বৃষ্টি নামে, নামে রে!
উপর নিচে, সামনে পিছে
নামে ডাইনে বামে রে!
বৃষ্টি নামে মরচে ধরা রেলিংটাতে
জানলা দিয়ে বাড়িয়ে দেয়া কোমল হাতে
অঝোর ধারায় বৃষ্টি তাড়ায়
দাবদাহকে ঘা মেরে!
বৃষ্টি নামে, নামে রে!
বৃষ্টি নামে, নামে রে!
উপর নিচে, সামনে পিছে
নামে ডাইনে বামে রে!
বৃষ্টি নামে মরচে ধরা রেলিংটাতে
জানলা দিয়ে বাড়িয়ে দেয়া কোমল হাতে
অঝোর ধারায় বৃষ্টি তাড়ায়
দাবদাহকে ঘা মেরে!
বৃষ্টি নামে, নামে রে!
শৈশবে যে মানুষটাকে সবচেয়ে ভয় পেতাম, সাথে সাথে ঘৃণাও করতাম সে আর কেউ নয়, আমার পরম শত্ত্রু; আমার বাবা!!! এই লোকটার চোখ একবার ফাঁকি দিতে পারলে আমার সারা দেহ-মনে এক অনন্য তৃপ্তির ছোঁয়া লাগত। মনে মনে কতবার যে তার অকাল মৃত্যু কামনা করেছি সে কথা ভাবলে এখন সত্যিই খুব হাসি পায়; শিশুমনে কতনা ভাবের উদয় হয়!!!!
ছোটবেলায় সবসময় তোমাকে মূর্তিমান আতঙ্ক হিসেবে দেখেছি,যাকে দেখে আমাদের বাড়ির সব ছেলে-মেয়ে সবসময় ভয়ে কাঁপে।পড়ার সময় তোমার ছায়া টের পেলে তাদের মুখদিয়ে ফেনা উঠে যায়,
বিস্তারিত»গ্রুপ সিঃ কলম্বিয়া বনাম গ্রীস
বাংলাদেশ সময়ঃ রাত দশটা
ভেন্যুঃ এস্তাডিও মিনিরাও, বেলো হরাইজেন্তে
রেফারিঃ মার্ক গেইজার (যুক্তরাষ্ট্র)
ম্যানেজারঃ হোসে পেকারম্যান (কলম্বিয়া), ফার্নান্দো সান্তোজ (গ্রীস)
সম্ভাব্য একাদশ ও ফর্মেশনঃ
দলের খবরঃ হাঁটুর আঘাতের কারনে অনুপস্থিত ফ্যালকাও এর বদলে কলম্বিয়া দলের আক্রমন ভাগের দায়িত্ব থাকবে আর্জেন্টিনার ক্লাব রিভার প্লেটের হয়ে খেলা তেফিলো গুটিরেজ এর উপর।
বিস্তারিত»কঠোর ‘শৃঙ্খলা’ আর ‘নিয়মানুবর্তিতায়’ পরিচালিত ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজে সেদিন স্বাভাবিক আর সাতটা দিনের মতই সকালটা শুরু হল ক্যাডেটদের পিটি, স্টাফদের চিৎকার আর বাঁশির কর্কশ ধ্বনিতে। সবই স্বাভাবিক। শুধু ৪৭টা প্রাণ সেদিন সুদীর্ঘ নিঃশ্বাস বুকে এই নিত্য নৈমিত্তিক আনুষ্ঠানিকতার দর্শক মাত্র। ৪৪ তম ইনটেকের ৪৭ জোড়া ভেজা চোখ সেদিন শুধু সময়চোরা সূর্যের দিকে তাকিয়ে ব্যর্থ হাহাকাররত।
তারপর থেকেই দিনটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। সেদিন ব্রেকফাস্টের জন্য কোন তাড়া ছিল না।
বিস্তারিত»গ্রুপ এঃ ব্রাজিল বনাম ক্রোয়েশিয়া
ভেন্যুঃ এরেনা করিন্থিয়ান্স, সাও পাওলো
বাজির দরঃ ব্রাজিল ১/৩, ড্র ৪/১, ক্রোয়েশিয়া ৮/১
রেফারিঃ ইউশি নিশিমুরা, জাপান
ম্যানেজারঃ
ব্রাজিল- লুই ফিলিপ স্কোলারি
ক্রোয়েশিয়া- নিকো কোভাক
দলের খবরঃ
নেইমারের গোঁড়ালির ইঞ্জুরি ব্রাজিলসহ সারা পৃথিবীর ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের চিন্তায় রাখলেও শেষ খবর পাওয়া অনুযায়ী উনি সেরে উঠেছেন। ফলে স্কোলারির টিপিক্যাল ৪-২-৩-১ ফরমেশন নেইমারকে বামে রেখে গেম প্ল্যানে কোন পরিবর্তন আপাতত করতে হচ্ছে না।
এক
আমাদের একজন জনৈক সিনিয়র ভাই ছিলেন যিনি পৃথিবীর কোন কিছু সম্পর্কেই খোঁজ খবর রাখতেন না। আমরা তাকে বলতাম, সংযোগ বিছিন্ন মানুষ। যেমন ডাইনিং হলে খাবার খাওয়ার সময় প্রায়ই তার পোষাকে তরকারির ঝোল লেগে থাকতো। তার সহপাঠীরা অনেকেই মজা করে বলতো, কি রে তুই খেয়েছিস না তোর শার্ট খেয়েছে?
বেচারা অসহায় ভঙ্গিতে উত্তর দিত, দুটোই। হাতে ঘড়ি পড়লেও তিনি অন্যদের কাছে সময় জিজ্ঞেস করতেন।
ব্রিটিশ আমলে ফিরিঙ্গি ঠেঙ্গান রিয়াছত উল্লাহ সরকার। ছেফাত উল্লাহ সরকার, গ্রামঃ মাড়িয়া, থানাঃ বাগাতিপাড়া, মহকুমাঃ নাটোর, জেলাঃ রাজসাহীর ২য় পুত্র তিনি।দেখতে রাজপুত্রের মতই ছিলেন তিনি।সোনার মত গায়ের রং। বাঘের মত চেহারা।মতির মত চোখ। অসুরের মত শক্তি। দারুণ মেজাজী।দোর্দন্ড প্রতাপ। দুহাতে রোজগার করেছেন, দেদার খরচ করেছেন।অত্যন্ত অতিথি বৎসল।রাজকীয় চালচলন। তাই সংসারে শ্রীবৃদ্ধি ঘটেনি। সব সময় ইয়ার বন্ধু পরিবেষ্টিত থেকেছেন। সুতরাং এজাতীয় কিছু দোষে দুষ্টও ছিলেন।একটু খোলাসা করেই বলি।তখনকার সম্ভ্রান্ত লোকদের মত পান করার অভ্যাস ছিল।
বিস্তারিত»টানটা কিছুটা রক্তের আর কিছুটা পরিবেশগত ভাবে পাওয়া। তবে সেই টানের রেশ রক্তের স্রোতে সব সময় টের পাই সময়ে কিংবা অসময়ে। সেই টান খেলাধূলার প্রতি টান এবং আমাদের জেনারেশনের জন্য বললে আরো স্পেসিফিক হয়ে যায় ফুটবলের প্রতি টান। যেই সময়ে এই টানের শুরু সেটা প্রায় দুই যুগ আগের গল্প। যখন ঢাকা শহর কিংবা তার পাশ ঘেষে শহরতলীর যে জায়গাতে আমার বাড়ি, এখনকার মত পুরো মাত্রায় ধূলো ধোঁয়ায় ধূসরিত হয়ে উঠে নি।
বিস্তারিত»২০০৬ এর কোন একটা সময়। কাঁধের ওপর ততদিনে উঠে গেছে তিন স্ট্রাইপ। গেমস টাইমে খেলা,ব্লক ক্রিকেট, আম-কাঁঠাল চুরি, স্যারদের টিজ করা আর ক্লাস বাঙ্ক মারা। জীবন যাপন মোটামুটি এ কয়টা জিনিসের মাঝেই আটকে আছে। পিঠের কাছে সদ্য গজানো পাঙ্খা নিয়ে ইকারাসের দূর সম্পর্কের চাচাত ভাই ভাবা শুরু করেছি নিজেদের।
সামনে একমাত্র বড় ইভেন্ট বলতে ফুটবল বিশ্বকাপ। হিসেব কষে দেখলাম ক্যাডেট লাইফে আর কোন বিশ্বকাপ পাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।
বিস্তারিত»স্টেশনে আমি পৌছালাম শেষরাতের দিকে,
বহু পুরনো ঠিকানা আমার,
জানতাম না আবার ফিরে আসতে পারবো কিনা;
হোক না অন্যভাবে, তবু এসেছি আমি আবার।
রফিক চাচা, হোসেন আর কামাল এসেছে-
আমাকে নিয়ে যেতে,
অনেক চেনা জায়গা এটা; তবু এসেছে ওরা।
কারণ, আসতে হয়।
আমাকে নিয়ে এগুতে থাকে ওরা-
সামনেই নতুনবাজারের মোড়।
হাহ, নতুনবাজার!
৬০-৭০ বছরের পুরনো বাজার।
বিশ্বকাপ এক উন্মাদনার নাম ;বিশ্বব্যাপী আরাধ্য ভালবাসার নাম । টুকরো টুকরো জ্বলজ্বলে সব স্মৃতি নিয়ে আর মাত্র কয়েকদিনেই হাজির হচ্ছে বিশ্বকাপ ২০১৪। সপ্তম বারের মত হাজির হবে মানসপটে, মনের আনাচে কানাচে লুকানো স্মৃতির ঝাঁপি খুলে বসবার এখনই সময় । সত্যি বলতে কোন বিশ্বকাপের সবগুলো ম্যাচ তো দেখা হয় ই নি – এমনকি সিংহভাগও না । কারণ বিভিন্ন, কিন্তু মূল সুর অভিন্ন। না দেখার কষ্ট, আর যেটুকু দেখা তার তীব্র আনন্দ কিংবা হতাশা ।
বিস্তারিত»১/ তখন ক্লাস এইটে। ২২৬ নাম্বার রুমে থাকি আমি,নাহিদ আর রিয়াজ। তো নাহিদ হইলো সেই লেভেলের নিশাচর প্রানী, কাজেই ওর একটা অভ্যাস আছিল বিশেষ করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘুমানো নইলে অন্যান্য দিন হলে প্রেপের পরেই এসে ঘুমানো আর লাইটস অফের পরে উঠে সারা রাত জেগে পড়া (সাথে বাকি সব কিছু ফ্রি, ওইটা না বলি)। আমার কাজ ছিল লাইটস অফের সময় ঘুমানোর আগে ওকে ডেকে দেয়া। এদিকে আমার আর রিয়াজের অভ্যাস ছিল যে আমরা মশারীর নিচে ঘুমাইতে পারতাম না কাজেই লাইটস অফের সময় শুধু কোনার বেডের জানালার পাশের মশারী ঝুলত আর আমি মশারি খুলেই ঘুমাতাম।
বিস্তারিত»হাতেম আলী নামে আব্বার একজন বন্ধু ছিলেন- তাঁর দেশের বাড়ি কোথায় এ মুহূর্তে আমার স্মরণে নাই। এটা মনে আছে যে, প্রায়ই তিনি রাজশাহীতে আমাদের শালবাগানের বাসায় আসতেন। তিনি এসব গল্প করতেন যে, বাড়িতে তাঁর আমার বয়সী দুই ছেলে আছে- যারা চূড়ান্ত ত্যাঁদড়। তাঁরা দিনভর গ্রামের রাস্তায় হাতেপায়ে ধুলো মেখে মার্বেল খেলে বেড়ায়। ছেলেদুটির বিদ্যার রেখা খুব বেশীদূর এগুবেনা- সেটা নিয়ে হাতেম আলীর চিন্তার শেষ ছিল না।
বিস্তারিত»সাল ২০০২,চতুর্থ শ্রেনীতে পড়ি।খেলাধুলা বলতে ক্রিকেট কেই বুঝতাম,ফুটবল অত দেখা হইতো না।ক্রিকেট কে এতই ভালবাসতাম যে বাসায় ডিশ ছিল না দেখে সারাদিন কানের কাছে রেডিও নিয়ে ঘুরতাম স্কোর জানার জন্য।কিছুদিনের মধ্যে দেখলাম বাসার আশেপাশে ব্রাজিল,আর্জেন্টিনার পতাকা ঝুলানো হচ্ছে বুঝতে বাকি রইলো না বিশ্বকাপ শুরু হতে যাচ্ছে।বাসায় আব্বু,চাচাতো ভাই সবাই আর্জেন্টিনার সাপোর্টার আমি তখন ও কোন টিম সাপোর্ট করা শুরু করিনি।
আমি প্রাইভেট পড়তাম বাসার থেকে একটু দূরে স্যার এর ছেলে ছিল না ছিল একটা মেয়ে তখন মনে হয় ক্লাস ১২ এ পড়তো তাই স্যারের বাজার করা,দোকানে যাওয়া এগুলা আমাদের দিয়েই করাইতো।
মার্টিন নিমোলার সেই বিখ্যাত As they came… সাথে আমরা মোটামুটি সবাই পরিচিত। প্রথমে জার্মান ভাষায় লেখা হলেও পরবর্তিতে তা বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে। এটির বাংলা অনুবাদ/ভাবানুবাদ অনেকটা এরকম-
যখন নাৎসীরা কমিউনিষ্টদের
হত্যার জন্য এসেছিলো
আমি তখন নিরব ছিলাম
কারন আমি নিজে
কমিউনিষ্ট ছিলাম না।
যখন তারা গণতন্ত্রীদের
কারাগারে নিক্ষেপ করলো
আমি তখনও নিরব ছিলাম
কারণ আমি গণতন্ত্রী ছিলাম না।