কিসমত মাড়িয়া মসজিদ

কিসমত মাড়িয়া মসজিদ

ঢাকা রাজশাহী মহাসড়কের পাশে শিবপুর বাজার। রাজশাহী শহর থেকে দূরত্ব প্রায় ২৫ কিমি। শিবপুর বাজারের উত্তর দিকের রাস্তায় কিলো পাঁচেক গেলে পালি বাজার। পালি বাজার থেকে কিলো দুয়েক উত্তর পশ্চিমে কিসমত মাড়িয়া মসজিদ। মুঘল আমলের এই স্থাপনাটি রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর উপজেলার মাড়িয়া ইউনিয়নের কিসমত মাড়িয়া গ্রামে অবস্থিত। মসজিদটির চারপাশে ফসলের ক্ষেত আর বাগান। ২০১২ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারী তারিখে মসজিদটি দেখি।

বিস্তারিত»

আমার বন্ধু লুবনা

কলেজে থাকাকালীন সময়ে আমি কখনই লুবনার প্রিয় বন্ধু ছিলাম না। লুবনা বরং আমাকে মারতো সময় সুযোগ পেলে। মার্চ পাস্ট করে একাডেমিক ব্লকে যাচ্ছি তো লুবনা আমার অক্সফোরড শু খুলে দিলো লাথি মেরে। সাইডে বসে জুতো পরছি, ও এমন একটা লুক দিল যে মনে হতো দেখিস একদিন আমিও… সেই একদিন কখনোই আসে নাই ক্যাডেট কলেজে থাকাকালীন সময়ে। অনেক কারিগরী করে দুই ইঞ্চির একটা বিনুনি করলাম চুলে,

বিস্তারিত»

আলাপনঃ দুই

– বাবার পাঞ্জাবীর নীচে ন্যাপথলিনের সুবাস মাখা একটি বাজুবন্দ সযতনে রাখা আছে এখনো। মায়ের স্মৃতির এই গয়নাটি ঘুমোয় অনন্তের ঘুম আর আমি অনন্ত তৃষ্ণা নিয়ে অপেক্ষা করি তোমার। চায়ের আড্ডায় চকিতে কোন হরিণ চোখে চোখ পড়তেই মনে হতো আহা! এই কি সেই মেয়েগো, যাকে খুঁজে ফিরছি আজন্মকাল?

– একই শহরের আলো হাওয়ায়, একই রোদ জল, রংধনু আর ছুটে যাওয়া তারাদের দেখেই আমাদের বেড়ে ওঠা,

বিস্তারিত»

ঈদ মুবারক (অনুব্লগ)

৪ অক্টোবর ২০১৪। বেলা ৩টা। বাড়ি যাবার জন্য অটো ঠিক করতে বের হচ্ছি । দরজা খুলতেই দেখি, জুতোজোড়া হাওয়া। বাড়ি যাবার আগেই কুরবানি হয়ে গেছে। অগত্যা স্যান্ডেল পায়ে বের হওয়া। বার্মা থেকে আগত এই পাদুকা যুগল অং সান সুকীর মত দীর্ঘ সংগ্রামে ক্লান্ত পরিশ্রান্ত। রাজপথে সারমেয়দলের কার্তিকপূর্ব বেহায়াপনা আর সদন্ত গর্জন। চৌদ্দ হুলের হলাহলশংকামুক্তার্থে ত্রস্ত পদচারণ।অতঃপর কুড়ি কদমদৈর্ঘ্য অতিক্রমের পূর্বেই পটপট শব্দে পাদুকাযুগলের প্রতিবাদী আত্মহনন।

বিস্তারিত»

একরাতে – মিশিগানের পথে

ওই দ্যাখো,
হাইওয়ের শেষে
চাঁদের হঠাৎ উল্লম্ফন!
বুনো ঝাড় আর
দুর্বিনীত-লজ্‌ঝরে ট্রাকের
গা বেয়ে আকাশে
উঠে আসে
একটিমাত্র লাফে’

বিস্তৃত পথ তখন নদী হয়ে গেলে
হরিণেরাও
ত্রস্ত থাকেনা আর।
দী-ঈ-র্ঘ দী-ঈ-র্ঘ পায়
জলাভূমি ঠেলে
এপার ওপার করার
দুর্মর বাসনায়
তাদের চন্দ্রাহত চোখ
খানিক
জুলজুল করে উঠেই –

বিস্তারিত»

টুকরো কবিতা ও গান অথবা জীবন থেকে কেঁটে নেয়া ফ্রেম

আমি তোমার দূরে থাকি কাছে আসবো বলে

অনেকবারের চেষ্টাতেও কখনও তার কথা বলা যায় নি। হয়তো আসলে বলবার মত তেমন কিছু ছিলও না। তার মৃদু সঞ্চারণের পাশে বিকেলের বয়ে চলা দেখেছি প্রতিনিয়তই। এর বেশি কখনও বলতে পারতাম? রবীন্দ্রনাথের গল্পের নায়িকাদের মত বিশেষত্ব তার নেই এই কথা অবশ্য বলা যায়। তারপরেও সে আমার নজরে এসেছিল মূলত তার নির্লিপ্ততার জন্য। তার মধ্যে এক ধরণের পাগলামি ছিল।

বিস্তারিত»

আহ, হিপোক্রেসি!

ব্যক্তিগত ভাবে মানুষের যে দোষগুলিকে সবচেয়ে বেশি ঘৃণা করি তার তালিকায় হিপোক্রেসি একদম উপরের দিকেই থাকবে, সে কারনে সব সময় চেষ্টা করে এসেছি নিজেকে এর মুক্ত রাখতে এবং এই দোষে দোষান্তিত মানুষদের থেকে দূরে থাকতে। কিন্তু এর কোনটিই শতভাগ অর্জন করা সম্ভব হয়নি। নিজে হিপোক্রেসি মুক্ত থাকার আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, কিছুটা হয়ত সফল ও হয়েছি কিন্তু হিপোক্রেটদের থেকে দূরে থাকার প্রচেষ্টায় রীতিমত ব্যর্থ। বাস্তব জীবনে বিভিন্ন অনিবার্য কারনে অনেক হিপোক্রেটদের সাথেই হাসি মুখে কথা বলতে হয় আর ভার্চুয়াল জগতে বন্ধু তালিকায় ছাকনি চালাতে চালাতে ঠগ বাছতে গা উজাড় হবার উপক্রম হলেও খোমাখাতা হিপোক্রেসি ভরপুর।

বিস্তারিত»

আলাপনঃ এক

– এই চুপ! কথা নয় একটিও! শুষে নিতে দাও তোমার গোলাপ ঠোঁটের রঙ

– আহা! যেন খাও নি কখনো! আজই যেন তোমার প্রথম পাঠ?

– খেয়েছি, কিন্তু প্রতিবারই তোমার ঠোঁট নতুন মনে হয়। কখনো শ্রীমঙ্গলের কমলালেবুর মত রসে ভরা, আবার কখনোবা ক্লেমেন্টাইনের মত, আলাদা এক একটা কোষ যেন সযত্নে মোড়া সোনালী রাংতায়। মাধুরী, কী আছে বলো তোমার ঐ ট্যাঞ্জারিন ঠোঁটে?

বিস্তারিত»

একটি স্বপ্ন দৃশ্য

ধান খেতের পাশে ছোট্ট একটা কুঁড়েঘর। রোয়াকে মাদুর পেতে ভাত খেতে দিয়েছ তুমি। সামনে দস্তরখানায় গরম বিরুই চালের ভাত। ধোঁয়া উঠছে। সাথের আয়োজন সামান্যই। টেংরা মাছের ঝোল জলপাই দিয়ে। বৈলর হাটের লাল লাল জাম আলুর ঝাল ঝাল ভর্তা। ছোট একটা পিরিচে আছে কালো জিরা ভর্তাও। আমি বললাম,

তুমি খাবা না? তুমিও বহ আমার লগে।

কিছু না বলে তুমি একটা তালের পাখা নিয়ে হাওয়া করতে বসলে।

বিস্তারিত»

সাড়ে তিন হাত মাটি

সাড়ে তিন হাত মাটি
——————————
কথাঃ বাপ্পী খান
সুর-সংগীতঃ আইউব বাচ্চু
ব্যান্ডঃ এল আর বি
এ্যালবামঃ আমাদের বিস্ময়(১৯৯৭-৯৮)
——————————–

টাকা-কড়ি ধন-সম্পত্তি,
অনেক অনেক বাড়ী-গাড়ী।
ঠিকানার ছড়াছড়ি,
আমি তুমি বাড়াবাড়ি।
মরলে সঙ্গে যাবে না,
কোন কিছুই তোমার অংশীদারী।
ঠিকানা শুধু এক সমাধী,
সাড়ে তিন হাত মাটি।।

সংসারে যুদ্ধ চলে,

বিস্তারিত»

গতকাল রাতে

গতকাল রাতে

গতকাল রাতে বিবেক আমার,
স্বপ্নের কড়া নেড়ে করলো জিগ্গেশ্,
“আমায় ছাড়া আর কতদিন রবে?”
গতকাল রাতে…………………

জানালার পাশে বুদ্ধি আমার,
দুষ্টু হাসির সাহেব
চাইলো ফেরত সবটুকু তার
দেনাপাওনার হিসেব।।
গতকাল রাতে…………………

কার্নিস থেকে হুশিয়ারি দিয়ে,
বললো আমার প্রেম,
“নষ্ট করোনাকো পবিত্রতা,
শেষ বার শুধালেম!”।।
গতকাল রাতে………………..

বিস্তারিত»

একজন পথচারী ও আমিত্ব

এই শুয়ো……. একটা বাজে গালি দিয়ে তার সাথে আরও কিছু…. অকথ্য খিস্তি কেটে গাড়িটাকে এক পাশে সাইড করে রাখলাম। হাইওয়ে রাস্তা এবং যথেষ্ট ফাঁকা থাকার দরুন গাড়িতে মোটামুটি একটু স্পীড দিয়ে ফিরছি আমার গন্তব্য-স্থলে। হটাৎ একজন মাথা নিচু করে পথচারী কোন দিক বিদিক খেয়াল না করে রাস্তা পার হচ্ছে। আমি যথা সম্ভব হর্ন দিয়ে, হেডলাইটের লো-বিম, হাই-বিম দিয়ে সাবধান করতে চাইলাম কিন্তু অল্পের জন্য রক্ষা।

বিস্তারিত»

Amélie, তুমি আজ হেডফোনে পিয়ানো

একর্ডিয়নে হাঁক দিয়ে
রোদেলা দিন কি আনো?

শহরে নেমে’
ওড়নার পিছু পিছু
ফুসলে নিয়ে গেছো
বারান্দার সব প্রজাপতি

‘হোক না কিছু ক্ষতি!’ বলে
মাছবাজার, ময়লার স্তুপ
নর্দমা পেরিয়ে নির্বিকার
হারমোনিকার সুরে মজে
সার্কাসের টিকিট কিনে
পথ হারিয়ে নাজমা ম্যাডামের
ট্রাপিজে চড়তে’
সমস্ত শহর
ভোকাট্টা
ফেঁসে গেছে
সেলফোন টাওয়ারে
চূড়ায় চূড়ায়

তুমি তবে প্রজাপতি-চোর,

বিস্তারিত»

অনেকদিন পর ভাইকিংসঃ রানআউট মুভি সাউন্ডট্র্যাক রিভিউ

প্রায় দুই দশক পর ভাইকিংস যখন ফেরত এলো রক সঙ্গীতের জগতে তখনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম অন্তত ওদের এ্যালবামটি দিয়ে মিউজিক রিভিউ লেখার একটি চেষ্টা করা যেতে পারে। মুক্তির অপেক্ষায় থাকা (সম্ভবত) এ্যাকশানধর্মী চলচিত্র রানআউট-এর সাউন্ডট্র্যাক করার মধ্য দিয়ে ভাইকিংস সঙ্গীত জগতে ফেরত এলে মিশ্র অনুভূতি হয়েছিলঃ রক ব্যান্ড হিসেবে মুভি সাউন্ডট্র্যাক? পার পাবে তো? এ্যালবামের গানগুলো প্রথমবার শোনার পরেই রিভিউটি লিখতে চেয়েছিলাম কিন্তু মাথায় সময়মত গার্ডিয়ান পত্রিকার বিখ্যাত সঙ্গীত সমালোচক এ্যালেক্সিস পেট্রিডিসের একটি উপদেশ ফিলিপস বাতির মত জ্বলে উঠলোঃ মিউজিক রিভিউ লেখার আগে যত বেশী এ্যালবামটি শোনা হবে ততই উত্তম।

বিস্তারিত»