গরমে ঘেমে গেছে গায়ের জামা,
বাড়ন্ত সূর্যের তেজীভাব,
পিচগলা রাস্তায় আগুনের হল্কা,
খরখর চোখে ঠাণ্ডা পানির ছাট,
দিনশেষে লোডশেডিং এ অন্ধকার রাত,
নিঃশ্বাসে ঘামের গন্ধ
আর মশার কামড়ে অস্বস্তিকর ঘুম –
বৃষ্টিকে এত মিস করিনা আর কখনো।
এই বাতিঘর, এই খেলা-প্রেম
==================
এই বাতিঘর এই খেলা-প্রেম।
প্রস্তাবনা ছিল আমরা কখনও ভালোবাসবো না, কোন প্রেম ঘুমাবে না আমাদের মাঝে,
এবং অবশ্যই,
কতিপয় নিয়ম। প্রথা। চালচলন। বিধীত আইনপাঠ।
সমুদ্রেই বসত করে বাতিঘরের আলো, এই বিশ্বাসে,
ঘর বাঁধা বালুর গভীরে
মিথ্যে কথাটি আমাদের অজানাও ছিল না।
A Journey by Train এবং আরেকটু ভালবাসা
আবার সিরিজের মাঝখানে পোস্ট; :bash: কিছু করার নাই… আমার মানসিক বিকৃতি হইসে; পাঠকরা একজন অসুস্থ মানুষের প্রতি দয়াশীল হয়ে পড়ে যান।
বাইরে ছুটে ছিটে পিছিয়ে যাচ্ছে অবিরাম
বাংলার গ্রাম্য দৃশ্যপট নয়নাভিরাম,
জানালা দিয়ে শুধু হাজার বার
তোমার মুখে আলোর বর্ষন;
ঐ যে বাইরের গাছগুলো,
যারা ক্রমাগত দোল খাচ্ছে,
যাদের ক্ষণে ক্ষণে পাতার ঘর্ষন
সেই ফাঁকে শেষ সূর্যের আলোকপাতের বাহার
তোমার মুখমন্ডলকে করে মায়াময় বিষাদ-বিচূর্ণ।
নিঃসঙ্গ তারা
জানালার পর্দাটা সরিয়ে
রাতের আকাশের পানে তাকাই
একটি মিটিমিটি তারা জ্বলে একাকী
তুমিহীনতায় নিবুনিবু আলোয়।
চাঁদনী পহর রাতে
চাঁদনী পহর নিঝুম রাতে আজি
সঙ্গী তুমি হও যদি আজ রাজি
যাবো মোরা দূর মধুবনে
বসবো আমি বিভোর তোমার সনে
গাইবো আমি গলা ছেড়ে গান
তোমার কাছে
তোমাকে নিয়ে কবিতা লিখি
তোমাকে নিয়ে গল্প
নিয়েছি তোমায় করে আপন
করে অল্প অল্প।
হাসো তুমি মিস্টি সুরে
কথা বলো স্বল্প
হৃদয় আমার জুড়ে আছো
জুড়ে আমার কল্প।
ফাঁকি

মানিক কিংবা বুদ্ধদেবের মতো যারা,-সকলে
পড়ে আছে ভাঙ্গা কাঠের বাক্সে,অবহেলে-
দুই মলাটের ভাজে!-পোকারা তাদের
বুক চিঁড়ে খুজে পেয়েছে পথ-স্বাদের!
একদিন আমিও খুঁজেছিনু পথ,ও পথে
পেয়েছি কত বোধ-প্রবোধ-সৎ বিজ্ঞাতা;সেই হতে
কত দর্শনে ভারাক্রান্ত হয়েছে হৃদয়,
এখন সেইসব কেবল ফাঁকি বলে মনে হয়!
এক মানবী কতটা আর কষ্ট দিবে?
মাঝে মাঝে কিছু কবিতা পড়ে চমকে উঠে। আমি যদি কবি হতাম তাহলে ঠিক এই কথাগুলোই আমার হাত দিয়ে বের হত। তখন ঠিক কেমন লাগে কাউকে বুঝানো যাবে না। আনমনা হয়ে পড়ি। যখন খেয়াল হয় তখন বার দশেক কবিতাখানা পড়া হয়ে গেছে। খুব কাউকে শোনাতে ইচ্ছে করে। কবিতার ছলে বলা নিজের অনুভূতি। হেলাল হাফিজ আমার সবচেয়ে পছন্দের কবি। তার যতগুলো কবিতা পড়েছি মনে হয়েছে এ তো আমার কথা।
বিস্তারিত»অন্বেষণঃএকটি সামুদ্রিক কবিতা
কতদিন ধরে কাঠের জাহাজে ভেসে ভেসে
চলেছি লোনা সাগরের অফুরান নীল জল ঘেঁষে
দু’পাশে দু’হাত ছড়িয়ে,হাওয়ায় রেখে বুক-
পেয়েছি অবিরল সুখ,
চারিদিকে তরলের ভীড়ে শাদা ফেনার মতন,
উচ্ছ্বাসে উথলে উঠেছে মন!
লিমোসিনের পালকি
ঘোমটা মাথায় গয়না গলায়
বধূ সাজে বসে
ফেলে আসা বছর কুড়ি
সুদূর দেশের বাসা বাড়ি
গোপাল ভাড়ের গল্প ঝুড়ি
মনে তাহার আসে।
হৃদয়ের ডাক
ভালোবাসাপ্লুত সুরেলা আহবানে ডাকবো একদিন
ছুটে এসো তৃষ্ণাকাতর মোর আলিঙ্গনে
ছিড়ে সমস্ত কাঁটাতারের বেড়া
বাজায়ো হৃদয়ে বীণ
ছায়াঘন কুঞ্জবনে
দিও ঠোঁটজোড়া।
সুহাসিনী মেয়ে
প্রথম যেদিন তোমার সাথে
হলো আমার দেখা
মনে মনে ডেকেছি তোমায়
ভেবে আমার সখা।
কম্পিউটারের চিঠির মাঝে
করলাম যোগাযোগ
পেলাম নাকো তোমার সাড়া
তোমার মনোযোগ।
স্টোলেন কিস: একটি হাইকু
কিছুদিন ধরেই ওয়েট করছিলাম এফসিসির ৯৯তম পোস্ট এর জন্য, সানা ভাই এর চোখে না পড়লে ১০০তম পোস্টটা আমারই হতে যাচ্ছে। :awesome:
এই হাইকুটা পরে কখনো শেয়ার করব ভেবেছিলাম, কিন্তু এর থেকে ভালো সময় মনে হয় হবে না। ইন্ডিয়ান হাইকু সোসাইটির আমন্রণে আমি গত বছর ব্যাংালোরে ৯ম বিশ্ব হাইকু উতসবে যোগ দেই। সকল হাইকু লেখক তিনটি করে হাইকু জমা দেন এবং সেখান থেকে সেরা দশ হাইকুকে পুরস্কার দেয়া হয়।
বিস্তারিত»একটা হওয়া না হওয়া নিয়ে খানিক বাচালতা কিংবা আজীবন ভেবে আমি যা ভেবে পেয়েছি

অ.তুমি শুরু করলেই হয়?
এভাবে হবে না কিছুই – যেমন টের পাই
আমার ভেতরে শব্দগুলো হতাশ হয়ে তাকায়
মাথা নেড়ে তারা খুব ম্রিয়মাণ হয়
ধুস্শালা! নষ্টমানুষ একটা!
স্ফটিক-বিম্বে বন্দী করছে আমাদের।
আ.কী নিরালম্ব আমাদের ঘুম!
ওভাবেও হবে না- তারা বলে, যখনই আমি সুঁই সুতো দিয়ে বাঁধতে গ্যাছি
“শুয়োরের ছাও,
পড়ে ছিড়ে ফেলুন………
প্রথম লেখাটা ছিলো কবিতা। এরপর ভাবলাম কবিতা থাক অন্য কিছু লিখি। ২ টি লেখা লিখলাম কিন্তু একটাও আমার এডিটর সাহেব ছাপলেন না। তাই মনে হচ্ছে কবিতা ছাড়া আমি আর কিছু লিখতে পারি না। তাই আবার কবিতা লিখলাম। এটা কলেজ লাইফের শেষের দিকে লেখা। দিন তারিখ দিয়ে আমার কবিতা লেখা হয়না। যাই হোক এবার কবিতায় আসা যাক……
হাতের মুঠোয় এক টুকরো বরফ
হাতের উষ্ণতায় বরফ জল হয়ে গলে
বরফ এর শীতল ছোয়ায় একি ভূতুড়ে
হাত অবশ হয়ে আসে
কিছু সময় পরে মুঠো খুলে,