চিৎ হয়ে তার আকাশ দেখার আয়োজনে
বাধ সেধেছে আজ পর্ণমোচী দিন…..
সন্তর্পণে এইখানে এসে
ভাবছিলো সে
নীলাকাশ পান করে নেবেই
আজ আঁজলা ভরে
এমন উজ্জ্বল বিকেলে,
মৃদুহেসে অনুচ্চারে
ভালোবাসা বলেছে কি
বলেনি ভালো ক’রে
চিৎ হয়ে তার আকাশ দেখার আয়োজনে
বাধ সেধেছে আজ পর্ণমোচী দিন…..
সন্তর্পণে এইখানে এসে
ভাবছিলো সে
নীলাকাশ পান করে নেবেই
আজ আঁজলা ভরে
এমন উজ্জ্বল বিকেলে,
মৃদুহেসে অনুচ্চারে
ভালোবাসা বলেছে কি
বলেনি ভালো ক’রে
(১)
তুমিও হেরে যাবে-
আমাকে হারিয়ে দিলে,
(২)
জানি,
একদিন ফিরে আসতে চাইবে
কিন্তু-
সে সুযোগ তোমাকে দেয়া হবে না
(৩)
প্রেম মানে স্নায়ুযুদ্ধ শেষে
একটি জয় অথবা দুটি পরাজয়
(৪)
স্বপ্নে এসে ডেকেছিল লায়লা ,
চোখ খুলে পেয়েছি
বিষাদের দমকা হাওয়া,
বাকিটা রাত
কেটেছে আমার অনিদ্রা।
তুমি কি ?
পাষাণ মরুভূমি ?
ভালোবাসার এক ফোঁটা বৃষ্টি কি
তোমার বুকে ঝরে না ?
তুমি কি ?
শীতল দু-মেরু ?
ভালোবাসার এক চিলতে মিষ্টি রোদ কি
তোমার বুকে জাগে না ?
তুমি কি বলতো?
খরস্রোতা নদী,
উষ্ণ সমুদ্র স্রোত,
দূর পাহাড়ি ঝরণা,
নিশাচরের কোলাহল,
কাল মেঘের গর্জন,
ঈশাণ কোণের ঝড়,
আমরা সবাই কম-বেশি প্রেম বা ভালবাসাবাসি করেছি। আমি হলফ করে বলতে পারি ৮০ ভাগ মানুষের প্রথম ভালবাসা হয়ে থাকে প্রথম দেখা ( লাভ এট ফার্স্ট সাইট) এবং ভাল লাগা থেকে।
আমার বেলায়ও এর ব্যাতিক্রম হয়নি। আর ২০০৩ সালে আমার পাশের বাড়িতে আসা নতুন মেয়েটিকে দেখে আমার হঠাৎ মনটা ছটফট করে উঠল। বুঝতে পারলাম আমি ফিদা হয়ে গেছি। আমার মনে প্রেমের জোয়ার বইছে। চেষ্টা-তদবিরের কল্যাণে আমাদের প্রেমও হয়ে গেল।
ক্যাটরিনা কাজলকে নিয়ে বয়সন্ধির নির্ঘুম রাত
স্বপ্নের চোরাবালি
সকাল হলেই পাশের বাড়ির মেয়েটি।
কবিতায় আচ্ছন্ন যুবক
উদ্ধত যৌবনে বেসামাল কিশোরী।
প্রেম করেছিলাম দুজনেই
কিন্তু,ছ্যাকা খেয়েছি একা
গতকাল রাতে ফোনে বলেছে
দেবেনা আর দেখা।
আমার প্রেম নাকি খুবই সস্তা
তারটা ব্যাপক দামী
নতুন একটা খুজে পেয়েছে
তাকেই বানাবে স্বামী।
আমাকে দাও কাউকে যে রঙ দাওনি আজো
পাখির পালক,নরম তুলি চাই না আমি
বৃষ্টিজলে ভেজানো হাত,হাতের আদর
অন্ধকারে গন্ধরাজের মাতাল সুবাস
চাইনা কিছুই,
সম্প্রদানে সব দিয়ে দাও যাকে খুশি
মেঘলা দিনে রবীন্দ্রনাথ,চাঁদনি রাতে গান শোনানো
থুতনিতে ঘাম বিন্দু ফোটা কৃষ্ণচূড়া লাল ভেজানো
তালপাখাটায় বাতাস পাবে যে কোন কেউ
আপত্তি নেই
আমার কেবল ছোট্ট দাবি
মধ্যরাতের রংধনুটা কেবল আমার
ইচ্ছেমতো ভেঙ্গেচুরে রঙ মেশাবো তোমার হাতে
আচলে মেঘ ধূসর,কালো,ফরসা,হলুদ স্বচ্ছ নীলের
গোপন তিলের সবখানি প্রেম একলা আমার
আমাকে দাও,আমাকে দাও যেটুক আমার পাওনা ছিল।
কায়া তার পুঁজি।
বিশ্রামের সময়ের
অভাব নেই খুব একটা,
তাও যেন
ক্লান্তি মনের, ছড়িয়ে পরেছে
মাংসের প্রতিটা পরতে পরতে।
সুখ কিংবা অ-সুখ নিয়ে
ভাববার বিলাসী মন
সেই কবেই বিদায় নিয়েছে,
বহু চেষ্টাতেও
মনে করতে পারে না সে।
জীবনের চাইতেও
পেটের আগুনে বড্ড জ্বালা।
তাই যতদিন আছে
এই গতরখানা
সচল আর মসৃণ
অকেজো করে রাখার দরকার কি?
গতকাল ছিল গায়ে হলুদ
আজ তোমার বিয়ে।
ভেবনা আমি মেনে নিয়েছি!
প্রেম করবে একজনের সাথে
আর বিয়ের সময় আরেকজন??
আমি একটা পিস্তল ভাড়া করেছি
তোমার বরকে গুলি করব
অবশ্য মেরে ফেলব না।
ওর ডান হাতে গুলি করব।
আজীবন লুলা বরের সাথে ঘর
ভাবতে ভালই ঠেকছে আমার।
পুলিশের লাঠি দেখেছ?
ইয়া বড়,
খেয়া নিয়ে রইবো বসে বৈতরণীর ঘাটে
রাখবি কি তুই আমার তরী’য় পা?
নইলে আমি নির্বাসনে যাবো অচিন দেশে
তোর স্মৃতি সব ফেরি করে শিমুলতলীর হাটে
দুঃখ যত ঋণ করেছি বুকে
থাকবি কি তুই সর্বনাশী দুঃখগুলো ঘেষে?
জোৎস্না রাতে বসবো একা নীলফড়িংয়ের মাঠে-
আসবি সখী ভাঙতে আমার মান?
ফেরার বেলায় স্বপ্ন যত বলবি আমায় হেসে?
সোনার হরিণ
স্বপ্নদ্রষ্টা
সোনার হরিণ ছুটে গেছে
কে দেখেছিস ওরে,
সবাই ছোটে তাহার পিছে
সোনার হরিণ পাবার তরে।
হেথায় খোঁজে হোথায় খোঁজে
কোথাও নাহি মিলে
সারাদিনে কাহিল হল
হতাশ সবার দিলে।
অবশেষে শ্রান্ত সবাই
ক্লান্ত হতাশ মনে
না পেলে আজ কি আছে
খুঁজবো আবার মনের বনে
এ ভাবতেই মাস গেলো
এই ভাবতেই বছর
এ ভাবতেই সব হারালাম
তবু নাহি হলো তাহার গোচর
আসল কাজে নাহি মোরা
মরীচিকায় ছুটি
আসল কাজে ছেড়ে সবাই
মরীচিকায় খাচ্ছি লুটোপুটি
এখনো সময় আছে
ভেবে দেখ ওরে গাধার দল
আসল কাজে সময় দিলে
পাবি তাহার ফল
সে ফলেই দেখবি তোরা
সব রয়েছে মিছে
সোনার হরিণ সে তো কোন ছার
ওরে তোদের কাটবে অমানিশে।
[সেদিন বীথোফেনের সিম্ফনি ৩ শোনার সৌভাগ্য হয়েছিলো বিশ্বখ্যাত Cleveland Orchestra-র পরিবেশনায়। পরিচালনা করছিলেন ফ্রানজ ওয়েলসার মোস্ত্। এই সিম্ফনিটি Eroica নামেও পরিচিত। নেপোলিয়নের বীরত্বকে উৎসর্গ করার উদ্দেশ্যে এটি রচিত হয়েছিলো, যদিও পরে আর তা করেননি বীথোফেন। তাই (H)eroica নামকরণ।অপূর্ব এই সিম্ফনিটি সম্পর্কে বিস্তারিত যে কেউ জেনে নিতে পারবেন একটু সার্চ করলেই। আপাতত শ্রবণকালীন অনুভূতির কিছু টুকরো এখানে তুলে ধরলাম, আমার মতো করেই। লিংকটিতে গিয়ে সুরটি চালিয়ে নিয়ে পাঠ করতে অনুরোধ করছি।
বিস্তারিত»২০০৩ সালের ২৩শে ডিসেম্বর, কিছুদিন আগে বিজয় দিবস হয়ে গেছে কিন্তু মন থেকে সেই স্মৃতি বা চেতনা তখনো যায়নি। তাই সেদিন বসে গিয়েছিলাম কবিতা লিখতে। কবিতা লেখার কোন জ্ঞান আমার ছিল না। মন থেকে যা ভাল মনে হয়েছিল তা দিয়ে ছন্দ মেলানোর একটা চেষ্টা করেছিলাম আরকি। যাইহোক আমার কবিতার ভুলগুলোকে পাঠকরা দয়া করে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। তো কবিতাটা ছিল এমন………………
বিস্তারিত»বন্ধ ঘরের অন্ধকারে আসবে আলো
ওরে আমার চোখের তারা কে নিভালো?
……………
বীভৎস এ মরূর বুকে ফুটবে যে ফুল
জুঁই চামেলী হাস্নাহেনা গোলাপ বকুল
সেই ফুলের গায়ে লুটিয়ে পড়ে হাসবে আলো
ওরে আমার চোখের তারা কে নিভালো?
………………….
শুকিয়ে যাওয়া নদীর বুকে বইবে যে জল
(সেই) নদীর বুকে ঘুমিয়ে আছে সাগর অতল
(সেই) নদীর গায়ে গা মিশিয়ে ভাসবে আলো
ওরে আমার চোখের তারা কে নিভালো?