এখানে ইচ্ছাগুলো বাক্সবন্দী
বেঁচে থাকা টা কেবল ই ফন্দি।
এখানে ভরদুপুরে আঁধার নামে
ভগবান থাকে নামে -বেনামে।
এখানে রক্ত নেশা রন্ধ্রে রন্ধ্রে
মুখোশ বসানো সবার স্কন্ধে।
এখানে ভোর হয় শুধু রাতের অপেক্ষায়
সর্প নাচে গরুরের ছায়ায়।
এখানে কপটতা গুলো রাখা রাশি রাশি
এখানে তুমি আমি নেই আজো পাশাপাশি।
ছোট গল্পের বড় শিক্ষা!
ছোট গল্পঃ
এক লোকের পাঁচ ছেলে ছিল। কিন্তু ছেলেদের মধ্যে মোটেই সদ্ভাব ছিল না, সব সময় নিজেদের মধ্যে ঝগড়া-মারামারি করত। এটা নিয়ে লোকটির দুঃখের সীমা ছিল না। শেষে তিনি এক বন্ধুর পরামর্শ নেবার কথা ভাবলেন। বন্ধু ঘটনা শুনে বলল, ‘উইয়ার্ড! তোমার মত হুবহু কাহিনী নিয়ে একটা গল্প আছে, সম্ভবত ঈশপের…তুমি গল্পটা থেকে শিক্ষা নিয়ে কাজ করতে পার।’ লোকটা তো খুশি মনে ঈশপের গল্পের বই কিনে দেখলেন আসলেই এই রকম একটি গল্প আছে!
পলাশীর পত্র..
অণুব্লগ লেখালেখি শুরু হয়ে গেছে কয়েকদিন ধরে। আমিও ভাবছিলাম লিখবো কিছু নিয়ে। অনেক কিছুই দেখি আশেপাশে যা নিয়ে বিরক্ত বা চিন্তিত হই। কিন্তু আলসেমি করে লেখা হচ্ছে না। সেদিন মোকাব্বির ভাই বললেন- “মাঝে মাঝে কথা জমলে এইভাবে বাইর কইরা দিবা! তাইলেই হবে! বালটির মাঝে জমায় রাখার কোন মানে নাই! :P”
তাই ভাবলাম আর জমিয়ে রেখে লাভ নাই। কিছু প্যাঁচাল বের করে দেই।
গন্তব্য
এক
তিন টাকা দামের চা আর দুই টাকার ঠোঙা চিনাবাদামের দিন ফুরিয়ে গেছে, এককাপ চায়ের দাম এখন পাঁচ টাকা। অথচ সেই অনুসারে আয় বাড়েনি, রিক্সা ভাড়া বেড়েছে, সবজী-মাংস-মাছের দাম বেড়েছে, বাড়ি ভাড়া বেড়েছে এমনকি পতিতার রেটও বেড়েছে।
সিগারেটে টান দিতে দিতে দেশ ও জাতির জন্য দিল-দরিয়া ভেবে ছারখার করে দিল আলম। উরুর ফাঁকায় আপতত চুলকাচ্ছে, অথচ সামনে একজন হুজুর বসে বসে চা খাচ্ছেন,
আমার প্রথম অণুব্লগ
যাইহোক কোন কারণে মনটা ডাইভার্ট করতে চাচ্ছিলাম। ভাবলাম আমিও অণুব্লগে সামিল হই। বুঝতে পারছি না লেখার বিষয়বস্তু কি হবে। আচ্ছা, সবাইকে স্বার্থপর হবার উপদেশ দিলে কেমন হয়? আগে নিজের ভাল তো জগৎ ভাল। আসলে স্বার্থপর না, একটি অভিযোগহীন জীবন কাটানোর চেষ্ঠা করলে কেমন হয়? অভিযোগ আছে তো সমস্যা লেগেই আছে। মাঝে মধ্যে মনে হয় যে যেরকম তার ঈশ্বরও সেরকম। যার অন্তহীন অভিযোগ, তার ঈশ্বরও তাকে শুধু সমস্যার বাণ নিক্ষেপ করতে থাকে।
বিস্তারিত»Mocha উইথ আ ‘k’ ফ্রম মিশিগানঃ একটি অণু+ প্রকাশনা ১ম সংস্করণ
ব্লগের নামকরণ কৃতজ্ঞতায়ঃ নূপুরদা এবং জুনাদা
বাঙালীর হুজুগ শিল্প।
গতবছর দশ ডলার দিয়ে একটি স্যান্ডউইচ টোস্টার কিনেছিলাম। এরপর এইবেলা, ওইবেলা, সারাবেলা, অবেলা স্যান্ডউইচ চলেছে মাসখানেক। মন খারাপ? স্যান্ডউইচ। উদাস লাগে? স্যান্ডউইচ। দেশে ভালোবাসা নাই? স্যান্ডউইচ।
এবছর গ্রীষ্মে আবিষ্কার করলাম প্যানকেক নামক খাদ্যটি বানানো বেশ সহজ। আবারো সারাবেলা, অবেলা প্যানকেক চললো মাসদুয়েক। শালার করলাম না আজকে রাতের ডিনার বলেই ডিম,
বিস্তারিত»প্রলাপ-১২
আজকাল আর মন ভালো করার কবিতা হয় না।
আজকাল ফুল,প্রজাপতি বা নীলাকাশ
থইথই নদী কি পাহাড়ি অবকাশ –
সব ফেসবুকে চলে গেছে।
বেছে বেছে
কবিতার বই ওল্টাতে হবেনা আর
সমুদ্র কি হ্রদের ওপার
হবেনা দিতে পাড়ি।
তারচে’ ওখানেই চলো,
হ্যাপি হ্যাপি স্টেটাসে
সেলফি তোলো
আজকাল ফেসবুক আমাদের বাড়ি
উৎসর্গ:প্রবরদা।সুহৃদ এবং ভ্রাতা
মন ভালো করা একটা কবিতা খুঁজে দিতে বলেছিলে আজ।
হাইকুগুচ্ছ
হাইকুগুচ্ছ
এক
হোক না যতই অসামাজিক
কিংবা বকলম
আছে ফেসবুক, নো প্রোবলেম।
দুই
সহজ না কি কঠিন?
ভালোবাসা,
স্বেচ্ছায় দাসত্ব বরণ!
তিন
নেইতো আমার বর্তমানের খাতা
তোমরা সবাই খুজছ মিছাই
ভবিষ্যতের পাতা।
চার
Water everywhere,
Albatross round the neck.
Tantalus thirst!
জোকোস ফ্রম ক্যাডেটস ট্রল
০১
কোনো এক কলেজে বজলার নামক এক স্টাফ ছিল…………
তো একদিন প্যারাডে এক ক্যাডেট রে ধরছে…… কজ তার বেল্ট ঢিলা…
……
……
……
বজলারঃ আপনার বেল্ট ঢিলা কেন?????
ক্যাডেটঃ স্টাফ, আমার বেল্ট এর রানার নাই …তাই টাইট হয় না……
বজলারঃ বেল্ট এর রানার না থাকলে কি টাইট করা যায় না?????? আপনে ৫ টা পুশ আপ দেন……….
স্টেটাস এফ বি
এত্তবড় কাঁচি এসে স্টার্ণাম চিরে দিলে
এবারে দেখো – তার স্টেটাস
কেমন লেপ্টে আছে ফেস, বুকে
তদন্তের ময়না কি ক’বে বলো,
ছলোছলো চোখে সে লিখেছিলো –
‘ফিলিং হ্যাপি।
মরিতে চাহে কোন্ উজবুকে’
অণুব্লগ আন্দোলনে আমিও সামিল
আমাদের এইটুকু দিন সূর্যোদয়ের রঙিন ছটা আর দুর্বোধ্য সব ছন্দাবলির অমলিন কারুকাজে আবদ্ধ থেকে যেতো যদি!
হতাশার ঘেঁষাঘেঁষি স্বপ্নগুলো অথচ কাঁচের জারে বন্দী মাছের মতো পাখনা মেলে আশপাশের ভ্রান্তিময় জগতটাকে না-ভালোবেসে-না-পারার অনুভূতি নিয়ে একটু একটু করে মজে না উঠতে’ কলতলায় কলসি-বালতির ধুন্ধুমার লেগে গেছে — মিহিসকালকে থাপ্পড় মেরেছে খাটা পায়খানার হাওয়া; খবর-কাগজে মৃত্যুর চকচকে উদযাপন, বিজ্ঞাপনী অট্টালিকায় ঢেকেযাওয়াজনপদ আড়মোড়া ভেঙে চায়ের টেবিলে চলে এলে আরেকটি মামুলি দিন তার পরিক্রমা শুরুর আগেই মুখ থুবড়ে পড়ে থাকে
গণবিদ্রোহঃ এখন থেকে অণুব্লগ হবে (তারপরেও বেশখানিকটা লিখে ফেললাম)
প্রারম্ভিকাঃ এই সরকার ক্ষমতায় আসার আগে বলেছিল, “আমরা ক্ষমতায় গেলে সিসিবিতে অণুব্লগের জন্য নতুন শাখা খোলা হবে। অণুব্লগকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে, সহজ শর্তে ঋণ দেয়া হবে।” কিন্তু তার কোনটাই এরা পূরণ করে নাই। দিনের পর দিন মন্ত্রনালয়ের দারে দারে ঘুরেছি। আভাসে ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিয়েছে টেকাটুকা ছাড়া গতি নাই। আমি আবহমান গ্রাম-বাঙলার দুস্থ ছাত্র। অর্ধাহারে থাকি। মিশুক ট্যাক্সি চালিয়ে চিকিৎসার টাকা জোগার করতে হয় নাই তবে ভোজনালয় ও প্রাক্ষলন রক্ষনাবেক্ষণ করে দুই-চারটি ডলার কামাই করি।
বিস্তারিত»অপেক্ষার প্রহর
অপেক্ষার প্রহর
সময় থেমে থাকে না,
তাই কমছে চোখের জ্যোতি
কমছে শোনার ক্ষমতা,
স্মরণশক্তি।
কিন্তু তিনি ভোলেন না
মুঠোফোনে চার্জ দিতে
কিংবা কল ধরতে।
তবুও কাটেনা অপেক্ষার প্রহর।
এই তো সে দিন,
আশ্বিণ মাসের মঙ্গলবার।
কয়েক গণ্ডা কাক
আর নেড়ি কুত্তার চিৎকার
ধাপা ধরে এল কানে।
এরই মাঝে চমকে ওঠেন তিনি
মোবাইলের রিংটোনে।
পরিসংখ্যান বা গণিতের ছাত্রদের জন্য একটা দারুণ সুযোগ!
প্রিয় সিসিবিয়ান,
কারো যদি পরিসংখ্যান বা গণিতে আন্ডারগ্র্যাজুয়েশন করা থাকে এবং সে যদি আমেরিকাতে মাস্টারস করতে চায়, তাহলে তার জন্য একটা দারুণ সুযোগ আছে- জিআরই ছাড়া এবং টোফেলে মাত্র ৮০ থাকলেই ভর্তি হওয়ার সুযোগ, তাও আবার ফান্ডসহ!!! ৭/৮ বছরের স্টাডি-ব্রেক থাকলেও মনে হয় অসুবিধা নাই।
এইরকম কেউ থাকলে আমার সাথে যোগাযোগ করার জন্য বলে গেলাম। কমেন্টে নিজের ই-মেইল আড্রেসসহ জানান দিয়ে গেলেই চলবে।
বিস্তারিত»একজন মিজানের গল্প
একটা প্রশ্ন দিয়েই শুরু করি আজ। আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি যে, ক্যাডেট কলেজে সবসময় শুধুমাত্র সফল প্রাক্তন ক্যাডেটদেরই আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়? যারা তাদের ক্যারিয়ার ও জীবনে উজ্জ্বল-তাঁরাই আমাদের রোল মডেল হয়ে থাকেন। হ্যাঁ, স্বাভাবিক; তাঁদের সাফল্য আমরা অনুপ্রাণিত হবো অবশ্যই। কিন্তু এটা কি আমাদের কখনো মনে হয়েছে যে, এমনও ক্যাডেট থাকতে পারে যারা ঠিক ততটা সফল নয়?
বিস্তারিত»
