একজন মাশরাফি

সবাই বলে মাশরাফি নাকি একটাই হয়। আমি বলব একটু ভিন্ন কথা।দেশে মাশরাফি অনেক। প্রতি বছরই ৬০০ মাশরাফির জন্ম হয়। সাতটা সার্জারি নিয়ে দেশে জন্য দৌড়ানো।। সহজ কিছু না।। তবে এসব ভাবতে গেলে আমার চোখে ভাসে সেই বালকের চেহারা। ১৬ বছরের সেই বালক।মাত্র গত বছরই লিগামেন্টের অপারেশন করানো সে বালক যখন হাটুতে এংলেট  পরে প্রস্তুত হাউসের জন্য ১০০ মিটার স্প্রিন্ট দিতে। কিংবা গত দুইদিন যাবত খুড়িয়ে হাটতে থাকা সে বালক যে আজ বিকালে ফুটবল মাঠে নামবে হাউসের জন্য গোল দিতে।কিংবা ইন্টার হাউস ভলিবল কম্পিটিশন চলাকালীন সময়ে  হাসপাতালের বেডে কাতরাতে থাকা সে বালক যখন হাউসমেটদের আশ্বস্ত করে “আরে চিন্তা করিস না।।

বিস্তারিত»

বিরহ ব্যথা

যে কোকিল ভালোবাসার গান গায়,
তারও কন্ঠের নীচে কিছু দুঃখ চাপা পড়ে যায়।
উদাস দুপুরে যে ঘুঘু একটানা গেয়ে চলে বিরহের গান,
তার বিরহে কাতর হয়ে উঠে আরও কত বিরহীর প্রাণ!

তমসা নদীতীরে যে মিথুনরত হংস ঝরে যায় ব্যাধের তিরে,
কি ব্যাকুল কান্নায় ফিরে পেতে চায় হংসী তার স্তব্ধ সঙ্গীরে,
হর্ষোৎফুল্ল রমন নিমেষে পরিণত হয়ে যায় শোকের বিলাপে,

বিস্তারিত»

বাক্য সংকলন

(ফেসবুক থেকে স্বেচ্ছা নির্বাসনে আছি বেশ কিছুদিন যাবত। দুএক বাক্যের চিন্তাগুলো তাই এখন ব্লগেই প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিলাম।)

* হুইল চেয়ার চালানো একটা আর্ট। গত এক সপ্তাহে শুধুমাত্র এর ক,খ,গ,ঘ পর্যন্ত আয়ত্ব করতে পেরেছি। (কামনা করি কারো যেন এটা আয়ত্বে আনার প্রয়োজন না হয়)

* ছোট বেলায় পাঠ্যবই এ পড়ার কারনে বা অন্য যে কারনেই হোক টমাস আলভা এডিসন আমাদের কাছে খুব পরিচিত নাম কিন্তু সে তুলনায় নিকোলা টেসলা একেবারেই অপিরিচিত।

বিস্তারিত»

তিন চাকায় দুই গল্প

-এই রিকশা যাবেন?
-কই যাইবেন?
-খিলগাঁও
-চলেন, ৬০ ট্যাকা।
-কী?? ৪০ টাকায় যাবেন?
– না।

রিকশাটা রেখে এগিয়ে যায় রাশেদ। আরেকটা রিকশা সামনে। রিকশাওয়ালা একটু পরপর আশেপাশে তাকাচ্ছে। খুব তাড়া আছে দেখে মনে হচ্ছে।

– খিলগাঁও যাবেন?
– যামু, খিলগাঁও কই?
– গোড়ান, কত?
– যা ভাড়া হয়, দিয়েন মামা।
– ৪০ টাকা।

বিস্তারিত»

দিনলিপিঃ গডের স্টেক

এক গেলাস জল গড়িয়ে খেতে হয় নাই দেশে অথচ এখানে জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ সবই নিজেকে করতে হয়। বাজার সরকার থেকে শোফার, রাঁধুনি থেকে কবি অথবা জেনেটর বলতে সবই আমি এই জগত সংসারে!

বড়দিনের ছুটি কাটাতে বড় আপার ফ্যামিলি আসবে আমাদের আটলান্টার বাড়ী তাই মা মেয়ের আনন্দ আর ধরে না। তারা আর আমি বসে বসে খাবারের মেন্যু বানাই। বড় আপা আমার তিন বছরের বড় হলেও আমার প্রতি তার আচার আচরণ আমার মায়ের চাইতে কোন অংশেই কম নয়।

বিস্তারিত»

বিষয় মশা

১.

মশা কেন্দ্রিক একটা বিশাল বানিজ্য আছে। মশক কুল নিধনের নানা অষুধ বিষুধের প্রচার প্রসার চলছেই। এইসব ব্রহ্মাস্ত্রের মহিমায় আপনার ঘর বাড়ি,  কি, বই এর পাতা থেকেও মশা উধাও হয়। এরসল নামক বস্তুটি আমার বিশেষ অপছন্দ। আমার ধারনা মশারা এর গন্ধে উত্তেজিত হয়- আর আমি হই অতিষ্ঠ। তবু- কিছু একটা করতে হয়- সন্ধ্যা কালে ইনাদের উৎপাত বাড়ে, ওই সময় সব দরজা জানালা বন্ধ করে শাস্ত্র মতে এরসল ছিটাই।

বিস্তারিত»

জীবন যখন যেমন

মাসতিনেক আগ পর্যন্ত সাময়িক বিরতি বাদে বিবাহিত ব্যাচেলর জীবন পার করছিলাম। দুপুর দুটো থেকে আড়াইটার মধ্যে অফিস শেষ করে চারটার ভিতরে মাঠে, ফুটবল বা ক্রিকেট খেলা শেষে সন্ধ্যার আগ থেকে শুরু হতো কয়েক ঘন্টার জন্য টেনিস। রাতের খাবার খেয়ে টিভিতে ইউরোপিয়ান ফুটবল আর তা না হলে সদ্য ডাউনলোড করা কোন টিভি সিরিজ দেখতে দেখতে ঘুমানো। ব্যতিক্রম হিসেবে মাঝে মাঝে অন্যদের সাথে ইন্টারন্যাশনাল ব্রিজ খেলতে বসা।

বিস্তারিত»

গ্রিসের সাত প্রাজ্ঞ ব্যক্তি

গ্রিসের সাত প্রাজ্ঞ ব্যক্তি (Seven Sages of Greece)
———————————– ড. রমিত আজাদ (Dr. Ramit Azad)

গ্রিসের সাত প্রাজ্ঞ ব্যক্তি (Greek: οἱ ἑπτὰ σοφοί, hoi hepta sophoi; c. 620 – 550 BC) খ্রীষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে গ্রিসের সাতজন প্রাজ্ঞ-কে এই উপাধী দেয়া হয়েছিলো। তাদের কেউ ছিলেন দার্শনিক, কেউ রাষ্ট্রনায়ক আবার কেউ ছিলেন আইন-প্রণেতা। স্ব স্ব ক্ষেত্রে প্রজ্ঞা প্রদর্শন করার জন্য তাঁরা এই খেতাব পেয়েছিলেন।

বিস্তারিত»

রহস্যময় সংখ্যা পাই (π )

রহস্যময় সংখ্যা পাই (π )
(The Mystery of π )
—————- ড. রমিত আজাদ (Dr. Ramit Azad)

কয়েকদিন আগে পালিত হয়ে গেলো ‘পাই দিবস’। পাই-এর বহুল প্রচলিত মান যেহেতু ৩.১৪ তাই প্রতি বছর বছরের তৃতীয় মাস মার্চের ১৪ তম দিনটিকে পাই দিবস ধরা হয়। আমার জীবনে (সেই স্কুল জীবনে) প্রথম যখন পাই শব্দটি শুনলাম তখান আমাকে বলা হয়েছিলো যে পাই (π) একটি ধ্রুবক যার মান ৩.১৪।

বিস্তারিত»

অভিজিৎ

এ সমাজে ঠাঁই নেই
নানা মত, যুক্তির
অভিজিৎ তবু পথ
খুঁজেছিলো মুক্তির।

চেয়েছিলো বাঙালিকে
জোর করে জাগাতে
প্রতিদান পেল তার
চাপাতির আঘাতে।

বিস্তারিত»

স্কেচ খাতা

মানুষ নিংড়ানো এই শহরে 

সপ্নেরা অহরহ আঁতাত করে

তেল-নুন, চাল-ডালের সাথে

 

স্কেচ খাতাটা আমার খুব শখের। লাল মলাট বাধানো, ওপরে পোড়া মাটির বোতামে চে’র মুখ……

ঝেড়ে মুছে রাখি, দাগ দিতে বাধে। আমার মাস্টার পিস কোন কবিতা কিংবা কোন কাল উত্তীর্ন প্রজেক্টের স্কেচ থাকবে খাতায় … দিনের পর দিন অপেক্ষায় থাকি কবে সেই দিন আসবে …

বিস্তারিত»

অডিও ব্লগঃ কাজল কালো চোখের তারায়

নিলয় তখন ঢাকার বাইরের কোন একটা ক্যান্টনমেন্টে যোগ দিয়েছে সবে। পরিবার পরিজন ছেড়ে একা একা থাকে বেচারা। দিনভর লেফট রাইট আর রাষ্ট্রীয় সব কাজের মাঝে ডুবে থাকতে হয় তাকে। অবসর বলতে যা পায় সেটুকু সে গান নিয়েই থাকে। ভোরবেলা পিটি করে ও মনে মনে গান গাইতে গাইতে। গিটারও বাজায় নাকি তখন ওই মনে মনেই! আমরা যেমন ছোটবেলায় ‘মনে মনে কলা খাও’ খেলতাম, ঠিক ওই রকমই ব্যাপার স্যাপার আর কি!

বিস্তারিত»