ডেডবডি (পর্ব-৩)

# এই লেখাটি বাংলাদেশ হতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণকারী সকল “ব্লু হেলমেটধারী”দের জন্য উৎসর্গকৃত যাঁরা শান্তির জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগের ঝুঁকি নিয়ে জাতিসংঘের পক্ষে যুদ্ধ-বিধ্বস্ত এলাকায় দায়িত্ব পালন করেন।

৩০ মে- ১৪ জুন ২০……

    ১৬। মুকিতকে জুবা থেকে সরিয়ে অন্যত্র বদলী দেয়া হয়েছে… “তড়িত” নামক জায়গায়। নেটওয়ার্ক নেই…নিয়মিত খাবার নেই…থাকার জায়গা সুবিধার নয়…বাইরে সাপ-খোপের মাঝে বাথরুমে যেতে হয়…ঘানা ব্যাটালিয়নের সাথে থেকে মানবেতর খাওয়া-দাওয়া করতে হচ্ছে…ওর খবর হয়ে যাচ্ছে!!
    আল্লাহ্‌ আমাকে সে তুলনায় অনেক ভাল রেখেছেন…আমি তো অনেক আরামে আছি!! আমাকে জুবা-য়, আপাততঃ সেক্টর সাউথের সাথে অ্যাটাচমেন্ট-এ রাখা হয়েছে। সেক্টর কমান্ডার একজন চায়নিজ ব্রিগেডিয়ার… খুবই সদালাপী। স্যার বাংলাদেশীদেরকে খুবই পছন্দ করেন…আমাকে মনে হয় এখানেই বদলী করে রেখে দেয়ার ব্যবস্থা করবেন…আল্লাহ্‌ ভরসা!! এখন খালি ড্রাইভিং টেস্টটা ঠিক মতন পাশ করতে পারলেই হয়!!

    ১৭। এখানে অফিস পরবর্তী সময়গুলি খুব দ্রুতই কেটে যাচ্ছে… এখনও রুম পাইনি বলে ব্যানএফএমইউ-এর সদস্যদের সাথেই থাকছি, খাওয়া-দাওয়াটাও ওদের সাথেই করছি। একই সাথে নিয়মিতভাবে ড্রাইভিং প্রাকটিস করছি (ব্যানএফএমইউ সদস্যদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ…আমাকে ড্রাইভারসহ একটা পিকআপ চাওয়ামাত্র দিয়ে দিচ্ছে…সে যখনই হোক্‌ না কেন!!)… সময় করে দেশে পরিবার-পরিজন সবার সাথে নিয়মিত কথা বলছি…আড্ডাবাজি করছি…, আলহামদুলিল্লাহ্‌ বেশ ভাল আছি!! মুকিত তো নেটওয়ার্ক পেলেই বলে “হারামী…তুই প্রতি ওয়াক্তে শুকরানা নামাজ পড়বি…কত ভাল জায়গায় আছিস্‌…!!”

    ১৮। সাউথ সুদানের জুবায় ব্যানএফএমইউ ছাড়াও বাংলাদেশ আর্মির দুইটি কন্টিনজেন্ট রয়েছে। সময় সুযোগ পেলেই সেখানে ঘুরতে যাচ্ছি। আর মিশনে অবস্থানরত সামরিক বাহিনী (কন্টিনজেন্ট, স্টাফ, এমএলও) এবং পুলিশ ছাড়াও জুবায় বেশ ভাল সংখ্যায় বাংলাদেশী বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন। এই আনমিস-এর মাঝেই বেশ কয়েকজন চাকুরী করছেন… আবার বাইরেও বেশ কয়েকটি কোম্পানী…এনজিও ইত্যাদিতে চাকুরীরত…সব মিলিয়ে প্রায় ৩০/৪০ জন হবেন!! সবার মাঝে বেশ ভাল রকমের হৃদ্যতা বিদ্যমান। সবাই মিলে একসাথে বেশ কয়েকটা ইফতার পার্টিও করা হলো!! মনে হচ্ছে…মিশনটা আল্লাহ্‌র রহমতে সকলের সাথে মিলে মিশে বেশ ভালোই কাটবে!!
    এখানে শব-ই-ক্বদর এর রাত পার করলাম…আল্লাহ্‌ আমার জীবনের সমস্ত গুনাহ্‌ মাফ করে দিও…। আর, আমাকে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদানের জন্য ব্যানএফএমইউ-এর সদস্যদের সবাইকে তুমি উত্তম প্রতিদান দিও।

    ১৯। দেশের সবার জন্য মনটা একটু খারাপ…কেবলমাত্র টাকার জন্যই কি এই বয়সে মিশনে আসলাম!! পরিবার ছেড়ে সাউথ সুদানে বসে ঈদ করা লাগছে…পরিবার-পরিজন থেকে দূরে থাকতে যে আর ভাল লাগে না!! ছেলেটা তো মোটামুটি বড় হয়েছে…১৫ বছর বয়স হতে চললো… নিজের আবেগকে ঢেকে রাখার চেষ্টা করে। কিন্তু মেয়েটার বয়স মাত্র সাড়ে পাঁচ…কথায় কথায় আমার সাথে রাগ করে… “বাবা, তুমি কবে আসবে? এখনো আসো না কেন?? আমার জন্যে কি নিয়ে আসবে? মা বকেছে…ভাইয়া কথা শোনে না…চাচা ঝাড়ি দিয়েছে…” সুযোগ পেলেই সারাদিন আমার সাথে তার বকরবকর…!!

    ২০। মোটামুটি নিয়মিতভাবে বাবা-মা এবং শ্বশুড়-শ্বাশুড়ির সাথে কথা বলা আমার অভ্যাস। এখানে এসে কয়েকদিন গ্যাপ দিয়ে হলেও কথা বলে যাচ্ছি…তাঁরাও কেমন যেন একটু মন ভার করে আছেন মনে হচ্ছে…। আর, বুড়ি তো এই মিশনে আমার সিলেকশন পাওয়া থেকেই নাখোশ…। সাউথ সুদান ভাল না…নিরাপদ না…কেন আমাকে মিশনে যেতেই হবে…কেন অন্যদের সাথে (কন্টিনজেন্টের সদস্য হিসাবে) না…ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি। পরে, আমি যখন বললাম… “মণি রে, আল্লাহ্‌ যদি লিখে রাখেন যে ঘরের চিপায় আমার মৃত্যু হবে…সেইটা কি আর কেউ ঠেকাতে পারবে? শোকর করো, আল্লাহ্‌ চাহেন তো কন্টিনজেন্ট মিশনের থেকেও ভাল থাকবো…অ্যাট লিস্ট…না খেয়ে/ কম খেয়ে আমার এই বিশাল ভুড়িটা তো কমবে!!! আর, তা ছাড়া, মিশন মানেই তো রিস্ক!! যোদ্ধা আমি…তুমি যোদ্ধার স্ত্রী…ভয় পেলে চলে??”…তারপরে একটু বুড়ির বকবকানি কমেছে।
    নাহ্‌, ইনশাআল্লাহ্‌ কোরবানীর ঈদটা দেশেই করতে হবে। দেখি, মুকিতকে বলে…আমার সাথে একত্রে ছুটি যায় না কি। তাহলে আগেভাগে টিকেট করে ফেলা যাবে…খরচ সাশ্রয় হবে!!

    ১৫-১৮ জুন, ২০……

২১। ঈদ মোবারক। দেশের জন্য মনটা একটু খারাপ থাকলেও কাউকে বুঝতে দেইনি…তাছাড়া, আমার চেয়েও এখানকার লোকদের মন বেশী খারাপ আছে মনে হয়। এখানকার অনেক ব্যানএফএমইউ সদস্যদেরই এটা সাউথ সুদানের বুকে তৃতীয় ঈদ। এমনকি ওরা যেদিন এই দেশে এসে পৌঁছেছিল…সেটাও ছিলো ঈদের দিন!! সব কয়টা কন্টিনজেন্ট ঘুরে ঘুরে প্রচুর দাওয়াত খেয়েছি…আলহামদুলিল্লাহ্‌।

১৯-২৫ জুন, ২০……

    ২২। আলহামদুলিল্লাহ্‌!! একসাথে কতগুলি ভাল খবর!! প্রথমতঃ…ড্রাইভিং টেস্টে পাশ দিয়েছি বিধায় শেয়ারে গাড়ি পাওয়ার প্রসেস শুরু করেছি। ওদিকে “বুড়ী”-ও একটা প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজে “অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসার (প্যাথোলোজি)” হিসাবে চাকুরী পেয়েছে। আর, আমাকে জুবা-তেই রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে…যদিও কয়েকদিন পরে সব ফর্মালিটিজ করা হবে। কিন্তু, সবচেয়ে চমকপ্রদ ভাল খবর হলো… আমি থাকার জন্য জুবাতেই একটা রুম পেয়ে গিয়েছি!! এমএসএ (মিলিটারী স্টাফ অ্যাকোমোডেশন)-৩ এ, ব্যানএফএমইউ থেকে খুব কাছেই!! হঠাৎ করেই শ্রীলংকান এক অফিসার দেশে ফিরে যাওয়ায় আমি রুমটা পেয়ে গেলাম। নাহ্‌, ব্যানএফএমইউ-তে থাকতে আমার সমস্যা হচ্ছে না…কিন্তু নিজের একটা আবাসস্থলের আবেদনই আলাদা!! তাছাড়া, এমনিতেই ব্যানএফএমইউ-এর সদস্যরা আমার জন্য অনেক করেছেন…এবার আমার সরে আসা উচিৎ। আপাততঃ কোন রকমে আগে রুমে উঠে পড়ি…পরে গোছগাছ করা যাবে। আমাকে আবার সামনে এলডিপি (লং ডিউরেশন পেট্রল)-তে যেতে হবে… “ইয়েই” নামক জায়গায়। বেশ কয়েকদিনের জন্য যাত্রা যেহেতু…যথেষ্ট প্রিপারেশন নিতে হবে!!

    ২৩। এখন আমরা “ইয়েই” এসেছি। জায়গাটা জুবা শহর থেকে প্রায় ১৫৫-১৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে। নেপাল ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটালিয়নের সাথে আমরা এলডিপি করার দায়িত্বে এসেছি- আমার সাথে আসা আরেকজন এমএলও ভুটানিজ… মেজর “তানদিন ওয়াংমো”। ওর মিশন এলাকায় সাড়ে নয় মাস হয়ে গিয়েছে…যেখানে যাচ্ছি…সে এলাকা ওর নখদর্পণে। খুব ভাল গাড়ী চালায়…আর, যথেষ্ট আন্তরিকও। আমি ড্রাইভিং টেস্টে সদ্য পাশ করেছি বিধায় খুব বেশী চালাতে দেয় না, আর দিলেও সেটা যখন রাস্তা ফাঁকা থাকে তখন। যদিও, এই দেশের রাস্তার বর্ণনা দেয়া আর না দেয়া সমান কথা…এখানে জুবা অর্থাৎ খোদ রাজধানী শহরেই ২০ কিলোমিটার পাকা রাস্তা নেই- অন্যান্য জায়গার কথা বাদই দিলাম। মাইলের পর মাইল লাল মাটির রাস্তা…প্রচুর খানা-খন্দে ভরা, গাড়ি চালানো খুবই রিস্কি। তাছাড়া, সামান্য বৃষ্টিতেই এই রাস্তা প্রচন্ড রকমের ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে…।

    ২৪। আমরা যেখানে এসেছি, সেখানে ইউএন থেকে দেয়া মোবাইল সীমের নেটওয়ার্ক কাজ করে না…অন্য আরেকটা মোবাইল নেটওয়ার্কের সীম কাজ করে। ভাগ্যিস, আমি বুদ্ধি করে অন্য কোম্পানীটারও একটা সীম নিয়ে এসেছিলাম!! এখানে ব্যানইঞ্জিনীয়ার (কন্সট্রাকশন) আরপিএফ-এর একটা ফরওয়ার্ড ক্যাম্প আছে বলে খাওয়া-দাওয়ার কোন সমস্যাই নেই!! আর, আমি আর ভুটানের মেজরসাহেব একই রুমে উঠেছি…ঘরের মধ্যে থেকেই মোবাইল নেটওয়ার্ক পাচ্ছি… আবার নেপাল ব্যাটের টুআইসি (সেকেন্ড ইন কমান্ড) “মেজর বিষ্ণু” আমার সাথে একত্রে একবছর স্টাফ কোর্সে ছিল…কাজেই, ওদের কাছ থেকেও অ্যাডমিন সংক্রান্ত সব ধরণের সাপোর্টই পাচ্ছি, আলহামদুলিল্লাহ্‌!! মুকিত মোবাইল নেটওয়ার্কে আমাকে পেলেই খেপিয়ে যাচ্ছে… “শোন, ফাউল, তুই কিন্তু ঘন ঘন শোকরানা নামাজ পড়বি…আমি ঘানার খাইষ্টা মার্কা লোকজন নিয়ে জঙ্গলে পড়ে আছি…আর তুমি মামা মজা লুটতাছো!!”

    ২৫। এরই মাঝে মুকিতের সাথে আলোচনা করে জুবা হতে আগষ্ট মাসের ৭ তারিখ থেকে ছুটি যাওয়ার জন্য টিকেট কেটে ফেলেছি। ইনশাআল্লাহ্‌, ৭ই আগষ্ট আমরা এন্তেবে (উগান্ডা) যাবো…ওই রাত্রেই ফ্লাইট, এন্তেবে টু কাঠমুন্ডু। আর, কাঠমুন্ডু টু ঢাকা-র টিকেটটা মুকিত দেশ থেকে কাটিয়ে নিয়েছে। ফেরার টিকেট ঢাকা থেকে ২৯ আগষ্ট। ইনশাআল্লাহ্‌, ৩০ আগষ্ট আমরা এন্তেবে এবং ৩১ আগষ্ট জুবা-য় ফিরবো বলে আশা করছি। মুকিত “তড়িত” থেকে…আর, আমি “ইয়েই” থেকে জুবা-য় ফিরলে টাকা-পয়সার হিসাব-কিতাব করা যাবে…!! ওকে বলে রেখেছি…পরের ছুটিতে আমরা “ওমরাহ্‌” করে…তারপর ইনশাআল্লাহ্‌ দেশে যাবো। আর, তৃতীয়বার ছুটিতে যাওয়ার সময়ে আমরা কেনিয়ার “মাসাইমারা সাফারী পার্ক” ঘুরে যাবো!!

    ২৬। জুবা-য় আমার রুমের খুব কাছেই ইউএন-এ চাকুরীরত বাংলাদেশী দুইজন বেসামরিক ভাইয়ের বাসা…আখতারুজ্জামান ভাই জুবার ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশনে আছেন…আর ইলিয়াস ভাই আছেন ট্রেনিং-এ। এখানে একজন ব্রিগেডিয়ার (অবঃ) স্যারও আছেন…তিনি আবার “চীফ সার্ভিস ডেলিভারী”। আমার সাথে ওনাদের সবার ব্যবহার যথেষ্টই আন্তরিক। আখতারুজ্জামান ভাইয়ের সাথে আমার কাঁচাবাজার করতে যাওয়ার কথা রয়েছে…দেখি, এবার আগে জুবা-য় ফিরি…। তারপর …ইনশাআল্লাহ্‌, ব্যানএফএমইউ-তে ড্রাইভিং টেষ্ট পাশের জন্য “পাওনা হওয়া” একটা গরু… জবাই দেবো!! আমার জন্য ওরা সবাই যা করেছে, তাতে আসলে একটা নয়…কমপক্ষে দুইটা গরু “ফেলে দেয়া” বনে!!

    ২৭। গত কয়েকদিন ধরে বুড়ি ছেলেকে খুব বকা ঝকা করছে…মনে হয় ওর মেজাজটা ইদানীং বেশী খারাপ যাচ্ছে। আজকে ছেলেকে আর বুড়িকে অনেক বুঝালাম, ছেলেকে বললাম…পড়ালেখায় আরও মনোযোগী হতে। আর, বুড়িকে বললাম…আরও সহনশীল হতে!! আল্লাহ্‌র রহমতে ছেলেটা আমার মতন দুষ্টু হয়নি…মায়ের মতন লক্ষীপক্ষী হয়েছে। খালি একটাই সমস্যা…মায়ের মতনই…পড়ালেখায় অত্যন্ত ভালো…রেজাল্ট অসাধারণ হলেও…আত্মবিশ্বাস একটু কম!! ফলে, প্রচুর পড়ালেখা করেও…ভাল করার ব্যাপারে মনে সাহস পায় না!! দেশে ফিরে অন্যান্য কাজগুলির পাশাপাশি ছেলের আত্মবিশ্বাসটাও বাড়ানোর জন্য স্টেপ নিতে হবে!!

    ২৮। কাজ তো আরও অনেকই আছে…ছোট ভাইটাকে ভাল একটা জায়গায় চাকুরীতে ঢুকাতে হবে। এমন নয় যে…ওর যোগ্যতা নেই, কিন্তু কেমন যেন উছ্বাস-উদ্দীপনা-কর্মস্পৃহা…সবকিছু হারিয়ে ফেলেছে। বয়স হয়ে যাচ্ছে,ওর ফ্রেন্ড সার্কেলের সবাই এতোদিনে চাকুরী/ব্যবসায় সেট্‌ল হয়ে বিয়ে করে ফেলেছে… কেবল ও-ই কিছু করছে না (না কি করতে চাইছে না??) ওর জন্য আব্বু-আম্মুর চিন্তা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। এতোদিন তো তবুও আমি দেশে ছিলাম…সামাল দিয়েছি, কিন্তু আমি না ফেরা পর্যন্ত তো সবাই কেবল টেনশন করতেই থাকবে!!

    চলমান

    ## বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রয়াত লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোহাম্মদ আশরাফ সিদ্দিকী-এর স্মরণে যিনি সাউথ সুদানে মিলিটারী লিয়াঁজো অফিসার (এমএলও) হিসাবে শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত থাকাকালীন পেট্রোলরত অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

### বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রয়াত লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোহাম্মদ আশরাফ সিদ্দিকী সাউথ সুদানে মিলিটারী লিয়াঁজো অফিসার (এমএলও) হিসাবে শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত থাকাকালীন পেট্রোলরত অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করার (২৭ জুন ২০১৮, সময়-আনুমানিক সকাল ১০৪৫ ঘটিকা) সময়ে লেখক সাউথ সুদানস্থঃ জুবায় “ব্যানএফএমইউ” কন্টিনজেন্ট-এর সদস্য হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।

১৪৪ বার দেখা হয়েছে

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।