হাতিবেড় গ্রামে দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র কুমির প্রজনন খামার

এম. আব্দুল্লাহ আল মামুন খান :: ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা সদর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে ভাওয়াল গড়াঞ্চলের বিস্তীর্ণ শালবন পরিবেষ্টিত হাতিবেড় গ্রাম। লালমাটি আর অসমতল টিলা বনভূমি ঘেরা অপূর্ব নৈসর্গিক সৌন্দর্যমন্ডিত এ পল্লী। এক সময় এ গ্রামটি জনবসতিহীন বন্য পশু-পাখির অভয়ারণ্য ছিল। মাত্র ২০ বছরের ব্যবধানে ভালুকার বিশাল বনাঞ্চল পরিণত হয়েছে দেশের অন্যতম শিল্পাঞ্চল জনপদ হিসেবে। আর দিন বদল আর পালাবদলের পালায় এ গ্রামেই গড়ে উঠেছে বাংলাদেশ তথা দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র কুমির প্রজনন খামার।

বিস্তারিত»

গুড়াকাব্য রিলোডেড: ইহা একটি পুরুষবিদ্বেষী পোস্টের জবাব

[তাইফুর ভাইয়ের কমেন্টের সূত্র ধরেই লিখতে গিয়েছিলাম। কিন্তু বড় হয়ে যাওয়ায় পোস্ট আকারেই দিয়ে দিলাম। এটি তীব্র সাম্প্রদায়িক, নারীবিদ্বেষী এবং সংকীর্ণ পুরুষতান্ত্রিক একটি পোস্টের জবাবের জবাব। কাব্যগুলোয় আপাত দৃষ্টিতে নারীদের পক্ষ অবলম্বন করলেও কবি আড়ালে বলেছেন অন্য কথা যা সেই প্রাক্তন পোস্টকেই সাপোর্ট করে । যার নমুনা প্রতিটি কাব্যের অর্থের ভিতরেই লুক্কায়িত….এবং যাহা অতীব সত্য :grr: :grr: ]

এক.
বিকেল বেলা চটপটি
পড়ে থাকে কটকটি

[অর্থ: প্রেমিকার সঙ্গে ডেট করে আইসিডিডিআরবিতে ভর্তি ………………..]

আসল অর্থ: প্রেমিকার সাথে ডেট করাকে কবি লুজ মোশনের সাথে তুলনা করেছেন।

বিস্তারিত»

একটি দাওয়াতী পোষ্ট

ব্লগের এই দুর্দিনে আমি একটা বিশাল পোষ্ট দিতাম চাই।
” শৈবাল দিঘীরে বলে উচ্চ করি শির
লিখে রেখো দুই ফোটা দিলেম শিশির। ”
যাক আযাইরা প্যাচাল না পাইরা এইবার আসল কথায় আসি। আমি গত ৪ ফেব্রুয়ারী ২০১১ তে ছোটখাট একটা বিয়া করছিলাম। সেই বিয়াটাকে একটু টাইনা বড় করতে মঞ্চাইতাছে। অনুষ্ঠানটা করা হয় নাই। হঠাত করে ভাবলাম করেই ফেলি। যেই কথা সেই কাজ।

বিস্তারিত»

এলো্ + মেলো = এলোমেলো 0.১

অনেকদিন ধরে কিছু লিখতে ইচ্ছা করেনা, পড়তেও ইচ্ছা করে না । সারা মন জুড়ে আছে শুধু একটা ভীষন আলসেমি । আর আমার ব্যাড লাক টা খুবই খারাপ যাচ্ছে ইদানিং । গত শনিবারেই কানের পাশ দিয়ে গুলি গেল । যাচ্ছিলাম ফারজানি’র জন্মদিনে, বৃষ্টির মধ্যে হঠাৎ গাড়ির ব্রেক ফেল করল আর ধাম করে সামনের গাড়িটাকে মেরে দিলাম । পুরা ঘটনা টা হলো কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে । প্রাথমিক শকটা কাটিয়ে উঠে বের হয়ে দেখি গাড়ির বাম্পার তিন টুকরা হয়েছে আর হুডটাও গেছে ।

বিস্তারিত»

স্ট্যাটাস-টাইপ পোস্ট

অনেকদিন পর অনেকের উপস্থিতি দেখে ভাব্লাম হাল্কার উপর ঝাপ্সা লিখখা ফালাই।

১। শান্তাপু, প্রথমে আপনার কাছে মাফ চেয়ে শুরু করতে চাই। আপনি আমাকে মনে রেখেছেন কিনা জানিনা, তবে ২০০৭ এর ফেব্রুয়ারীতে আপনাদের বাসায় এক সপ্তাহ আতিথ্য নেয়ার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল ব্রডকমে ইন্টার্ন করার সুবাদে। আমি অনেকভাব ভেবেছি আপনাকে বা নির্ঝর ভাইকে ফোন করব (ফোন নাম্বার এখনও সেভ করে রেখেছি), কিন্তু অতিরিক্ত মুখচোরা হবার কারনে করা হয়নি।

বিস্তারিত»

বাইচ্যা আছি

মানুষ বড় হয়ে কত কিছু হইতে চায়। কেউ ডাক্তার, কেউ ইঞ্জিনিয়ার, নবীন গবেষক, আবার কেউ ছাত্রলীগের নেতা। আমি যত বড় হইতে লাগলাম খালি মনে হতে লাগলো আমার কিছুই হওয়ার দরকার নাই। ২৪/৭ মনের মত আলসেমি করে দিন পার করে দিতে পারলেই আমি খুশী। সে লক্ষ্যে বেশ ভালোমতই এগিয়ে যাচ্ছিলাম। বিএসসি সার্টিফিকেট বালিশের তলায় রেখে রাতের বেলায় ঘুমাতাম আর সকাল সাড়ে বারোটায় ঘুম থেকে উঠে হাই তুলতে তুলতে ভাবতাম –

বিস্তারিত»

কোন আশ্রয় নেই বলেই … ..

ছুটি দেখতে দেখতে একেবারে শেষপ্রান্তে এসে গেল। ব্লগ লেখাই হলো না। এর মাঝে মনে পড়ে গেল গত সপ্তাহের কথা। অন্যরকম দিনগুলোর স্মৃতিময়তায় লেখা এই স্মৃতিকথা…

দ্বিতীয় পর্বের সবচেয়ে বড় এক্সারসাইজ ছিল লৌহকপাট। আর এখন তৃতীয় পর্বের প্রথম বড় এক্সারসাইজ রণগতি। এটার কষ্ট একটু বেশী যে হাঁটতে হয় অনেকটুকু পথ।

“দেখতে দেখতে লৌহকপাট থেকে রণগতি। আজ লেখার এই সময়টা চমকপ্রদ। সেবার পুরো একটা নোটবুক লিখেছিলাম ট্রেঞ্চ এ বসে।

বিস্তারিত»

জাপান প্রবাসে ভূমিকম্প

১১ মার্চ ২০১১, শুক্রবার। লাঞ্চ আওয়ারে হাতে সময় ছিল তাই জুমার নামাজ পড়তে গিয়েছিলাম মসজিদে। ওতসুকা মসজিদটি আমার কর্মস্থল থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে, তবে আমাদের বৈশাখী মেলা যেখানে হয় সেই ইকেবুকুরো থেকে কাছে। মসজিদে কয়েকজন প্রবাসী বাঙ্গালী ভাইয়ের সাথে দেখা হলো। নামাজ শেষে বৈশাখী মেলার সহযোগী মোঃ জসীম উদ্দীন আর আমি এলাম ইকেবুকুরোতে। এক সাথে লাঞ্চ শেষ করে জসীম রওনা হয়েছে মেট্রো স্টেশনে আর আমি বাসে ওঠার জন্য যাচ্ছি।

বিস্তারিত»

ফিরে এসেও আসি না…

দুঃসহ একটা জীবন কাটানোর মাঝেও সিসিবি তে উকি-ঝুঁকি দিয়েছি বেশ ক’বার। মনের টানের একটা ব্যাপার থেকেই যায়। কিন্তু ফিরে আসা বলতে যা বোঝায়, ঠিক তা করতে পারিনি। পারবও না। সিসিবি তে কাটানো কিছু চমৎকার সময়ই আমার ফিরে আসার পথে বড় বাধা।

২০০৯ সালে আমি যখন সিসিবি নেশায় মত্ত, যখন সানাউল্লাহ ভাই, মাসরুফ, রকিব, জুনায়েদ, তাইফুর, জিহাদ, কাইয়ুম আরও অনেকের পোস্ট আর মন্তব্য পড়ে একা একা হাসতাম,

বিস্তারিত»

আ মরি বাংলা ভাষা

বেশ কিছুদিন ধরে দাঁতের ব্যথায় ভুগছি। এদেশে ডাক্তারের এপয়েনমেন্ট পেতে রীতিমত গলদঘর্ম হতে হয় আর সেখানে যদি হয় আমার মতো মেডিক্যাল ইন্সুরেন্সহীন হতভাগি তাহলে তো আর কথায় নেই। বহু চেষ্টা তদবির এর পর অবশেষে একজন ডেন্টিষ্ট এর এপয়নমেন্ট পাওয়া গেলো। কিন্তু সমস্যা বাঁধলো ডাক্তারকে নিয়ে। ডাক্তার বাবাজি সাক্ষাৎ আমেরিকান। তিনি বিভিন্ন রকম পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পর আমার সমস্যাটি তাকে খুলে বলতে বললেন।

বিস্তারিত»

০৪ঠা ফেব্রুয়ারী ২০১১,স্বপ্ন না কি সত্যি????

সেই সেপ্টেম্বর ২০১০ থেকে দেশে আসি আসি করে আর আসা হয়ে উঠছিল না। আইভরি কোস্টের ঘাড়-তেড়া প্রেসিডেন্টের তেড়ামির বলির পাঠা হয়েছিলাম আমরা। যাই হোক দেশে ফিরলাম সেজন্য নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে হচ্ছিল। তবে এয়ারপোর্ট রোড ধরে যখন এগুচ্ছিলাম তখন ভাগ্যটাকে ততটা সুপ্রসন্ন মনে হচ্ছিল না। তবে দেশে ফেরার আনন্দে সেটাকেও কেন জানি উপভোগ্য মনে হচ্ছিল। গত ১লা ফেব্রুয়ারি দেশে ফিরলাম। বহুল প্রত্যাশিত এই ঘরে ফেরাটা আরও এক নতুন মাত্রা পেল ৪ তারিখে এসে।

বিস্তারিত»

২৯ সমগ্র

যেহেতু আজ ক্লাস ছিল না,তাই একটু আগে ঘুম থেকে উঠলাম। ঘুম থেকে উঠেই ক্যাডেট কলেজের কথা মনে পড়ে গেল। মনে পড়ে গেল বিভিন্ন সময়ে এক একজনের মুখ থেকে বের হয়া ডায়ালগ গুলো আর মজার মজার সব ঘটনা গুলো। আর তাই শেয়ার করতেই ব্রাশ না করেই ল্যাপটপ নিয়া বসা।

১…আমরা যখন ক্লাস সেভেনে,তখন আমাদের জেপি ভাইয়ার টানটান করে মশারি টাঙ্গানো নিয়া কালজয়ী ডায়ালগ,”পিটি শু  থ্রো করলে যাতে আমার কাসে ব্যাক করে”।

বিস্তারিত»

যাত্রা হলো শুরুঃ লিটিল বাংলাদেশ

গতকাল ১৫ই জানুয়ারী, ২০১১ বিকেলটা আমেরিকায় একটা খুব ছোট্ট কিন্তু আমেরিকার বাংলাদেশী কম্যুনিটির ইতিহাসের এযাবৎকালের সবথেকে বড় ঘটনাটা ঘটে গেলঃ আমেরিকার বুকে সর্বপ্রথম একটা এলাকা বাংলাদেশের সাথে মিলিয়ে ‘লিটিল বাংলাদেশ’ হিসেবে অফিসিয়ালী অভিষিক্ত হলো। এলাকাটা আয়তনে খুবই ছোট। লস এঞ্জেলস শহরে কোরিয়া টাউন নামে পরিচিত এলাকার একপাশে ভার্মন্ট এভিনিউ আর নর্মান্ডি এভিনিউ এর মধ্যবর্তী ৩নং সড়কের দুইধার। সিটি মেয়র এবং বাংলাদেশ দুতাবাসের কর্মকর্তা মিলে সাইনবোর্ড টানিয়ে এলাকা চিহ্নিত করে দিলেন।

বিস্তারিত»

“ইউনূসের গদিতে আগুন জ্বালো একসাথে”

এক. দেশের অবস্থা কেমন
বেশ কিছুদিন আগে শান্তা ফোন করেছিল। অনেকক্ষণ কথা হলো। আলাপের এক পর্যায়ে শান্তা জানতে চাইলো দেশের অবস্থা কি? বললো, যারা দেশ ঘুরে যায় প্রায় সবাই খারাপ বলে। দেশের অবস্থা নিয়ে শান্তাকে সেদিন অনেক কথাই বলেছিলাম। প্রবাসীরা যখন দেশের পত্রিকা পড়ে, তারা রীতিমতো ঘাবড়ে যায়। খুন, ধর্ষন, লুটপাট, দুর্নীতি, আওয়ামী লীগ-বিএনপির রেষারেষির সঙ্গে সম্প্রতি যোগ হয়েছে নারীর ওপর যৌন নির্যাতন। প্রতিদিন গণমাধ্যমে নির্যাতন,

বিস্তারিত»

কারওয়ান বাজারে একটি ঘটনাবহুল রাত

কলেজে থাকতে ফিজিক্সের জনৈক ম্যাডাম একটা অংক করা নিয়ে বলেছিলেন, “সামনে দিয়াই পারো না, আবার পেছন দিয়া…………”

বহুদিন পর আবার সেই কথা মনে পড়ল, সম্পূর্ণ অন্য পরিবেশে, এবং পরিবেশটা রসিকতার ছিল না।

ডিপার্টমেন্টে সন্ধ্যাভর আড্ডা শেষে বাসায় যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম; এমন সময়, এক বন্ধু বলল, “অমুক ভাই তো অমুক কে নিয়ে অমুক দিন থেকে অমুক দিন পর্যন্ত লাইনে দাঁড়ায় বিশ্বকাপের অমুক,

বিস্তারিত»