গল্পঃ ইঁদুর

ইঁদুর
————–

রান্নার ঘরটাতে একটা হুটোপুটির মতন শব্দ হলো। বিছানায় শুয়ে শুয়ে সিলিং-এ নানারকম অদৃশ্য আঁকিবুকি কাটছিলাম আমি। খুব জোরে ঘুরতে থাকা পাখাটা অবশ্য প্রায়শই বাগড়া দিচ্ছিলো। মনে মনে একটা বাঘ কিংবা ভাল্লুক এঁকে শেষটানে হয়তো আঁকবো তার গোঁফ কিংবা লেজ, অমনি বিচ্ছিরি শব্দ করে ডেকে ওঠে সেটা। আর মনোযোগ নড়ে যায় আমার।

কি করে পাখাটাকে শাস্তি দেয়া যায় ভাবছিলাম, ঠিক তখুনি হুটোপুটির শব্দে কান খাড়া করে ফেললাম ঝট করে। শব্দটা চিনতে পেরে খানিকটা প্রশান্তি এলো মনে, আমি জানি আর ঠিক ১৫ কিংবা ২০ সেকেন্ড অপেক্ষা করতে হবে আমাকে। খুব দীর্ঘক্ষণ নয় সেটা। কয়েক সেকেন্ডের মাঝেই সিলিং-এ নতুন করে একটা হরিণের অর্ধেকটা এঁকে ফেললাম আমি। শিং-এ ঠিক কয়টা শাখা-প্রশাখা বসাবো, এই নিয়ে ভাবনা শুরু করতেই চিঁ চিঁ করে করুণ আওয়াজ ভেসে এলো রান্নাঘর থেকে। হুম, ব্যাটা আটকেছে ফাঁদে তাহলে!

আটকাবেই, জানতাম। আজ অথবা কাল। প্রতিদিন আমার ভাগের মাখনের টুকরোটা টেবিলের ওপর থেকে টেনে নিয়ে চলে যায় সোজা রান্নাঘরে। ফ্রিজটার নিচে, অথবা সিঙ্কের ওপাশটায়।

প্রথম দিন অবশ্য একেবারে নিয়ে যায় নি। সকালে উঠে একদিন দেখি, আমার আগেই কে যেন ছোট ছোট দুটো দাঁতের দাগ রেখে গেছে মাখনের ওপরে। প্রথমে বিরক্ত হয়েছিলাম, পরে রাগ হয়েছে। দ্বিতীয় দিন পুরো মাখনের টুকরোটাই গায়েব। সকালে উঠে বাসী পাউরুটি শুকনো খেতে খেতে প্ল্যান করেছি, আর সহ্য করা ঠিক হবে না এই যন্ত্রণা।

এই ছোট্ট উপশহরের গোটা পাঁচেক চাইনীজ দোকানগুলো খুঁজে পেতেই পেয়ে গেলাম বেশ টেকসই একটা ইঁদুর মারার কল।
তারপরে সেটা জায়গামতন বসিয়ে, সবমিলিয়ে আরো দিন সাতেকের অপেক্ষা। অবশেষে আজকের এই সুন্দর সকালে, মহামান্য আটকালেন ওখানটায়।

চিঁ চিঁ শব্দ বন্ধ হয় নি। তারমানে মরে নি এখনো শয়তানটা।

কনুইয়ের পাশে অনবরত খুঁচিয়ে চলেছে প্রায় বছরখানেক পুরনো পেন্টহাউসের একটা কপি। এই বেচারা আমার বন্ধু মানুষ, তবু এই মুহুর্তে খানিকটা বিরক্ত লাগলো এর ওপর, ছুঁড়ে ফেলে দিলাম নীচে। হাঁটুর কাছে নেমে আসা হাফপ্যান্টটাকে ঝট করে টেনে উপরে তুলে বিছানা ছাড়লাম অবশেষে।

ফ্রিজের নীচেই আছে জিনিসটা। পা দিয়ে টেনে বের করে আনতেই চিঁ চিঁ শব্দ বেড়ে গেলো।

বাহ, মাখন খেয়ে খেয়ে বেশ চকচকে বানিয়েছে তো শরীরটাকে। গলার ওপর দিয়ে লোহার শিকটা চেপে বসেছে একদম। ওখানটায় আটকে থাকায় নড়তে পারছে না একটুও, তবু চার হাত পা ছুড়ে বিফল চেষ্টা করে চলেছে ফাঁদ থেকে বের হবার। লাল লাল চোখ দুটো ঘোলাটে হয়ে গেছে।

কি বাছাধন, আর খাবে আমার মাখন? কেমন শিক্ষা হলো তোমার?

বাথরুমে গিয়ে কুলি করে এসে দেখি চিঁ চিঁ শব্দ অনেক ক্ষীণ এখন। নড়া চড়া থেমে গেছে, এখন তুলে নিয়ে বাইরের গারবেজ ক্যানে ফেলে দিলেই চলে। কিন্তু ইচ্ছে করলো না আমার। থাকুক এভাবে আটকে, আরও খানিকটা শিক্ষা হোক। হুঁ হুঁ বাবা, আমার সাথে শত্রুতা!

আজ দিনে কি কি কাজ আছে? হাই তুলতে তুলতে মনে মনে হিসেব করার চেষ্টা করলাম।
তেমন কিছু নয়। মাছের ক্যান শেষ সব, তিন চারটে নিয়ে আসতে হবে। সসেজ রোলও লাগবে কয়েকটা। মোজা লাগবে দু’জোড়া, আর একটা রুমাল হলেই চলবে আপাতত।

গত পরশুর আধা খাওয়া পিজার শেষ টুকরোটা খেয়ে নিয়ে বের হয়ে এলাম ঘর থেকে।

বাইরে ঝা চকচকে রোদ একদম। হাত ওপরে তুলে ধাঁধিয়ে যাওয়া চোখ ঢাকতে ঢাকতেই মনে হলো, একটা ক্যাপও লাগবে আমার। এই রোদে তা না হলে বের হওয়া যাবে না আর। লিষ্টিতে এটাও যোগ করে নিলাম।

ফুটপাথ দিয়ে হাঁটতে লাগলাম ভিড় ঠেলে। আপাত গন্তব্য সবচেয়ে কাছের সুপারস্টোর।

কিন্তু ঠিক আয়েশ করে হাঁটাও যাচ্ছে না। আজ কি বার? ইস্টার নয়, ক্রিসমাসও না, তবু শহরের সব লোক কি আজ এই ফুটপাথ ধরেই হাঁটা দিয়েছে নাকি? গায়ের উপর প্রায় চড়ে বসছে কয়েকজন। কনুই দিয়ে বেশ শক্ত করে দু’তিনজনের পেটে চালিয়ে দিলাম। উফ করে কঁকিয়ে উঠে সরে গেল অনেকে। কেউ কেউ বিষ দৃষ্টিতে তাকালো। আমি মনে মনেই খেঁকিয়ে উঠলাম, ‘ভাগ ব্যাটা।’ আমার বেঁকে চুরে যাওয়া রাগী চেহারা দেখেই হয়তো কেউ আর সাহস করলো না কিছু বলার।

স্টোরে পৌঁছতেই ভেতরের ঠান্ডা বাতাসে শরীর জুড়িয়ে গেল। বাইরে ভীষণ গরম, টের পেলাম সেটা ভেতরে ঢোকার পরেই।

চট করে একটা ট্রলি টেনে নিয়ে কেনাকাটা শুরু করে দিলাম।
মোজা দু’টো সাদা হবে না রঙিন? নাহ, লাল লাল কিনি বরং, বেশ একটা নেশা আছে রংটায়। অবশ্য রুমাল কিনলাম কালো রঙের, ইচ্ছে করেই।

একটা সাদা রঙের মাথার ক্যাপ বেশ পছন্দ হলো। মাথায় পরে টরে আরো ভালো লাগলো। এদের আয়নাটা বেশ ছোট, ভালমতন দেখা যাচ্ছে না। তবু ঐটুকুতেই দেখে মনে হলো, ঠিকই আছে। এটাতেই আমাকে মানাচ্ছে বেশ। সামনের শেডটুকু টেনে দিলে চোখ ঢেকে যাচ্ছে, চমৎকার।
এটাই নেবো, ফাইনাল।
আপাতত ক্যাপটা ওখানেই রেখে সামনে এগুলাম, ফিরবার সময় তুলে নিলেই হবে।

টুনা মাছের ক্যানগুলো ট্রলিতে ফেলতেই দেখি পাশ থেকে কর্ণড বীফের টিনগুলোও অসহায় ভাবে তাকিয়ে আছে আমার দিকে। এমনিতে খেতে ভালই লাগে। কিন্তু গতবার একটার টিন কাটতে গিয়ে আঙুল কেটে গিয়েছিলো একটু।

মনে পড়তেই বাঁকা হাসি ফুটে উঠলো আমার মুখে। একটা বীফ ক্যান হাতে তুলে নিয়ে ধীরে ধীরে বললাম, ‘তবে রে শয়তান, গতবার কি করেছিলি মনে আছে? হাহ! আজ যতই কাঁদিস, নেবো না তোদের একটাকেও আমি। উচ্ছন্নে যা!’

শেলফের গায়ে একরকম ছুঁড়েই ফেলে দিলাম ওটাকে। ধাক্কা লেগে আরো কয়েকটা বীফের ক্যান গড়িয়ে পড়লো এদিক ওদিক। আমি পাত্তাই দিলাম না। মরুক গে!

নেবো না নেবো না করেও একপিস তরমুজ নিয়ে ফেললাম শেষমেষ। বেশ ভাল লাগে খেতে, বিশেষ করে এই গরমের দিনে।

কেনাকাটা আপাতত শেষ। দাম দিতে যেতে হবে কাউন্টারে। আর তার একটু আগেই ক্যাপের স্ট্যান্ডটা। রেডিওতে বহুল প্রচারিত একটা গানের সুর শিষ শিষ দিতে কাউন্টারের দিকে এগুতে থাকলাম।

ক্যাপের ওখানটায় এসে থেমে যেতে হলো। জায়গামতন নেই ওটা। বোধহয় অন্যপাশে। স্ট্যান্ড ঘুরিয়ে দেখি ওখানেও নেই। বেশ বিরক্ত হলাম। আমার পছন্দের ক্যাপ! কে নিলো?
আশপাশে চোখ বুলিয়েও কাউকে নজরে পড়লো না। ট্রলিটাকে ওখানে রেখেই পুরো স্টোরে একটা জরিপ চালাতে ছুটলাম।

শাক-সব্জির সেকশানে আসতেই পেয়ে গেলাম অপরাধীকে।
বুড়ো মতন একটা লোক। মোটা করে, কালো কুতকুতে চোখে একটা ব্রকোলি পরখ করে দেখছে। মাথায় আমার পছন্দ করা সেই সাদা ক্যাপ।
লোকটা চোখে কম দেখে মনে হলো, ব্রকোলিটাকে নাকের সাথে ঠেসে ধরেছে একেবারে।
কিন্তু তুই আমার ক্যাপটাই নিলি কেন? আর কিছু ছিলো না ওখানে?

কি করা যায় ভাবছি। ভদ্রভাবে গিয়ে চাইবো নাকি, ‘দেখুন মহাশয়, আপনি সাদা রঙের যে ক্যাপটি মাথায় পড়ে আছেন, সেটা আসলে আমার পছন্দ করা। আমি কি সেটা ফেরৎ পেতে পারি?’
নাহ, এভাবে বলা যাবে না। তারচেয়ে বড় কথা এরকম ভালোমানুষের মতন কথা-বার্তা আমার মুখ দিয়ে মরে গেলেও বের হবে না।

কিছু না বলে বুড়োর পিছে পিছে হাঁটতে লাগলাম আমি। বেশ যন্ত্রণাদায়ক ব্যাপারটা। একবার এদিকে থামছে আবার অন্যদিকে। অনেক সময় নষ্ট করছে একটা জিনিস বেছে নিতেই। আমি অস্থির হয়ে আছি, কতক্ষণ আর এটা সেটা বেছে দেখার ভান করা যায়?

অবশেষে বুড়ো ফিরে চললো কাউন্টারের দিকে। কোটের হাতা দিয়ে নাক মুছে নিয়ে একবার, বাম পায়ে খানিকটা ল্যাংচাতে ল্যাংচাতে।

ক্যাপের স্ট্যান্ডের পাশ দিয়ে যাবার সময় ট্রলিসহ আরেকবার থামল বুড়োটা। মাথার ক্যাপটা খুলে নিয়ে অন্য একটা সবুজ রঙের ক্যাপ তুলে নিয়ে মাথায় পরল। আমি মনে মনে বললাম, ‘ঠিক আছেরে বুড়ো। তোকে এটাতেই বেশি ভালো লাগছে, ডাইনীর দাঁতের মতন সবুজ রঙের এই ক্যাপটাতেই। আমারটা বরং রেখে যা তুই।’

কিন্তু বুড়ো সবুজ ক্যাপটাও খুলে ফেললো। দু’হাতে দুটা ক্যাপ নিয়ে, মনে হচ্ছে, যেন ওজনই করলো খানিকক্ষণ, তারপরে সবুজটা রেখে দিলো স্ট্যান্ডে। আর আমার সেই সাদা ক্যাপটা নিয়ে চললো কাউন্টারের দিকে।
কমলা রঙের ড্রাগনগুলোর মতন ফোঁস করে একটা গরম দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে এলো আমার বুক থেকে। ব্যাটা বজ্জাতের হাঁড়ি।

কাউন্টারে সব জিনিসের দাম মিটিয়ে দিয়ে ট্রলি ঠেলে বাইরে বের হয়ে এলো বুড়ো। তার পেছন পেছন আমিও।
এর মধ্যেই দেখি একটা বিড়ি ধরিয়ে ফেলেছে। এই গনগনে গরমে বুড়োর বিড়িটা আমার বুকের ভেতরে কয়লার মত জ্বলতে থাকলো শুধু।
কেমন করে যে ক্যাপটা ফিরে পাই। এটাই চাই আমার, অন্যগুলো নয়।

ল্যাম্পপোস্টের যে পাশটায় পাবলিক বাস এসে থামে, বুড়ো সেখানটায় এসে ট্রলিটাকে পোস্টের সাথে লাগিয়ে দাঁড় করালো। তারপর সেটাতে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে আরাম করে বিড়ি টেনে চললো।
আমি রাগে চিড়বিড় করতে করতে বুড়োর ট্রলিটার পাশেই এসে দাঁড়ালাম। চোখের কোনা দিয়ে ক্যাপটা দেখছি বার বার, আর আগুন জ্বলে উঠছে মাথায়। কিছু একটা করতেই হবে, ক্যাপটাকে এভাবে যেতে দেয়া ঠিক হবে না।

রাস্তার শেষ মাথায় একটা বাস দেখা গেলো। বুড়ো সোজা হয়ে দাঁড়াল তাই দেখে, আমিও। কিন্তু ওটা সম্ভবত অন্য লাইনের বাস। মাথা নেড়ে বুড়ো আবার ঠেস দিলো ট্রলিটায়। আর এই তিনসেকেন্ডের মধ্যে আমি ছোট্ট একটা হিসেব কষে ফেললাম।

যে ট্রলিটায় ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বুড়ো, সেটা আটকে আছে ল্যাম্পপোষ্টের গায়ে। কোনভাবে যদি আমার ট্রলিটায় একটু ধাক্কা লাগে, তবে বুড়োর ট্রলির চাকাটা সরে যাবে ল্যাম্পপোস্টের গা থেকে। ব্যালান্স সরে গেলে বুড়োর পড়ে যাবার জায়গা আছে একটাই, সামনের ঐ রাস্তাটুকু।

হিসেব পরিষ্কার হতেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম দ্রুত। অবশ্য সময়ও ছিলো না হাতে, বাস চলে এসেছে খুব কাছে।

ঠিক জায়গায় বাসটা আসতেই মনে মনে দুরত্ব মেপে নিয়ে আমি অন্যদিকে তাকিয়ে আমার ট্রলিটাকে আলতো করে ধাক্কা দিলাম।

খুব একটা কঠিন হলো না কাজটা আসলে। অন্তত পক্ষে, পাঁচটে দোকান ঘুরে টেকসই একটা ইঁদুর মারার কল কেনার চেয়ে সহজ তো বটেই।

পরবর্তী চার সেকেন্ডে আমার রান্নাঘরের মতনই একটা হুটোপুটি হলো এখানটায়। আমি দেখলাম, খুব শক্ত ব্রেক কষে থেমে গেল বাস। লোকজনের হৈ হৈ শোনা গেলো সাথে সাথেই।

বুড়োটা আওয়াজ করার সময় পেয়েছিলো কিনা জানি না। ঘাড় ফিরিয়ে দেখি রাস্তায় উবু আছে সে। মাথাটা অক্ষতই আছে, শুধু পিঠের ওপর দিয়ে চলে গেছে বাসের চাকা।

আমি সন্তর্পনে রাস্তায় নেমে দাঁড়ালাম। লোকজন এসে ঘিরে ফেলেছে জায়গাটা। কাছে গিয়ে হাত বাড়িয়ে বুড়োর মাথা থেকে খুলে নিলাম ক্যাপটা। সাদা রঙের ক্যাপটাতে খানিকটা ধুলো লেগে গেছে রাস্তার, আর পেছন দিকে ছিটকে আসা কিছু রক্ত।
সমস্যা নেই, এটুকু ধুয়ে ফেললেই চলবে।
কিন্তু বাসায় কি ওয়াশিং পাউডার আছে? মনে হয় শেষ, কেনাও হয় না অনেকদিন। তারমানে আবার আমাকে এখন যেতে হবে স্টোরটায়, ধ্যুত!

মুখে একরাশ বিরক্তি নিয়ে আমি ট্রলি ঠেলতে ঠেলতে ঢুকে গেলাম ভেতরে। আমার পেছনে একটা ধাড়ী ইঁদুরের মতন মরে পড়ে থাকা বুড়ো লোকটাকে ঘিরে অকম্মা লোকগুলো শুধু শুধুই কিচির মিচির করতে থাকলো।
———–

মু. নূরুল হাসান
১৩/০৩/ ২০০৮

২,২১৫ বার দেখা হয়েছে

১৭ টি মন্তব্য : “গল্পঃ ইঁদুর”

  1. কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)

    ওরে খাইছেরে 😕 😮

    ডেইন্জারাস লেখা তারেক, চরম লাগছে :salute: :salute:

    কিন্তু বাসায় কি ওয়াশিং পাউডার আছে? মনে হয় শেষ, কেনাও হয় না অনেকদিন। তারমানে আবার আমাকে এখন যেতে হবে স্টোরটায়, ধ্যুত!

    উপসস্, ভয়াবহ :boss: :boss:


    সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

    জবাব দিন
  2. সামিয়া (৯৯-০৫)

    মানুষ যেই চরিত্রের না, সে সেটা কিভাবে চমৎকার করে ফুটিয়ে তোলে সেটা আমার জানার খুব ইচ্ছা।
    আমি অনেক আগে থেকেই আপনার নীরব পাঠক, এই গল্পগুলো আমার অনেক আগেই পড়া, তাও ঠিক প্রথমদিনের মত অনুভূতি পেলাম।
    তারেক ভাই, আপনি আরও অনেক দিন লিখে যান, এই কামনা করি।

    জবাব দিন
  3. তারেক (৯৪ - ০০)

    তৌহিদ,
    বুড়া বেঁচে আছে কি না এটা আমি শিওর না। তুমি একটু খোঁজ নিয়া দেখবা নাকি? 😛

    ফৌজিয়ান ভাই,
    হু বস, তা একটু ডেন্জারাসই হয়ে গেছে। কথা সত্য। B-)

    মরতুজা ভাই,
    ব্লগ এডজুটেন্টরে তলব করতেছি এখুনি দাঁড়ান।

    ফয়েজ ভাই,
    লজ্জা পাইলাম বস। এখানে সবাইই অনেক চমৎকার লিখে।

    সামিয়া,
    কেমন করে শিওর হলে বলো তো আমি এরকম না? :grr:
    হতেও পারি কিন্ত। B-)


    www.tareqnurulhasan.com
    www.boidweep.com

    জবাব দিন
  4. জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)

    ফয়েজ ভাই, তারেক ভাই এই লেখা দিয়া কিন্তু আমাগো এক্সপেক্টেশন বাড়ায়ে দিলেন... :clap:
    আপনি 'জিসান' চরিত্রটাকে তুলে ধরার সময় বিষয়টা মাথায় রাইখেন... :dreamy:


    ঐ দেখা যায় তালগাছ, তালগাছটি কিন্তু আমার...হুঁ

    জবাব দিন
  5. জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)

    লেখা দিতে দেরি করলে হিচকক ভাইএর ছবি লাগব না...সিসিবি'র সবার রিঅ্যাকশন দেখলেই চলব... :grr: :grr: :gulli: :duel: :chup:


    ঐ দেখা যায় তালগাছ, তালগাছটি কিন্তু আমার...হুঁ

    জবাব দিন
  6. মুহাম্মদ (৯৯-০৫)

    চমৎকার একটা গল্প। গল্পটা যেভাবে শেষ হলে সবচেয়ে ভালো লাগতো সেভাবেই শেষ হয়েছে।

    কেমন করে যে ক্যাপটা ফিরে পাই। এটাই চাই আমার, অন্যগুলো নয়।

    এই লাইনটা পড়ার পরই সতর্ক হয়ে পড়েছিলাম। এতো সতর্কতা সত্ত্বেও শেষটায় আকাশ থেকে পড়তে হলো। আরও অনেক কিছু বলতে ইচ্ছে করছিলো। কিন্তু তারেক ভাই তো এরকম হরহামেশাই লিখবেন। তার লেখা পড়ে তো এরকম মুগ্ধ হতেই থাকবো। বলার সুযোগ তাই ফুরিয়ে যাচ্ছে না!

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।