টুশকি ৮

টুশকি [১] [২] [৩] [৪] [৫] [৬] [৭] [৯]

১. বিএমএ’তে আমাদের জনৈক প্লাটুন কমান্ডার নাতিদীর্ঘ নসিহত শেষ করার পর বললেন, “ইউ হ্যাভ টু মেক মি আন্ডারস্ট্যান্ড দ্যাট ইউ হ্যাভ নট আন্ডারস্টুড। ইফ ইউ ক্যান নট মেক মি আন্ডারস্ট্যান্ড দ্যাট ইউ হ্যাভ নট আন্ডারস্টুড দেন হাউ উইল আই আন্ডারস্ট্যান্ড দ্যাট ইউ হ্যাভ নট আন্ডারস্টুড”?

বিস্তারিত»

সার্ভার শিফটিং (সর্বশেষ আপডেট)

সার্ভার স্থানান্তরের কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হয়েছে। প্রাথমিকভাবে বেশ কিছু ঝামেলা ছিল। একে একে সবগুলো ঠিক করা হয়েছে।

নির্মাণ ব্লগের রায়হান রশিদ ভাই (এফ সি সি-৮৬ ইনটেক) এবং শফি ভাই(বি সি সি-৮৬ ইনটেক) এর প্রতি আবারো কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি বিগত দিনগুলোতে সিসিবিকে ঠাঁই দেবার জন্য। একই সাথে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা মরতুজা ভাইয়ের প্রতি। যার হাত ধরে সি সি বি শেষমেষ নিজের পায়ে হাঁটতে শুরু করলো।

বিস্তারিত»

কবীর , তাহার টার্মএন্ড সুইট এবং কিছু প্রাসঙ্গিক কথন

যেহেতু কবির-এর টার্ম এন্ড সুইট সংক্রান্ত লেখা পড়েই এই ব্লগে আমার বাংলা লেখার হাতে খড়ি সুতরাং এই মজার (জুনিয়রদের জন্য সর্বনাশের) ব্যাপারে একটু কিছু না লিখলেই যে নয় |
১৯৯১ সালের কোন একদিন তৎকালীন ক্লাস ইলেভেনের কাছে আমরাও এমনটা খেয়েছিলুম আমাদের প্রথম সুইট – বলাইবাহুল্য মোটেও সুখকর ছিলনা সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা | জেসিসির পাঙ্গার ডিটেইলসে আর গেলাম না কোমল মতি ভাই বোনেরা কষ্ট পাইতে পারে | পাঙ্গা খাইতে খাইতে এক পর্যায়ে আমরা সকল ব্যাথা বেদনার উর্ধে চলে গেলাম ফ্রন্ট রোল বা ব্যাক রোল যেটাই দেই না কেন একবার দেয়া শুরু করলে অটোমেটিক হইতেই থাকে নিজের কিছুই করা লাগে না,

বিস্তারিত»

ইলিয়াছ স্যারের অচেনা দিক

ইলিয়াস স্যারকে নিয়ে লেখা ভালবাসা দিবস সম্পর্কিত ব্লগটি আমার জীবনে লেখা প্রথম ব্লগ।এছাড়াও ইলিয়াস স্যার এমন একজন চরিত্র যাকে ঘৃণা বা অপছন্দ করা যায় কিন্তু উপেক্ষা করা অসম্ভব।কলেজের কঠোর দিনগুলোতে উনার কিম্ভুতকিমাকার আচার আচরণ সত্যিই ক্যাডেটদের বাড়ি থেকে দূরে থাকার কষ্ট অনেকটাই ভুলিয়ে দিত।আজীজ ভাইয়ের লেখায় ইলিয়াস স্যারের প্রায় জীবন্ত প্রতিচ্ছবি দেখে খুব নস্টালজিক হয়ে পড়েছিলাম। ইলিয়াস স্যারকে অনেকে যতই অপছন্দ করুক না কেন আর যাই হোক এই কথাটা আমি অস্বীকার করতে পারবনা যে ইলিয়াস স্যারকে নিয়ে সামনা সামনি অনেক দুষ্টামি করার পরেও উনি কিন্তু আমাকে বড় ধরণের বাঁশ মারেননাই কখনো।আমার দুষ্টামিগুলো ছিলঃ

১।স্যারের অনুকরণে কোন ফ্রেন্ডকে দেখিয়ে বলা(তার সামনেই)-স্যার ও তো একটা বিয়াদওওওওওব,ও ডজ দিতে দিতে ফতুর হয়া গ্যাছেএএএএএ।

বিস্তারিত»

ছোটদি (১)

[ প্রথমেই বলে রাখি আমি পুরোদস্তুর একজন পাঠক। লেখালেখি আমার কর্ম নয়। ভাল লেখিও না। কিন্তু মাঝে মাঝেই কিছু গল্প উপন্যাস পড়ে আমার খুব ইচ্ছে করে এর পরে কি হল কিংবা এই একই ঘটনা যদি অন্য কারো মুখ থেকে আসত তাহলে কি হত। যেমন পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসে কুবের আর কপিলা কোথায় গেল কিংবা সাতকাহনে দীপাবলি কি একাই কাটিয়ে দিল বাকি জীবন। আমার সাথে যদি লেখকদের চেনা জানা থাকত তাহলে আমি খুব অনুরোধ করতাম তাদের এই থিম নিয়ে লেখার জন্য।

বিস্তারিত»

এলিয়াস স্যার এবং কিছু ঘটনা

প্রিয় ছোট ভাই মাশরুফ এবং কবীর এর পাম পট্টি খাইয়া প্রথম লিখা …ভুল ত্রুটি মার্জনীয় :
সময়কাল ১৯৯৭
এক বার আমি হাই টেবিলে বসেই সদ্য হাউস গারডেন থেকে তুলে আনা কাঁচা মরিচ এবং পেয়াজ সহযোগে হাত দিয়েই ডিনার শুরু করলাম | তো এলিয়াস স্যার আমার দিকে এগিয়ে আসছে দেখেও আমি না দেখার ভান করে গপ গপ করে গিলতে লাগলাম …… স্যার আমাকে বাপক গালিগালায করলেন এইভাবে

“ইয়াজীইইইইজ তুউউউমিইইইই কিইই আবার নতুন এইডাআআ কুন ধরনের বিদায়াতী শুরু করিলা …আল্লাহ দিলি তুমার হায়া লযযা শরম কি কুন দিন হবি নাআআ…হাই টেবিলি বসিয়া নিরলজ্জের মুতো হাত দিয়ে গিলতিসাও……

বিস্তারিত»

ক্ষমা প্রার্থনা!!!

(আমার লেখা ‘টার্মেন্ড সুইট’ এ আজিজ ভাইএর মন্তব্য দেখে আমি চরম শরমিন্দা হয়ে গেলাম… :shy: আমি আসলে ‘টার্মেন্ড সুইট’ বিষয়টাকে আনতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আবার পড়ে দেখলাম আমার লেখার মাধ্যমে কেমন করে জানি আমাদের তৎকালীন ইলেভেন ভাইদেরকে অবমূল্যায়ন করা হয়ে গেছে…প্রথম প্রথম ব্লগিং করছি তো, তাই লেখা ও ভাবনার মধ্যে কেমন গ্যাঁপ পড়ে গেছে…ভাষাগত মার্জনা এবং সর্বপরি তা প্রকাশের ত্রুটির কারনে আমি ব্লগের সবার কাছে এবং বিশেষ করে আমাদের ২৮তম ইনটেকের সকল ভাইএর কাছে ক্ষমা চাইছি…আমার এই লেখাটা ওনাদের সকলকে উদ্দেশ্য করে লেখা।

বিস্তারিত»

গল্পঃ ইঁদুর

ইঁদুর
————–

রান্নার ঘরটাতে একটা হুটোপুটির মতন শব্দ হলো। বিছানায় শুয়ে শুয়ে সিলিং-এ নানারকম অদৃশ্য আঁকিবুকি কাটছিলাম আমি। খুব জোরে ঘুরতে থাকা পাখাটা অবশ্য প্রায়শই বাগড়া দিচ্ছিলো। মনে মনে একটা বাঘ কিংবা ভাল্লুক এঁকে শেষটানে হয়তো আঁকবো তার গোঁফ কিংবা লেজ, অমনি বিচ্ছিরি শব্দ করে ডেকে ওঠে সেটা। আর মনোযোগ নড়ে যায় আমার।

কি করে পাখাটাকে শাস্তি দেয়া যায় ভাবছিলাম,

বিস্তারিত»

কিংবদন্তীর সুবেদার ওহাব

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা।

ডিপার্টমেন্ট অফ মাস কমিউনিকেশন এন্ড জার্নালিজম এর কোন একটা ব্যাচের ক্লাস নিতে এসেছেন এ্যাসিসট্যান্ট প্রফেসর নাদির জুনায়েদ। ক্লাসে এসেই প্রশ্ন ছুড়লেন সুবেদার ওহাবের নাম কেউ শুনেছে কিনা। পুরো ক্লাস নিস্তব্ধ, নিরুত্তর। দ্বিতীয়বার একই প্রশ্নের উত্তরে যখন মৌনতা পেলেন তখন গেলেন খেপে। চিৎকার করে নিজের বিস্ময় আর রাগ প্রকাশ করলেন কেউ সুবেদার ওহাবকে চেনে না বলে – কেউ তার নাম পর্যন্ত শোনেনি বলে।

বিস্তারিত»

স্পর্শের বাইরে..

রাত প্রায় একটা বাজে । কেমন এক ছিড়িবিড়ি আবহাওয়া । ধুর এই সময় এত বৃষ্টি…শীত বোধ হয় এই বাহানায় এবার তাড়াতাড়িই চলে আসবে । তাও যদি ঘুম আসতো…সারাদিন ভো ভো করে ঘুমানোর ঠেলা এবার সামলাও ।
গানের ভলিউমটা একটু কমিয়ে দিয়ে আবার ঘুমানোর চেষ্টা চালাই । অন্ধকার রুমে শুধু স্পিকারের মৃদু নীলাভ আলো । অনেক , অনেকদিন পর আজ কেন যেন আবার তোর কথা মনে পরছে ।

বিস্তারিত»

নব্বইয়ের হ্যামলেট (লেখকের টুকিটাকি কথা)

পর্ব-সাজ্জাদ
ফারজানা তাবাসসুম বলছি
যোবায়ের-কথন

সচেতন পাঠক হিসেবে তো বটেই, এই সিরিজে লেখক হিসেবেও আমি মনে করি, এইখানে সিরিজ শেষ করাটা ঠিক হচ্ছে না। আরও কয়েকটা পর্ব আসা উচিত। শম্পার কথা যদি নাও গুনি, তবুও মিনহাজ আর জিসান কে নিয়ে অন্ততঃ আরও দুটো পর্ব আসলে ব্যাপারটা একটা কিছু হলেও দাড়াতে পারত।

উলটো পিঠের যুক্তিও আছে,

বিস্তারিত»

টুশকি ৭

টুশকি [১] [২] [৩] [৪] [৫] [৬] [৮]

১. শীতকালীন যৌথ এক্সারসাইজের কোন এক সকালে এক কাদি ডাব এনে রাখা হয়েছে আমাদের মেসের সামনে। সেগুলো তাজা কিনা জানতে আমার এক জুনিয়র কলিগের সরল জিজ্ঞাসা, “আচ্ছা, ডাবগুলো কি জ্যান্ত”?

২. চলতে চলতে হঠাৎ রিকশার চেইন পড়ে গেলে বিরক্ত রিকশাওয়ালার প্রতিক্রিয়া,

বিস্তারিত»

নিছক তুমি অথবা অনুভূতির সরলরেখা

(এইটা কিন্ত গল্পও নয়, কবিতাও নয়, প্রেম তো নয়ই। বরং এইটা গল্পের মত করে বলা কবিতা বা কবিতার মত করে পড়া গল্প। উলটা পালটা কিছু বলতে চাইলে আগে হ্যান্ডস ডাউন তার পর কথা।)

কলিং বেল চেপে চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকি, মিষ্টি একটা পাখির ডাক ভেসে আসে। আমি জানি কিছুক্ষন এর মধ্যেই তুমি দৌড়ে আসবে। মুখে একরাশ হাসি, চোখে কৌতুক, “ঠিক বুঝেছি তুই এসেছিস,

বিস্তারিত»

রুলস অব দ্যা গেইম

[ রেনোয়া নির্মীত ফিল্ম এর মধ্যে ‘রুলস অব দ্যা গেইম’ নামটি আমার ভীষণ প্রিয়। অনেকদিন থেকেই ভাবছিলাম নামটি কোথাও ব্যবহার করার। সুযোগ বুঝে মেরে দিলাম]

১.
জুই খুব সাধারণ মেয়ে। খুব সাধারণ তার জীবন যাপন। সে এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। তার বয়স কুড়ি। প্রথম নজরেই তার চেহারার যে বিষয়টি সবার নজরে পরে তা হল বিষন্নতা। আর কারো কথা জানি না তবে জুই প্রমান করতে পেরেছে যে বিষন্নতাও মানুষের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিতে পারে।

বিস্তারিত»

মিলা ফিভার

গত মার্চ মাসে লাইবেরিয়া আসার মাস দেড়েক পরে বাংলাদেশী অফিসার সৈনিকদের প্রথম একটা ভালোরকম গ্যাদারিং হল। সেখানে সাউন্ড সিস্টেমে অন্যান্য অনেক বাংলা গানের পাশাপাশি বাজানো হচ্ছিল মিলার “বাবুরাম সাপুড়ে” ও “যাত্রাবালা” গানদুইটা। গানের আবেদন নিবেদন আর মাদকতার প্রথম ধাক্কাতেই আমরা যার যার জায়গায় কাইত হয়ে পড়ে গেলাম।

লাসা, ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড ইত্যাদি বাইপাস করে মহামারী আকারে শুরু হলো ‘মিলা ফিভার’। সিনিয়র জুনিয়র, ছোট বড় সবাই কম বেশি আক্রান্ত হল এই জ্বরে।

বিস্তারিত»