অভিজিত রায়ের সাথে পলিটিক্যালি বা ফিলোসফিক্যালি আপনি এলাইনড না, আবার তার হত্যাকান্ডের নিয়ে নীরবও থাকতে পারছেন না। অতএব, অভিজিত রায়ের মৃত্যুর সংবাদে বেকায়দায় পড়ে গেছেন? তাহলে এই চোথা আপনার জন্য।
১) প্রথমেই ইহা ‘প্রকৃত’ ইসলাম না বলে ফেলুন। এবার আপনার কাজ সহজ। ইসলামের দৃষ্টিতে নন মুসলিমদের সাথে কীভাবে আচরণ করতে হবে তা নিয়ে আলোচনায় খুন ইত্যাদি অনেক দুরে নিয়ে এটাকে ইসলামী আলোচনা বানিয়ে ফেলুন।
না-গল্প পাঁচ(খ) – তোড়ার কথা: শাওন-রিটা অধ্যায়
প্রথম কিস্তি
না-গল্প পাঁচ(ক) – তোড়ার কথা: ফ্ল্যাশব্যাক
দ্বিতীয় কিস্তি
তোড়ার বিয়ের সময়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই তুখোড় ছাত্র শাওন যথারীতি ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্টই শুধু হয়নি, পাশ করার পরপরই ডিপার্টমেন্টে জয়েনও করে ফেলে শিক্ষক হিসাবে। অন্য বন্ধুদের মত ওর সাথেও তোড়ার বরাবরই যোগাযোগ ছিল। মাসখানেক আগে বিয়ে করেছে মোটামুটি নামি এক প্রাইভেট ইউনিভার্সিটতে পড়া অনিন্দ সুন্দরি মেয়ে রিটাকে। অবশ্যই এফেয়ারের বিয়ে।
না-গল্প পাঁচ(ক) – তোড়ার কথা: ফ্ল্যাশব্যাক
প্রথম কিস্তি
– তোকে এত করে বললাম, আজ অন্ততঃ রাশেদ ভাইকে যেমনে হোক ভুজুং-ভাজুং বুঝিয়ে নিয়ে আসবি? আজও একা এলি? এইডা কিছু হৈলো?
কপট না, শাওনের চোখে মুখে সত্যিকারের হতাশা ফুটে ওঠে।
তোড়া আগেও ব্যাখ্যা করেছে, রাশেদ কেন ওর বন্ধুদের এইসব গেট-টু-গেদারে আসতে চায় না। সেই খোঁড়া যুক্তির পুনরাবৃত্তি করতে আর ইচ্ছা হয় না তোড়ার। কেবলই একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে সে, আর তা দিয়েই জানায় “আমার কিছু করার ছিল না”।
তবু মনে পড়ে……।।
কষ্টগুলো, দুঃখগুলো ভুলে থাকতে চাই। সব সময়। তবু মনে পড়ে যায়।
২৫শে ফেব্রুয়ারী এলেই মনে পড়ে মেজর শাহনেওয়াজ ভাই আর মেজর আজিজুল হাকিম স্যারকে। পিলখানায় যাদেরকে বিনা অপরাধের খুন করা হয়েছে আরো পাঁচ ডজন অভাগা বীর সেনানীর সাথে।
আল্লাহর কাছে তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।
বিস্তারিত»বাঁচতে হলে লিখতে হবে!
অনেক বছর হয়ে গেছে লিখিনা, আমিও যেন লেখা ভুলে গেছি! বারবারই লেখার কথা ভাবলে আমার হারানো ডায়েরী টার কথা মনে পড়ে, স্ট্যান্ডিং অ্যাট দি এজ পার্ট ২ এর কথা মনে পড়ে, এখকারশনের সাত দিনের যত গল্লপ মনে পড়ে। আমার মনেও নাই কি কি লিখেছিলাম। এগুলা ভাবলে আর লেখার ইচ্ছে হয় না। কিন্তু সত্যি বলতে কি, এক অজুহাত দিয়ে কত বছর নিজের থেকে পালানো যায়? সবাই নাহয় বিশ্বাস করছে,
বিস্তারিত»না-গল্প চার : আড়াইখানা ব্রেক-আপ কাহিনী
গল্প নাম্বার – এক
একটি আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নবম শ্রেনীতে অধ্যায়নরত থাকাকালে সহপাঠি রুমমেট রুমার কাছ থেকে রাজুর ঠিকানা পেয়েছিল মিতু। রুমা তখন চুটিয়ে প্রেমালাপ চালাচ্ছে রনির সাথে আর মিতুর সাথে এমন একটা ভাব করছে যে, “এত সুন্দরি, সুকন্ঠি হয়ে কি লাভটা হলো রে তোর, যদি একটা বয়ফ্রেন্ডই না থাকলো জীবনে?”
প্রথম প্রথম ভালই যুক্তি দিয়ে নিজের অবস্থানকে শ্রেয়তর প্রমান করে ছাড়তো মিতু।
প্রবাসে প্রাকৃতজন (পর্ব ০.৪: অথঃ ইমিগ্রেশান)
এদেশে এসেছিলাম এক বছরের ভিসা নিয়ে। তবে ভিসা হাতে পাওয়ার তিন মাস পরে এদেশে আসার কারনে হাতে আর সময় ছিল মাত্র নয় মাস। এর মাঝেই চাকরী-বাকরী খোঁজা, গোধূলির জন্ম, এসব করতে করতে ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে আসলো। তখন মেয়াদ বাড়ানোর জন্য অ্যাপ্লাই করলাম, পেয়ে গেলাম আরও চার বছরের জন্য। এই চার বছর যখন শেষ হবে তখন আমাদের এদেশে অবস্থানের সময়কাল হবে চার বছর নয় মাস।
বিস্তারিত»সংখ্যা : কপিল, পিথাগোরাস
সংখ্যা : কপিল, পিথাগোরাস
আয়োনীয় গ্রিক দার্শনিক ও গণিতবিদ পিথাগোরাস সংখ্যা ও সংখ্যাসংক্রান্ত দর্শন সম্পর্কে কথা বলে ঝড় তুলেছিলেন। সেই হিসাবে উনাকে এই দর্শনের অগ্রণীও ধরা হয়। তবে সেটা কেবল পাশ্চাত্যেই। আসলে পিথাগোরাসের জন্মের একশত বছর আগেই এই সংখ্যা দর্শন প্রবর্তন করেছিলেন আমাদের বাংলারই সন্তান কপিল।
প্রথমে আমি পিথাগোরাস সম্পর্কে দুকথা বলবো তারপর কপিল সম্পর্কে কিছুকথা বলবো।
পিথাগোরাস
সামোসের পিথাগোরাস (প্রাচীন গ্রিক: Πυθαγόρας ὁ Σάμιος Pythagoras the Samian,
বিস্তারিত»থালেস (খ্রীষ্টপূর্ব ৬২৪ – খ্রীষ্টপূর্ব ৫৪৬): গ্রিসের প্রথম দার্শনিক
থেলিস (খ্রীষ্টপূর্ব ৬২৪ – খ্রীষ্টপূর্ব ৫৪৬): গ্রিসের প্রথম দার্শনিক
থেলিস (মিলেটাসের থালেস, Thales of Miletus (/ˈθeɪliːz/; Greek : Θαλῆς (ὁ Μιλήσιος); খ্রীষ্টপূর্ব ৬২৪ – খ্রীষ্টপূর্ব ৫৪৬)। তাঁকেই গ্রিসের প্রথম দার্শনিক ধরা হয়। সেই হিসাবে তিনিই পাশ্চাত্য দর্শনের জনক।
থালেস ছিলেন এশিয়া মাইনর-এর মাইলেটাসের অধিবাসি। এটি ছিলো একটি উন্নত বাণিজ্যিক শহর। সেখানে এক সময় ধনী ও দরিদ্রদের মধ্যে দাঙ্গা শুরু হয়। সেই শ্রেণী-সংগ্রামে প্রথমে দাসরা জয়লাভ করে ও ধনীদের শিশু ও নারীদের হত্যা করতে শুরু করে।
বিস্তারিত»হাত ও প্রভাতফেরী
হাত
“এইখানে, স্যার, শালা মুক্তির বাচ্চা এই পোড়া ঘরের মইদ্দে মইরা পইড়া আছে , আমি খবর পাইয়া আপনেরে জানাইলাম-পাকিস্তানরে বাচাইতে এইগুলারে শ্যাষ করন লাগবো”-এক নি:শ্বাসে শুনলাম রাজাকারটার কথা| একা ছিলাম, আশে পাশে কাউকে না পেয়ে নিজেই ঢুকলাম ওর সাথে| মুক্তিবাহিনীর এই কমান্ডার খুব জ্বালিয়েছে, ব্যাটার লাশটা নিয়ে যেতে পারলে ক্যাপ্টেন থেকে আমার মেজর হওয়া ঠেকায় কে! পাক আর্মি বলে কথা!!
উল্টে পড়ে আছে লাশটা,
বিস্তারিত»ক্যাডেট জীবন নিয়ে বই প্রকাশ সম্পর্কিত বিজ্ঞপ্তি: আলীম হায়দার।
ক্যাডেট কলেজের জীবনে বেড়ে ওঠা শৈশব কৈশোরের আনন্দ-বেদনা, হাসি-কান্না, বিদ্রোহ ও প্রেম নিয়ে দুটি উপন্যাস পাওয়া যাচ্ছে এবারের অমর একুশে বই মেলায়, প্রথম উপন্যাস : রক ক্যাডেট, দ্বিতীয় উপন্যাস: বুড়ো বালকের দল, স্টল নাম্বার ২২০-২২১, জয়তী প্রকাশনী, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। এছাড়া আমার দুটি কবিতার বই (১) চিত্রপট এবং (২) গাঙ গিরি গন্ধবহে পিঙ্গলে পিঙ্গলে, বইদুটিও পাওয়া যাচ্ছে একই স্টলে।
ধন্যবাদ ।
এ টি এম শামসুজ্জামান ও কয়েকটি প্রশ্ন
এটিএম শামসুজ্জামান এর জন্ম ১০ই সেপ্টেম্বর ১৯৪০ সালে। অভিনয়জীবন ৫৩ বছর। বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা, পরিচালক, কাহিনীকার, চিত্রনাট্যকার, সংলাপকার ও গল্পকার হিসাবে পরিচিত আবু তোরাব মোহাম্মদ শামসুজ্জামান বা এ টি এম শামসুজ্জামান বা শুধুই এ টি এম। গ্রাম্য বদ মাতব্বর বা দুষ্ট কুচুটে চরিত্র হিসাবে চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি অনেকটা মাইলফলক করে ফেলেছেন। উপরোক্ত চরিত্র মাথায় আসলেই প্রথমেই মনে আসে এ টি এমের কথা।
যদিও তিনি চলচ্চিত্রে ১ম কাজ করেন পরিচালক উদয়ন চৌধূরির বিষকন্যা চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে ১৯৬১ সালে।
বিস্তারিত»বেলা শেষের অবেলায়
সুর্যটা ডুবতে বসেছে।
সেই সাথে রাসেল ও। ত্রিশ বছরের জীবন এতো দ্রুত শেষ হয়ে যাবে…
ডিমের কুসুমের আকার নিয়ে রক্তিম ভানু অস্তাচলে যাই যাই করছে। সামনে পিছনে আঁধারের ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে এক অপুর্ব বিষাদময়তা লেজের মত অদৃশ্য রশ্মিতে বাঁধা! সামনে কেউ নেই। পেছনে অনেকে থেকেও নেই।
একা একজন মানুষ।
স্মৃতির মিনারে আজনম ক্লান্ত এক পথিক পথের শেষে এসে বিষন্ন প্রহর গুনছে!
কি করছে এখন রেবেকা?
বিস্তারিত»প্রণয়োন্মাদের প্রলাপ-৩
দু’হাতের মুঠোয় হৃদয়খানি ধরে যদি সামনে আসি,
এবারের মত গোলাপ না দিলেও চলবে??
আজ হাত ধরে হাঁটি যদি, মেঘ মিলায় যতদূরে;
কালকে আমার একটু দেরি সইবে তো?
কথা ভুলে গিয়ে যদি বোকার মত হেসে ফেলি,
বুঝে নিও, সে তোমার হাসি দেখে।
সন্ধ্যাবেলায় আমার পাশে থেকো না আর।
নাহয় বিলুপ্ত করে দাও, সকল সোডিয়াম বাতি।
হলদে আলোর মায়া তোমায় ছাড়তে দেয় না।
ইয়াহু চরিতঃ দৈত্যরাজের অজ্ঞতা
ব্রডডিংনাগ দেশের মানুষ গুলো দৈত্যাকৃতির। মানুষ যত লম্বা হয় তার বিচারশক্তিও সেই অনুপোতে কমতে থাকে। তাদের শিক্ষানীতি ত্রুটিযুক্ত।ওদের শুধু শেখানো হয় নীতিজ্ঞান, ইতিহাস কাব্য ও গণিত। দৈত্যদের রাজা একদিকে যেমন জ্ঞানী আবার তার অজ্ঞানতাও সীমাহীন। রাজার উত্তম কুটনীতিক হওয়া উচিত তা তিনি মানতে রাজী নন। রাষ্ট্রকে অনেক বিষয় গোপন রাখতে হয় তাও তিনি মানতে নারাজ। তাঁর ধারণা- রাষ্ট্রের কোন গোপনতা রক্ষার দরকার নাই, সবকিছু তাৎক্ষনিক সমাধান করে ফেলাই ভাল ।
বিস্তারিত»