তোমার জন্য কখনো কখনো

পাঠচক্রে তোমার বাবার সঙ্গে জাতীয় বিপ্লবের স্তর নির্ধারনী তর্কটা ছিল দুর্বোধ্য । আরো দুর্বোধ্য ছিল গ্লাসনস্ট আর পেরস্ত্রইকা নিয়ে সেই বিখ্যাত আলাপ……… কিন্তু তখন সবচাইতে দুর্বোধ্য ছিল তোমার চোখ। জল টলটলে অতল…

অথচ কমরেড মেননের উপসংহারের মতই স্বচ্ছ ছিল তোমার হাসি। একটা স্বস্তি নিয়ে বাসায় ফিরে যেতাম। অপেক্ষায় থাকতে থাকা আরো একটা সকালের, সকাল গড়িয়ে দুপুর পেরিয়ে বিকালের … তোমার বারান্দায় বসে আবারও লেনিন আর মাও অথবা চে।

বিস্তারিত»

আমি ক্ষমাপ্রার্থী, আমি লজ্জিত

অভিজিত রায় কে হত্যা করা হলো।
এই বাঙলায় আঘাত হানা হয়েছে শামসুর রাহমান এর উপর, হুমায়ুন আজাদ এর উপর, সৈয়দ শামসুল হক এর উপর, হাসান ইমাম এর উপর। দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন হাউদ হায়দার, তসলিমা নাসরিন। হত্যা করা হয়েছে রাজিব হায়দার (থাবা বাবা) কে, হত্যা করা হলো অভিজিত রায়কে।

কেনো জানি না শওকত আলীর প্রদোষে প্রাকৃতজন উপন্যাস এর কথা মনে পড়ে গেলো,

বিস্তারিত»

পাকিস্তান – ভারত ভাবনা

আমাদের এলাকায় একটা প্রবাদ আছে – “যে পাতে খায়, সেই পাতে হাঁে *” পাকিস্তান নামের দেশটা দেখলে আমার কেন জানি এই প্রবাদ টার কথা মনে পড়ে। কেন মনে পড়ে? সে প্রসঙ্গে পরে আসি। তার আগে একটা confession খুব জরুরী।

সেটা ১৯৯৩ -৯৯ সময়ের ঘটনা। আমি পাকিস্তান ক্রিকেট দলের বিরাট ভক্ত। সাঈদ আনোয়ার এর লেগ এ ফ্লিক করা দেখলে মাথা নষ্ট হয়ে যেতো। আমার এখনো মনে আছে ১৯৪ রান করে আউট হবার পর আমার সেকি কষ্ট!

বিস্তারিত»

আত্মহননঃ আমার অভিমত – প্রেক্ষাপটঃ ক্যাডেট কলেজ কম্যুনিটি

আত্মহননঃ আমার অভিমত – প্রেক্ষাপটঃ ক্যাডেট কলেজ কম্যুনিটি

[আমার এই লেখাটা কোন ভাবেই কোন সিস্টেম বা ব্যাক্তিকে দায়ী বা কটাক্ষ করে লেখা নয়। বরং গত কয়েক বছর ধরে বেশ কিছু ঘটনার কারনে মনের মাঝে জমে থাকা অনেকগুলো বিষয়কে রিলেট করে একটা সমাধানের আশায় লেখার একটা প্রয়াস মাত্র। আমি নিজে একজন ক্যাডেট বলেই হয়তো বিষয়টা নিয়ে আমি ক্যাডেট কলেজ কম্যুনিটির প্রেক্ষাপটে লিখছি। কিন্তু আসলে এটা সর্বক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

বিস্তারিত»

বেঁচে থাকা

নিঃস্পৃহতায় বাঁচতে যেন, কেমন লাগে!
নিয়ম করে ভুলে থাকায়, ক্লান্তি লাগে,
পালিয়ে থাকার বিড়ম্বনায়, খারাপ লাগে
লুকিয়ে ফেলা ভালোবাসায়,কষ্ট বড়!
যেমন কষ্ট অভিমানে, ফিরে দেখায়;
যেমন কষ্ট মুখোশ পরে, পালিয়ে থাকায়,
যেমন কষ্ট আত্মবোধের, জেগে থাকায়,
যেমন কষ্ট সব হারিয়ে, বেঁচে থাকা । ।

বিস্তারিত»

পাঠ-প্রচেষ্টা

বলো,’আসি’
তারাপদ রায়

‘যাই’ বলা নাই। বলো,’আসি’,
বলো, ‘আবার আসমু, দেখা হইবে।’
তুমিও জানো, আমিও জানি এসব বাজে কথা –
এক নদীতে দুইবার ডুব দেওয়া যায় না,
এক ওষ্ঠে দুইবার চুম্বন করা যায় না,
এক বিছানায় দুইবার শয়ন করা যায় না,
এক জন্মে দুইবার দেখা হয় না।

কিন্তু তুমি যদি বলো, ‘যাই’
আমার আর দাঁড়ানোর জায়গা থাকে না।

বিস্তারিত»

মকবুল স্যার বাঁচবেন, আবার ফিরবেন আমাদের মাঝে

ফেসবুকে Reza Shawon ভাইয়ের লেখা পড়ে আমারো একটা ঘটনা মনে পরে গেল।

ক্লাস ৯ অথবা ১০ এর কথা। আমাদের B ফর্মে সেদিন ছিল ভূগোল ক্লাস। আমরা মোটামুটি সবাই বিরক্ত এই ক্লাস নিয়ে। কারণ, ভূগোল অনেক মুখস্ত টাইপের পড়া। কোন দেশ কোথায়, কোন অঞ্চলে আম গাছ, আর কোথায় বাঁশ গাছ বেশি পাওয়া যায়, এসবের বিস্তারিত বর্ণনা। আফ্রিকাতে “রকি” মাউন্টেন, নাকি “কিলিমাঞ্জারো” এই নিয়ে আমাদের কেন এত মাথাব্যথা করতে হবে তা বুঝতাম না।

বিস্তারিত»

অণু ব্লগঃ ফার্স্ট সাইট

রুমি’স কিচেনে দু’জনের একটি টেবিলের রিজারভেশন দিয়ে রেখেছিল অভিজিৎ। পার্সিয়ান এই রেস্তোরাঁটি তার সবিশেষ পছন্দ। জিভে জল আনা সব কাবাব বানায় ওরা। রাবেয়ার সাথে আজ প্রথমবারের মতো
দেখা হবে জর্জিয়া টেকের ক্যাম্পাসে। সেখান থেকে দু’জনে মিলে দুপুরবেলা ভেড়ার কাবাব আর জাফরানী ভাত খেতে যাবে রুমি’স কিচেনে। আজকের দিনের প্ল্যান বলতে আপাততঃ এটুকুই। রাবেয়া সদয় হলে অবশ্য ঘুরতে ঘুরতে ইন্ডিয়ান পাড়ায় মাসালা টি খাওয়া যেতে পারে বিকেলে।

বিস্তারিত»

সুখেই আছি

বলতেই হবে,সুখে আছি,
গুঁজে আছি মাথা বেশ,
রাজা হল কে? ধুর মশাই,
ভাববো কেন অতশত?
ভাববার আছে, আরও যে ঢের!
কাজের ছেলে রেখেছি একটা,
বাজার করে সেই,
যেমন রেখেছি নেতা-পাতিনেতা,
চিন্তা করুক সেই।
বরং আমি মজে থাকি নিজে,
দেয়াল একটা তুলে।
বলতেই হবে, এই বেশ আছি,
সুখে আছি, এইতো বেশ ।।

বিস্তারিত»

আন্সারুল্লা বাংলা টিমের জন্য সহানুভূতি

( আমার জীবনের সবচেয়ে অশ্লীল লেখা। নিজ দায়িত্বে পড়বেন। গালাগালি যত খুশি দিবেন দেন, আর কোপাইতে মঞ্চাইলে ডাইরেক্ট হালাহ পন্থায় জবাই দিয়া দিয়েন, কোপাকুপি এখন ব্যাকডেটেড হয়ে গেছে। শুঞ্ছি হালাহ পন্থায় জবাই করা প্রানী সুজা বেস্তে যায়! আমার আবার হুর নিয়া মাস্তি করনের অনেক শখ! আর কিছু বানান ভুল ইচ্ছাকৃত)

অভিজিৎদাকে যখন কোপানো হচ্ছে, ঘটনাস্থল থেকে আমি খুব বেশী দুরে না, যদিও তার কিছুই আমি তখনো জানিনা।

বিস্তারিত»

এগারো থেকে পনেরো


ওলগা সেগান্সকাইয়া’র প্রেমে আমি পরি গত ২২ শে এপ্রিল সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায়।

ডেন্টিস্ট্রি’র ছাত্রী সেগান্সকাইয়া সেখানে ভায়োলিন বাজাচ্ছিল, বরং বলা উচিত ভায়োলিনের ছড়ে ছড়ে আমাকে মিশিয়ে কয়েক মিনিট ধরে ছুঁড়ে ফেলেছে জর্জিয়ার কোন গ্রামে, কোন রেল স্টেশনের পিচ গাছের তলায়, ধোয়া ওঠা এক রসুনের স্যুপের বাটিতে।

সেগান্সকাইয়া’র নীল রঙের নেইল পলিশ আর লাল রঙের ভায়োলিন আমাকে হ্যালুসিনেশন দেখিয়েছে কয়েক দফা,

বিস্তারিত»

পোনসাই বদলাবেই

১৯৬৫ ইংরেজীর মার্চ মাসের শুরু, বাংলা ১৩৭১ ফাল্গুনের শেষাশেষি। ২ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত ইলেক্টোরাল কলেজ ভিত্তিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ফাতেমা জিন্নাহ কে পরাজিত করে পূর্ব পাকিস্তানে আইয়ুব শাহীর বেসিক ডেমোক্রেসির দোর্দণ্ড শাসন চলছে। পাক-ভারত সীমান্তে টানটান উত্তেজনা , এই যুদ্ধ লেগে গেল বলে।আব্দুল মালেকের এসব খবর নেবার জো নেই।তার ভাবনায় অন্য কিছু।

বড় দুই মেয়ের বিয়ে হয়েছিল একেবারে সাধারন ঘরে। আব্দুল মালেকের অবস্হা ও তখন তাদের মতই ছিল।মেয়েরা উভয়েই প্রথম মাতৃত্বের স্বাদ গ্রহণের সময় মারা যায়।বড় ছেলে তো আর ও আগেই অকাল প্রয়াত।বাধ্য হয়ে মেধাবী মেঝ ছেলে মনু মিয়া কে কয়েক বছর পূৃর্বে প্রাইমারি স্কুলের পাট চুকিয়ে তার সাথে চাষবাসের কাজে লাগিয়ে দেন।বাপ-বেটার উদয়াস্ত পরিশ্রমে আব্দুল মালেকের অবস্হা দ্রুত উন্নতির দিকে।

বিস্তারিত»

সুপ্রভাত, অতঃপর…

আলোর ক্ষণ টুকু আলোময় হয়েই থাকুক-
নাই বা করলে আড়াল কলঙ্কের নীচতায়!

সূর্য আমাদের মরে গেছে বহুকাল আগে।
সকালগুলোকে তুলে রেখেছি সিন্দুকে ভরে-
অস্থিরতার মধ্যাহ্ন-
আলিঙ্গণের তীব্র নেশায় শেষবেলায় ছুটে যাওয়া-
সব-
তোমার আলমারিতে পুরনো ডাইরির পাতায়-
আয়নায় রাখা আমার সবুজ টিপে-
ব্রাশ হোল্ডারে-
চাবির রিঙে-
আর,
গা এলিয়ে বিছানায় পড়ে থাকা তোমার পাশবালিশটাতে-
তন্ন তন্ন করে এতটুকু অধিকার খোঁজা।

বিস্তারিত»

ঢাকার শুনানি, ঢাকায় শুনানি (ক)

একজন মানুষ যখন বিদেশ যায়, পড়তে কিংবা কাজ করতে, তখন সেই বিশেষ দেশটির প্রতি মায়া না জন্মালেও যেই এলাকায় থাকা হয় সেই এলাকাটির প্রতি হয়তো মায়া হয়তো ঠিকই জন্মায়। এই মায়ার গাঁথুনি তৈরী হয় অভ্যাসে ও সুরক্ষিত থাকে আবেগে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ছোট এক শহর ছেড়ে দেশে পাড়ি জমিয়েছি প্রায় সপ্তাহ দুয়েক। দেশে আসার আগে ঘুরে বেড়িয়েছি শিকাগো, ক্যানসাস সিটি, সল্ট লেক সিটি, ও লাস ভেগাস।

বিস্তারিত»

রাফিদা আহমেদ বন্যার বক্তব্য এবং সাক্ষাৎকার

সেন্টার ফর ইনকুয়েরি-তে প্রকাশিত বন্যার আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মুক্তমনা কর্তৃক বাংলা অনুবাদ এখানে।

রাফিদা আহমেদ বন্যা লিখেছেন:

আমার স্বামী অভিজিৎ রায় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদ নিয়ে লেখালেখি করতেন, তিনি ধর্মীয় কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনামূখর ছিলেন। শুধুমাত্র এই কারণেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। গত ছাব্বিশে ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনাকীর্ণ ক্যাম্পাসে আমরা দুজনে হামলার শিকার হই। অভিজিৎকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

বিস্তারিত»