কেন আমি আত্মহত্যা করবো??

কয়েক মাস আগে বাড়িতে গিয়েছিলাম ছুটিতে। আব্বুর সাথে কী একটা কথা বলতে বলতে হঠাৎ বললেন, “ইমন মারা গেছে জানো?”

আমি- “কোন ইমন?”

আব্বু- “তোমার আফতাব চাচার ছেলে”।

আমি- “কিভাবে মারা গেছে?”

আব্বু- “সুইসাইড করেছে”।

আমি- “কেন?”

আব্বু- “খারাপ ছেলেদের সাথে মিশতো নাকি, ড্রাগ নেয়া শুরু করেছিল। একটা মেয়ের সাথে নাকি সম্পর্ক ছিল। শেষের দিকে কেমন যেন হয়ে গিয়েছিল।

বিস্তারিত»

আমলাতন্ত্রঃ সরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ড ও সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়া – ৩

অধ্যায় একঃ ১ম পর্ব, ২য় পর্ব
গত পর্বের পর

সরকারের তিনটি বহুল পরিচিত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার কাজকর্মের পার্থক্যের আলোচনা দিয়ে এই বইটি শুরু করা হয়েছে। এখানে পার্থক্য বলতে তাদের গঠনগত ও আমলাতান্ত্রিক পার্থক্যের কথা বোঝানো হয়েছে। এই তিনটি উদাহরণের উপর ভিত্তি করে পরবর্তী অধ্যায়ে আমরা দেখবো কেন একই ধরনের কাজের দায়িত্ব থাকা সত্বেও এই সংস্থাগুলো ভিন্ন আচরণ করে থাকে (বিশেষ করে কার্ভার হাইস্কুল কিভাবে আচরণ পরিবর্তন করে থাকে।)

কিভাবে সেনাবাহিনী,

বিস্তারিত»

মেজর জিয়াঃআমার ভুল সুপারহিরো

খুব ছোটবেলা RAY-BAN এর সানগ্লাসের সাথে সাদা গেঞ্জি পড়া কোদাল হাতে মেজর জিয়ার ছবি দেখে আমার দুই মামার মতো আমিও মুগ্ধ হয়েছিলাম।আম্মা বলেছিল তার মৃত্যুতে নাকি ৪০ দিন শোকের মাতম উঠেছিল সারা দেশে,এই কথা শুনে আমার মুগ্ধতা আরও বেড়ে গিয়েছিল। বিএনপি আমলে যখন বারবার বিটিভিতে বঙ্গবন্ধুর নামটুকু বাদ দেয়া জিয়ার কণ্ঠ শুনতাম তখনও মুগ্ধ হতাম। মামারা বিএনপির রাজনীতি করায় তার খাল কাটা সহ বিভিন্ন প্রকল্পের কথা শুনে আমি তো জিয়াকে রিয়েল লাইফ সুপারহিরোই ভাবতাম,ম্যাকগাইভার,হারকিউলিস বা রোবোকপ এর মতো।

বিস্তারিত»

কাল্পনিক (১)

ডাকটা ঠিক কোথা থেকে আসছে আবীর তা বুঝে উঠতে পারল না। এই রকম মিষ্টি একটা গলায় কে ডাকে তাকে এই খোলা রাস্তায়? আর গলাটাও কেমন জানি চেনা চেনা লাগছে তার। অনেক আগে শুনেছিল ,এখন ঠিক মনে করতে পারছে না। মুহূর্তের মধ্যেই এতসব ভেবে উল্টো ঘুরতেই যা দেখল তাতে তার চোখদুটো আপনাআপনি বড় হয়ে গেল আবীরের। রাস্তা দিয়ে একরকম  দৌড়েই তার দিকে আসছে একটি মেয়ে। একটি মেয়ে বললে অবশ্য ভুল হবে,

বিস্তারিত»

ওয়েস্টার্নঃ ঠান্ডা প্রতিশোধ! ৫ম পর্ব

পর্ব

৯।

পরদিন একটু বেলা করেই আর্থারের বাড়িতে গেল ন্যাশ। বাড়িটা দিনের আলোয় ভাল করে দেখতে পেল। ছোট-খাট হওয়া স্বত্তেও সুন্দর করে সাজানো। সামনে ছোট্ট একটি ফুলের বাগান, দেখেই বোঝা যায় নিয়মিত যত্ন নেয়া হয়। দরজা নক করার কিছুক্ষণ পরই দরজা খুললো র‍্যাচেল। ন্যাশ ওকে দেখেই চিনতে পারল-কেননা ও দেখতে প্রায় ওর মা এর মতনই হয়েছে,

বিস্তারিত»

নামঃ ক্রিকেট, বয়সঃ ক্রিকেট, ধর্মঃ ক্রিকেট, পেশাঃ আমজনতা, জাতীয়তাঃ বাঙলাদেশি

আমার ফেইসবুকের প্রোফাইলে রিলিজিয়ন এর ঘরে লেখা ক্রিকেট। এটা খেয়াল করে কোন এক বড় ভাই একদিন জিজ্ঞাসা করেছিলেন। উত্তরটা তৎক্ষণাৎ দিতে পারি নাই। কারণ এক লাইনে বলার মত ছিলো না। কারণ যেটা সেটা হলো, আমি কোন ক্রিকেট বোদ্ধা নই। ব্যাট-বল জীবনে ক’বার ছুঁয়ে দেখেছি বলে দেয়া যাবে। খেলোয়াড়ি জীবন বলতে ১৯৯৫ সালে ঢাকা সেনানিবাসের মইনুল রোডের একটুকরো জমিতে টেলএন্ডার/দুধভাত হিসেবে বিপদে পড়ে ব্যাটিং করতে নামা।

বিস্তারিত»

সাংবাদিকতা: টানটান উত্তেজনার যেই জীবন

সাংবাদিকতার বিষয়টি কিভাবে প্রথম মাথায় এসেছিল মনে করতে পারছি না। আমার পরিবার বা ঘণিষ্টজনদের মধ্যে এ পেশায় কেউ তখনো ছিলেন না। এইচএসসি পাশের পর যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে ভর্তি হলাম, প্রায় একই সাথে ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকতাও শুরু করেছিলাম। কেউ সে সময় শেখায়নি। সৃজনশীল লেখালেখি করতাম ক্যাডেট কলেজে থাকতে আর সংবাদপত্র পাঠের আগ্রহ ছিল ভীষণ। ফলে সংবাদ লেখার ভাষাটা পাঠ থেকেই রপ্ত করেছিলাম।

তবে এটা স্পষ্ট মনে করতে পারি,

বিস্তারিত»

বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজঃ আমার প্রেডিকশন

বাংলাদেশের সবগুলো মানুষকে একই সূতাই গেঁথে ফেলার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে ক্রিকেট। দেশের বর্তমান অচলাবস্থায় একমাত্র ক্রিকেটই পারে মনে একটু শান্তির পরশ বুলিয়ে দিতে। বাংলাদেশ গত কয়েকটি সিরিজে ওয়ানডেতে খুব ভালো পারফর্ম করছে। তাছাড়া প্রতিপক্ষ যখন নিউজিল্যান্ড প্রত্যাশাটা তখন এমনি একটু বেশি হয়ে যায়। তবে নিউজিল্যান্ড কিন্তু খুবই ভালো দল। বিশেষ করে ওয়ানডেতে। ২০১০ এ আমাদের কাছে ৪-০ তে হারলেও ওরা কিন্তু ঠিকই ২০১১ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে গিয়েছিল।

বিস্তারিত»

অসম্পৃক্ত ব্যবধান

অথচ আমি মৃত নই;
শুধু তোমার পাঠ্যবইয়য়ের শেষের পাতায়।
সেখানে চাওনি যেতে তাই
দুপুরবেলা ধূলো জমে আমার কালো কায়।
তোমার অপেক্ষাই ভাললাগায়!

রাতের উপকূলে
হুট করে বেজে ওঠা পতঙ্গের পাখায়
জমে থাকা কষ্টের যে গান শুনেছিলে,
পতনশীল দুঃস্বপ্ন থেকে সে কি ঘুম ভাঙায়?
কার অপেক্ষায় চোখ ফিরে যায়,
নির্লিপ্ত জানালায়?

পৃথিবীর কম্পনে আড়ি পেতেছিলে,

বিস্তারিত»

আমরা আর লিখিনা

সিসিবি তে অনেকদিন লিখা হয় না। জানিনা কেন। এমন না যে অন্য কোথাও লিখি। লিখি ই না। পড়ি ও না কোন বই। হয়তো কোন সম্পর্ক আছে দুটোর মধ্যে।
আমার আজকাল ওপাড়ের জীবন টা কে মনে পড়ে। আজ একটা কনফারেন্স এর অর্গানাইজার ছিলাম। ৬-১২ এর বাচ্চাদের কনফারেন্স। ওদের মধ্যে কি তীব্র আগ্রহ! কি নির্ভীক!! সব ভেঙ্গেচুরে শিখরে উঠে যাবার কি তীব্র উদ্যম!!! আর সবথেকে বড়…

বিস্তারিত»

চলে গেলেন নুরুল ইসলাম স্যার…

ক্যাডেট কলেজের মা-বাবা ছাড়া দিনগুলিতে কিছু মানুষের নিবিড় স্নেহ-মমতা আমাদের আজীবন ঋণী করে রেখেছে। আমাদের সবার প্রিয় ম্যাথাম্যাটিক্সের নুরুল ইসলাম স্যার তাঁদের অন্যতম প্রধান। ক্যাডেটদের স্বভাবসিদ্ধ ‘শিক্ষকদের নিয়ে আলোচনা’র উর্ধের এই মানুষটি ছিলেন দার্শনিক গোত্রের। তিনি কেন রাগ করতে পারেন না, বা করেন না – এটাই আমাদের কাছে বিস্ময়ের বিষয় ছিল। অন্যদের বেদম প্রহারে যা হত না – নুরুল ইসলাম স্যারের ‘কি রে বেটা!’ ‘স্টুপিড’

বিস্তারিত»

রেস্ট ইন পিস আমার অন্য সত্বা…

রাত বাজে ১.২২ মা রাগারাগি করছে ঘুমাতে যাবার জন্যে। আর আমি পাগল হয়ে খুঁজছি আমার কলেজের ডাইরী টা।
আমার কলেজে থাকতে লেখা সব কথা, সব স্বপ্ন।
ভার্সিটির এক বন্ধু বলেছে আমি বাংলা পারিনা। তাকে একটু শো অফ না করলে তো আর হয়না তাই ব্লগের লিঙ্ক দিলাম।
স্রোতের মতোন চারিদিকে ঘিরে ধরলো আমাকে হারিয়ে আসা দিনগুলি।
হারিয়ে আসাই বটে। ফিরে পাবার নয় যা- হারিয়ে আসাই তো নাকি?

বিস্তারিত»

ওয়েস্টার্নঃ ঠান্ডা প্রতিশোধ! ৪র্থ পর্ব

পর্ব ১
পর্ব ২
পর্ব ৩

৭।

ভোরের আলো ফোঁটার আগেই বের হয়ে পড়ল ন্যাশ। শেরিফকে কারসন সিটির কথা না বলে ভূমি জরিপের কথা বলেছে ও। কারো মনে অযাচিত কৌতুহল উদ্রেক আপাতত না করাই ভাল হবে। দুই দিনের মত খাবার সাথে নিয়ে বের হচ্ছে- আশা করছে নদীর তীরবর্তী এলাকা হবার কারনে শিকার বা মাছের অভাব হবে না।

বিস্তারিত»

মুক্তি ৩

আমাদের বিচ্ছেদ ছিল কয়েক মাসের
এর মাঝেই তুমি
অন্যপুরুষের কাছে আশ্রয় খুঁজতে গিয়েছ।
শুনেছি ওরা প্রথমেই তোমার শরীরের ফিটনেস জানতে চেয়েছিল
তুমি লজ্জায় কুঁকড়ে গিয়ে বলেছিলে,
মেয়ে মানুষের ওসব বলতে নেই
এই ভেবে আশ্চর্য হও তুমি,
তোমার মনের গভীরতার চেয়ে ওদের কাছে
ফেয়ারনেসটাই বেশি প্রায়োরিটি পেতো।
তুমি ভালোবাসার দারুন দুঃসময়ে জন্মেছো ভেবে
আমাকেই কি মনে পড়তো না?

বিস্তারিত»

রজনীগন্ধা

রজনীগন্ধা তোমার অনেক প্রিয় ছিল

জেনেছিলাম যেদিন প্রথম কথা বলা –

রমনায়; সুশীতল ছায়াবীথি তলে।

সবুজের ভীড়ে দুজন মানব মানবীর যেন

অকারণ হারিয়ে যাওয়া, হাতে হাত ধরে।

সেদিন থেকে রজনীগন্ধা আমারো অনেক প্রিয়,

হাজারো ফুলের বিচিত্র রঙ্গিন সমাহারে –

আমি রজনীগন্ধা খুঁজে ফিরি অজান্তেই।

সেসব আজ সবই বিস্মৃতির অতলে ডুবে চলেছে,

বিস্তারিত»