দিনলিপিঃ গডের স্টেক

এক গেলাস জল গড়িয়ে খেতে হয় নাই দেশে অথচ এখানে জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ সবই নিজেকে করতে হয়। বাজার সরকার থেকে শোফার, রাঁধুনি থেকে কবি অথবা জেনেটর বলতে সবই আমি এই জগত সংসারে!

বড়দিনের ছুটি কাটাতে বড় আপার ফ্যামিলি আসবে আমাদের আটলান্টার বাড়ী তাই মা মেয়ের আনন্দ আর ধরে না। তারা আর আমি বসে বসে খাবারের মেন্যু বানাই। বড় আপা আমার তিন বছরের বড় হলেও আমার প্রতি তার আচার আচরণ আমার মায়ের চাইতে কোন অংশেই কম নয়।

বিস্তারিত»

বিষয় মশা

১.

মশা কেন্দ্রিক একটা বিশাল বানিজ্য আছে। মশক কুল নিধনের নানা অষুধ বিষুধের প্রচার প্রসার চলছেই। এইসব ব্রহ্মাস্ত্রের মহিমায় আপনার ঘর বাড়ি,  কি, বই এর পাতা থেকেও মশা উধাও হয়। এরসল নামক বস্তুটি আমার বিশেষ অপছন্দ। আমার ধারনা মশারা এর গন্ধে উত্তেজিত হয়- আর আমি হই অতিষ্ঠ। তবু- কিছু একটা করতে হয়- সন্ধ্যা কালে ইনাদের উৎপাত বাড়ে, ওই সময় সব দরজা জানালা বন্ধ করে শাস্ত্র মতে এরসল ছিটাই।

বিস্তারিত»

জীবন যখন যেমন

মাসতিনেক আগ পর্যন্ত সাময়িক বিরতি বাদে বিবাহিত ব্যাচেলর জীবন পার করছিলাম। দুপুর দুটো থেকে আড়াইটার মধ্যে অফিস শেষ করে চারটার ভিতরে মাঠে, ফুটবল বা ক্রিকেট খেলা শেষে সন্ধ্যার আগ থেকে শুরু হতো কয়েক ঘন্টার জন্য টেনিস। রাতের খাবার খেয়ে টিভিতে ইউরোপিয়ান ফুটবল আর তা না হলে সদ্য ডাউনলোড করা কোন টিভি সিরিজ দেখতে দেখতে ঘুমানো। ব্যতিক্রম হিসেবে মাঝে মাঝে অন্যদের সাথে ইন্টারন্যাশনাল ব্রিজ খেলতে বসা।

বিস্তারিত»

গ্রিসের সাত প্রাজ্ঞ ব্যক্তি

গ্রিসের সাত প্রাজ্ঞ ব্যক্তি (Seven Sages of Greece)
———————————– ড. রমিত আজাদ (Dr. Ramit Azad)

গ্রিসের সাত প্রাজ্ঞ ব্যক্তি (Greek: οἱ ἑπτὰ σοφοί, hoi hepta sophoi; c. 620 – 550 BC) খ্রীষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে গ্রিসের সাতজন প্রাজ্ঞ-কে এই উপাধী দেয়া হয়েছিলো। তাদের কেউ ছিলেন দার্শনিক, কেউ রাষ্ট্রনায়ক আবার কেউ ছিলেন আইন-প্রণেতা। স্ব স্ব ক্ষেত্রে প্রজ্ঞা প্রদর্শন করার জন্য তাঁরা এই খেতাব পেয়েছিলেন।

বিস্তারিত»

রহস্যময় সংখ্যা পাই (π )

রহস্যময় সংখ্যা পাই (π )
(The Mystery of π )
—————- ড. রমিত আজাদ (Dr. Ramit Azad)

কয়েকদিন আগে পালিত হয়ে গেলো ‘পাই দিবস’। পাই-এর বহুল প্রচলিত মান যেহেতু ৩.১৪ তাই প্রতি বছর বছরের তৃতীয় মাস মার্চের ১৪ তম দিনটিকে পাই দিবস ধরা হয়। আমার জীবনে (সেই স্কুল জীবনে) প্রথম যখন পাই শব্দটি শুনলাম তখান আমাকে বলা হয়েছিলো যে পাই (π) একটি ধ্রুবক যার মান ৩.১৪।

বিস্তারিত»

অভিজিৎ

এ সমাজে ঠাঁই নেই
নানা মত, যুক্তির
অভিজিৎ তবু পথ
খুঁজেছিলো মুক্তির।

চেয়েছিলো বাঙালিকে
জোর করে জাগাতে
প্রতিদান পেল তার
চাপাতির আঘাতে।

বিস্তারিত»

স্কেচ খাতা

মানুষ নিংড়ানো এই শহরে 

সপ্নেরা অহরহ আঁতাত করে

তেল-নুন, চাল-ডালের সাথে

 

স্কেচ খাতাটা আমার খুব শখের। লাল মলাট বাধানো, ওপরে পোড়া মাটির বোতামে চে’র মুখ……

ঝেড়ে মুছে রাখি, দাগ দিতে বাধে। আমার মাস্টার পিস কোন কবিতা কিংবা কোন কাল উত্তীর্ন প্রজেক্টের স্কেচ থাকবে খাতায় … দিনের পর দিন অপেক্ষায় থাকি কবে সেই দিন আসবে …

বিস্তারিত»

অডিও ব্লগঃ কাজল কালো চোখের তারায়

নিলয় তখন ঢাকার বাইরের কোন একটা ক্যান্টনমেন্টে যোগ দিয়েছে সবে। পরিবার পরিজন ছেড়ে একা একা থাকে বেচারা। দিনভর লেফট রাইট আর রাষ্ট্রীয় সব কাজের মাঝে ডুবে থাকতে হয় তাকে। অবসর বলতে যা পায় সেটুকু সে গান নিয়েই থাকে। ভোরবেলা পিটি করে ও মনে মনে গান গাইতে গাইতে। গিটারও বাজায় নাকি তখন ওই মনে মনেই! আমরা যেমন ছোটবেলায় ‘মনে মনে কলা খাও’ খেলতাম, ঠিক ওই রকমই ব্যাপার স্যাপার আর কি!

বিস্তারিত»

তোমার জন্য কখনো কখনো

পাঠচক্রে তোমার বাবার সঙ্গে জাতীয় বিপ্লবের স্তর নির্ধারনী তর্কটা ছিল দুর্বোধ্য । আরো দুর্বোধ্য ছিল গ্লাসনস্ট আর পেরস্ত্রইকা নিয়ে সেই বিখ্যাত আলাপ……… কিন্তু তখন সবচাইতে দুর্বোধ্য ছিল তোমার চোখ। জল টলটলে অতল…

অথচ কমরেড মেননের উপসংহারের মতই স্বচ্ছ ছিল তোমার হাসি। একটা স্বস্তি নিয়ে বাসায় ফিরে যেতাম। অপেক্ষায় থাকতে থাকা আরো একটা সকালের, সকাল গড়িয়ে দুপুর পেরিয়ে বিকালের … তোমার বারান্দায় বসে আবারও লেনিন আর মাও অথবা চে।

বিস্তারিত»

আমি ক্ষমাপ্রার্থী, আমি লজ্জিত

অভিজিত রায় কে হত্যা করা হলো।
এই বাঙলায় আঘাত হানা হয়েছে শামসুর রাহমান এর উপর, হুমায়ুন আজাদ এর উপর, সৈয়দ শামসুল হক এর উপর, হাসান ইমাম এর উপর। দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন হাউদ হায়দার, তসলিমা নাসরিন। হত্যা করা হয়েছে রাজিব হায়দার (থাবা বাবা) কে, হত্যা করা হলো অভিজিত রায়কে।

কেনো জানি না শওকত আলীর প্রদোষে প্রাকৃতজন উপন্যাস এর কথা মনে পড়ে গেলো,

বিস্তারিত»

পাকিস্তান – ভারত ভাবনা

আমাদের এলাকায় একটা প্রবাদ আছে – “যে পাতে খায়, সেই পাতে হাঁে *” পাকিস্তান নামের দেশটা দেখলে আমার কেন জানি এই প্রবাদ টার কথা মনে পড়ে। কেন মনে পড়ে? সে প্রসঙ্গে পরে আসি। তার আগে একটা confession খুব জরুরী।

সেটা ১৯৯৩ -৯৯ সময়ের ঘটনা। আমি পাকিস্তান ক্রিকেট দলের বিরাট ভক্ত। সাঈদ আনোয়ার এর লেগ এ ফ্লিক করা দেখলে মাথা নষ্ট হয়ে যেতো। আমার এখনো মনে আছে ১৯৪ রান করে আউট হবার পর আমার সেকি কষ্ট!

বিস্তারিত»

আত্মহননঃ আমার অভিমত – প্রেক্ষাপটঃ ক্যাডেট কলেজ কম্যুনিটি

আত্মহননঃ আমার অভিমত – প্রেক্ষাপটঃ ক্যাডেট কলেজ কম্যুনিটি

[আমার এই লেখাটা কোন ভাবেই কোন সিস্টেম বা ব্যাক্তিকে দায়ী বা কটাক্ষ করে লেখা নয়। বরং গত কয়েক বছর ধরে বেশ কিছু ঘটনার কারনে মনের মাঝে জমে থাকা অনেকগুলো বিষয়কে রিলেট করে একটা সমাধানের আশায় লেখার একটা প্রয়াস মাত্র। আমি নিজে একজন ক্যাডেট বলেই হয়তো বিষয়টা নিয়ে আমি ক্যাডেট কলেজ কম্যুনিটির প্রেক্ষাপটে লিখছি। কিন্তু আসলে এটা সর্বক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

বিস্তারিত»