ডায়ালগ মাসালা (সিলেট পর্ব)

সিলেট ক্যাডেট কলেজের ডায়ালগ এবং তার সাথে সংশ্লিষ্ট কিছু ঘটনা । সব যে আমার সামনেই হয়েছে তা নয়। অনেকগুলা আমার শোনা। তেমন একটা দিয়ে শুরু করি। রাখাল স্যার কে অনেকেই চিনে ফেলেছে। এক রাখাল স্যার কে দিয়েই একটা ব্লগ সাইট বানানো যাবে বলে তাকে যারা দেখেছে তাদের ধারণা। আমার সেই সৌভাগ্য (?) হয়নি। আমার ছোটভাই (রায়হান, স.ক.ক) রা পেয়েছিল ওনাকে। তার মুখে শোনা…

বিস্তারিত»

টিজ নেম

ক্যাডেট কলেজের সবচেয়ে অবিচ্ছেদ্য অংশ টিজ নেম। ক্লাস সেভেনের প্রথম কয়েকদিন বাদ দিলে বাকি ৬ বছরের প্রতিটা সময় মনে হয় টিজ নেম বানান ওইটার modification আর নতুন নতুন শানে নুযূল সহ নাম এ ছাড়া ক্যাডেট দের ভাত হজম হয়না। এখানে সিলেটের কিছু টিজ নেম এবং যতটা মনে আছে শানে নুযূল দিলাম।

বিস্তারিত»

বন্ড

যেহেতু এটা আমার প্রথম লিখা তাই লিখার আগে একটু কথা বলে নেই। এক সিনিয়র ভাইয়ার কাছ থেকে এটার খবর পেয়ে এসে পরীক্ষার মাঝে এসেও ৩ ঘন্টা লাগিয়ে দিলাম পুরান ব্লগ গুলো পড়তে। সত্যি কথা এদের কে বলতে ইচ্ছা করছিল গেমস এর পর ক্যান্টিন এ আসিস একটা কোক খাইয়ে দিব। (ক্যাডেট মাত্রই জানার কথা গেমস এর ১ ঘন্টা কাটিয়ে ক্যান্টিন এর বরফ হয়ে যাওয়ার একটু আগের কোক কি জিনিস) ।

বিস্তারিত»

আজাইরা প্যাচাল ০১

ক্যাডেট কলেজের ছেলেদের অনায়াসে দুই ভাগে ভাগ করে দেয়া যায়। একদল যাদের লক্ষ থাকে প্রচণ্ড বিদ্বান হবার, এই জন্য তারা ত্রিকোণমিতির এসএউ আহমেদের বইয়ের পাশাপাশি হারুনুর রশীদের বইও সমাধানের চেষ্টা চালায়। বাকিদের ‘চির উন্নত মম শির’, মানে হাঁটু-বাহিনীতে যোগ দেয়া আর কি। এই পার্টি পড়ালেখা বাদে কলেজের অনান্য সকল কাজে আত্মনিয়োগ করে। স্যারদের টিজ করা, কোন ফ্রেন্ড কোনদিন ভুল করে কোন শব্দ উচ্চারণ করেছে তা নোট করে বাকিদের জানান দেয়া,

বিস্তারিত»

ডায়লগ মাসালা (মেড ইন কুমিল্লা)

# “পাখিটাকে কি বাতাস খাওয়াচ্ছো?”
-রাজ্জাক স্টাফ জনৈক ক্যাডেটের প্যান্টের জিপার খোলা দেখে

# “এই ছেলেরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কি করছো? ব্যাগের উপর বাস উঠাও।”
-রসায়নের রফিক স্যার

বিস্তারিত»

স্বপ্নহন্তা

ক্লাস নাইনে উঠেছি কেবল। জানুয়ারি মাস হবে। বুঝলাম আমাকে কেউ ফাঁসিয়ে দিয়েছে। এক অল্টারনেট সিনিয়রের কাছে। বুঝতে হল কারণ, কোন প্রমাণ ছিল না। কেউ জানে না কে বলেছে, কিন্তু আমাদের হাউজের জনৈক অল্টারনেট সিনিয়র জেনেছেন, আমার হাতের লেখা নাকি ভাল। অল্টারনেট সিনিয়ররা তখন এসএসসি ক্যান্ডিডেট। পরীক্ষার চাপ আর রচনা নোট করার কাল। নোটের কাজটা আমাকে দিয়ে সারিয়ে নিতে মনস্থ করলেন তিনি। একটা বড় সাইজের কলেজ খাতা ধরিয়ে দিলেন,

বিস্তারিত»

লাভ ক্ষতি

বাইরে অনেকে জিজ্ঞেস করত কোথায় পড়ি, উত্তর যখন দিতাম প্রশ্নকর্তার সমীহ পেতাম। মনের অজান্তেই তৃপ্তি ভর করত মনে। আমি অন্যদের কথা জানি না কিন্তু আমার কথা বললে আমি বলব আমার ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হওয়ার ইচ্ছা হয়েছিল টিভিতে ক্যাডেটদের ডিবেট দেখে আর প্রতি বছর এস.এস.সি আর এইচ.এস.সি রেজাল্টের দিন পত্রিকায় ইউনিফর্ম পরা ক্যাডেটদের ছবি দেখে। ছোট্ট মনে কি খেয়াল হয়েছিল কে জানে? আমি মোটেও ভাল গোছের কোন ছাত্র ছিলাম না,

বিস্তারিত»

যে হাসি ঠোঁটেই শুকিয়ে যায়

নাম ছাড়া কোন মানুষ হয়না। যেমন হয়না বিশেষত্ব ছাড়াও। ক্যাডেট কলেজের টীচারদের দেখলে সেটা আরো ভাল করে বোঝা যায়। বিশেষত্ব অনুযায়ী নামকরণ ক্যাডেট কলেজে অনেকটা ফরজের পর্যায়েই পড়ে। সেই সব বিশেষণ একত্রিত করা হলে দুই তিনটা বাংলা গ্রামার বই মার্কেটে ছাড়া কোন ব্যাপারই না।উপযুক্ত নামকরণের বেলায় কারো ছাড়ন নাই। সে রাশভারী চেহারার কোন শিক্ষকই হোক কিংবা পাশের বেড এর জিগরি দোস্তই হোক।

ক্লাস ইলেভেন এর কথা।হঠাৎ শোনা গেল আমাদের ভিপি স্যার(ভাইস প্রিন্সিপাল) বদলি হতে যাচ্ছেন।

বিস্তারিত»

কিছু চিঠি… আর… কিছু স্মৃতি

“Cadet no-1976, Fall Out….”
আমার ছয় বছরের ক্যাডেট জীবনে শুনতে চাওয়া সবচেয়ে প্রিয় এবং আকাঙ্ক্ষিত শব্দগুলোর মধ্যে এটি লিস্টির একেবারে উপরের দিকেই লটকে থাকবে।

আমি ছেলে হিসেবে খুব বেশি সাহসী নই।অতি নিরীহ জীব। কারো সাতেও নাই,পাঁচেও নাই।আর সব ডেয়ারিং ক্লাসমেট এর মত বেসম্ভব মাইর কিংবা পানিশমেন্ট খেয়ে কিছুই হয়নাই এমন ভাব নিয়ে ঘুরে বেড়াতে পারিনাই কোনদিন।জানালার পাশের বেড পাওয়ার সৌভাগ্য আমার জুনিয়র ক্লাস থেকেই বাড়াবাড়ি রকমের ছিল।সেই অনুযায়ী আমার সিনিয়রদের ডাকাডাকি শুনতে শুনতে অভ্যস্ত হয়ে যাবার কথা।কিন্তু কোন কারণে তা’

বিস্তারিত»

ঘুমরঙ্গ

আমাদের ক্লাস নাইন আর টেনে জ্যামিতি পড়াতেন যিনি, তাঁর বিখ্যাত “চাপ”-এর কথা আমাদের কলেজের সবারি জানা। সবার কাছেই ভয়ের আর বিরক্তিকর নাম। স্যারের ক্লাসে ঘুমানোর সাহস ত দূরে থাক তাঁর ধারে কাছে কেউ ঘেঁষত না পারতপহ্মে, আমিও পারলে তাই করতাম। কিন্তু আমার কপালে অন্য কিছু ছিল।ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হয়ে আমি পাঁচ মিনিট টাইম পাইলেও ঘুমানোর ট্রেনিং পাই।

বিস্তারিত»

কেন আমি ঋণী?

ক্যাডেট কলেজের কাছে ঋণের কথাই বলছি। গত কয়েক দিন ধরে ভেবে বেশ কিছু কারণ বের করলাম যার জন্য আমার আজীবন ঋণী থাকা উচিত, ক্যাডেট কলেজের কাছে। ব্যাপারগুলো মোটেই হালকা নয়। ভেবে দেখলাম, ক্যাডেট কলেজে না গেলে আমার জীবন একেবারে অন্যরকম হয়ে যেতে পারত এবং সেই জীবন আমার পছন্দ হতো না। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে, আমার যে সেই জীবন পছন্দ হচ্ছেনা তা তখন আমি বুঝতেও পারতাম না।

বিস্তারিত»

ডায়লগ মেলোডি ১.১ (মির্জাপুরিয়ান ভার্সন)

once upon a time অর্থাৎ একদা এক সময় আমরা যখন বাংলা মিডিয়ামে পড়তাম তখন দৌর্দন্ড প্রতাপশালী শিক্ষকদের বাক্যের কারুকার্য দেখাতে তেমন একটা কষ্ট পেতে হতোনা।মাতৃভাষায় মনের মাধুরী মিশিয়ে ভাষার নানা কারুকার্য তারা আমাদের অর্থাৎ ক্যাডেটদের মাঝে উপস্থাপন করতেন। শিক্ষকদের সেই সোনালী সময় থেকেই শুরু করি।

বিস্তারিত»

কতিপয় ডায়লগ(২য় পর্ব)

আমি ঝামেলা এড়ায়ে চলি। আর এর জন্য আমার বিশেষ খ্যাতি আছে!!! তাই নিচের ডায়লগ পরে কেউ যদি মর্মাহত হন, আমি এর দায়িত্ব নিতে মোটেও রাজি না। তাই সবাই নিজ দায়িত্বে পড়ুন…।আমার উদ্দেশ্য আনন্দ দেওয়া, কষ্ট দেওয়া নয়।

-অতি জ্বালানোয় অতিষ্ঠ আমাদের এক ক্লাসমেটঃ
“দেখ্‌ দেখ্‌….., আমি কিন্তু গালি দিব” (আমি ত মনে করলাম না জানি কি করবে!!!)

-মাঝখানে আমাদের কলেজে স্যারদের ক্যাডেটদের সাথে ইংরেজিতে কথা বলার নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিস্তারিত»

একাত্তরের কর্নেল মনজুরুর রহমান

ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ। চীফ কর্নেল মনজুরুর রহমান। এই কলেজের অসম্ভব প্রিয় একটি মুখ।
যুদ্ধের সময় ক্যাডেট কলেজ থেকে সবাই পালিয়ে যান কিন্তু কর্নেল রহমান কয়েকজনের সঙ্গে থেকে যান। মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তার পাশাপাশি তিল তিল করে গড়ে তোলা এই প্রতিষ্ঠান ছেড়ে যেতে তাঁর মন সায় দিচ্ছিল না।
পাক আর্মি ঘিরে ফেলে একদিন এই কলেজ। নেতৃত্ব দিচ্ছিল ১২ পাঞ্জাব রেজিমেন্টের ক্যাপ্টেন ইকবাল।
সঙ্গে ঝিনাইদহের অল্প কয়েকজন স্থানীয় মানুষ।

বিস্তারিত»

তত্ত্বাবধায়ক সরকারে এক্স-ক্যাডেট তামিম

গত ৯ তারিখ বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের চারজন উপদেষ্টা পদত্যাগ করেছেন। ১০ তারিখ ৫ জনকে নতুন উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কে কে উপদেষ্টা হল তা দেখার জন্যই বিবিসি’র বাংলা ওয়েবসাইটে গেলাম। গিয়ে দেখি ৫ জন উপদেষ্টা নিয়োগ দেয়ার পাশাপাশি আরও ৩ জনকে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই তিন জন হলেন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম এ মালেক মোল্লা, চাকমা রাজা এবং পাব্যর্ত শান্তি চুক্তির অন্যতম সংগঠক ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় ও বুয়েটের অধ্যাপক ড.

বিস্তারিত»