কিংবদন্তীর সুবেদার ওহাব

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা।

ডিপার্টমেন্ট অফ মাস কমিউনিকেশন এন্ড জার্নালিজম এর কোন একটা ব্যাচের ক্লাস নিতে এসেছেন এ্যাসিসট্যান্ট প্রফেসর নাদির জুনায়েদ। ক্লাসে এসেই প্রশ্ন ছুড়লেন সুবেদার ওহাবের নাম কেউ শুনেছে কিনা। পুরো ক্লাস নিস্তব্ধ, নিরুত্তর। দ্বিতীয়বার একই প্রশ্নের উত্তরে যখন মৌনতা পেলেন তখন গেলেন খেপে। চিৎকার করে নিজের বিস্ময় আর রাগ প্রকাশ করলেন কেউ সুবেদার ওহাবকে চেনে না বলে – কেউ তার নাম পর্যন্ত শোনেনি বলে। শেষমেষ ক্লাসই নিলেন না সেদিন।

নজরানার কাছে যখন এই গল্প শুনি তখন নিজেকে খানিকটা হলেও ভাগ্যবান মনে হয়েছিল। কারণ আমি সুবেদার ওহাব সম্পর্কে যৎকিঞ্চিত জানতাম।

৪র্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট (বেবি টাইগার্স) ১৯৭১ এর মার্চের শেষের দিকে ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় একটা সফল বিদ্রোহের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে। ২ নং সেক্টরের অধীনে থেকে অনেকগুলো ছোটবড় অপারেশন পরিচালনা করে এই ইউনিটটি। এই ইউনিটেরই একজন নবীন অফিসার ছিলেন লেফটেন্যান্ট জামিল। আর একটা প্লাটুনের কমান্ডার ছিলেন সুবেদার ওহাব।

ঠিক কবে ১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে দায়িত্বটা দেয়া হয়েছিল আমার জানা নেই। দায়িত্বটা হল ১৯৭১ সালে কুমিল্লার সালদা নদী এলাকায় কি কি যুদ্ধ হয়েছিল সেটার উপর স্টাডি করে ফুল ফ্লেজেড একটা প্রেজেনটেশন দিতে হবে। এর পিছনে অফিসারদের একটা টিম লম্বা সময় ধরে কাজ করে। বইপত্র, দলিল দস্তাবেজ ঘেঁটে, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে মূল পেপারটা রেডি হয়। সহায়ক হিসেবে থাকে যুদ্ধ সংঘটিত স্থানের মানচিত্র, ভিডিও ক্লিপ (মুক্তিযুদ্ধকালীন এবং বর্তমান), পাওয়ার পয়েন্ট এ্যানিমেশন, বিভিন্ন স্থিরচিত্র ইত্যাদি। আমার কোর্সমেট মাসুদের বদৌলতে ক্রমিক ডেভেলপমেন্টটা একটু একটু জানতাম। ওর মুখেই শুনেছি ১৯৭১ এ সালদা নদী এলাকার এক দূর্ধর্ষ যোদ্ধা হলেন সুবেদার ওহাব।

ইতিমধ্যে ঢাকায় বসে মেজর জেনারেল জামিল ডি আহসান (১৯৭১ এর লেফটেন্যান্ট জামিল) এর বর্ণিত অভিজ্ঞতা এই প্রেজেনটেশনকে সমৃদ্ধ করেছে। কি কি কারণে যেন এই প্রেজেনটেশনের তারিখ কয়েকবার পরিবর্তিত হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত যখন সময় হল ততদিনে মেজর জেনারেল জামিল ডি আহসান ঢাকা থেকে কুমিল্লায় জিওসি হিসেবে পোস্টিং হয়ে এসেছেন।

প্রেজেনটেশনের পুরোটা সময় জুড়েই ছিল ৪র্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের পরিচালিত বিভিন্ন সার্থক অপারেশনের গল্প। এর বেশির ভাগই ছিল সুবেদার ওহাব পরিচালিত। পাওয়ার পয়েন্ট এ্যানিমেশন ব্যবহার করে আমাদের মুক্তিবাহিনী ও পাকবাহিনীর পারস্পরিক অবস্থান এবং যুদ্ধের ক্রমধারা বোঝানো হচ্ছিল। মাঝে মাঝে চলছিল ভিডিও ক্লিপ। সেখানে যুদ্ধস্থানগুলোর বর্তমান চিত্র দেখানো হচ্ছিল। সুবেদার ওহাব তার প্লাটুন নিয়ে অপারেট করে বেড়াতেন সালদা নদী ও তার আশেপাশের ওলাকায়। তার এক হাতে থাকত একটা এসএমজি আরেক হাতে থাকত মর্টারের বেস প্লেট। সাথে থাকত অনুন্য ৪০ জনের একটা দল। ইন্টেলিজেন্স সোর্স থেকে পাওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে, নিজ ইনিশিয়েটিভের বলে তিনি অপারেশন কন্ডাক্ট করতেন। তার পরিচালিত অপারেশনগুলো ছিল একটা থেকে আরেকটা স্বতন্ত্র, ব্যতিক্রমী। অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সম্পাদিত করতেন সবকিছু। পাকিস্তানীদের যেই টহল দল রিপোর্ট দিল যে অমুক এলাকা নিরুপদ্রব – ঠিক এক ঘন্টা পর সেখানেই আরেকটা দল এ্যাম্বুশের শিকার হল। সকালে এক জায়গায় রেইড করে দুপুর নাগাদ আরেক জায়গায় এ্যাম্বুশ পেতে বসে থাকলেন। দেখা যেত এই দুই স্থানের মধ্যে দূরত্ব প্রায় বিশ পঁচিশ মাইল। এই দ্রুত চলাচলের কারণে তার নাম হয়ে গিয়েছিল “জ্বিন”। অনেকে তাকে শুধু নামেই চিনত, চেহারায় নয়। এমনও হয়েছে তার সামনেই লোকজন তার গল্প করেছে – তাকে না চিনেই।

তার পরিচালিত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অপারেশন যেটা সেটা হল স্পিডবোট এ্যাম্বুশ। আগেই খবর পেয়েছিলেন যে দুটো স্পিডবোট যেদিকে গিয়েছে সেদিক থেকে আবার ফেরত আসবে। যুদ্ধের প্রচলিত কলাকৌশলকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে পানিতে টুইটম্বুর হয়ে ওঠা খালের দুই পাড়ে ধান আর পাটগাছের ভিতর গলাপানিতে তিনি তার লোকজনসহ পজিশন নিলেন। খালের মধ্যখান দিয়ে ফেরত আসা স্পিডবোটের আরোহীদের এইরকমভাবে রিসেপশন পার্টি থাকার সম্ভাবনা চিন্তারও অতীত ছিল। যথারীতি তারা নিদারুণভাবে পর্যুদস্ত হয়। এখানে একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল র‌্যাংক এর অফিসারসহ কয়েকজন মেজর – ক্যাপ্টেন, একজন সুবেদার মেজরসহ অন্যান্য পদবীর সৈনিক নিহত হয়। সমগ্র স্বাধীনতার যুদ্ধে ওয়েটেজের বিচারে এটাই সবচেয়ে সার্থক একক অপারেশন।

মাসুদের কাছে আগে থেকে শুনেই আমি উদগ্রীব হয়ে ছিলাম এই প্রেজেনটেশনটা দেখার জন্য। কোথায় দিয়ে যে এক ঘন্টার প্রেজেনটেশনটা শেষ হয়ে গেল তা টেরই পেলাম না। ততক্ষণে আমরা সবাই অবাক হয়ে ভাবছি একজন কমান্ডারের পক্ষে মাত্র ৪০ জন লোক নিয়ে এভাবে একের পর এক অপারেশন করা কিভাবে সম্ভব! কিন্তু বিস্ময়ের আরও বাকি ছিল। প্রেজেনটেশন দলাধিনায়ক তখন রসট্রামে এসে বললেন, “জেন্টেলমেন, নাউ আই প্রেজেন্ট ইউ দ্যা লিজেন্ডারী সুবেদার ওহাব”। আমরা একেবারে আক্ষরিক অর্থেই হা হয়ে গেলাম। স্টেজে আসলেন সুবেদার ওহাব। বয়সের ভারে ভারাক্রান্ত সুবেদার ওহাব বসে বসে আমাদের কিছু প্রশ্নের জবাব দিলেন। অভিজ্ঞ মানুষ বলেই যুদ্ধের কলাকৌশল সংক্রান্ত ব্যাপারগুলো খুব পরিস্কার। হালকা আঞ্চলিক শব্দের মিশেলে নিজস্ব বর্ণনার ভঙ্গিটাও অনবদ্য। আমরা মুগ্ধ বিস্ময়ে শুনলাম তার গল্প, ৭১’এর স্মৃতি রোমন্থন।

এরপর স্টেজে আসলেন সুবেদার ওহাবের এক সহযোদ্ধা মেজর জেনারেল জামিল ডি আহসান। কথার ফাঁকে ফাঁকে টুকটাক স্মৃতিচারণ করলেন। স্মরণ করলেন কে-ফোর্স কমান্ডার খালেদ মোশাররফের কথা। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে সুবেদার ওহাবকে যখন বীরবিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয় তখন খালেদ মোশাররফ বলেছিলেন, “….বিশটা বীরবিক্রম খেতাব দেয়া হলেও সুবেদার ওহাবের সঠিক মূল্যায়ন করা হয় না”। এর পিঠে সুবেদার ওহাবকে নিয়ে জেনারেল জামিল বললেন, “আমি মনে করি যদি জীবিত অবস্থায় কাউকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব দেয়া হয় তবে সেটা একমাত্র আপনারই প্রাপ্য”। আমরা আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে তালি দিলাম। এই বীর যোদ্ধার জন্য চোখের কোণটা কি একটুও আর্দ্র হয়ে ওঠেনি? গলাটা কি একটুও ধরেনি? আমি হলফ করে বলতে পারব না।

*******

এর বেশ অনেকদিন পর সুবেদার ওহাব সম্পর্কে জানতে পেরেছিলাম খবরের কাগজে। তিনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন)। কয়েকদিন পরে তার স্মরণে একটা অনুষ্ঠান হয়েছিল। নজরানা ফোন করে ইনভাইট করেছিল তাতে যোগ দেয়ার জন্য। নানান কাজে আমার আর যোগ দেয়া হয়ে ওঠেনি।

হাতের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই বলে কিছু কিছু তথ্য তুলে দিতে পারলাম না – বিশেষ করে স্পীডবোট এ্যাম্বুশসহ অন্যান্য অপারেশন সংক্রান্ত তথ্য। একই কারণে কিছু কিছু তথ্য ভুলের সম্ভাবনাও থেকে যাচ্ছে। এই ব্যাপারে ক্ষমা প্রার্থনীয় এবং পাঠকের সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য। লেফটেন্যান্ট কর্ণেল এসআইএম নুরুন্নবী খান (অবঃ) এর “কিংবদন্তীর মুক্তিযোদ্ধা” বইটা সুবেদার ওহাবকে নিয়ে লেখা।

কৃতজ্ঞতা: নজরানা চৌধুরী, এনটিভি (বরিশাল ক্যাডেট কলেজ, ১৯৯২-১৯৯৮)

২,৩৫৬ বার দেখা হয়েছে

১৭ টি মন্তব্য : “কিংবদন্তীর সুবেদার ওহাব”

  1. তৌফিক (৯৬-০২)

    সুবেদার ওহাবকে :salute: :salute: :salute:

    সায়েদ ভাই, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এই বীরযোদ্ধার বীরগাঁথা জানার সুযোগ করে দেয়ার জন্য।

    বাংলাদেশের আনাচে কানাচে এরকম কত কাহিনী আছে। কেউ যদি উদ্যোগ নিয়ে এগুলো লিপিবদ্ধ করার চেষ্টা করত!

    জবাব দিন
  2. তারেক (৯৪ - ০০)

    সায়েদ ভাই,
    খুব ভাল লাগলো পড়ে। এরকম বীরদের নিয়ে আরো বেশি বেশি লেখা উচিৎ আমাদের। লেখাটা নীলকন্ঠরে দিতে পারেন, খুব খুশি হবো।
    আর, ঐ প্রেজেন্টেশানটা পাব্লিকদের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা যায় না?


    www.tareqnurulhasan.com
    www.boidweep.com

    জবাব দিন
  3. সায়েদ (১৯৯২-১৯৯৮)

    @ তৌফিক
    তোমাকেও ধন্যবাদ।
    আমি আমার গল্পটুকু বলেছি মাত্র।
    তোমার অনুরোধটাকে বেয়াদবি মনে করব কেন, পাগল নাকি? বরং উৎসাহই পাচ্ছি।

    @ তারেক
    ঐ প্রেজেনটেশনটা এক অর্থে আমাদের আশেপাশের জানা সোর্স থেকেই সংগ্রহ করে বানানো হয়েছিল। শুধু সুবেদার ওহাবের বর্তমান সময়ের ভিডিওচিত্রগুলো ছিল নতুন সংযোজন। যেহেতু প্রেজেনটেশনটা আমার সংগ্রহে নেই সেহেতু চেষ্টা করব সেই সোর্সগুলো সিসিবি'কে জানিয়ে দিতে।

    নীলকন্ঠ'র ব্যাপারটা কি আরেকটু খোলাসা কইরা বলবা 😛 ? এইখানে না, ফেসবুকে বল 😛 😀 ।

    @ ফয়েজ ভাই, আজীজ ভাই, কামরুল ও পলাশ
    আপনাদের সবাইকে অশেষ ধন্যবাদ।


    Life is Mad.

    জবাব দিন
  4. কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)

    ত্যন্ত দ্রুতগতিতে সম্পাদিত করতেন সবকিছু। পাকিস্তানীদের যেই টহল দল রিপোর্ট দিল যে অমুক এলাকা নিরুপদ্রব - ঠিক এক ঘন্টা পর সেখানেই আরেকটা দল এ্যাম্বুশের শিকার হল। সকালে এক জায়গায় রেইড করে দুপুর নাগাদ আরেক জায়গায় এ্যাম্বুশ পেতে বসে থাকলেন। দেখা যেত এই দুই স্থানের মধ্যে দূরত্ব প্রায় বিশ পঁচিশ মাইল। এই দ্রুত চলাচলের কারণে তার নাম হয়ে গিয়েছিল “জ্বিন”।

    সুবেদার ওহাবের উপর ছোট এই লেখাটা পড়েই গায়ের লোম খাড়া হয়ে গেলো।
    সায়েদকে অসংখ্য ধন্যবাদ দোস্ত এই কাহিনিটা সামনে আনছস বইলা, বইটা জোগাড় করতে হবে খুব শিগগিরই।

    কিংবদন্তীর এই মুক্তিযোদ্ধাকে :salute: :salute:


    সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

    জবাব দিন
  5. জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)

    এইসব কিংবদন্তীতের কথা আমরা সবাই জানি না কেন?? না জানার দায় কে নেবে?? x-(

    মুক্তিযোদ্ধা সুবেদার ওহাবকে :salute:


    ঐ দেখা যায় তালগাছ, তালগাছটি কিন্তু আমার...হুঁ

    জবাব দিন
  6. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

    প্রায় প্রতিদিনই চোখ বুলাই। আজো সেভাবে ব্লগে এসে চলে যাচ্ছিলাম। কিন্তু সায়েদের এই পোস্টটি েস সুযোগ দিলো না। লগ-ইন করতে বাধ্য হলাম। তখন আমরা ভোরের কাগজে। প্রতি বছর এক একজন করে মুক্তিযোদ্ধাকে সামনে নিয়ে আসি আমরা। তারামন বিবি সেভাবেই সারা দেশে পরিচিত হয়ে ওঠেন। সম্ভবত ১৯৯৬ সাল, মুক্তিযুদ্ধের ২৫তম বার্ষিকী। আনিসুল হক অ্যাসাইনমেন্ট পেলেন। সোর্স এখানেও ছিলেন সম্ভবত জামিল ডি আহসান। সুবেদার ওহাবের (পরে অনারারী ক্যাপ্টেন হয়েছিলেন কি?) সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটিয়ে ভোরের কাগজের প্রথম পাতায় ধারাবাহিক লিখলেন মুক্তিযোদ্ধা ওহাবের অসাধারণ বীরত্বগাঁথা। আমরা খুঁজে পেলাম একজন নায়ককে, দেশের মানুষ পেলো শ্রদ্ধা করার, সম্মান জানানোর আরো একজনকে।
    স্মৃতি থেকেই কথাগুলো লিখলাম। ভোরের কাগজের অনলাইনে গিয়ে এতো পুরনো আর্কাইভ পাওয়া গেলো না। আনিসকে ফোন করেছিলাম, ও জানালো সুবেদার ওহাবের বীরত্বগাঁথা নিয়ে সে নিজেও কোনো বই করেনি।
    ধন্যবাদ সায়েদ আবারো।


    "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

    জবাব দিন
  7. সায়েদ (১৯৯২-১৯৯৮)

    সানাউল্লাহ ভাই,

    এখানে এভাবে আপনার অংশগ্রহণ আমাকে আনন্দে উদ্বেলিত করেছে।

    তারামন বিবিকে খুঁজে পাওয়ার গল্প বই আকারে পড়েছি। অসাধারণ।
    আপনিই ঠিক, সুবেদার ওহাব 'অনারারী ক্যাপ্টেন' হয়ে রিটায়ার করেছিলেন।
    ভোরের কাগজে সুবেদার ওহাবকে নিয়ে আনিসুল হকের লেখা পড়ার জন্য মনটা এখনই আকুলি বিকুলি করা শুরু করেছে।

    আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।


    Life is Mad.

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।