ড সাহস থাকে তো আয় দুটো পিস্তল নিয়ে ডুয়েল লড়ি | যে জিতবে লিন্ডা তার হবে | বলে জিমিকে নিয়ে পাশের ঘরে চলে গেল | পাশের ঘরে ডুয়েল যাবার সময় জিমি বললো, ডন কেন মিছিমিছি আমাদের মাঝে একজন মরবো, তারচেয়ে বরং দুজনেই মরার ভান করে শুয়ে থাকি, লিন্ডা যাকে নিয়ে কাদঁবে, লিন্ডা তার হবে | বলে দুজনে মটকা মেরে শুয়ে পরল এবং দুটি গুলির আওয়াজ করল | ডনের স্ত্রী ঘরে ঢুকে দেখল দুজনেই মরে পড়ে আছে |
সে তখন খাটের তলা থেকে তার আরেক প্রেমিক মাইকেলকে ডেকে বললো মাইকেল চলো এসো, এরা দুজনেই মরেছে, আর কোনো বাঁধা নেই |

১৯.
ভাড়াটে স্বাক্ষীকে টাকার লোভ দেখিয়ে তার কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে।
চুরির মামলা।
বিবাদী পক্ষের জাঁদরেল উকিল জানতে চাইলেনঃ তুমি কি চুরি হতে দেখেছো?
‌–দেখেছি মানে, আমার সামনেই তো চুরি হলো
–তা সেটা কতো বড়ো ছিলো?

থতমত খেলো ভাড়াটে স্বাক্ষী, কি চুরি হয়েছে, তা জানা হয়নি। তবে সে পেশাদার। তাই ভড়কে না গিয়ে বাম হাতটা উঁচু করে ধরলো।
উকিল রেগে গিয়ে বললেন–চুরি হয়েছে দেশী ছাগল আর তুমি দেখাচ্ছো অস্ট্রেলিয়ান গরুর সাইজ।
ভাড়াটে স্বাক্ষী হেসে বললো–সবে তো একটা হাত তুলেছি, এখন অন্য হাতটা কোথায় রাখি দেখুন, তবে তো বুঝবেন। 😀

২০.
এক বৃদ্ধ তার সাত মাসের নাতিটিকে কোলে নিয়ে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। এ সময় এক তরুণী এগিয়ে এসে বলল, ‘ওমা, কী সুন্দর! আদর করতে ইচ্ছে করছে। বয়স কত?’
বৃদ্ধ জবাব দিলেন, ‘করতে চাইলে করতে পার,এবার পঁচাশিতে পড়লাম।’ :shy:

২১.
বহুদিন ধরে ছেলে আর মেয়েটি দেখা করছে। সম্পর্ক বেশ অন্তরঙ্গ পর্যায়ে পৌঁছেছে। কিন্তু ছেলেটি বিয়ের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেই না। শেষ পর্যন্ত

মেয়েটি বলল, তোমার কি মনে হয় না, আমাদের বিয়ে করার সময় হয়েছে?
দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে ছেলেটি বলল, এত কিছুর পর আমাদের কে আর বিয়ে করবে, বলো? 😕

২২.
এক নিভৃত কক্ষে প্রেমিক প্রেমিকা। প্রেমিকা তনুশ্রী স্টাইলে জামাকাপড় সব খুলে, বিহ্বল কন্ঠে,
: আমার যা কিছু আছে সব তোমার।
প্রেমিক দারুন অবাক হয়ে,
: তোমার কি মাথা খারাপ? এই সালোয়ার-তামিজ দিয়ে আমি কি করব? আমি পুরুষমানুষ না!!

২৩.
ক্লাসে শিক্ষক ছাত্রদের শিষ্টাচার নিয়ে জ্ঞান দিচ্ছেন,
-“আরে আজকালাকার ছেলেপেলের লাজলজ্জা,নীতিবোধ,শিষ্টাচার এগুলোর কোন বালাই নেই।অবশ্য ছেলেদেরই বা দোষ দেই কেন..মেয়েদের দেখি তো রাস্তাঘাটে…হাতে কাপড় নাই,পায়ে কাপড় নাই…পিঠের অর্ধেক খোলা..পেটের কাছে খালি…

মাষ্টার কথা শেষ করতে পারল না। পেছন থেকে রেগেমেগে একছাত্র বলে উঠল,
“আবে ওই মাষ্টার..তুই কি আমাদের জ্ঞান দিচ্ছিস না গরম করছিস!!! 😡

২৪.
–“লাগে?”
–“হ্যাঁ লাগে।”
–“এখানে লাগে?”
–“হ্যাঁ লাগে।”
–“এইখানেও লাগে?”
–“হ্যাঁ লাগে।”
–“আশ্চর্য! এখন লাগে?”
–“হুম… লাগে।”
–বিরক্ত হয়ে ডাক্তার বলে ওঠেন, “দূরো মিয়া–কি লাগে?”
তৎক্ষণাৎ রোগীর জবাব, “…আরাম লাগে :awesome:

ধন্যবাদ

৯,১৯১ বার দেখা হয়েছে

৮৫ টি মন্তব্য : “কাটপেষ্ট কৌতুক -৪”

  1. কামরুল হাসান (৯৪-০০)

    ১০ নাম্বারটা এইখানের তিন নাম্বারের সাথে মিল পাইলাম :grr:
    যাউজ্ঞা, আমি কয়টা রিয়েল লাইফ জোকস বলিঃ

    ১.
    ডাক্তারঃ এক্সরে ফিল্মে আপনার একটা হাড় ভাঙ্গা পাওয়া গেছে
    রোগীঃ এখন কী হবে ?
    ডাক্তারঃ ভয় নেই, আমরা ফটোশপে ঠিক করে দিয়েছি।

    ২.
    - বল তো, ''জীবন দেব তবু গাজা ছাড়বো না'' কথাটা কে বলেছিল?
    - আমাদের পাড়ার গাঞ্জু চিন্ময়?
    - না হল না
    -তাহলে গাঞ্জু রহিম?
    - না হল না
    - তাহলে কে?
    - ফিলিস্তিনের ইয়াসির আরাফাত !

    ৩.
    মেয়ের বাবাঃ ঘটক সাহেব, পাত্র নাকি একেবারে ভ্যাগাবন্ড ?
    ঘটকঃ তাতে কী? বিছানায় তো পুরা জেমস বন্ড।


    ---------------------------------------------------------------------------
    বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
    ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।

    জবাব দিন
  2. আহমেদ মাশফিক রায়হান সিউল (১৯৯৮-২০০৪)

    যদিও সবকয়টাই কমন পড়ে গেল তবুও :clap: :clap: দারুন কালেকশন কোনই সন্দেহ নাই..... বিশেষ করে রাজকন্যারটা দারুন (এটার ৩৬+ ভার্সনটা জানতাম)

    জবাব দিন
  3. আফতাব (১৯৯৩-১৯৯৯)

    ফুয়াদ,
    তোর এই জুক্স গুলা পড়তে পড়তে অজ্ঞান হয়া গেসিলাম। সোফার হাতলে মাথা দিয়া পড়তেসিলাম, হাসতে হাসতে মাথায় বারি খায়া হুশ ছিল না কতক্ষন। এই জন্য তর পাংগা বাকি রইলো।
    আমি আন্দোলনের ডাক দিবার চাই, "এক দেশ এক দাবি, বব-এর জোক্স আরো দিবি"

    কামরুল,
    আলাদা ব্লগ-এ লেখ ভাই, অনেক সময় মন্তব্য থেকে জুক্স হারায় যায়। ভালো জুক্সের দেশ-এ এখন বড্ড অভাব।

    জবাব দিন
  4. তাইফুর (৯২-৯৮)

    বণ্য হারামি
    বড্ড অসময়ে তোর লিখা পড়তে বসছি ...
    ৫, ১২ আর ২২ পইড়া আরেট্টু হইলে আমার এপেন্ডিসাইটিস অপারেশনের সেলাই-ই ছিড়া যাইত


    পথ ভাবে 'আমি দেব', রথ ভাবে 'আমি',
    মূর্তি ভাবে 'আমি দেব', হাসে অন্তর্যামী॥

    জবাব দিন
  5. রুম্মান (১৯৯৩-৯৯)

    😀 :boss: 😀


    আমার কি সমস্ত কিছুই হলো ভুল
    ভুল কথা, ভুল সম্মোধন
    ভুল পথ, ভুল বাড়ি, ভুল ঘোরাফেরা
    সারাটা জীবন ভুল চিঠি লেখা হলো শুধু,
    ভুল দরজায় হলো ব্যর্থ করাঘাত
    আমার কেবল হলো সমস্ত জীবন শুধু ভুল বই পড়া ।

    জবাব দিন
    • কিবরিয়া (২০০৩-২০০৯)
      খেলুম না ভাই

      মানে????
      কি খেলা তাহার সাথে???
      সিসিবি জমায় রাখলে, তাড়াতাড়ি সুইযারল্যান্ডে যান।।।। নোবেল পাইবেন।
      সবাই কয় "মরুকরন" আর হেয় কয় জমায়।।।। 😛 😛


      যেমন রক্তের মধ্যে জন্ম নেয় সোনালি অসুখ-তারপর ফুটে ওঠে ত্বকে মাংসে বীভৎস ক্ষরতা।
      জাতির শরীরে আজ তেম্নি দ্যাখো দুরারোগ্য ব্যাধি - ধর্মান্ধ পিশাচ আর পরকাল ব্যবসায়ি রূপে
      - রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

      জবাব দিন
  6. মুস্তাকিম (৯৪-০০)

    ১৫ নং এর প্রেক্ষিতে একটা রিয়াল লাইফ জোক:

    এক বন্ধুর জন্য সবাই অপেক্ষা করছে। ওর আসার নাম নাই। অনেক অপেক্ষার পর সে এল।
    রাগত ভংগিতে একজন জিগ্যস করলো "হারামজাদা, এতক্ষন কি কইরা আসলা?"
    বন্ধু: "কাপড় তুলে বার্গার খাইয়া আসলাম।এই জন্যই একটু দেরী হইলো"।

    সে গিয়েছিলো শীতবস্ত্র কালেকশন করতে আরো অনেকের সাথে। কাজ শেষ করে সবাই বার্গার খেয়েছিলো। তাই আসতে দেরী।

    এর পর তার নাম হলো বার্গার "..." (সম্পাদিত)

    জবাব দিন
    • কিবরিয়া (২০০৩-২০০৯)
      বন্য, তুই আসলেই একটা মাল

      =)) =)) =)) =))
      শ্যাষ পরজন্ত।।।।।।


      যেমন রক্তের মধ্যে জন্ম নেয় সোনালি অসুখ-তারপর ফুটে ওঠে ত্বকে মাংসে বীভৎস ক্ষরতা।
      জাতির শরীরে আজ তেম্নি দ্যাখো দুরারোগ্য ব্যাধি - ধর্মান্ধ পিশাচ আর পরকাল ব্যবসায়ি রূপে
      - রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

      জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।