আমরা হয় “A”লীগ বা “B”দল এর লোক। কিন্ত কজন আমরা বুকে হাত রেখে বলতে পারি, যে, আমরা আসলে কোন কারো দায়বদ্ধ নই। নিরপেক্ষতার সংজ্ঞা বুঝি এভাবেই বদলে যাবে। আমিও কিন্ত নিরপেক্ষ নই। আমি শুধু আমার কলিজা আর পরানের পরাণ বাংলাদেশের পক্ষে। দেশে জন্য ক্ষতিকর সব কিছুই আমার জন্য বিরক্তিকর। আর দেশের জন্য সুখকর সবটাতেই আমার নিখাদ আনন্দ। আজকাল আনন্দিত হতে পারি না, বিরক্তিতে BP 100-140,
বিস্তারিত»মোল্লা নাসিরুদ্দিনের গল্প- উপদেশমূলক
অন্যের প্রতি অন্ধত্বের চেয়ে নিজের প্রতি অন্ধত্ব অনেক বেশী খারাপ। আপনি যা ভাবছেন সেটা যে সঠিক এমনটা ভাববেন না।
মোল্লা নাসিরুদ্দিনের একটি গল্প পড়ুন।
শিকারে বেরিয়ে পথে প্রথমেই মোল্লা নাসিরুদ্দিনের সামনে পড়ে রাজামশাই খেপে উঠলেন আর বললেন-
‘লোকটা অপয়া। আজ আমার শিকার পণ্ড হল। ওকে চাবকে হটিয়ে দাও।’
রাজার হুকুম তামিল হল এবং মোল্লাকে যথারীতি চাবকানো হল।ঐ দিকে রাজার শিকার হল জবরদস্ত।
বিস্তারিত»মিরাজ
আমার প্রেম এখনো থমকে আছে কাঁধ ছুঁই ছুঁই চুলে!
দেড়শ বছরের পুরনো এই শহরে এখনো যুবকের কাঁধ অবধি ঝাঁকড়া চুল দেখলে
চমকে উঠি।
গলার স্বর নামিয়ে বলতে ইচ্ছে করে, এই শোন!!
বিস্তারিত»নিরাপদ অণুব্লগ
১
আমি মানুষটা সবসময়ই একটা এ্যডভেন্চারাস টাইপের। একটু ঝুঁকিপ্রবণ। আমার কাছের মানুষ, বন্ধুবান্ধবকে জিজ্ঞেস করলে সবাই এক বাক্য তা স্বীকার করবে। ধ্যাৎ লেখাটার শুরুতেই কেমন জানি আমি আমি টাইপ হয়ে যাচ্ছে। আসলে যে কথাটা বলতে চাচ্ছিলাম তা হলো এই চ্ল্লিশোর্ধ বয়সে এসেও আমার স্বভাবটা বদলে যায়নি। জীবনের ব্যাপারে আমি একইভাবে প্যাশনেট, উচ্ছ্ব্সিত এবং স্বাপ্নিক। সেদিন বসে বসে ভাবছিলাম গত দশকে আমার সবচেয়ে বড় অর্জন কী আর আগামী দশকে অগ্রাধীকারের ভিত্তিতে সবচেয়ে প্রধান লক্ষ্যমাত্রা কী।
ফুটবল বিষয়ক ক্যাডেটীয় (অণু) ছোট ব্লগ
ক্যাডেট কলেজে বিভিন্ন পার্টি থাকে। এইসব পার্টি একেকটা ফ্র্যাটার্নিটির মত। স্মোকার পার্টি, কলেজ পালানো পার্টি, ডেয়ারিং পার্টি, প্রেমিক (মোবাইল ফোন)পার্টি আরো কত কি । আমাদের সময় অন্যতম বড় একটা পার্টি ছিল ফুটবল পার্টি! এই পার্টির গর্বিত মেম্বার ছিলাম কলেজে। কলেজে আমাদের কিছু কর্মকান্ডের বর্ণনা দিচ্ছি :
১) দিন রাত ফুটবল নিয়া গঠনমূলক আলোচনা করা। বিভিন্ন টিমের ফর্মেশন নিয়ে বিশ্লেষণ ধর্মী আলোচনা করে প্রেপ টাইমকে কাজে লাগানো।
বিস্তারিত»ফেইসবুকে রুচি চানাচুর মেলে না তাই সিসিবির দরজায়।
(১) বাড়ছে টিউশন ফি, বাড়ছে ইন্সুরেন্সের প্রিমিয়াম এদিকে গাছ কেটে বসানো হয়েছে প্রমাণ সাইজের এক হাস্কি। জায়গার নাম হাস্কি প্লাজা।
এই নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। তবে অামি মজা লুটে যাচ্ছি। মিশিগান টেক বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্কট হলো এই হাস্কি। দেখতে নেকড়ের মত (সম্ভবত নেকড়ের দূরসম্পর্কের আত্মীয়) এই কুকুর ভবিষ্যতে পালার বড় ইচ্ছে।
(২) হাটাচলার রাস্তায় বেশী নকশা করতে নেই।
বিস্তারিত»সবই দেখি তা না-না-না!
জাত গেল জাত গেল বলে
একি আজব কারখানা
সত্য কাজে কেউ নয় রাজি
সবই দেখি তা না-না-না।
লালনের গান বা তার দর্শন বোঝার ক্ষমতা হয়ে ওঠেনি পুরোপুরি। কিন্তু কিছু কিছু গানের কথা মাঝে মাঝে দারুন ভাবে প্রভাবিত করে। এই গানটা তার মাঝে একটা। ইদানিং কালে আমাদের ধর্মানুভূতির নাজুকতা দেখে। গানের মূল ভাবের সাথে সেটা কত দূর যায় জানি না, তবে বিশেষ করে প্রথম চার লাইনের সাথে খুব মিল পাই।
বিস্তারিত»চার্চ, শুঁড়িখানা ও অশনির সংকেত
গল্পটা মোটামুটি এরকম – একদিন এক চার্চের ঠিক সামনেই একটা শুঁড়িখানা চালু হল। এহেন দুষ্কর্মে ক্ষুব্ধ হয়ে চার্চের পাদ্রি-পুরুতগন দিন রাত ওই শুঁড়িখানার বিরুদ্ধে ঈশ্বরের কাছে নালিশ দিয়ে প্রার্থনা করতে লাগলেন। তাঁদের লাগাতার বদ-দোয়ার কারনেই হোক কিংবা নিছক কাকতালীয়ভাবেই হোক, কয়েকদিন পরেই বজ্রপাত হয়ে শুঁড়িখানাটি পুড়ে ধ্বংস হয়ে যায়। তখন শুঁড়িখানার মালিক আদালতে গিয়ে চার্চ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিল। সে বলল, শুঁড়িখানার বিরুদ্ধে এই চার্চের পাদ্রি-পুরুতদের প্রার্থনার কারনেই সেটি ধ্বংস হয়ে গেছে।
বিস্তারিত»সিসিবি জমজমাট!
জীবনের মানে…………………

জীবনের মানে
————-
————-
কথাঃ বাপ্পী খান
সুর-সংগীতঃ আইউব বাচ্চু
শিল্পী-ব্যান্ডঃ এল.আর.বি
এ্যালবামঃ ডাবল এ্যালবাম (১৯৯২)
——————————-
——————————–
জীবনের মানে আমি পাইনিতো খুঁজে,
আমার দুচোখ তাই অভিধান খোঁজে।
আমি সারাদিন যারে কাছে পাই,
জানতে চেয়ে পাইনা জবাব ফিরে চলে যাই।
একদিন দেখা হলো সময়ের সাথে,
একটি প্রশ্ন আমি রেখেছিনু তারে।
চট্টগ্রাম-ঢাকা-চট্টগ্রাম
এবারের ঈদ ছিল আমার জন্য ঘুমানোর ঈদ। চাকরীর বিড়ম্বনায় ভোর পাঁচটায় দিন শুরু করে তারপর প্রায় পুরোদিনই ঘুমিয়ে কেটেছে। ঈদের পরের দিন বেশ অপ্রত্যাশিতভাবে ছুটি পেয়ে যাওয়ায় তড়িঘড়ি করে ছুটলাম বাস কাউন্টারে। উদ্দেশ্য প্রথম যে বাস পাবো সেটা চড়েই ঢাকায় যাত্রা। ভাগ্যে মিললো এমন এক বাস যার সড়ক পথেই উড়িয়ে নিয়ে যাবার বিশেষ সুনাম(?) আছে। শেষবার এই বাসে চড়েছিলাম প্রায় ১০ বছর আগে, সেবারো ঈদের পরের দিন,
বিস্তারিত»জাতিসঙ্ঘে ইন্ডিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বাংলায় ভাষণ দেয়া উচিত
ইন্ডিয়ার প্রধানমন্ত্রী মিঃ মোদী এবার জাতিসঙ্ঘে হিন্দিতে ভাষণ দিয়েছেন। উপমহাদেশের একটি অন্যতম ভাষাকে বিশ্বসমাজে তুলে ধরার জন্য আমি তাঁকে সাধুবাদ জানাই। কিন্তু আমার প্রশ্ন হল হিন্দিতে কেন? বাংলায় কেন নয়?
ভিন্ন ভিন্ন মাত্রার অনেকগুলি বৈশিষ্ট্য দিয়ে একটি রাষ্ট্রের নিজস্ব আইডেন্টিটি তৈরি হয়। রাষ্ট্রের সকল নাগরিকেরই উচিত যাঁর যাঁর অবস্থান থেকে তাঁদের সেই আইডেন্টিটি গুলোকে সমুন্নত করা। এগুলোর মধ্যে কয়েকটি আছে ভাষা সম্পর্কিত, যেমন, রাষ্ট্রভাষা,
কিসমত মাড়িয়া মসজিদ
কিসমত মাড়িয়া মসজিদ
ঢাকা রাজশাহী মহাসড়কের পাশে শিবপুর বাজার। রাজশাহী শহর থেকে দূরত্ব প্রায় ২৫ কিমি। শিবপুর বাজারের উত্তর দিকের রাস্তায় কিলো পাঁচেক গেলে পালি বাজার। পালি বাজার থেকে কিলো দুয়েক উত্তর পশ্চিমে কিসমত মাড়িয়া মসজিদ। মুঘল আমলের এই স্থাপনাটি রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর উপজেলার মাড়িয়া ইউনিয়নের কিসমত মাড়িয়া গ্রামে অবস্থিত। মসজিদটির চারপাশে ফসলের ক্ষেত আর বাগান। ২০১২ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারী তারিখে মসজিদটি দেখি।
বিস্তারিত»আমার বন্ধু লুবনা
কলেজে থাকাকালীন সময়ে আমি কখনই লুবনার প্রিয় বন্ধু ছিলাম না। লুবনা বরং আমাকে মারতো সময় সুযোগ পেলে। মার্চ পাস্ট করে একাডেমিক ব্লকে যাচ্ছি তো লুবনা আমার অক্সফোরড শু খুলে দিলো লাথি মেরে। সাইডে বসে জুতো পরছি, ও এমন একটা লুক দিল যে মনে হতো দেখিস একদিন আমিও… সেই একদিন কখনোই আসে নাই ক্যাডেট কলেজে থাকাকালীন সময়ে। অনেক কারিগরী করে দুই ইঞ্চির একটা বিনুনি করলাম চুলে,
বিস্তারিত»আলাপনঃ দুই
– বাবার পাঞ্জাবীর নীচে ন্যাপথলিনের সুবাস মাখা একটি বাজুবন্দ সযতনে রাখা আছে এখনো। মায়ের স্মৃতির এই গয়নাটি ঘুমোয় অনন্তের ঘুম আর আমি অনন্ত তৃষ্ণা নিয়ে অপেক্ষা করি তোমার। চায়ের আড্ডায় চকিতে কোন হরিণ চোখে চোখ পড়তেই মনে হতো আহা! এই কি সেই মেয়েগো, যাকে খুঁজে ফিরছি আজন্মকাল?
– একই শহরের আলো হাওয়ায়, একই রোদ জল, রংধনু আর ছুটে যাওয়া তারাদের দেখেই আমাদের বেড়ে ওঠা,
বিস্তারিত»