মৃত্যুর আগে

-১-

গতকাল হুমায়ূন কবির সাহেব কলকাতা এসেছেন শুনে জীবনানন্দ সকাল সকাল তাঁর বাসায় চলে এসেছেন। কিন্তু আজকেও হুমায়ূন কবির সাহেবের সাথে দেখা হল না। পিএ যদিও বলল উনি বাড়িতে নেই, তবু সাক্ষাতের জন্য আসা এত লোকজন আর গাড়ি বারান্দায় দাড়ানো গাড়ি বলে দিচ্ছে একজন নিঃস্ব কবির সাথে দেখা করে চাকরির আর্জি শোনার চাইতে আরো অনেক বড় কাজ আছে মন্ত্রী মশায়ের। দুই মাস আগে একবার কবির সাহেবের সাথে দেখা হয়েছিল।

বিস্তারিত»

আমলাতন্ত্রঃ সরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ড ও সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়া – ‍২

পূর্ববর্তী পর্বসমূহঃ
অধ্যায় ১ – ১ম পর্ব

(গত পর্বের পর)

টেক্সাসের হান্টসভিলিতে সর্বোচ্চ সতর্কতা সম্পন্ন কারাগারের সুশৃঙ্খল পরিবেশ দেখে চমকে উঠেছিলেন অধ্যাপক জন ডি’উলিও। সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা পরিষ্কার সাদা পোষাক পরিহিত, নিঃশব্দে ঘুরে বেড়াচ্ছে, কারারক্ষীদের ‘স্যার’ বা ‘বস’ বলে সম্বোধনপূর্বক সম্মান বজায় রেখে কথা বলছে। নতুন মানুষ হিসেবে ডি’উলিও কে দেখে কেউ তার সাথে কথা বলতে আসে নি।

বিস্তারিত»

আমলাতন্ত্রঃ সরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ড ও সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়া – ‍১

প্রারম্ভিকাঃ এই সেমিস্টারে একটি বিষয় নিয়ে পড়ছি যার নাম পাবলিক সেক্টর ম্যানেজমেন্ট। সেখানে দেয়া পাঠ্যবই গুলোর একটি হলো Bureaucracy: What Government Agencies Do and Why They Do it. লিখেছেন James Q. Wilson, মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও গণ-প্রশাসন অধ্যাপক, হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। অনুবাদ করার মত কোন বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম নয় এটি। তবে ১৯৮৯ সালে প্রথম ছাপানো এই বইটি সমগ্র আমেরিকার গণ-প্রশাসন বিষয়ক পড়াশোনার পাঠ্যবই হিসেবে বহুদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

বিস্তারিত»

একটা অপচেষ্টা ।

বি এম এ তে বসে গান লিখার চিন্তা করাটাও হাস্যকর জানি । তবুও এই ক্ষুদ্র প্রয়াস ।

আমার হাতে আজ একলা আকাশ,
স্মৃতি হয়ে আছ তুমি,
নির্ঘুম এই রাতে আজ,
আমার পাশে নেই তুমি ।

ছুঁয়ে দেখ , হাতে রেখে হাত,
কান পেতে শোনো , পাবে আমার ডাক ।

চল যাই আকাশে , মেঘেদের সাথে ,

বিস্তারিত»

আহূতি

ছায়াদের পিছুপিছু অনেকদূর হেঁটে এসেছি আমি।
এবার আমি ফিরে যাব আয়নার ওপাশে।
গলিত সূর্যের ফোঁটায় ফলনশীল উদগ্র ফোস্কার ক্ষেত আমার পিঠে।
আমি ফিরে যাব সেই ছেলেটির কাছে।
যার মুখ আমি আজও দেখি বিস্তীর্ণ ধানক্ষেতে।
সূর্যের বিপরীতে দাঁড়ানো সেই ছেলেটি!
উদ্ধত সূর্যালোকের তীর্যক আক্রমণে উদ্ভাসিত!
অথচ আলোহীন ভীতিকর কী গহীন দুইচোখ !
প্রথম চাঁদের পর পৃথিবীর সব অমাবস্যা জমাট বেঁধেছে সে আঁধারে।

বিস্তারিত»

স্মৃতিরা গানের ভাঁজে

দুটি মন আর নেই দুজনার। রাত বলে আমি সাথী হবো যে। গানটি মনে পড়লো খুব উদ্ভট এক সময়ে। কমোডে বসে ছিলাম বেশ কিছুক্ষণ। হঠাৎ একরকম গলা ছেড়েই কিছুটা ভুল হলেও গেয়ে উঠলাম। চার লাইন গেয়েই থেমে গেলাম। সুর বাদে আর কিছু মনে নেই। ২৩ বছর আগেকার কোন এক সকালে প্যানাসনিক ক্যাসেট প্লেয়ারে বাজতে থাকা গানের কলি এভাবে মনে পড়ায় অনেকটাই হতহম্ভ আমি। ঘুরেফিরে চারলাইন বেশ কিছুক্ষণ গাইবার চেষ্টা করলাম।

বিস্তারিত»

নদী ভাঙ্গনে হুমকির মুখে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজঃ ফলোআপ

রাজশাহী ক্যাডেট কলেজকে পদ্মার ভাঙ্গন থেকে রক্ষার জন্য কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বাঁধ মেরামতের প্রাথমিক কাজ শুরু করেছে। নদী ভাঙ্গনের খবর ফেসবুকে পেয়ে ব্লগ লিখেছিলাম। ব্যস্ততার জন্য দেখতে যেতে পারিনি। গত ১১.১০.২০১৩ তারিখ শুক্রবার একটু সময় পেয়ে চলে গেলাম রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের সামনে পদ্মার ধারে। ‘নিরিবিলি’ আর ‘অবলোকন’-এর মাঝখানে বাঁধানো ঘাট। সিড়ি দিয়ে প্রায় তিন তলা সমান নীচে নামা যায় ( পড়ুন নামা যেত )।

বিস্তারিত»

হেলাল হাফিজের কবিতা ওড়না: কিছু বিতর্ক এবং আমাদের ধর্মীয় অনুভূতি

হেলাল হাফিজ অতিসাম্প্রতিক কালে আবার কবিতা লিখছেন। কবির পয়ষট্টিতম জন্মদিন উপলক্ষে যুগান্তরের সাহিত্য পাতায় তিনটি কবিতা ছাপা হয়েছে। এর মধ্যে একটি কবিতার নাম ওড়না। বলাবাহুল্য কবির সাথে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথা এর আগে বহু লেখায় উল্লেখ করেছি। সেই সূত্রে এই কবিতাটির প্রসব বেদনায় যখন কবি ছটফট করছেন তখন আমি কবির সাথে ছিলাম। প্রায়ই তিনি অনুভূতিহীন অন্যমনস্ক হয়ে যেতেন। স্বাভাবিক দৃষ্টিতে কবিরা একটু অন্যমনস্ক,অগোছালো থাকবে এটাই নিয়ম হলেও কবি হেলাল হাফিজ অত্যন্ত গোছানো একজন মানুষ।

বিস্তারিত»

হজ্বঃবঞ্চনার অন্য নাম

এখন হজ্বের মৌসুম। প্রতিবারের মত এবারও কোটি মানুষ পাপ মোচনের আশায় ছুটে গিয়েছে সৌদি আরব। বাংলাদেশী হজ্বযাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৯০ হাজার। ফেসবুকেও মাঝে মাঝে পাপমোচনের খুশি দেখছি ইদানিং। মক্কায় গিয়ে গরমের মধ্যেও প্রচণ্ড প্রশান্তি অনুভব করছেন হাজী ভাই বোনেরা,কেঁদে বুক ভাসাচ্ছেন,নামাযে দাঁড়ালে মনে হচ্ছে এর চেয়ে শান্তির কিছু নেই। একটা সময় ছিল মানুষ সারাজীবন পাপ করে শেষ বয়সে হজ্বে যেত তবে গত কয়েক বছর যাবত এই প্রথাটা চেঞ্জ হচ্ছে।

বিস্তারিত»

অতঃপর…!!!

নিহাল কে ভালোবাসে অরিন। নিহাল নামটা খুব পছন্দ ওর। প্রথম যেদিন ওর প্রেমে পড়ল সেদিন বৃষ্টি ছিল, ছেলেটা ওকে অনেকগুলো গোলাপ দিয়েছিল। ভালোবাসার সময়গুলো কেমন জানি কেটে যায়। একটু ঘুরতে যাওয়া, হাত ধরে বসে থাকা, হাতধরাটা ন্যাকামি হলেও অদ্ভুত শান্তি লাগে,৫ আঙ্গুল বারবার আরেক হাতের স্পর্শে ঘেমে গেলেও হাত না ছাড়ার অনুভূতি অন্যরকম। চোখের সামনে দিনগুলো ভাসে। যেদিন নিহাল ওর গলা টিপে ধরে টাকা চাইল সেদিন অরিনের জন্মদিন ছিল।

বিস্তারিত»

কবি হেলাল হাফিজ ও ব্যক্তিগত অনুভূতি

nullমুল লেখাঃ
কবি হেলাল হাফিজের সাথে আমার পরিচয় খুবই অদ্ভুত ভাবে। এক বিকেলে চারুকলার সামনে দিয়ে হেঁটে যেতে যেতে ঢেলে সাজানো বই গুলোর দিকে চোখ বোলাতেই একটি বই চোখে লেগে যায়। যে জলে আগুন জ্বলে। চোখে লাগার মতোই বই। অদ্ভুত শিরোনাম। বই হাতে নিয়ে কয়েক পাতা ওল্টাতেই একটা কবিতা চোখে পড়ে। এক নিমিষেই পড়ে ফেলি।

“প্রেমের কষ্ট ঘৃণার কষ্ট
নদী এবং নারীর কষ্ট
অনাদর ও অবহেলার তুমুল কষ্ট
কষ্ট নেবে কষ্ট?”

বিস্তারিত»

শিরোনামহীন শব্দচয়ন…!!!

সুখ দুঃখ নিয়ে এই ছোট্ট জীবনে অনেক ভাবতে হয়েছে আমাকে। সেটা যে কারনেই হোক আমার চিন্তাধারা খুলে যায় ২০০৪ সালে শহীদ ক্যাডেট কোচিং এ থাকাকালীন ভবন-১ এ থাকতে। ৪ তালার হাবিব স্যার এর ফ্ল্যাট এ শুয়ে এক বিকালে বেডমেটের সাথে কথা বলতেসিলাম। রাজীব নাম ছিল ছেলেটার। খুব গরীব পরিবারের ছেলে, শুদ্ধ ভাষায় কথা বলা শিখেনি বলে কারও সাথে তেমন কথা বলত না, আর আমার ডুয়েল পারসোনালিটি ডিসঅর্ডার ছিল আই মীন খুব তাড়াতাড়ি পরিবর্তনশীল ছিলাম বলে আলাদা থাকতাম,তাই আমার বেডমেট হিসাবে স্যার ওকে ঠিক করে দিয়েছিলেন এই ভেবে যে আমিও বেশি কথা বলিনা আর রাজীব ও বলেনা,

বিস্তারিত»

একটি ‘ক্রাশ’ কিংবা অনেকগুলো বিরহের গান..

আমার ক্রাশ খাওয়ার হিস্টোরি বহুত বড়। জীবনে অনেক বার অনেক মেয়ের উপরে ক্রাশ খেয়েছি। সোজা বাংলায় “একতরফা প্রেমে পতিত” হয়েছি। আমি বন্ধুবান্ধবদের সাথে বেশ কথা-বার্তা বলতে পারি, আড্ডা মারায় ওস্তাদ; তা সে ছুটির দিন হোক, আর পরীক্ষার আগের দিনই হোক। কিন্তু মেয়েদের সাথে আমি পুরো উল্টো স্বভাবের। অপরিচিত বা স্বল্প পরিচিত যে কোন মেয়ের সাথে কথা বলতে গেলেই আমার কেন জানি পেটের মধ্যে মোচড়ানো শুরু করে।

বিস্তারিত»

যখন আমি ক্যাডেট ছিলাম(পর্ব ৫)

আইসিসিএলএলএম ও কিছু গোপন দুঃখঃ

 

ছোট বেলা থেকেই মা আমাকে বলতেন, নিজের যা আছে তাই নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা উচিৎ। কম থাকার কারণে আমাকে কখনো কষ্ট পেতে হয়নি, পেতে হয়েছে বেশি থাকার কারণে। ব্যপারটা আরেকটু গুছিয়ে বলি।

মানুষ হিসেবে আমি প্রচণ্ড আবেগী। শৈশবের রঙ্গিন জীবনটা কৈশোরে মোড় নেয়ার সাথে সাথে এই আবেগটা বেশ বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে গিয়েছিলো বৈকি। প্রেম- ভালোবাসা সংক্রান্ত ব্যপারগুলো নিয়ে ভাবার শুরুটা তখন।

বিস্তারিত»

ওয়েস্টার্নঃ ঠান্ডা প্রতিশোধ! (২য় পর্ব)

১ম পর্ব

৩।

ঐ দিন বিকেল বেলা।
ন্যাশ যখন হোটেল থেকে বের হল ততক্ষণে সূর্যের দাপট অনেকটাই কমে এসেছে। ওর পোশাক-পরিচ্ছদ এখন একেবারে পশ্চিমাদের মতনই। শুধু পার্থক্য হচ্ছে কোমরে কোন গানবেল্ট ঝোলানো নেই। এখন ও যে যেদিকে লক্ষ্য করে হাঁটছে শেরিফের অফিসটা সেদিকেই। শেরিফের অফিসের সুইঙ্গিং ডোর ধাক্কা দিতেই ও দেখল শেরিফ একমনে কি সব কাগজ-পত্র পড়ছে।
-হ্যালো শেরিফ।

বিস্তারিত»