প্রেমিকার ঠোঁটে নিউইয়ার উদযাপন

সবুজ নিবিড় বনের মাঝে
তুমি আমি এতো কাছে,
ক্যাম্পফায়ারের আগুন আঁচে
তোমার মায়াবী মুখ, আরো মোহনীয় লাগে
যেন এমন রহস্যময়ী কেউ দেখেনি আগে।

তুমি আমি আরো ঘন হয়ে বসি
দুজনে মিলে বিগত বছরের,
ভালোবাসার হিসেব কষি।

বিস্তারিত»

শীত

    রেনেসাঁ পর্ব

(জীবনানন্দ দাশ স্মরণে)

বিম্বিসার নগরে উঠেছে ঘোলাটে ময়লা চাঁদ
অরূপাক্ষ নদীতে পড়ে বালুচর। প্রিয়তমার মিথ্যা শরীরে
ডোবে কুহক-পুরুষ, প্রেমিক হতে পারে সে যদিও,
চুপ!- দেখো কুৎসিত কালো জলে ভাসে প্রণয়ের লাশ।

যাবতীয় ব্যর্থতাবাদী-বিধাতা-পূজারী সকল
ঘেটেঘেটে কাদাপাঁক রণে ভঙ্গ দেয় সেই রাতে
বিক্ষোভ মিছিল চলে অবিরাম গতিতে
দেবতাবিহীন রাজার স্বৈরাচারী সাম্রাজ্যে।

বিস্তারিত»

একটিবার এসো তুমি

(উত্সর্গ পর্বঃ সঙ্গত কারণে এই কবিতাটি গিফট করা হলো আমাদের প্রিয় কমান্ডো আহসান ভাইকে। সাথে সবার জন্যে FREE হিসেবে থাকছে নিচের ছবিটা।)

আঁধার পেরিয়ে এসো তুমি মেয়ে
দ্বিধার পর্দা গলে এসো
গোধূলি লগনে অবারিত দিগন্ত জুড়ে এসো
কিংবা হাসনাহেনার গন্ধ নিয়ে এসো
নতুবা হেলেনের সাজে এসো।

বিস্তারিত»

শপথ

ডিসেম্বর মাস, আমাদের বিজয়ের মাস, স্বাধীনতা অর্জনের মাস। তাই বিজয় কিংবা স্বাধীনতা নিয়ে কিছু লিখতে খুব ইচ্ছা করছিল। কিন্তু মাথার মধ্যে কিছুই গোছাতে পারলাম না। ২০০১ সালে বি এম এ তে থাকাকালীন ম্যাগাজিনে একটা কবিতা দিয়েছিলাম। ওটা ছাপাও হয়েছিল। আসলে কবিতা বললেও ভুল হবে। বস্তুত এটা একটা ছড়া। এখন হঠাৎ মনে পড়ে গেল। এখানে সবার সাথে সেটা শেয়ার করতে ইচ্ছা করছে। সামান্য পরিবর্তন করে ওটাই এখানে তুলে দিলামঃ

শপথ

বহুদিন পর হঠাৎ যে আজ
মনে হলো এক করুন কথা,

বিস্তারিত»

অনন্যার চোখ

…ক্রমশ কীটচলনের ফলে আমার মাথার ভিতরে নাগাসাকি ঝরে পড়তে থাকে বলে আমি চোখ মেলে নির্লিপ্ত মনিটরে ফোটন খুঁজি, পিক্সেল ভেঙে ভেঙে দুইশছাপ্পান্ন রং ঢুকে পড়ে ইন্দ্রিয়পথে; সেখানে তাদের ইগলু-ঘরের পাশে রোম রোম পেতে ধূসর জর্নাল পৃষ্ঠা উন্মোচনের গাঢ়বিষাদের আয়নার ওপাশে অনন্যার চোখে ঝিলিক বুলায়। রুঝ মুছে গেলো কিনা বুঝে ওঠার জন্যে অনন্যা একবার তাকিয়েছিল পারদলেপা তলে, সেজন্যেই ফ্রেমের মাঝখানে তার গোলাপি ঠোঁট তিরতিরিয়ে গোপন কথাগুলো বলে ফেলে অকপটে।

বিস্তারিত»

বিচ্ছেদের পরে…

আমি বোধহয় দিনে দিনে দারুন অভিনেতা হয়ে যাচ্ছি!

কী অদ্ভুত নিয়মে বুঝে গেলে শেষমেষ তুমি,
শব্দের মোড়কে জড়াতে হলোনা বিচ্ছেদের
গতানুগতিক অভিনয়। কষ্টের অভিনয় করা
মুলতই কষ্টকর, বিশেষত যখন মুখোশ খুলে
বসি আমরা মুখোমুখি, তাবৎ কপটতা ঝরে যায়
আমাদের, ঠিক একদম দুদিন-পুরোনো পাঁপড়ির মতো।

বিস্তারিত»

শ্লেটমুখী ও অন্যান্য

    শ্লেটমুখী

অরীয় বেণিদ্বয়ের শামুক-দোলন, সরে
এপাশে ওপাশে প্রতিসম বিস্তার, ভেঙে
বেণিদ্বয় দুলে ওঠে, উঠতেই থাকে,
ঘনোপর্দায় ছায়াগুলো শরীর ঢাকছে, তাই
বেণিদ্বয় সচকিতে
শ্লেটে লেখা এলোমেলো আঁকিবুকি মুছে দেয়।

    ঋতুযাপন
বিস্তারিত»

##সে##লা##ই##

এখন চোখের ওপরে খড় দিয়ে তৈরি সুতো আর শাবল দিয়ে তৈরি সুঁই দিয়ে কেউ একজন আমার চোখ সেলাই করে দিচ্ছে। চোখের দু’পাতারা চিরে গিয়েছিলো জন্ম-মুহূর্তে। তারপরে চেরাফুটোয় গলগলিয়ে রঙ ঢুকেছে, আলো বাতাস পিতা মাতা সহোদরা ঢুকে গেছে এবং মেডুলায় তাদের কাদালেপা ঠাণ্ডাঘর বানিয়েছে। সে চোখচেরা গুহামুখেই প্রবল প্রতাপী তরুণীর শাদা শাদা স্তন আর যোনি ঢুকে গেছে সাথে করে কুষ্ঠভিখারিনীর গলিত হাত আর নখ, জটামাখা চুল।

বিস্তারিত»

নপুংসকের আত্মকথন

বিশেষ কারণে ( :gulli: ) এই লেখাটি উত্সর্গ করা হলো IUTর তুহিনকে (আমাদের অতি পরিচিত কুচ্ছিত হাঁসের ছানা)।

কেমন আছো মেয়ে?
খামের গায়ে ঠিকানা দেখে চিনতে পারোনি নিশ্চয়?
আমি এখন অনেক উঠেছি,
ঢের বেড়েছি বিত্তভবে।

তোমার কী খবর?
বড় ছেলেটা ইস্কুলে যেতে শুরু করলো কি?
আর মেয়েটা?
আমার কোলে উঠেই যার কান্না থেমে গেছিল?
সকলেই ভালো থাকুক
এই আমার প্রার্থনা।

বিস্তারিত»

এক ডজন অনুকাব্য, একটা কম


যাবে যাবে করেও
যায়না তবু বশ করা
আমি বলি ভালবাসি
তুমি ভাব মশকরা


মন কেড়েছে উরমিলাই
ওর গানে তাই সুরমিলাই

বিস্তারিত»

অপলাপ – ২

অফটপিকঃ আজ নিজের পোষ্টগুলো একটু ঠিকঠাক করছিলাম। অনেকগুলোতেই কোন ট্যাগ নেই বিভাগ নেই হয়ে আছে। সেই করতে গিয়ে দেখলাম আমার একার পোষ্ট হচ্ছে ৪২ খানা। আমার অর্ধেক ও নেই কারো। এরপর পোষ্ট দিতে লজ্জা লাগছে। আমার মত নাদান যদি এই ব্লগের সর্বোচ্চ পোষ্টার ( যে পোষ্টায় ) হয় তাহলে কেমনে হয় । তাও লজ্জা লাগার পরও একখানা কবিতা দিলাম।

বলেছিলে,
ইচ্ছে হলে ডাকবে।

বিস্তারিত»

ডায়েরীর পাতা থেকে

কলেজ ছেড়েছি বহু বছর হয়ে গেল । অনেক কিছুই হারিয়ে গেছে, শুধু আমার ডাইরীটা আছে । ডাইরীতে আমার সব বন্ধু কিছু না কিছু লিখেছে । প্রবাসের সদা ব্যস্ত জীবনে যখন কিছু ভাল লাগেনা, ডাইরীর পাতা উল্টাই । আমার আত্মার ছোট ছোট অংশ গুলো ছুঁয়ে দেখি । আমি কবিতা তেমন বুঝিনা । তবে এই কবিতাটা আমার অনেকবার পড়া । কামরুল তুই কি এখনো কবিতা লিখিস??

এই কবিতার কোন নাম নেই,

বিস্তারিত»

আচার০০২: অণুকাব্য

বুকের ভেতর জমাট জল,
অকস্নাৎ নিহারকণা…
পাঁজরা ভাঙে, পাঁজরা ভাঙি।
টুপটাপ, তারপর নৈঃশব্দ।
ভীষণ ধ্বংসস্তূপের উদর হতে
বেরিয়ে আসেন কালপুরুষ।
গায়ে মেখে নয়া রোদ,
আবার গড়েন, হার না মানা,
সৃষ্টিসুখের উল্লাসে অবোধ।।

(আমার সিরিজটার নাম তারেক ভাইয়ের কাছ থেকে ধার করা। যখন শুরু করেছিলাম তখন কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয়নি, এখন করছি, ধন্যবাদ সহ।)

বিস্তারিত»

দুটি কবিতা

বছরের বিভিন্ন সময় ইংরেজীর খেতাব স্যারের উতপাত বেড়ে যেত। বিশেষ করে আমাদের রংপুর ক্যাডেট কলেজের ইংরেজী বার্ষিক পত্রিকা sprout প্রকাশের আগে আগে। স্যার যাকে কাছে পেতেন তাকেই ইংরেজী কবিতা অথবা কিছু একটা লিখা দেয়ার জন্য অনুরোধ করতেন। বেশিরভাগ সময় অবশ্য অনুরোধ না করে আদেশ করতেন। বিশেষ করে জুনিয়র ক্লাসের ক্যাডেটদের বেশি আদেশ করতেন লিখা দেয়ার জন্য। স্যার একবার মান্নানকে sprout এর জন্য কবিতা লিখতে বলেছিল।

বিস্তারিত»

১৯ সেপ্টেম্বরে মনে পড়ে বন্ধু তোকে…

মনে পড়ে তোকে বন্ধু আমার!

সে আমার বন্ধু ছিল।

তার নামে উঠতো গেয়ে নাম না জানা পাখি,

তার টানে রঙ্গীন ফুলে বসতো যে প্রজাপতি।

তার পানে চলতো ধেয়ে চঞ্চলা স্রোতস্বিনী,

তার ধ্যানে ঘন অরন্যে চলতো কানাকানি ।

তার ছন্দে ঝংকারিতো পায়ের নুপুর রিনিঝিনি,

তার ইশারায় ব্যক্ত হতো এ জীবনের হাতছানি…।

সেই যে আমার বন্ধু ছিল।

বিস্তারিত»