ঘড়িতে রাত ১টা বাজে। আর আমার চোখে তখন কেবল সূর্য ডুবুডুবু করছে। রাত জাগাটা আমার বরাবরেরই অভ্যাস। ফজরের আযান না শুনলে ঘুম আসেনা। আজ কি জানি হল মাথায় একটা ভূত চাপল। খুব ইচ্ছা করছিল ওকে একটা মেসেজ পাঠাই। প্রায় ২ বছর হল কোন কথা বলি না। সেই ক্লাশ এইট এ ওকে প্রপোজ করেছিলাম। তারপর SSC ভ্যাকেশনে কিছুটা কথা হয়। কথা খুব বেশি না হলেও ওকে আমি কখনও ভুলতে পারিনি।
বিস্তারিত»প্রেরণা
( কৈশোরের এক্সপেরিমেন্ট আবার নতুন করে করায় বেশ হালকা মেজাজের একটা ফলাফল দাঁড়ালো )
১. মরীচিকা…
মনের গোপন কোঠরে রাখা
রীবনে বাঁধা ইচ্ছেগুলো
চিৎকার করে বেরিয়ে আসে –
কালকের জমা কান্নাগুলোয়।
২. (কিন্তু) আঁধার,
আলোর জন্য আলোর খোঁজে
ধাবমান এক কালের মত –
রজনীও গিয়ে প্রভাতে মেশে।
বিস্তারিত»
আল্পসের চূড়ায়

ইউরোপের দিনগুলি দ্রুত ফুরিয়ে আসছিল। জার্মানিতে এসেছি SCHENGENERS STAATEN ভিসা নিয়ে। কাজেই দেশ ভ্রমণের অবারিত সুযোগ। ভাড়াও তেমন কিছু নয়। ইউরো ট্রেনে ফ্রান্স, ইটালি, বেলজিয়াম, অস্ট্রিয়া ঘুরে আসা যায়। কিন্তু যাই যাই করে কোথাও যাওয়া হয়নি। অভিজ্ঞতা বলতে মিউনিখের গোটা দশেক জাদুঘর, ইংলিশ পার্ক, বিপণী কেন্দ্র, Olympia Zentrum আর U Bahn (পাতাল রেল)। সময়টা এমন যে রাস্তায় বেরুনো কঠিন। দিনের পর দিন ডিমের খোসার মত আকাশ,
বিস্তারিত»পাঠপ্রচেষ্টা – নূরলদীনের সারাজীবন (প্রস্তাবনা)
আজকে এ এক দুঃসাহস দেখাতে সাধ হল। ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ এর প্রস্তাবনা পাঠ করবার। আবেগসর্বস্বতা দিয়ে শীল্পোত্তীর্ণ পাঠ করা সম্ভব নয় — পাঠকে শিল্পে পরিণত করার স্পর্ধা কখনো কখনো হয় কিন্তু ওই পর্যন্তই। অনেক যত্ন আর অনুশীলন দিয়ে একটি পাঠকে নির্মাণ করবো সে-পরিমাণ সাধনা তো করিনি। তবু – গেল কুড়ি পঁচিশ বছরে যতবার যতকণ্ঠে শুনেছি তারই যেন অক্ষম পুনরাবৃত্তি এ পাঠ। মনে পড়ছে চট্টগ্রামের ‘বোধন আবৃত্তি সংস্থা’-র অনুষ্ঠানগুলোর কথা।
বিস্তারিত»ভালোবাসার গান
হাইসা হাইসা আইসা তুমি আমার ভাঙ্গা নায়ে,
বইলা পাশে হাইসা হাইসা কুনুদিক না তাকায়ে।
ভাইবা আকুল তার লাইগ্যা কি দিবাম তোমারে,
আসমান পানে চাইয়া রইলাম, ডাকলাম আল্লারে,
আল্লাহ কইলো দিয়া দিতে আমার কইলজাডারে!
নায়ের তলায় ফুডা একটা ছিল বডডো মস্ত,
তুমি আইসা নায়ে বইসা দিয়া তোমার হস্ত,
চাইপা ধরলা ফুডাটারে শাড়ীর আঁচল দিয়া,
মুক্তমনে বাইলাম আমি বাউল গান গাইয়া।
তোমার কথা
তোমার কথা মাঝে মাঝে মনে হয়,
সেই যে অনেক দূর হেটে গিয়ে ফিরে এলে
কিংবা হলদে পাখির পালক ঝরানো দেখলে অপলক
জানলেও না হয়ত আমি ভালসতাম
অন্য কিছু
হতে পারে তোমার চোখের কাজল…………
এটা ফেবুতে আগে পোস্টেড
বিস্তারিত»চুয়াল্লিশ বছর পরও
বছর দুয়েক আগের কথা । স্বাত্তিক স্কুল থেকে মুখ কালো করে বাসায় ফিরল। আমি কিছু জিজ্ঞাসা করার আগেই বলল, “পাপা, মালাউন মানে কি? এটা কি একটা খারাপ কথা?” মনের কোনায় ছিয়াত্তর বা সাতাত্তর সালের একটা ঘটনা মনে আসলো, অনেকটা ওয়ার্নিং বেলের মত। আমি স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে মা’কে একই প্রশ্ন করলাম। কিন্তু শব্দটা ছিল ভিন্ন।
মা সেই শব্দটা না জানার ভান করে ব্যপারটা চেপে গেলেন।
বিস্তারিত»অজুহাত
বড্ড রাগ হয় আমার,
বারেবারেই ; আচমকা নয় ।
আর কেন হবেনা ?
এত নিষেধ করি, এত বারণ,
কিন্তু কে শোনে কার কথা ?
যখন ইচ্ছে আসা , যখন ইচ্ছে যাওয়া,
যখন ইচ্ছে আমার সাথে লুকোচুরি খেলা ।
আর শাসন করার পালা আসলেই –
দু’গাল ফুলিয়ে রাজ্যের মায়া নিয়ে অপলক চেয়ে থাকা।
সে দৃষ্টি বড় বাজে –
১৯৭১ বাঙলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধ
০১।
১৯৬৯ এর গন অভ্যুথ্বানের এই শিশুটি (টোকাই বা পথশিশু) একটি মিছিলের সর্বাগ্রে । ছবি রশিদ তালুকদার – অটোগ্রাফ এবিপি
মা-মাটি-মানুষ
উনিশ’শ একাত্তর: এক শিশুর স্মৃতিচারনা
পচিশে মার্চের স্মৃতিচারনা করতে গিয়ে পাঠকের আগ্রহ দেখলাম শিশুর স্মৃতিচারনা শোনার।
এখানে সেরকম দুটো স্মৃতিচারনা সন্নিবেশিত করে দিচ্ছি।
এগুলো একসময় ফেবু-স্ট্যাটাস আকারে দিয়েছিলাম। ব্লগাকারে দিচ্ছি কারন তা অনেক বেশী সার্চ ও পাঠ-বান্ধব।
প্রথমটি – যা ২৩শে মে ২০১৩ তে লিখা (কিছুটা এডিট করে দিচ্ছি):
==============================
আজ সেই ২৩শে মে। একাত্তরের এইদিনে আমাদের গ্রামে একটি গনহত্যা হয়েছিল। আমরা তখন গ্রামের বাড়িতেই ছিলাম।
৭১-এ না লেখা চিঠি
কইছিলা, বেলা ডুবনের সময় আমারে দেখা দিবা,
রাঙ্গা নদীর পাড়ে, কলসী নিয়া ছিলাম আমি সেদিন।
তোমার নায়ের আশায়;
তারপরের দিন, তারও পরের দিন।
তুমি আসো নাই।
বিস্তারিত»পচিশে মার্চের টুকরো স্মৃতি
একাত্তর সালের ২৫শে মার্চ রাতে ডিনার করে অন্য আর দশটা দিনের মতোই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। হঠাৎ কি একটা হৈ চৈ-এ জেগে উঠি। দেখলাম সাংঘাতিক কিছু একটা ঘটে যাচ্ছে। আমরা তখন আগামসিহ লেনে থাকি। আমাদের বাসার সব বাতি নিভিয়ে মাটিতে শুয়ে পড়ি। উত্তর দিক, যে দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সেদিক থেকে ঘন ঘন গোলাগুলির শব্দ আসছিল। ঐ অবস্থায় কতক্ষন ছিলাম মনে নেই। হঠাৎ শুনলাম আগুন আগুন। দক্ষিন দিক,
বিস্তারিত»অজানা অদেখা কোন এক নাজমা বেগম এর সমাধিতে…

২০১৩ এর এপ্রিল থেকে জুন, বেড়াতে গিয়েছিলেম মার্কিণ মুলুকে। সফরের এক পর্যায়ে পাঁচ দিনের জন্য ফ্লোরিডার নেপলসে, এক বন্ধুর (Half JCC half MCC) বাড়ীতে উঠেছিলাম তার বহুদিনের বকেয়া আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে। সেখানে থাকতেই, ২৭ মে ২০১৩ তারিখে তার এক মিসরীয় বন্ধুর অকস্মাৎ মৃত্যুর খবর আসে। দাফন হবে ‘টাম্পা বে’ এর কাছে, ‘স্কাইওয়ে মেমোরিয়াল গার্ডেন্স’ এর এক সমাধিস্থলে, শ্যামলিমায় ঘেরা নীরব প্রান্তরে।
সেটা ছিল বন্ধুর বাড়ী থেকে প্রায় ঘন্টা তিনেকের ড্রাইভ।
বিস্তারিত»ইন্টারনেট কিউটি- স্লো লরিস
পশু-পাখি, পোকা-মাকড়ের ব্যাপারে আমার সব সময় একটা আগ্রহ ছিল সেই ছোট বেলা থেকেই। কিন্তু ছোটবেলাতে আগ্রহটা ছিল একটু সাইকো টাইপ। বাসায় একটা প্রজাপতি উড়ছে, খপ করে ধরে ফেললাম আর বারান্দায় গিয়ে কেঁচি, ছুড়ি এসব দিয়ে তার উপর অপারেশান চালাতাম। এবং ব্যাপারটা নিয়ে বাসার কেউ কখনো ঝামেলা করেনাই যদিনা কার্পেট কিংবা অন্যকিছু নষ্ট না করি। হয়তোবা আম্মা ভাবতো ছেলে বড় হয়ে বিশাল ডাক্তার হবে। কিন্তু এখন আগ্রহটা সম্পূর্ণ উল্টো,
বিস্তারিত»
