আমরা তখন গাজিপুর থাকতাম। প্রথম ক্যাডেট কলেজের নাম শুনতে পাই অনিল স্যারের কাছ থেকে। উনি একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন এবং সেই স্কুল থেকে নাকি ক্যাডেট কলেজে ভর্তি পরীক্ষা দেয়া যায়। আব্বু খুব শখ করে ওই স্কুলে ভর্তি করে দিল আর আমিও খুব শখ করে পড়াশুনা শুরু করলাম। লিখিত পরীক্ষার সময় চলে আসল। আমার সিট পরেছিল ঢাকা রমিজউদ্দিন স্কুলে। পরীক্ষার সময়ের একটা স্মৃতি খুব মনে পরে যে ইসরাইল হক স্যার গার্ড ছিলেন আর একটা ছেলেকে নকল করার সময় পাকড়াও করেছিলেন আর ছেলেটা স্যারের পায়ে ধরে কান্নাকাটি করছিল।
বিস্তারিত»পটকা মাছ আর ভাউয়া ব্যাং
কলেজে জীবনে কোনদিন স্বেচ্ছায় মঞ্চে উঠিনি। কারন মঞ্চে উঠতে যে প্রতিভা লাগে তার কোনটাই আমার ছিলনা। একবারই উঠেছিলাম, তাও সেবার লটারির মাধ্যমে প্রতিযোগী নির্বাচন করা হয়েছিলো তাই। জীবনে কোনদিন দুই টেকাও লটারীতে পাই নাই, কিন্তু ওইদিন ঠিকই লটারীতে নাম উঠছিল। কপাল!
তবে একবার স্বেচ্ছায় সেমি-মঞ্চে উঠেছিলাম আর কি। সেমি-মঞ্চ মানে কলেজ পিকনিকে খাওয়া-দাওয়ার পর যে সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। সব ক্লাসের ছেলেরা কিছু না কিছু করে দেখায়।
বিস্তারিত»লোপামুদ্রার “জন্মভূমি”
এমআইএসটি’তে আমাদের মধ্যে গানের সবচেয়ে ভালো সংগ্রহ ছিল মুশফিকের (এমসিসি, ৯২-৯৮)। ওর কাছেই মনে রাখার মতো করে লোপামুদ্রার প্রথম যেই গানটা শুনি সেটা হলো “সাঁকোটা দুলছে”। কৈশোর, বন্ধুত্ব, গ্রামের দূরন্ত জীবন স্মরণ করে এক অবিস্মরণীয় গান।
নিজের কম্পিউটারে লোপামুদ্রাকে আমদানি করার পর আরও অনেকগুলো গান শোনা হয়েছে। যার মধ্যে ‘বেনীমাধব’, ‘আবার আসিব ফিরে’সহ এখানে উল্লেখ করা বেশ কয়েকটা গান আছে। কিন্তু লোপামুদ্রার যেই গানটা আমাকে সবচেয়ে বেশি আলোড়িত করেছে সেটা হল:
“তোমার জন্য মেঘলা দুপুর,
বিস্তারিত»সিয়াটলের শীত – ২
সিয়াটলের শীত – ১
লেখাটা শুরু করেছিলাম সিয়াটলের বাজে আবহাওয়া নিয়ে। শিরোনামও তাই বলে। কিন্তু যতদুর লিখেছি তাতে আমার পা দুটো তখন পর্যন্ত দেশের মাটিতেই ছিল। (নোটিশ ফর বদ পুলাপাইনঃ খবরদার, পায়ের হিসাব তুইলা আবার সব কিছু আউলা কইরা দিবি না কইলাম)।
গতকাল রাতে বৌ এর সাথে এক চোট ঝগড়া করে মন মেজাজ খারাপ করে ব্লগটা লেখা শুরু করেছিলাম। ঘুমাতে গিয়েছিলাম তখন রাত একটা কি দুইটা।
বিস্তারিত»রিমঝিম
আজ আমি অনেক সুখী। রিমির কাছে যাচ্ছি। তার পছন্দের সাদা রঙের চেকশার্ট পড়েছি। ম্যাচ করে সাদা স্যুট। ইচ্ছে করেই টাইটা ঠিক করে পড়িনি। ওটা রিমির জন্য। জানি আমার টাই দেখে রিমি বলবে, “বুড়ো হয়ে গেলা!! টাইটাও ঠিক মত পড়তে পার না !?”। তারপর ও নিজেই টাই ঠিক করে দিবে। আমি মুখে মিথ্যে লাজুক হাসি দিয়ে তাকিয়ে থাকব, ওর দিকে।
রিমির সাথে আমার পরিচয়টা দূর্ঘটনা দিয়ে।
বিস্তারিত»বাংলাদেশ স্কয়ার
সিভিল মিলিটারি কো-অপারেশনের (CIMIC) আওতায় লাইবেরিয়ায় ইউএন মিলিটারি কন্টিনজেন্টসমূহ কর্তৃক বিভিন্ন স্হাপনা নির্মান করা হয়েছে। এগুলো মূলত খেলাধুলা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরীর জন্য স্বল্পমেয়াদী প্রশিক্ষণ প্রদানের কাজে ব্যবহৃত হয়। আমাদের নিকটতম যেই স্থাপনাটি আছে সেটার নাম BLYC – “বাংলাদেশ লাইবেরিয়া ইয়ুথ সেন্টার” । এখানে আছে একটা ফুটবল মাঠ, বাচ্চাদের খেলার জন্য একটা বড় পার্ক আর একটা ট্রেনিং সেন্টার। ফুটবল মাঠে স্থানীয় টিমগুলো ফুটবল খেলে। আমরা এখানে কম্পিউটার,
বিস্তারিত»ক্যাডেট কলেজ শিক্ষক কাহন …
ক্যাডেট কলেজ়ের স্যারদিগকে লইয়া লিখিতে গেলে পাতার পর পাতা লিখা যাইবে। যেই পরিমান শ্রম তাহারা আমাদের পিছনে দিয়াছেন তা বলিয়া শেষ করা যাবে না। আবার তাদেরকে নিয়া আমাদের অনেক মজার স্মৃতিও আছে। আমার জীবনের প্রথম ব্লগ তাই মির্জাপুরের আমাদের সময়কার স্যারদিগকে লইয়াই লিখিব। তবে তার আগে বলিয়া রাখি ইহা শুধুমাত্র কিছু মজার স্মৃতিচারন। অন্য কিছু নয়। শিক্ষকরা সবসময়ই শ্রদ্ধাভাজন।
চর্চার অভাবে স্মৃতির গর্ভে বিলীন হইয়া গিয়াছে অনেক স্যারের আসল নাম।
বিস্তারিত»টোকিওতে সিসিআর গেট-টুগেদার

গতকাল (২ নভেম্বর) টোকিওতে সিসিআরের ছোটখাট একটা গেট-টুগেদার হয়ে গেল খায়রুজ্জামানারের বাসায়। ছবি সবার সাথে শেয়ার করলাম। ছবিতে বাম দিক থেকে নাজমুল ভাই, খায়রুজ্জামান, যুবায়ের ভাই, শরীফ ভাই এবং আমি।
বিস্তারিত»সিসিবি সমাবেশ-২
ভালো লাগায় লোপামুদ্রা

লোপামুদ্রা মিত্রের গলায় আমার শোনা প্রথম গান বেনীমাধব।
এইচএসসি-র পরে তখনো ঢাকায় নতুন। ঢাকা যে আসলে ঠিক বাংলাদেশের ভেতরের কোন শহর নয়, সেটা বুঝে গেছি ততদিনে। সব কিছুতেই যেন যোজন যোজন ফারাক আমাদের ছোট্ট মফস্বল শহর কুমিল্লার সাথে। সেই বোধটা আরেকটু দৃঢ় করতে সে বছর গুলশানে আমাদের এক বন্ধুর বাসায় গেলাম থার্টিফার্স্ট নাইটের মজা নিতে। আমরা প্রায় ১০/১২ জন।
বিস্তারিত»পয়লা আমিই দেই কি বলেন/বল
হাওয়ার বুলেট ও একটি ছোট্ট ঘটনা
দিনকতক ধরিয়া ব্লগ পড়িতেছি আর পুরাতন দিনের কথা স্মরণ করিয়া সেই দিন গুলিতে বারংবার ফিরিয়া যাইতেছি। সে যাহাই হোকনা কেন, নিজের শারীরিক এই মূহুর্তের অবস্থার কারণে একটি ছোট্ট ঘটনার কথা মনে পড়িয়া গেল।
কথা হইল, কি এই হাওয়ার বুলেট?
“অন্তর জগতের বায়ু বাহির জগতে প্রবেশ করিবার কালে গূহ্যদ্বারে মৃদু কম্পন জনিত কারণে বাতাসে যে আলোড়ন সৃষ্টি হয় তাহাই হাওয়ার বুলেট নামে পরিচিত।”
যাদের জন্য লাল গোলাপ
গতকাল সারাদিন সারারাত কম্পিউটার এর সামনে বসে কিছুক্ষন পর পর এক্টাই কাজ করেছি আর সেটা হোল সিসিবি ব্রাউজ করে দেখা, অনলাইন হয়েছে কিনা এখনো। সারাদিনে বার পঞ্চাশেক করার পর উপলব্ধি করলাম সিসিবি কতটা নেশায় পরিণত হয়েছে আমার। কিছুক্ষন পর পর চেক না করলে মনে হয় কি যেন একটা করা হয়নি। প্রথম প্রথম যখন ইন্টারনেট ব্যাবহার করতাম তখন কত কিছু যে ব্রাউজ করতাম তার হিসেব নেই।
বিস্তারিত»লাল গোলাপ শুধু তার জন্যে
বাসার সামনে গলির দোকানে চা খেতে খেতে রায়হানকে (রায়হান আবীর) জিজ্ঞেস করলাম, “কি করা যায় বুদ্ধি দেস না একটা ?” অনেক্ষন চিন্তা করেও কিছু না পেয়ে ও বললো, “বাদ দেন ভাইয়া, আপাতত কয়দিন এইভাবেই চলুক।”
-ধুর বেটা, একবার সিদ্বান্ত নিয়া এখন পিছাইয়া আসলে কেমন দেখা যায়
-তাইলে কি করবেন?
আমি কিচ্ছুক্ষন ভেবে বললাম, “উপায় আছে একটা, দাঁড়া, আজকেই মেইল করতেছি। হইয়া যাবে।”
তারপর রায়হান কে উপায়টা বুঝিয়ে বললাম।
টুশকি ৮
টুশকি [১] [২] [৩] [৪] [৫] [৬] [৭] [৯]
১. বিএমএ’তে আমাদের জনৈক প্লাটুন কমান্ডার নাতিদীর্ঘ নসিহত শেষ করার পর বললেন, “ইউ হ্যাভ টু মেক মি আন্ডারস্ট্যান্ড দ্যাট ইউ হ্যাভ নট আন্ডারস্টুড। ইফ ইউ ক্যান নট মেক মি আন্ডারস্ট্যান্ড দ্যাট ইউ হ্যাভ নট আন্ডারস্টুড দেন হাউ উইল আই আন্ডারস্ট্যান্ড দ্যাট ইউ হ্যাভ নট আন্ডারস্টুড”?
বিস্তারিত»