ঘুম

জয়পুরহাট ক্যাডেট কলেজের কাহিনী, আমার এক ছোট বোনের। তাদের কলেজে খুব মজা, ক্লাস টেন সিনিয়র মোস্ট ক্লাস এখন পর্যন্ত, তাই ওই ব্যাচ থেকেই প্রিফেক্ট হয়। এক বছর করে করে প্রিফেক্ট শীপ, ক্লাস টুয়েলভ এ উঠে ফাইনাল টা দিবে।

এই বছর আমার বোনটা ডাইনিং হল প্রিফেক্ট। এক ফেয়ারওয়েল ডিনারে স্যার বক্তৃতা দিচ্ছে, সে হঠাৎ খেয়াল করলো বক্তৃতার কিছু কিছু অংশ যেন উড়ে উড়ে যাচ্ছে।

বিস্তারিত»

কথোপকথন

(দুই ক্যাডেট এর দেখা হলে বিভিন্ন সময়ে কি রকম কথা হয় তার একটা চিত্র তুলে ধরতে চেষ্টা করেছি)

ভর্তি পরীক্ষার আগে

-কি অবস্থা কামরুল তোর ? প্রিপ্যারেশন কেমন চলছে রে।

-আরে ধুর , পড়ালেখা কিচ্ছু হয়না। ক্লাসের পড়া নিয়েই বাঁচিনা আবার ক্যাডেট কলেজ।

-আমারো একই অবস্থা। আসলে তো শুধু দেওয়ার জন্য দিচ্ছি। তেমন পড়ালেখা করিনা।

বিস্তারিত»

শান্টিং

“এই কামরুল এদিকে আস”। শুনেই বুকে দুরুদুরু শুরু হয়ে গেল। লাঞ্চ করে আজ পর্যন্ত একদিন ও সরাসরি রুমে যেতে পারলাম না। আমার রুম নাম্বার ১০১ আর আমার গাইডের রুম নাম্বার হল ১০৫। আমি আসার আগে আগেই কিভাবে যেন উনি এসে ওনার রুমের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকেন আমি বুঝি না। যেদিন আস্তে আস্তে করে ১০৫ নাম্বার রুমটা পার হয়ে যায় সেদিন খুব সাবধানে একটা হাঁপ ছেড়ে বাঁচি।

বিস্তারিত»

টিভি রুম @ক্যাডেট কলেজ

বহুদিন ধরে এক সাথে খেলা বা টিভি দেখা হয়না। একা থাকি ৪ বছর হয়ে গেছে। তাই এইগুলার জন্য আফসোস ও এখন আর হয়না। গত ২ বছর আগে বিশ্বকাপ ফুটবল দেখেছিলাম একজনের সাথে নেটে বসে। দুজনে নেটে বসে ভয়েস করি আর টিভির খেলা দেখি । মন্দের ভাল আর কি। কিন্তু সিসিবি এসে অনেক পুরান পুরান আক্ষেপ নতুন করে এনে দিয়েছে।

বিস্তারিত»

লেখাচুরির গল্প

তো, এটা আসলে আপনাতেই হয়ে যায়। পঞ্চাশটা ছেলে-পেলে একসাথে থাকলে, সবার দোষগুণ একদিকে ধায় না, একেকজনের প্রতিভা একেকদিকে স্ফূরিত হয়।
ব্যাতিক্রম কেবল আমি, মোটামুটি প্রতিভাহীন অবস্থাতেই আমি পুরো কলেজলাইফ কাটিয়ে দিয়েছি। আমি খেলাধূলায় কখনোই ভাল না। রুম ক্রিকেট বা করিডোর ক্রিকেটে প্লেয়ার শর্ট পড়লে আমার ডাক পড়ে, আর তা না হলে আমার কোন গুরুত্বই নেই। আমিও অলস মানুষ, মাথা গুঁজে কোনমতে একটা বই শেষ করে কখন আরেকটা গল্পের বই ইস্যু করবো,

বিস্তারিত»

কুমিল্লার গর্ব আশিক

 

একাডিয়া ইউনিভার্সিটি, কানাডা। এর বিগত ২০০ বছরের ইতিহাসে দুর্লভ এক প্রতিভার স্বাক্ষর দেখিয়েছেন বাংলাদেশি ছাত্র মোঃ আশিকুর রহমান।

আশিকের কম্পিউটার সায়েন্সে অনার্স শেষ হলো। তার সাথে অসাধারণ এক সমন্বয় কম্পিউটার সায়েন্স ও ম্যাথে তার মেজর। ইতিমধ্যে IEEE জার্নালে তার ১টি পেপার প্রকাশিত হয়েছে এবং IEEE সম্মেলনে এ পর্যন্ত ৮টি।
(তথ্যসূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, ২৪.০৩.২০০৮, ৫ম পৃষ্ঠা)

বিস্তারিত»

মনে সুখ নাইরে…

আমাদের এক বড় ভাই আছে উনি আমাদের এখানে সব গেদারিং এ এই গানটা গায়। এই গান আমি প্রথম শুনেছিলাম আমাদের কলেজের এক্স ক্যাডেটদের সাথে একটা পিকনিকে। বোরহান ভাই জাপানে এই গানটাকে চরম জনপ্রিয় করে তুলেছে। আমার পুরাটা মনে নেই। তবে কিছুটা স্মরণশক্তি আর কিছুটা নিজে বানিয়ে লিখার চেষ্টা। ওহ বোরহান ভাই হল ফৌজদারহাট এর ৯০-৯৬ ব্যাচ মনে হয়। (সচলায়তন আর সিসিবি দুটাতে একসাথে এই লেখাটা দিলাম)
যাহোক দেখা যাক বোরহান ভাইর মনে

বিস্তারিত»

ডাব চুরির ইতিকথা!!

বেশ কিছু দিন ধরে লিখা লিখা করে লিখা হচ্ছে না। আমার একটা ফালতু টাইপ assignment due ছিল আজ। তো assignment এর দোহাই দিয়ে নিজেকে অনেক কষ্টে কন্ট্রোল করেছি। কিন্তু এখন আর পারছি না। গত কয়েক দিন প্রচুর ঘটনা মনে পড়ছিল, কিভাবে লিখব, কিভাবে শুরু করব, টাইটেল কি হবে সব কিছুর খসড়া মনে মনে রেডী। but এখন কিছুই মনে পড়ছেনা। আমার খুব একটা বাজে স্বভাব হইছে ১০/১৫ মিন পর পর এক বার ব্লগ চেক্‌ না করলে কেমন জানি অস্থির অস্থির লাগে।

বিস্তারিত»

অন্যরকম ক্যাডেট কলেজ – ৬

[এই ধারাবাহিক উপন্যাসের একেক পর্ব একেকজন লিখবেন। যে কেউ লিখতে পারেন। কেউ যদি পরের পর্ব লিখতে চান তাহলে তাকে এই পর্বে মন্তব্য করে তা বলে দিতে হবে। যিনি আগে বলবেন তিনিই লিখবেন পর্বটি।]
প্রথম পর্ব
গত পর্ব

১৪

-এই আশিক শুনেছিস, আমাদের কলেজে যে নতুন ইংরেজির টিচার আসার কথা উনি কিন্তু ম্যাডাম।
-কি? চাপা মারার জায়গা পাস না না শালা।

বিস্তারিত»

আত্মার ডায়রি থেকে: শুধু একটু আদর

১.

“” আমার ভালবাসা, আমার প্রাণপ্রিয়,

এত আনন্দ আমি কীভাবে যে তোমাকে বোঝাব! কোনো ভূমিকা ছাড়াই বলছি, তোমার একটা মেয়ে হয়েছে, একেবারে চাঁদের মত সুন্দর। তুমি বাবা হয়েছ, আর আমি – মা। জানো লক্ষ্মীটি, তোমার মেয়ে একেবারে তোমার মত হয়েছে, তোমার মত ওর কপালের ডানপাশেও একটা তিল আছে। কিন্তু মেয়েটা সারাক্ষণ শুধু কাঁদে, মনে হয় বাবার আদর পেতে চায়। please লক্ষ্মীটি,

বিস্তারিত»

অনুপস্থিত একটি মাসের দিনলিপি

অনেক দিন পরে এখানে কিছু লিখছি। আমি আমার জায়গা শিফট করেছি। নতুন জায়গায় আমাকে উঠতে দিবে এপ্রিল এর ১ তারিখ আর আমাকে আমার আগের জায়গা ছাড়তে হয়েছে মার্চের ২০ তারিখ। মাঝের ১০ টা দিন উদ্বাস্তু সেজে এখানে ওখানে ঘুরে বেড়িয়েছিলাম। এক জায়গায় আস্তানা গেড়েছিলাম সেখানের ভাইয়া আবার নিজেই ওই বাসায় নতুন এসেছে বলে বাসায় নেট নেই। এমন একটা সময়ে আমি নেট থেকে দূরে গেলাম যখন আমাদের এই সিসিবি টা জম্পেশ জমে উঠেছিল।

বিস্তারিত»

বাংলাদেশ-পাকিস্তান খেলা নিয়ে…

খেলার লেখা দেখে মনে পরে গেম ১৯৯৯ এর বিশ্বকাপ এর কথা। সেই ঐতিহাসিক বাংলাদেশ পাকিস্তান এর খেলার কথা।

তখন চলছিল আইসিসিএফএম এর প্রাকটিস। যেদিন খেলা সেদিন পুরা কলেজ কে গেমস অফ করা হল। কিন্তু আমাদের মাঠে যেতে হবে। কি মুস্কিল। মাঠে প্রাকটিস করছি আর হউস থেকে চিৎকার শুনছি। মেজাজ টা যে কি গরম লাগতেছিল বলার মত না। কিসের প্রাকটিস। মন তো খেলাতে। যাক তাও ভাল ছিল যে পাকিস্তান আগে ব্যাটিং করেছিল।

বিস্তারিত»

পুরোনা কিন্তু সোনালি স্মৃতি(পর্ব ২)

মনে পড়ে যায় আমাদের একনায়ক ফর্ম লীডার রনির কথা।ও যে তিন মাস ফর্ম লীডার ছিল একনায়কতন্ত্র চালিয়েছিল আমাদের ওপর।আরো মনে পড়ে আরিফ কিংবা খালেক এর জ্ঞানী কথা,আসিফ এর না বুঝেই হাসি,সাগর এর মাহিন ম্যাডামের প্রতি দূর্বলতা,অনিক এর নিজের জোকস এ নিজেই হাসা।মনে আছে একবার ক্লাস সেভেন এ রাইস স্যার ছিলেন আমাদের ফর্ম মাস্টার। এক দিন সাগরকে ধরে কি মারটাই না দিলেন।ওর ফল্ট ছিল ও মারুফকে জড়িয়ে ধরেছিল।মনে পড়ে,

বিস্তারিত»

প্রসঙ্গ এডজুট্যান্টস

‘৯৭-এ যখন ঢুকি তখন কুমিল্লার এডজুটেন্ট ছিলেন মেজর মঈনুদ্দীন মাহমুদ। তাঁরই শাসনামলে আমরা নোভিসেস প্যারেড করি, অতঃপর ক্যাডেট হই। সে সময় অথরিটি বলতে কতো কী বুঝায় কিছুই জানতাম না। সেসব নিয়ে মাথা ঘামানোরও দরকার পড়েনি। যতদূর মনে হতো, এডজুটেন্ট খুব ভালো একজন মানুষ ছিলেন। মার্জিত, শুদ্ধভাষী।
এরপর পেলাম নতুন এডজুটেন্ট, প্রিন্সিপাল।১ দু’জনেই জাঁদরেল। ততোদিনে আমরাও বুঝে গেছি অথরিটির ভূমিকা কী। নাম শুনেছি রেড বুকের,

বিস্তারিত»

খুল যা সিম সিম…

মোবাইলের সিম কিনতে গিয়ে বিপাকে পড়লাম। কলেজে নতুন ক্লাস সেভেন যতটা হাস্যকর, আমার মোবাইল অপারেটর সম্পর্কে জ্ঞান তারচেয়ে হাস্যকর। আমি ঠিকমত জানতামই না ডি-জুস কি জিনিস, পালসের কাহিনি কি। মানুষের পালস থাকে জানতাম কিন্তু এই সুবিধা যে মোবাইলেও চলে আসবে বুঝতে পারি নাই।

বিস্তারিত»