ডিসেম্বর ২৯, ২০১৩ (সময় লিখে রাখিনি) – ভাবনা
নামের শেষে এক বা একাধিক মার্কিনি ডিগ্রী থাকলে দেশে সাধারণত বাজার মূল্য চড়া থাকে। তা সে চাকুরীর বাজার হোক আর বিয়ের বাজার হোক। ছেলে আমার আমেরিকা থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছে। মেয়েটা আমার ঘরের লক্ষী আবার কেমিস্ট। স্কলারশিপে পড়েছে, যেনতেন কথা নয়। তবে রাজনৈতিক, কূটনৈতিক (কূটনামী সম্পর্কিত নীতি) পরিসরে মার্কিনি ডিগ্রী মাঝে মধ্যে বিপদ ডেকে আনে। ধরুন আলোচনা,
পিসিসি’র লিজেন্ডসমূহঃপর্ব ১
ফজলু ভাই(হসপিটাল অ্যাটেন্ডেন্ট)
উনার মত চাপাবাজ লোক আমি জীবনে খুব কমই দেখেছি,তার কয়েকটা নমুনাঃ
চাপা ১-“জানো,ক্যাডেট কলেজ হওয়ার আগে এইখানে বিশাল জঙ্গল ছিলো।বাঘ,সিংহ,ডাইনোসর,আরো অনেক কিছু ছিলো এইখানে।ধরে ধরে নিয়ে আফ্রিকায় ছেড়ে দিয়ে আসত এলাকার লোকজন।”
চাপা ২-মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার বাবার কপালে গুলি করেছিলো পাকিস্তানিরা,উনি টের পেয়ে মাথা নিচু করে ফেলেছিলেন,তাই ভিতরে না ঢুকে চামড়ার পাশ দিয়ে চলে গেছে।ওই জায়গায় এখন আর চুল গজায় না।আরেকটা গুলি খেয়েছিলেন পেটে।ডাক্তার অপারেশান করেও বের করতে পারেনি,পরে পায়খানার সাথে বের হয়ে গিয়েছিলো।
বিস্তারিত»মেঘ হও! মেঘ হও!
সামনে পরীক্ষা। তাই ঘুরাফিরা,খেলাধুলা, কাজকর্ম সব বাদ দিয়ে দিয়েছি। এখন গায়ে রোদ জড়ায়ে সারাদিন বসে থাকি আর সিগারেট ফুঁকি। ঘুম থেকে উঠে গোসলের আগ পর্যন্ত,আবার গোসলের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। নিয়মিত দুই বেলা। গত দুইদিন রোদ নেই, তাই মনও ভাল নেই।
আজ রোদ উঠেছে, পরীক্ষা উপলক্ষে একটা ঘড়ি কিনে দিয়েছে বন্ধু পলাশ। আনন্দ সীমা অতিক্রম করার কথা। অথচ মন ভাল নেই। অনেক দূর থেকে ভেসে আসা একলা পাখিটার ডাকে ঘুম ভেঙেছে।
বিস্তারিত»দিঘি
হৃদয় সমীপে এই আবেদন থাক
দেখতে দিও তোমার পেটের বাঁক
সে যেন এক কামনা নদীর ঢেউ
আমার আগে দেখেনি যা আর কেউ
সে জলের বেগ তোমার নাভীর কাছে
পৃথিবীতে শুধু একটি দিঘিই আছে
আমিই প্রথম পেয়েছি তার খোঁজ
শাড়ির আঁচলে রাখতে যা ঢেকে রোজ
নদী যখন সমুদ্রের কাছে যায়
ঢেউ ওঠে যেন উদ্দাম কামনায়
তেমনি তোমার স্পর্শ যদি পাই
সে সুখের যেন পরিসমাপ্তি নাই
বর্ষ শুরু সংখ্যা
নতুন বছরের শুরুতে দেখা যাচ্ছে সিসিবির উর্বরতা বেশ বৃদ্ধি পেয়েছ। একের পর এক নতুন লেখা আসছে, তারচেয়ে বড় কথা ভাল মানের লেখা আসছে। ব্লগে ঢুকলে মনটাই ভাল হয়ে যায়। লেখার সাথে সাথে আনাগোনাও প্রচুর বেড়েছে, সবসময়ই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য আর অতিথিদের অন প্যারেড দেখি। তবে এর মাঝে হালকা মন খারাপের বিষয় হলো এত আনাগোনার তুলনায় মন্তব্য করার হারটা একটু কমই। আমরা যারা লেখা পড়ছি তারা যদি একটু কষ্ট করে পোস্টটাতে আমাদের ভাল লাগা,
বিস্তারিত»আমেরিকার পথে পথে – ১
প্রথম ব্যাপারটা মাথাচাড়া দিয়েছিল গত জুন মাসে। কোনো এক মধ্যরাতে Into the wild মুভিটা দেখে বিমোহিত হয়ে গেছিলাম। অন্য কোন মুভি দেখে আমি এতোটা প্রভাবিত হয়েছিলাম কিনা মনে পরে না.. মুভির নায়ক জীবনের প্রতি ব্রীতশ্রদ্ধ হয়ে একদম কপর্দকহীন অবস্থায় বেড়িয়ে পরে আমেরিকার পথে পথে.. ব্যাপারটা আমার কাছে খুব ফেসিনেটিং মনে হয়েছিল। এতই বেশি রকম ভাবে যে , বিষয়টা একদম মাথায় খুটি গেড়ে বসেছিল।
বিস্তারিত»দ্য ফোর্থ ডাইমেনশন
“এইপ, কথা বলছিস কেন? বকবক করছি ভাল লাগে না?”আচমকা ফিজিক্স স্যারের ঝাড়ি খেয়ে চুপ করে গেল কুদ্দুস।স্যার কি পড়াচ্ছে টা ও শুনছিল না।ওর মাথায় গিজগিজ করছে হাজারটা প্রশ্ন।কে তার উত্তর দেবে? “নিউটন বলেছেন ,প্রত্যেক বলের একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে, অর্থাৎ আমি আবারও বলছি”…… “স্যার আমার একটা প্রশ্ন ছিল” , হঠাৎ ব্রেক কষা গাড়ির মত স্যারের কথা থামিয়ে দিল কুদ্দুস। মোটা ভুরু দুইটা কুঞ্চিত করে স্যার বললেন,
বিস্তারিত»দুই তলা একটা বিল্ডিং …
দুই তলা একটা বিল্ডিং, লাঞ্চের পর ফ্লরে ঘামের টপটপ ফোটা,তার গন্ধ,ভয়ংকর সিনিয়রগুলা,তাদের কাছ থেকে পালিয়ে বাঁচতে চাওয়ার
ফন্দি আটা, যেমন খুশি তেমন খাটানো জুনিয়র,নিজের অবাধ স্বাধীনতা,আড্ডা,মুরি,কাঠাঁলের ঘ্রাণ,স্যার দের সাথে লুকোচুরি,মাঠে বাঘের
গতিতে ছুটে চলা, অডিটোরিয়াম জয় করা,৬ টি বছর,৭২ মাস, ২১৬০ দিন,অভাবনীয় ভালবাসা,আমার মা। আমার মত যাদের ছোট ভাই
ছিল না,যারা উপদেশ দেয়ার প্রচণ্ড ইচ্ছা থাকলেও!! ছোট পোলাপান খুঁজে পেতেন না,কিংবা,যাদের পরীক্ষার আগের রাতে মাথায় হাত
বুলিয়ে দেওয়ার কেউ ছিল না তারা নিশ্চয়ই আমার মত একটা নতুন “মা”
এইচএসসি’র পরেঃপর্ব ১
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃএকান্তই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে লেখা।
কলেজ থেকে বের হওয়ার পরে সবচেয়ে কঠিন সময় হচ্ছে তার পরের কয়েক মাস।এই সময়েই নির্ধারিত হয়ে যায়,কার ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাচ্ছে।অনেকে সাবলীল্ভাবে পার করে দেয় এই সময়টা,অনেকে পিছিয়ে পড়ে।এই লেখায়,আমি আমার এই সময়টার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাই।
বেশিরভাগ বন্ধুই কলেজ থেকে বের হওয়ার পরে ঢাকায় তাদের সাময়িক নিবাস নিয়ে ব্যস্ত,আমার বাসা ঢাকায় হওয়ায়,আমার সেই চিন্তা ছিলো না।ওদের ছিলো খাওয়ার কষ্ট,পানির কষ্ট,যাতায়াতের কষ্ট,টিপে টিপে খরচ করার কষ্ট।আর আমার ছিলো একা থাকার কষ্ট।থাকতাম বারিধারা ডিওএইচএসে।আশেপাশে ব্যাচমেট তো দূর কি বাত,পরিচিত কেউই ছিলো না।উদ্ভাস থেকে দেওয়া লেকচার শীট পড়তে বসলে মনে হত,না বুঝলে বুঝায়ে দেওয়ার মত কেউ আশে-পাশে নেই,পড়ে লাভ কি???কম্পিউটারে বসলে ঘুরে-ফিরে চলে যেতাম সেই ফোল্ডারে,যেখানে আছে আমার কলেজ লাইফের সব স্মৃতি।সেই ছবিগুলো দেখে বুকে মোচড় দিত।অদ্ভুত একটা ফিলিংস।একই ফিলিংস হয়েছিলো সেইসব দিনের অনেকদিন পরে।১৫ জানুয়ারী ২০১২ তে।ডিপার্টমেন্টে প্রথম ক্লাস করতে যেয়ে একটা মেয়েকে দেখেছিলাম।ক্লাস শেষের পরে তাকে তার বয়ফ্রেন্ডের হাত ধরে চলে যেতে দেখে।আজব না???দুইটা সম্পূর্ণ আলাদা ঘটনা,অথচ কষ্টটা এক।
বিস্তারিত»অবাক ধুলো
আমার আকাশ পানে
উদাস গানে
মন খারাপের মিছিল,
ভ্রষ্টা রাতের কানে
বিষাদ বাণে
তানপুরাতে অমিল।
আমার উল্টোরথে
একলা পথে
সময় তুলি টানে,
আমার রোদের বুকে
সন্ধ্যা আঁকে
শিশির প্রাচীন ঘ্রাণে।
আমি কিসের টানে
দুঃখ কিনে
যত্নে সাজাই সমাধি,
আবার পাঁচ ভূতেরই
নাচের তালে
দ্বিধায় কি সুর বাঁধি?
আমার সন্ধ্যা জানে,
বিস্তারিত»ক্যাডেট জীবনে সাফল্যের মূলমন্ত্র (বর্তমান ক্যাডেটদের জন্য অবশ্যপাঠ্য)
কলেজে ছয় বছর পার করার পরও অনেক ক্যাডেটের অর্জনের খাতাটা থাকে শূন্য। কলেজ থেকে পাসআউটের সময় বুকে থাকে অনেক কিছু না পাওয়ার বেদনা। কলেজের অনার বোর্ডে নিজের নামটি চিরস্মরণীয় না করতে পারার ক্ষোভ নিয়ে পার করতে হয় বাকি জীবন। এ থেকে পরিত্রান পেতে হলে ক্যাডেট জীবনের শুরু থেকেই সুচিন্তিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে হবে। তাই নিজের ছয় বছরের অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধি থেকেই বর্তমান ক্যাডেটদের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু পরামর্শ দিচ্ছি।
বিস্তারিত»পারসোনালিটি ডিসঅর্ডার…!!!
আমার মনে হয় আজকালকার যুগে একটা ছেলে এবং একটা মেয়ের মধ্যে অদৃশ্য একটা ইগো প্রব্লেম সবসময়ই কাজ করে। ব্যাক্তিগতভাবে জিনিসটা আমি খুব উপভোগ করি। সাদা চোখে দেখলে মনে হয় হয়ত কারও না কারও ভুল আছে। কিন্তু আমার কাছে মনে হয় ভুল কারোর ই না অথবা ২ জনের সমান সমান। ডুয়েল পারসোনালিটি ডিসঅর্ডার ও একটা বড় ভুমিকা রাখে। যেকোনো স্পর্শকাতর ব্যাপার নিয়ে যখন বিপরীত লিঙ্গের কারও সাথে আমাকে কথা বলা কিংবা পজিটিভ আর্গুমেন্ট এ যেতে হয় তখন জিনিসগুলো টের পাই।
বিস্তারিত»আমি যখন ক্যাডেট ছিলামঃ পর্ব ৬
যে কোন কথাকে তিল থেকে তাল বানানো মানুষের জন্মগত প্রতিভা। ক্যাডেটরাই বা বাদ যাবে কেন? ক্যাডেট জীবনে এমন অনেক গল্প শুনেছি যা শুধু তিল থেকে তাল বললে ভুল বলা হবে, ব্যপারগুলো তিল থেকে তাল, সেই তাল থেকে পিঠা আর পিঠা থেকে পিঠা উৎসবে রূপ নিয়েছে। এই রকম পিঠা উৎসব ধরণের অনেকগুলো গল্প থেকে ৫ টি বলি।
* ওয়াল ম্যাগাজিন (১)
একদম প্রথম বছরের কথা।
গন টু ডগ
“আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ
র্স্পধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি,
আঠারো বছর বয়সেই অহরহ
বিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকি।”
কবি সুকান্ত আঠারো বছর বয়সীদের নিয়ে এই কবিতা লিখলেও ক্যাডেট কলেজ পার্সপেক্টিভ থেকে চিন্তা করলে বলতে হবে “ক্যাণ্ডিডেট টাইমেই অহরহ বিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকি”। সবচেয়ে ভদ্র সভ্য ক্যাডেটদের মনেও গড়ে ওঠে ডিসিপ্লিন ভঙ্গের নানারকম নীলনকশা।
আমার কলেজ FGCC’র কথায় আসি।
বিস্তারিত»পুরোনো পাতায়ঃ বরফের দেশের গল্প ৩
দুপুর ১২টা ১৮ মিনিট। সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৩
সকালে উঠতে দেরী হয়ে গেল। আসলে কিছু করার নেই। এখন সূর্য উঠে ৮টা ৩৫ মিনিটে। দেহ ঘড়ি সেই ভাবে নিজেকে ঠিক করে নিয়েছে। এই এলাকার লোকজন শীতকালে কিভাবে ৮টার অফিস ধরে আমার বোধগম্য নয়। ৮টায় অফিস ধরতে যাওয়া মানে আক্ষরিক অর্থে সূর্য উঠার আগে অফিসে ঢোকা। আমার মত অলস বাঙালীর জন্য যেটা চিন্তার বাহিরে। মেক্সিকান অমলেট নামক এক ফাঁকিবাজি নাস্তার মেনু শিখেছি নাইজেলা ল’সন এর ওয়েবসাইট থেকে।