সেল ফোনে নতুন অপরিচিত একটা নাম্বার ভেসে উঠে। ফোনটা ধরা মাত্রই পরিচিত গলা। জিজ্ঞাসা করলাম “এইটা কি তোর নতুন নাম্বার?”
“হ্যাঁ।“ সংক্ষিপ্ত উত্তর দিল আমার সেজ ভাইয়ের মেয়ে মানে আমার আপন ভাতিজী। অপর প্রান্ত হতে-
“বন্ধু চাচু, আমার একটা টেস্ট পেপার লাগবে। খুলনাতে সব বইয়ের দোকান অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ। কি এক কারণে তা জানি না।“ আমাকে টেস্ট পেপারের প্রকাশনীর নাম,সাইন্স কি আর্টস,ইত্যাদি বিস্তারিত বুঝাই দিল।
পুরোনো পাতায়ঃ বরফের দেশের গল্প ৯
২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪, মঙ্গলবার রাত বারোটা ৪ মিনিট
সবাই কিছু না কিছু বলছে। কবিতা, গুছিয়ে কিছু মনের কথা। আমি পারছি না। এর আগেও পারি নাই। স্বীকার করতে হবে ২৫শে ফেব্রুয়ারী হত্যাকান্ডের ব্যাপারে আমার মাঝে জোরালো নিস্পৃহা কাজ করে। আজকে বিকালে ক্লাশ শেষে চিন্তা করছিলাম কেন এমনটা হচ্ছে। বিশেষ কোন ঘটনা কি ঘটেছিল? মনে করতে পারলাম না। তবে কি আমার চেনা পরিচিত কেউ প্রাণ হারাননি দেখে এরকম হচ্ছে?
বিস্তারিত»বিপদের বন্ধু বিপ্লব
অনেক দিন আগে একটা কবিতা খুব নাড়া দিয়েছিলো আমাকে। আবছা ভাবে একটু মনে আছে- “তোমাদের হিসেবী খাতায় বীর নেই, শহীদ রয়েছে শুধু” । জীবিতদের মূল্যায়নে বড্ড কৃপন আমরা। তাই কবির আক্ষেপ প্রকাশ কবিতায়। আমার খাতায় কিন্তু বীর আছে-
বিপদের বন্ধু বিপ্লব
কম কথা বলা বিপদের বন্ধু।
দিল খোলা আবু উলা
মোঃ হাসিনুল ইসলাম।
পরলোকগত বন্ধুদের স্মরণে “ক্যাপ্টেন কারজিয়াস” এবং “থ্রি কমরেডস” ভাগ্যক্রমে বেশ জনপ্রিয় হয়েছিলো।
বিস্তারিত»দাসের আত্মকথা
জন্ম জন্মান্তরে কিংবা দেশ দেশান্তরে
ঘুরপাক খাই সেই একই বৃত্তে ।
যেদিকেই যাই গন্তব্য কৃষ্ণগহ্বরের কেন্দ্র।
কেনই বা নয় ?
সেই অনন্যতার টান কে কাটাতে পারে ?
ফোটনের মত হালকা আর চটপটে হলে
একটু সময় নিয়ে আত্মসমর্পন।
ও হো, আমিতো ভুলেই গেছি
সেখানে সময়ও স্থির।
প্রথম জন্মে নিশ্চয় মাকড়সা ছিলাম
রাণীর প্রেমে আত্মবলিদান।
কখনও পুরুষ মথ বা মৌমাছি
সন্তানের মুখ দেখার পূর্বেই মৃত্যু।
পিলখানা
পিলখানা
বিদ্রোহ কি এতই সস্তা ?
মুর্খ আর জালিম !
বর্বরতায় প্রাণ হারালো
মাকসুম উল হাকিম।
কেমন ধারা দাবী দাওয়া
আদায় করতে দরবারে ?
ভাই বন্ধু নেতার প্রাণ
কলংকিত বলাৎকারে !
পিলখানাতে একাত্তর
ফিরে এলো নারকতা !
বাকরুদ্ধ শোকে মোরা
ডুকরে কাঁদে মানবতা !
কাদা ছিটিয়ে ঘোলাপানি
ধরা পড়ে পুঁটিমাছ !
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের থিম সং এবং মিউজিক ভিডিও
গত পরশুই মাত্র থিম সং টি শুনলাম। গানটা ভাল লেগেছে কিন্তু সিক্সটিন সিক্সটিন কেন বলছিল বুঝতে পারছিলাম না। আশাকরি লেখাটা পড়ে এবং গানটা শুনে সিক্সটিন সিক্সটিন কেন বলা হচ্ছিল সেটার উত্তর কেউ দিবেন। যাই হোক সেটা বাদে রেফায়াত আহমেদ ও অনম বিশ্বাসের কথায় এবং ফুয়াদ আল মুক্তাদির ও কৌশিকের সুরে গানটি ভালই লেগেছে যদিও গানের সুর কিংবা গানের কথা বাংলাদেশকে পুরোপুরি রিপ্রেজেন্ট করতে পারেনি। আমরা শত চেষ্টা করেও খাটি বাংলা গান বানাতে পারলাম না।যতটুকু না ঢুকালেই নয় যেমন স্টেডিয়াম কিংবা ক্রিকেট এসব বাদেও আরো ইংরেজীকে ঢুকাতেই হল।
বিস্তারিত»পুরোনো পাতায়ঃ বরফের দেশের গল্প ৮
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪ রবিবার বিকাল ৪টা
ভালোবাসার ফুড প্রসেসরে
যাচ্ছে ‘কেটে’ দিনরাত্রি।
ফিরে এসো গরু হয়ে।
খেয়ে নাও ঘাসটুকু,
জাবর কেটো পরে।
তবু দোহাই লাগে-
কেটোনা মোরে এই
ভালোবাসার ফুড প্রসেসরে।
প্রচারে – মাথা নষ্ট
পেছনের কথাঃ এই ছড়াটা লিখেছি যখন প্রেমিকার সাথে সোভিয়েত রাশিয়া সময়কার স্নায়ু-যুদ্ধের আদলে যুদ্ধ শুরু হলো। কথা বললে উত্তর মিলে না।
বিস্তারিত»টঙ
ধাক্কাধাক্কি করে বাসে উঠা, মানুষের ভীড়ে দম ফেলে বাঁচার আকুলতা, কানের কাছে প্রচণ্ড জোরে হর্ন শুনে মনে মনে চালককে গালি দেয়া, চলন্ত গাড়ির মাঝেই রাস্তা পাড় হওয়া সব ই যেন কতই না গুরুত্ববহ।
টানা পাঁচদিন হরতাল আর দুইদিন সাপ্তাহিক ছুটির জন্য দেরী করে ঘুম থেকে উঠাও হয় না। অথবা ঈদ-পূজার টানা ছুটিও পাওয়া হয় না।
ব্যাস্ত রাস্তায়, মানুষের উপচে পড়া ভীড়ে চলার সময় বন্ধুদের বলা হয় না- দোস্ত দাঁড়া,
বিস্তারিত»সিসিবি আড্ডা (বিজনেস টক) এবং চা-চক্র – আপডেট ফেব্রয়ারী ২৩ (সাময়িক পোস্ট)
আপডেটঃ প্রথমেই দুঃখিত বই উন্মোচন পর্ব অনুষ্ঠিত না হওয়ায়। বিষয়টি আসলেই বেশ হট্টগোল এবং জটঘট প্যাকানো বিষয়। বইমেলার আসলে চারটার পর না যাওয়াই ভালো। অস্বাভাবিক ভীড় হয়ে যায়।
জেট ল্যাগের প্যাঁচে যাতে না পরতে হয় এজন্য আমি যেদিন আসি সেদিনই বের হয়ে যাই। এবারও সাতটায় পৌঁছে বারটায় ঘর থেকে বের হলাম। তারপর বই মেলায় গেলাম। আমার সাথে আরও তিনজন ভার্সিটিতে পড়া মেয়ে ছিল যাদের মধ্যে দুজন এই প্রথম বই মেলায় গেল।
কেমন আছি?
মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ থাকে।
আজ ঘুম ভেঙেছে ভেন্টিলেটরের বাসিন্দা চড়ুইপাখির কল্যাণে। ভোর ৫ টায়। সিলিং ঘেঁষে ওড়ার সময় প্রকৃতির ডাক সে এড়াতে পারেনি। ঠিক মুখের উপর পায়খানা করে দিয়েছে। ( পায়খানা বিষয়ক সিরিজ স্ট্যাটাসের বিরুদ্ধে মৌন প্রতিবাদ সম্ভবত)।
শীত- গ্রীষ্ম সবসময়ই মুড়ি দিয়ে ঘুমানোর কল্যাণে পয়ঃনিষ্কাশিত বর্জ্যের আলিঙ্গন লেপের উপর দিয়ে গেলেও পূতিগন্ধময় নারকীয় দুর্গন্ধটা কিছুতেই এড়ানো গেল না। শুয়ে শুয়েই দিব্যদৃষ্টে দেখলাম পরীক্ষা শেষে রুমে এসে জ্বালিয়ে দিয়েছি চারটা ভেন্টিলেটর,
সহপাঠী বন্ধু
[ একটি বুমেরাং ছড়া ]
বন্ধু আমার বড্ড ব্যস্ত,
ফোন ধরতে পারে না।
মাউস ক্লিকও জমিয়ে রাখে,
অপচয় করে না।
চাষার ছেলে ছিলো আছে
এখনও যে অভাবী।
ফোন ধরতে বয়েই গেছে
করবে বুঝি ধার দাবী।
ছিল বেটা অসামাজিক
বেজায় রকম বিরক্তিকর।
বইয়ের পোকা ছিল বটে
হবে নাকি জ্ঞানধর !
পাঁচটি মোটে নাম্বার আছে
এসিআরে সততায়।
আবারো ফিরে আসা – ০১
শেষ কবে লিখেছিলাম মনে নেই, তাই ভাবলাম চেক করি। কিন্তু চেক করে আর কি? এসেছি ই যখন আবার কিছু লিখি, তাই যা ভাবা তা কাজে করার জন্য বসলাম। এর আগে যখন লিখেছিলাম তখনকার থেকে এখনের সময়ের দুরত্ব যেমন আছে, তেমন আছে ভৌগোলিক দুরত্ব ও। কিসের জন্য যেন মনে হয়, মন যখন অশান্ত থাকে, তখন শান্তকরন কর্মসূচীতে এ ধরনের মনের কথা গুলো বলে ফেলা ভালো কাজে দেয়।
বিস্তারিত»বিষয় বিবর্তনঃ বইয়ের প্রচ্ছদ
১
আমি ব্লগ লিখি। এবং বইও লিখি। ব্লগে ব্লগর ব্লগর করি আর বইয়ে ফিকশন লিখি। সেই ফিকশন পড়ে আমার স্বল্প পরিচিতরা মনে করেন আমি আসলে আমার জীবনকাহিনী লিখছি। পরিচিতরা কিছু বলেন না। কারণ তারা আমার বই পড়েন না। পড়লেও এখন চুপচাপ থাকেন। একজন-দুজন ছাড়া। এর পেছনে একটা কারণ আছে। আমার প্রথম উপন্যাসে এক-দুবার হয়তো প্রকৌশলীদের ঘুষ খাওয়ার কথা উল্লেখ করেছিলাম। আমার পরিবার একটি প্রকৌশলী-অধ্যুসিত পরিবার।
বিস্তারিত»পুবের মানুষ যখন পশ্চিমে – ৮
১
দেশপ্রেমের সংজ্ঞা কী জানিনা তাই ছেলেকে কখনও এই ব্যাপারে শিক্ষা দিতে যাইনি। আর তাছাড়া ছেলের তো আমেরিকান দেশপ্রেম, এই প্রেম আমি শেখাব কেমন করে? একদিন পার্কে বেড়াতে গেলাম। মাঠের একপাশে একটা খালি প্যাকেট পরে ছিল। হয়তো কেউ চিপস খেয়ে ফেলে গেছে। ছেলেকে দেখলাম সে প্যাকেটটা তুলল। ‘ময়লা ধরো না’, আমাকে একথা বলার সুযোগ না দিয়েই ডাস্টবিনের কাছে চলে গেল। তারপর প্যাকেট সেখানে ফেলে দিয়ে হাত ধুয়ে আমার কাছে আসল।
বিস্তারিত»আচ্ছা, একটু বকর বকর করি?
##
কয়েকদিন ধরে অনেক চাপের মধ্যে আছি। পড়াশোনার বিশাল চাপ, সাথে একটু একটু মানসিক চাপ। এক মাসের মত ভার্সিটি বন্ধ থাকার পর ক্লাস খুলেছে এবং আরও এক মাস ক্লাস হয়েছে। সেশন জটের প্যাঁচে পড়ে আমরা মাত্র থার্ড ইয়ারে উঠেছি, অন্য ভার্সিটিতে আমার বন্ধুরা সবাই ফাইনাল ইয়ারে। এইসব জিনিস চিন্তা করলে মাঝে মাঝে একটু খারাপ লাগে, মনের মধ্যে অস্বস্তি লাগে। তবু খুব বেশি পাত্তা দেই না আমি।