অণু ব্লগঃ ফার্স্ট সাইট

রুমি’স কিচেনে দু’জনের একটি টেবিলের রিজারভেশন দিয়ে রেখেছিল অভিজিৎ। পার্সিয়ান এই রেস্তোরাঁটি তার সবিশেষ পছন্দ। জিভে জল আনা সব কাবাব বানায় ওরা। রাবেয়ার সাথে আজ প্রথমবারের মতো
দেখা হবে জর্জিয়া টেকের ক্যাম্পাসে। সেখান থেকে দু’জনে মিলে দুপুরবেলা ভেড়ার কাবাব আর জাফরানী ভাত খেতে যাবে রুমি’স কিচেনে। আজকের দিনের প্ল্যান বলতে আপাততঃ এটুকুই। রাবেয়া সদয় হলে অবশ্য ঘুরতে ঘুরতে ইন্ডিয়ান পাড়ায় মাসালা টি খাওয়া যেতে পারে বিকেলে। ছোটবেলায় মা ঘন দুধে তেজপাতা, দারুচিনি আর আদা কুচি সহযোগে এই চা বানাতেন। দার্জিলিং চায়ের সেই রহস্যময় সুগন্ধি আজো অভিজিতের স্মৃতিতে অমলিন!
সক্কালবেলা ঘুম থেকে উঠেই চান টান সেরে চুলে জেল মেখে দিব্বি ফুলবাবুটি সেজে নিয়েছে অভি। সাজ পোশাক বলতে নেভি ব্লু টিশার্টের সাথে রঙচটা জিন্স পরেছে সে। আর ক্লাইভ ক্রিশ্চিয়ান নাম্বার ওয়ান মেখেছে বাড়ী থেকে বেরুবার মুহূর্তে। অনেকদিন পর আজ তার ফুরফুরে লাগছে মন। আনন্দের আতিশয্যে একখানি হিন্দী গানের সুর ভাঁজতে চেষ্টা করলো নিজের অজান্তে, কিন্তু সারে জাহা সে আচ্ছা’ ছাড়া অন্য কোন গান সে জানে বলে মনে হলো না। সে যাক, আজ না হয় হিন্দুস্তান হামারা’ই গাইবে সে। আজ রাবেয়ার সাথে তার দেখা হবে, আজ সব কিছু করা যেতে পারে।
অনেক ভাবাভাবির পর ফুলের দোকান থেকে একটা ইংলিশ গার্ডেন বুকে কিনে এনেছে অভিজিৎ। লাল গোলাপ কিনবো কিনবো করেও কিনতে সাহস হয়না তার। হার্ট আঁকা একটা হলমার্কের কার্ডও নিল। কত কী কবিতার চরণ মাথায় আসছে তার অথচ কোনটাই মনে ধরছে না। অবশেষে অনেক কাটাকুটি খেলে শুধু লিখলো, ডিয়ার মেমসাহেব, মাই হার্টস্ট্রিংস আর ইউরস টু পুল অন! আচ্ছা, নীচে কি আই লাভ ইউ’ ও লিখে দিবে নাকি একটু কায়দা করে? নাহ, এটা লেখা ঠিক হবে না। শ্রীমতী রাবেয়া বাসরী মাঝেমধ্যে কী শীতল চোখেই না তাকায় ওর দিকে!
ঘড়ির কাঁটায় দেড়টা বাজতেই উঁচু হিলে ছন্দ তুলে ও’কীফে মেইন বিল্ডিঙের সামনে হাজির হল রাবেয়া। মেয়েরা কি জানে যে তাদের এই জুতোর সঙ্গীতে বহু ছেলের হৃদকম্পন থেমে যায়? হাঁটু অব্দি কালো ক্যাপ্রির সাথে পল্কাডট টপ পরেছে আজ রাবেয়া। বাঁ হাতের মধ্যমায় কিউবিক জিরকনিয়ার বড়সড় একখানি রিং ছাড়া অন্য কোন গহনা নাই তার শরীরে। তার পিঠ অব্দি লম্বা চুল মৃদু বাতাসে উড়ছে। আজ নিজের সাথে অনেক যুদ্ধ বিগ্রহ করে ডমর্ থেকে বেরিয়েছে রাবেয়া। বাবা মায়ের একমাত্র কন্যারা স্বর্গে যাবার আগেও বার কয়েক ভাবতে বসে যাওয়াটা আদৌ ঠিক হবেতো? মায়ের মুখখানা মনে পড়ে রাবেয়ার। নাহ! এতো ভাবলে আজ আর অভিজিতের সাথে দেখা হবে না যে! অতএব বেড়িয়ে পরাটাই মঙ্গল!!

২,০৭৪ বার দেখা হয়েছে

৪১ টি মন্তব্য : “অণু ব্লগঃ ফার্স্ট সাইট”

  1. সামিউল(২০০৪-১০)

    লেখা পড়ে মনে হচ্ছে-
    শেষ হইয়াও হইলো না শেষ।

    শেষ করবেন না আপা???
    নতুন কারো সাথে দেখা করার আগে ঠিক এরকমই অনুভূতি হয়।


    ... কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালবাসে!

    জবাব দিন
  2. পারভেজ (৭৮-৮৪)

    বাহ!
    যার জীবনের গল্পটা এইরকম হয়, তাঁর অনেক অনেক শুভ কামনার দরকার পরে।
    আমি দুহাত খুলে তা দিলাম অভিজিৎ আর রাবেয়ার জন্য।
    সেই রাবেয়া যদি আমার কন্যা হয়, তবুও.........


    Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

    জবাব দিন
  3. To the distinguished moderators of this blog, I would like to convey my apologies for writing in English. While it takes me awhile to read bengali, I can comprehend most of it. But I am unable to express my thoughts on paper in this beautiful language. Thusly, my response is in english.

    Madam Sabina,
    Another gem of a write up. Your vignette feels like a painting with light brushstrokes of colorful words. Well written indeed and it keeps me for wondering as to what will happened next.

    The first meeting takes place at Georgia Tech, the institute at the vanguard of technology and engineering, alludes to the fact that you are about to architect and engineer a love story that is bold and new. Abhijit is still unsure of himself. He has showered, gelled his hair and has applied expensive cologne imported from Europe. The question is, is he a lamb, preparing himself to be sacrificed? Or is he going to roar like a lion? He has even declared on his card,
    “My heartstrings are yours to pull on.”

    He is ready to offer up his love on a platter. He is neurotic from love, or the lack of it. Abhijit is a mama’s boy, as he imagines how his mother made tea, as he is about to walk out and meet the woman of his dreams, Rabya.

    Rabya is an epitome of confidence. Showing up in her high stiletto heels. She instinctively knows how men miss a heartbeat when a woman walks and dresses in a certain way. Does Rabya care about Abhijit? Or is her feelings are as fake as the large cubic zirconium diamond ring on her finger? Rabya has an air of hubris, as she walks down the road with her beautiful dark hair blowing in the gentle wind. She spared only a second to decide if she was going to go and meet Abhijit or not, but she has no time for paralysis by excessive analysis. She is triumphant even before the battle starts.

    Your Rabya seems to tell us,
    "I am the stirring in your belly which knows exactly what you are capable of — and that it’s time the world found out.
    I am the fire within which will not be contained any longer.
    I am the quickening, I am the serpent uncoiling."

    So what’s next Madam Sabina? Will Rabya grind under her stiletto heeled foot the love and dignity of the proletariat bengali Abhijit? Or will Abhijit rise to the occasion and tame this femme fatale with his love?

    Atlanta, Georgia, USA

    জবাব দিন
    • সাবিনা চৌধুরী (৮৩-৮৮)

      এ যে দেখছি বারো হাত কাঁকুড়ের তের হাত বীচি, মিস্টার পাপ্পু! ছোটবেলায় লেখা ভাব সম্প্রসারণের কথা মনে পড়ে গেল যে আবার!

      প্রথমেই ধন্যবাদ আমার এই এলেবেলে লেখাটি পড়বার জন্য। লেখার চরিত্র বিশ্লেষণে লেখকের চাইতে আপনার মত পাঠকই অধিক সময় ব্যয় করেছে প্রতীয়মান হচ্ছে! চমৎকার পর্যালোচনা করেছেন এটা মানতেই হবে!

      অভিজিৎকে যতটা পলকা বলে মনে হচ্ছে আপাতত ততোটা কিন্তু না'ও হতে পারে আগেই বলে রাখি। ডঃ হুমায়ুন আজাদ তাঁর প্রবচন গুচ্ছে বলেছেন, 'মানুষ প্রশংসা করে সিংহের, ভালবাসে গাধাকে, আর সেজে থাকে ছাগল'। চারপাশে লুকিয়ে থাকা ছাগদল, শূয়র আর সারমেয় শাবকদের মাঝে হঠাৎ আলোর ঝলকানির মত লেখকের কিন্তু সিংহ অথবা বাঘের গর্জন শুনতে ভালোই লাগে!

      আর অভিজিতের প্রেমের কথা বলছেন? কার্ডের লেখা পড়ে বিভ্রান্ত হবেন না মোটে, ওসব অনেকেই লেখে!! আপাতঃ অস্থিরচিত্ত অভিজিৎ পরে তার আসল রূপে আবির্ভূত হলেও হতেও পারে কিন্তু! লেখক চির আশাবাদী মানুষ, ঐ যে গান আছে না 'আশা নিয়ে ঘর করি, আশায় পকেট ভরি'!

      জবাব দিন
      • Well said Madam Sabina. I do hope Abhijit is not masquerading as a goat. For, if one stays in character for too long, they forget their true self. I do hope at some point Abhijit truly displays his heart of a lion. I do hope he keeps the faith in himself, fights the good fight, and finishes the race. As iron sharpens iron, man sharpens man. I hope the same holds true for both Rabya and Abhijit.

        For the couple, one hand there is love, on the other, the seedy underbelly of our so called society and religious strife. The bystanders are quick to point, quick to pontificate as to what is allowed and what is not. The hypocrisy of the whispers, the holier than thou self righteousness, greedily waiting for love to fail, drooling and salivating at the lips like wild savage dogs, will not be able to pull this couple apart if they truly love one another. Society be damned. Religion be damned. It takes a lot of guts to achieve glory when all around them the armies of darkness cry havoc, and let loose the dogs of war.

        Of course, I want Abhijit to shine and punch through his fears and hesitation. In the end people remember you by how you lived, and not how you died. Even though that death may come from the hands of knife welding cowards, living in the shadows, fueled by dogma and religious fervor.

        Atlanta, Georgia, USA

        জবাব দিন
  4. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    দুই ভিন্ন ধর্মে বিয়ে তে কি সুখ আসে???
    ভাববার মত বিসশয় বইকি।
    ইসলাম মেয়েদের ভিন্ন ধর্মে বিয়ে করার স্বাধীনতা দেয় না।
    ছেলেদের দেয় তাও আব্রাহামিক দের করা যাবে।
    সুতরাং ধর্ম চেঞ্জ না করে মুসলিম ছেলে হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, পারসিক ও অন্য ধর্মের মেয়েদের বিয়ে করতে পারবে না।

    আর বিয়েতো শুধুমাত্র দুজনের নয় এর সাথে দুজনের পরিবার ইত্যাদি জড়িত।

    দুয়েকটি সফল উদাহরণ যে নেই তা বলছি না, কিন্তু সেটা দিয়ে তো পুরো চিত্র বোঝা যায় না।
    এছাড়া বিয়ের পরে মেয়েরা যেভাবে স্বামী র সারনেম নিচ্ছে তা আমার কাছে আতংকের বিষয়।
    মনে হতে পারে কুতর্ক, কিন্তু কোন স্বামী তো ভালোবেসে স্ত্রীর সারনেম নেয় না।


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
    • সাবিনা চৌধুরী (৮৩-৮৮)

      তোমার প্রশ্নের উত্তরে পালটা প্রশ্ন করি রাজীব, একই ধর্মের বিয়েতে কি খুব সুখ হয়রে?

      আমাদের অভিজিৎ আর রাবেয়া পশ্চিমে বসবাস করেন। অভিজিতের ক্লাইভ ক্রিশ্চিয়ান নাম্বার ওয়ান কি কিছুই জানান দিচ্ছে না? পূর্বে ধর্ম বড়ই প্রকট, মাঝে মাঝে জীবনের চাইতেও বড়। পশ্চিম বড়ই উদারগো! এখানেও ফিসফিস চলে আমি জানি, তবে সেটা কান ছেড়ে কল্লাতে যায় না, এই যা!

      ব্যাক্তিগত ধর্মীয় বিশ্বাসের আড়ালে আমাদের মানব ধর্ম জেনো চাপা পরে না যায়, এটুকুই প্রত্যাশা কেবল! জয় মানুষ!

      জবাব দিন
      • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

        উদারতা সেই অর্থে সব জায়গাতেই আছে।
        কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভিন্ন ধর্মে বিয়ে করলে টেকার হার খুব কম। যাও বা টেকে সেসব বিদেশে সেটল করলে।

        কিন্তু পরিবার পরিজন?
        মোটা দাগে সমস্যা থেকেই যায়।
        সন্তান কোন ধর্ম পালন করবে???

        আমার কথাই বলি।
        আমি নিধার্মিক।
        আমার বউ মুসলিম।
        এখন আমার সন্তানরা কোনটা ফলো করবে?
        তারা নাস্তিক হবে না মুসলমান?

        বই এ উপন্যাসে হ্যাপী এন্ডিং দেখানো যায় কিন্তু বাস্তব কি অতোটা সহজ!

        আমার পরিচিত এক হিন্দু ছেলে আছে, বউ মুসলিম।
        ছেলে এখনো মন্দিরে দৌড়ায়।


        এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

        জবাব দিন
        • সাবিনা চৌধুরী (৮৩-৮৮)

          পোলার মন্দিরে দৌড়ানোতে আমিতো কোন অসুবিধে দেখিনা, রাজীব! বউটি যদি মসজিদে ছুটোছুটি করে সকাল বিকেল তবে বেচারা ছেলের দোষ কি বলো?

          বাস্তব যে বড় কঠিন এই কথা তো মানতেই হবে! বইপত্তরে অথবা বক্তিমায় সবাই বড় দার্শনিক/আঁতেল কিন্তু রিয়েল লাইফ বড়ই নিষ্ঠুর এই কথা আমি জানি।

          জবাব দিন
    • সাবিনা চৌধুরী (৮৩-৮৮)

      বিয়ের পর স্বামীর নামের লেজ ধরে পরিচিত হতে আমার আপত্তি বরাবরের, রাজীব। পশ্চিমে এটা খুব হয় দেখি। বিয়ে করেই নিজেকে মিসেস পাওয়ারস অথবা মিসেস পাগানী বলে ভাবতে এরা খুব পছন্দ করে। চটাশ মটাশ বিয়ে ভাংবার পর আবার দেখি দিব্যি তাদের মেইডেন নামে ফিরে যায়। আবারো নতুন বর পেলে নতুন ভাবে মিসেস বেইলী বলে ভাবতে থাকেন তারা। আমি দেখি বাঙ্গালী মেয়েরা তাদের পিতৃপ্রদত্ত নাম খুব কমই পাল্টায়।

      জবাব দিন
      • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

        আমি রীতিমত ঘৃণা করি।

        আপনি যা দেখছেন তার কতটা সঠিক আমার ডাউট আছে।

        একটা সময় মহিলা দের বলতে শুনতাম, আমার সাহেব।

        হয়তো যাদের মনে করছেন স্বামীর সারনেম নেয় নি তাদের পাসপোর্ট হয়ত ভিন্ন কথা বলছে।

        এর মধ্যে কে জানি বলল, এক ক্যাডেট ই, পাসপোর্ট এ কি করে বউ এর সারনেম চেঞ্জ করে তার নাম বসাবে।
        বউ নাকি ভালোবেসে স্বামীর নাম যোগ করতে চায়।

        ভালুবাসার জয় হউক।


        এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

        জবাব দিন
        • সাবিনা চৌধুরী (৮৩-৮৮)

          আগে মেয়েরা আমার সাহেব আমার সাহেব বলে প্রাণপাত করেছে আর এখনকার মেয়েরা বলে 'আমার জামাই'। পার্থক্য শুধু এই। অবস্থার যে বিশেষ পরিবর্তন ঘটেছে তা কিন্তু মনে হয়না। পাসপোর্টে কি আছে আমি জানি না সত্যি তবে কম মেয়েকেই দেখেছি
          নাম বদলাতে এখানে।

          জবাব দিন
  5. মোকাব্বির (৯৮-০৪)

    যদি আশ্বস্ত করেন আরো কয়েকটি পর্ব আসছে তাহলে চুপচাপ পড়ে যাব। মাথা চুলকে যাচ্ছি! 😕

    আপাতত অনুভূতিঃ "কি হচ্ছেটা কি শুনি?"


    \\\তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা
    অবুঝ শিশু হামাগুড়ি দিল পিতামাতার লাশের ওপর।\\\

    জবাব দিন
  6. Runa Shabnam (83-89)

    খুব ইংরেজীতেই লিখতে মন চাইছে, " Rabeya, the Golden chance is yours.... Just pull the heartstrings... You! Only you are the artist " ....... =)) :)) 😀


    মানুষ এমনতয়, একবার পাইবার পর
    নিতান্তই মাটির মনে হয় তার সোনার মোহর.........

    জবাব দিন
  7. সাবিনা চৌধুরী (৮৩-৮৮)

    :boss: :boss:

    আমি নিজেই অপেক্ষা করছিলাম অভিজিৎ আর রাবেয়ার জন্য, জানেন দাদা! লিখেও ফেললাম সত্যি! ব্লগ এডু আবার নিয়ম রীতির মারপ্যাঁচে না আটকে দেয় ওদের। ব্লগ এডু আবার নিয়ম রীতির মারপ্যাঁচে না আটকে দেয় ওদের।

    জবাব দিন
  8. খায়রুল আহসান (৬৭-৭৩)

    "ডিয়ার মেমসাহেব, মাই হার্টস্ট্রিংস আর ইউরস টু পুল অন! আচ্ছা, নীচে কি আই লাভ ইউ’ ও লিখে দিবে নাকি একটু কায়দা করে?"
    এ দুটো বাক্যে পুরো লেখাটায় একটা আলাদা মাত্রা যোগ হয়েছে।

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।