ডায়লগ মেলোডি ১.১ (মির্জাপুরিয়ান ভার্সন)

once upon a time অর্থাৎ একদা এক সময় আমরা যখন বাংলা মিডিয়ামে পড়তাম তখন দৌর্দন্ড প্রতাপশালী শিক্ষকদের বাক্যের কারুকার্য দেখাতে তেমন একটা কষ্ট পেতে হতোনা।মাতৃভাষায় মনের মাধুরী মিশিয়ে ভাষার নানা কারুকার্য তারা আমাদের অর্থাৎ ক্যাডেটদের মাঝে উপস্থাপন করতেন। শিক্ষকদের সেই সোনালী সময় থেকেই শুরু করি।

বিস্তারিত»

কতিপয় ডায়লগ(২য় পর্ব)

আমি ঝামেলা এড়ায়ে চলি। আর এর জন্য আমার বিশেষ খ্যাতি আছে!!! তাই নিচের ডায়লগ পরে কেউ যদি মর্মাহত হন, আমি এর দায়িত্ব নিতে মোটেও রাজি না। তাই সবাই নিজ দায়িত্বে পড়ুন…।আমার উদ্দেশ্য আনন্দ দেওয়া, কষ্ট দেওয়া নয়।

-অতি জ্বালানোয় অতিষ্ঠ আমাদের এক ক্লাসমেটঃ
“দেখ্‌ দেখ্‌….., আমি কিন্তু গালি দিব” (আমি ত মনে করলাম না জানি কি করবে!!!)

-মাঝখানে আমাদের কলেজে স্যারদের ক্যাডেটদের সাথে ইংরেজিতে কথা বলার নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিস্তারিত»

একাত্তরের কর্নেল মনজুরুর রহমান

ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ। চীফ কর্নেল মনজুরুর রহমান। এই কলেজের অসম্ভব প্রিয় একটি মুখ।
যুদ্ধের সময় ক্যাডেট কলেজ থেকে সবাই পালিয়ে যান কিন্তু কর্নেল রহমান কয়েকজনের সঙ্গে থেকে যান। মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তার পাশাপাশি তিল তিল করে গড়ে তোলা এই প্রতিষ্ঠান ছেড়ে যেতে তাঁর মন সায় দিচ্ছিল না।
পাক আর্মি ঘিরে ফেলে একদিন এই কলেজ। নেতৃত্ব দিচ্ছিল ১২ পাঞ্জাব রেজিমেন্টের ক্যাপ্টেন ইকবাল।
সঙ্গে ঝিনাইদহের অল্প কয়েকজন স্থানীয় মানুষ।

বিস্তারিত»

তত্ত্বাবধায়ক সরকারে এক্স-ক্যাডেট তামিম

গত ৯ তারিখ বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের চারজন উপদেষ্টা পদত্যাগ করেছেন। ১০ তারিখ ৫ জনকে নতুন উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কে কে উপদেষ্টা হল তা দেখার জন্যই বিবিসি’র বাংলা ওয়েবসাইটে গেলাম। গিয়ে দেখি ৫ জন উপদেষ্টা নিয়োগ দেয়ার পাশাপাশি আরও ৩ জনকে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই তিন জন হলেন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম এ মালেক মোল্লা, চাকমা রাজা এবং পাব্যর্ত শান্তি চুক্তির অন্যতম সংগঠক ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় ও বুয়েটের অধ্যাপক ড.

বিস্তারিত»

কতিপয় ডায়লগ(১ম পর্ব)

আমি মানুষের ভাল চাই!! তাই খারাপ কাজটা করতে পারলাম না। নামগুলো আড়ালেই থাকল……

– তিতাস হাউসের আমাদের এক ক্লাসমেট ঝগড়ারত অবস্থায়ঃ
“রক্ত বাইর করতে সময় লাগে না”(আমি আগে আসলেই জানতাম না)

-আমাদের জ্বালায় অতিষ্ঠ সেই একই ক্লাসমেটঃ
“আমি তোকে কুপন(ক্যাডেটদের টাকা) দিব তুই আমাকে মুক্তি দে”(হু! বাছাধন মুক্তি পাওয়া অত সহজ)

বিস্তারিত»

একদিন

আমাদের কলেজে যে কোন অসুখই কিভাবে কিভাবে যেন ছোয়াচে হয়ে যায়। একবার কার জানি appendicitis হল। তার পর থেকে একের পর এক সাত আট জনের ( ঠিক মনে নাই, তবে সংখ্যাটা আরো বেশি, কম না) এই appendix operation হয়ে গেল! ডেভিডসন দেখলে বলেই দিতেন যে appendicitis ছোয়াচে রোগ।
একবার সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে আমি লুলা হলাম। তারপর একের পর এক মানুষজন লুলা হতে থাকলো।

বিস্তারিত»

চাচা কাহিনী (মাত্র শুরু)

গতকাল বাজারে গিয়েছি। হঠাৎ চাচার ফোন।আমিতো অবাক। চাচারতো এমন সময়ে ফোন আসার কথা না।তারচেয়ে বলা ভাল চাচা যেখানে আছে সেখান থেকে এখন ফোন করতে পারার কথা না।যাইহোক কিছুটা কৌতূহল নিয়েই ফোনটা ধরলাম।
– আরে চাচা, কেমন আসো??
-ভালা,তোমার খবর কি?
-এইতো।তুমি কোথায়?কেমনে ফোন করলা??অইখানে তো নেটওয়ার্ক থাকার কথা না।
অবশেষে জানা গেল চাচা খাগড়াছড়ির কোন একটা পাহাড়ের উপরে।নিচে নেটওয়ার্ক নাই দেখে পাহাড় বেয়ে উপরে উঠে হলেও গ্রামীনফোনকে তার টাকা দেয়া চাই।আজকালকার জামাইরাও মনে হয় শ্বশুরবাড়িতে এত আদর পায়না।সবশুনে ভাবি এই না হলে চাচা।পাহাড়ের চুড়ায় ঊঠেও অনেক নিচে থাকা আমার কথা যত্ন করে মনে রেখেছে।মনটা খুশি খুশি হয়ে ওঠে।

বিস্তারিত»

একটি বৃহঃস্পতিবার ……..আর কিছু?

ক্যাডেট লাইফে একটি বৃহঃস্পতিবার যে কি তা শুধু এক ক্যাডেট-ই বলতে পারে। এমন কি কোন ক্যাডেট আছে যে সপ্তাহের
এই একটি বারের কথা ভুলতে পারবে? সকাল থেকেই পরিকল্পনা শুরু হয়ে যেত কে আজ কাঁঠাল পারবে, কে যাবে সিনেমা দেখতে,
আর সবার আগে যা চিন্তা তা হলো সেদিন রাতে কোন স্যার আর তার সাগরেদ(হাউস বেয়ারা) কে। সিনিয়রিটি বাড়ার সাথে সাথে ফুরতিও বাড়তে থাকে। ত রাতে সাধারনতঃ মুভি থাকত,

বিস্তারিত»

ভিন্ন রকম

সবার শেষে কোনমতে শার্ট ইন করতে করতে একাডেমি ব্লকের দিকে ছুটছি। সেকেন্ড প্রেপ শুরু হতে কোন সময়ই আর বাকি নেই। আমি অবশ্য একা নই। সাথে আহসান। ডিউটি মাস্টার ব্লকের সামনে দাড়িয়ে না থাকলে সে যাত্রা বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশী ছিল। উপরন্তু, বেল পড়ার ইমেডিয়েট পড়ে ডিউটি মাস্টার একটা রাউন্ডে যায় প্রায়ই। কিন্তু ভাগ্য যতোটা খারাপ হওয়া সম্ভব তোতাটাই। ব্লকের ১০০ গজ সামনে থাকতেই বেল দিল এবং ব্লকে ঢুকে সরাসরি ডিউটি মাস্টারের সাথে মোলাকাত।

বিস্তারিত»

খাওয়া দাওয়া

খাওয়া দাওয়া টা অনেক important জিনিস। সবাই দেখি অনেক কিছু লিখে ফেলসে, punishment, stage compitition,হাবিজাবি। আমি আবার একটু খাওয়া দাওয়া পছন্দ করি, তাই…ব্লগটাও…আর আমি এইটা নিয়ে মোটেও লজ্জিত না।

বাইরে এসে মানুষজন বুঝে ক্যাডেট কলেজে রানী ভিক্টোরিয়ার হালে থাকতাম, খাওয়া দাওয়া তো কিছু পছন্দ হতো না ঐখানে (আমার অবশ্য হত! ), বিশেষ করে শুক্রবারের খিচুড়ি-ওফফ! ওইটা এমনকি আমারও পছন্দ হইত না। কিন্তু খেলা থাকলে আবার ওইটাই চুরি করে আনতাম।

বিস্তারিত»

না বলে চলে যাওয়া এক প্রিয় মানুষের কথা

কিছু কিছু মানুষ চলে যাবার পরেও চলে যেতে অনেক সময় নেয়। কিছু কিছু মানুষ আবার আরেকটু বেশি ত্যাদোড় টাইপের। নিজে চলে গেলেও ছায়াটুকু কখন যেন পেছনে ফেলে যায়। বাস্তবতার কড়া রোদে পুড়েও পুরোপুরি তা’ মুছে যায়না। সময় অসময়ে, রাতে বিরাতে মনের দরজায় এসে খট খট করে শুধু। বয়স কতইবা হল। সবে মাত্র একুশের নৌকায় পা ডুবিয়ে বসে আছি। এমন বয়সে চলে যাওয়া মানুষের চেয়ে কাছে আসা মানুষের মুখচ্ছবিতেই পুরো বুক ভরে থাকার কথা।

বিস্তারিত»

অন্যরকম খাওয়া দাওয়া

আচ্ছা,খাইতে কেমন লাগে?? নাহ, এই প্রশ্ন বাদ।তারচেয়ে বলেন,খাওয়ার কথা শুনলে প্রথম কিসের কথা মনে পড়ে?? হুম্‌ম… একেক জন নিশ্চয়ই একেকরকম খানাপিনার কথা ভাবতেসেন। কিছু মানুষ আছে যাদের খানাপিনার কথা শুনলে মাথার মধ্যে খালি খাওয়া দাওয়ার ছবিই ঘুরে না, কোত্থেকে জানি সেইসব খাবার এর গন্ধও নাকে এসে ধাক্কা মারে।পারলে তখনই খেতে বসে যায় এমন একটা অবস্থা।খাওয়ার কথা শুনে আপনার কি মনে হয় আমি সেটা বলতে পারবোনা।গ্যাজ মাইরা কলেজ লাইফে বহুত অবজেক্টিভ প্রশ্ন মিলাইসি।

বিস্তারিত»