দুষ্ট ছবি আর দুষ্ট গানের গল্প।

১.
ক্যাডেট কলেজে আমার দেখা প্রথম সিনেমা ছিল অক্ষয় কুমার আর রাভিনা ট্যান্ডনের ‘মোহরা’। আমরা তখন ক্লাস সেভেনে একেবারে নতুন। সেই সময় নিয়ম ছিল মাসের শেষ বৃহস্পতিবার ফিল্ম শো হবে। আমরা তো আর এত কিছু জানিনা। একদিন সন্ধ্যায় টি ব্রেক শেষ হওয়ার ঘন্টা পরার সাথে সাথে দেখলাম ক্লাস ১২এর ভাইয়ারা আমাদের আগে ডাইনিং হল থেকে দৌড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন। তারপর ক্লাস ১১, ১০ একে একে সবাই। কিছু বুঝতে না পেরে আমরা একে অন্যের মুখ চাওয়া চাওয়ি করছি। তখন কে যেন বলল -আরে আজকে শেষ বৃহস্পতিবার না ? সিনেমা দেখাবে।
আমরাও গেলাম। টিভি রুমে তখন পা ফেলার জায়গা নেই। কোনরকমে গুটি গুটি পায়ে গিয়ে বসতে হল একেবারে মনিটরের সামনে। ঘাড় উপরের দিকে বাকানো ছাড়া কিছুই দেখা যায়না যেখান থেকে।
এক সময় ছবি শুরু হল। আহা! সেই বিখ্যাত দুইটা গান। তু চিজ বারি হে মাস্ত মাস্ত। অনেকদিন কলেজে গানটা হট ফেভারিট ছিল। আর পরেরটার কথা বলতে গেলে তো এখনো রক্তে আগুন ধরে যায়। টিপ টিপ বরষা (জিহাদের বর্ষা না কিন্তু) পানি, পানি নে আগ লাগায়ি। রাভিনার সেই ভেজা হলুদ শাড়ি আর পিঠ খোলা ব্লাউজ। উহ! এখনো টিভি দেখতে দেখতে গানটা কোথাও চোখে পড়লে সেদিনের কথা মনে পরে যায়।

২.
এরপর অনেক ছবি দেখেছি কলেজে। কোনোটার কথা মনে আছে, কোনোটা মনে নেই। ছবির চেয়ে বেশি মনে থাকতো আসলে ছবির গান। হিট গান গুলি সিনিয়র ভাইয়ারা বাথরুমে গোসলের সময় অথবা হাউসে করিডর দিয়ে হাটার সময় গুন গুন করতেন। সিনিয়র হওয়ার পর আমরাও গেয়েছি। অজয়-টাবুর ‘বিজয়পাথ’ ছবির একটা গান মনে আছে, -রাহো মে উনসে মুলাকাত হো গায়ি……। আরেকটা ছিল- গোরে গোরে মুখরেপে কালা কালা চশমা…, এই ছবিটার নাম মনে নেই। ১৯৪২ আ লাভ স্টরি এই ছবিটার একটা গান বহুদিন কলেজে জনপ্রিয় ছিল- এক লাড়কি কো দেখা তো এয়সা লাগা…। আমির খান কারিশমা কাপুরের ‘রাজা হিন্দুস্তানি’ ও আমরা কলেজে থাকতে দেখেছিলাম। পারদেসি পারদেসি যানা নেহি…… এই গান টা আমাদের জুনিয়র কোন এক ব্যাচের কে যেন কলেজের একটা গেয়ে খুব হিট হয়েছিল। তবে এই ছবিটা আমাদের অনেকদিন মনে থাকবে আমির খান-কারিশমার অনেক লম্বা একটা চুমুর দৃশ্যের কারনে। আমাদের মধ্যে যারা একটু হুজুর টাইপ ছিল তারা আবার এইসব রগরগে সিন আসলে মাথা নিচু করে থাকতো লজ্জায়।

৩.
এই রকম রগরগে সিন দেখতে গিয়ে স্যারদের কাছে ধরা খেয়েছি এমন ঘটনাও আছে। সাইফ আলি খান-মাধুরি আর অক্ষয় কুমারের একটা সিনেমা ছিল, নাম মনে নেই। টিভি রুম অন্ধকার করে আমরা সেই ছবির গান দেখছি। লোকনাথ বসাক স্যার রাউন্ড দিতে এসে টিভি রুমে উকি দিলেন। স্ক্রিনে তখন মাধুরির নাভিতে আপেল রেখে অক্ষয় সেটা মুখ দিয়ে বুকের কাছে নেয়ার চেস্টা করছেন। আর পিছন থেকে সিনিয়র ভাইয়ারা উহু আহা করছেন। আমরা শুধু শুনলাম স্যার বলছেন – এইবার পেরেন্টস ডে তে তোমাদের সবগুলার বাবা মা কে বলব তোমাদের কে বিয়ে করাইয়া দিতে, তোমরা বেশি বড় হইয়া গেছ।

৪.
এরকম আরো আছে। সেভেন ডেজ এক্সকারসনের সময় ফৌজদারহাটের গেস্ট হাউসে ভি.সি.আর ভাড়া করে এনে আমরা ছবি দেখছি। রাঙ্গাবউ। তখনকার সময়ের খুব হিট এবং খুবই দুস্ট একটা বাংলা ছবি। অঙ্কের রকিব স্যার কখন যে আমাদের পিছনে এসে দাড়িয়েছেন টের পাইনি। ওই ছবিতে একটা গান ছিল- সুন্দরি তোর অংগ যেন বরিশালের আমড়া। স্যার আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারলেন না। চলে যেতে যেতে বললেন- তোমাদের রুচি কোথায় নামছে দেখছ? ছি!
আমাদের কি আর তখন সেই সব শোনার সময় আছে? আমরা ঋতুপরনার নাভি দেখতে ব্যস্ত।

৫.
আমরা ইলেভেনে উঠার পর ইংরেজি ছবি দেখার চল শুরু হলো। প্রথমেই ‘টাইটানিক’। এবং প্রথমেই ধরা। জাহাজের কেবিনে সেই ছবি আকার সিন আর একই সময়ে টিভি রুমে পি.কে.রায় স্যার। স্যারের রি-একশন ছিল খুব সোজা সাপ্টা। -কি ব্যাপার ছবিতে নেংটা মেয়ে কেনো?
স্যার কে যতই বুঝাই -স্যার খুবই ভালো ছবি, এইখানে খালি একটু দেখাইসে, কিন্তু কিছু করেনাই। স্যার কিছুতেই মানবেন না। -তোমরা খারাপ ছবির নাম দিছ। আমি এখনি প্রিন্সিপাল কে জানামু। ফিল্ম শো বন্ধ কইরা দিতে হবে। শেষ পর্যন্ত প্রিন্সিপাল স্যার কে বুঝিয়ে শুনিয়ে সেই যাত্রা বাচা গেলো।

এর পরেও অনেক ছবি দেখেছি কলেজে কিন্তু প্রথম দেখা ‘মোহরা’র স্মৃতি ছাপিয়ে যেতে পারেনি কোনটাই। আহা সেই ক্লাস সেভেনে টিভি মনিটরের সামনে বসে ঘাড় উচু করে দেখা বৃষ্টি ভেজা হলুদ শাড়ি আর পিঠ খোলা ব্লাউজে রাভিনা ট্যান্ডনের সেই গান…

তেরি ইয়াদ আয়ি তো জাল রাহাহে মেরা ভিঘা বাদন
আব তুহি বাতা মেরি সাজান মে কেয়া কারু
টিপ টিপ বরষা পানি
পানি নে আগ লাগায়ি……

৫,৮৪৬ বার দেখা হয়েছে

৩৫ টি মন্তব্য : “দুষ্ট ছবি আর দুষ্ট গানের গল্প।”

  1. আহ্সান (৮৮-৯৪)

    যাক আমিই এত মজার একটা লেখার প্রথম পাঠক।
    অনেক ধন্যবাদ কামরুল এত সুন্দর করে লেখার জন্য।
    আমার মনে হয় আমাদের সব ছেলেদের ক্ষেত্রেই তোমার লেখা গুলো সত্য। তবে হ্যা, কেউ ব্যাপারটাকে স্বাভাবিক হিসেবে দেখে এবং সবার সাথে শেয়ার করে আর কেউ করেনা। তুমি মানসিকভাবে অনেক ফ্রেশ বলেই সবার সাথে তোমার অনুভুতি গুলি শেয়ার করেছো।

    কি করবা ভাই বলো...ঐ বয়সটা ই যে এমন...না চাইলেও চিন্তা চলে আসে...

    লেখা সুন্দর হয়েছে। আশা করি সবাই ‍‌নিঃসংকোচে কমেন্টস লিখবে।
    ভালো থেকো।

    জবাব দিন
  2. জিহাদ (৯৯-০৫)

    কলেজে প্রথম দেখা মুভির কিছুই বোধহয় ভোলা যায়না। আমাদের টাইমে আমরা প্রথম দেখসিলাম আমির খান মনিষা কৈরালার "মান" ছবিটা । এখনো কোথাও নাশা ইয়ে পেয়ার কা নাশা হ্যায় গানটা শুনলে চারপাশে কেমন যেন ক্লাস সেভেন ক্লাস সেভেন একটা গন্ধ কোত্থেকে যেন চলে আসে। আমি ফিলিংসটা ঠিক লিখে বোঝাতে পারবোনা। কাজেই আর সে চেষ্টায় গেলাম না 🙂

    আপনাদের যেরকম সামনে দাঁড়িয়ে দেখতে হত আমাদের ছিল ঠিক তার উল্টা। মোস্ট জুনিয়র ক্লাস সবার পিছন এ দাঁড়িয়ে দেখতো।তবে এই নিয়মটা শুধু ফজলুল হক হাউস এ ছিল। বাকি দুই হাউসে আপনাদের মত সিস্টেম। পেছনেই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই সেভেনো থাকতে কাহোনা পেয়ার হ্যায় মুভিটা দেখসিলাম। এখনো মুভিটার কোন কিছু চোখের সামনে পড়লে ঠিক আাগের মতই ফিলিংস হয়। একেবারে সেইরকম। একটুও এদিক ওদিক নয়। আর তখন সনি টিভিও দিত বৃহস্পতিবার এ। সুস্মিতার "দিলবার দিলবার " গানটা সারাক্ষণ দেখাইতো ঐ চ্যানেল এ। পুরো গানটা না। শুধু গানটার ক্লিপিংস। কারণ ছবিটা তখন মাত্র রিলিজ পাইসে। সুস্মিতার সেই নাচ.... আহ! বড় হয়ে আরো অনেক বড়মানুষী ছবি দেখসি। বাট ঐ গান দেখার সময় যে ফিলিংস সেটা ক্লাস সেভেন এর ঐ সময়েই ফেলে এসেছি।

    আরো অনেক কিছুই মনে আসতেসে মুভি দেখা নিয়ে।কিন্তুু লিখতে আইলসামি লাগতেসে।

    লেখা তো বরাবরের মতই সেইরকম হইসে।কাজেই এটা নিয়ে আমরা বেশি কিছু আর না বলি 🙂


    সাতেও নাই, পাঁচেও নাই

    জবাব দিন
  3. জিহাদ (৯৯-০৫)
    টিপ টিপ বরষা (জিহাদের বর্ষা না কিন্তু) পানি, পানি নে আগ লাগায়ি।

    ভাইজান,
    যত্র তত্র গ্রীষ্ম বর্ষা নিয়া আমার নামে এরকম স্ক্যান্ডাল ছড়ানোর মানে কি? :grr:


    সাতেও নাই, পাঁচেও নাই

    জবাব দিন
  4. আসলেই কিন্তু কলেজে শোনা গান গুলো এখন শুনলে মন এক ছুটে কলেজে ফিরে যায়!
    কামরুল ভাই,আপনার লিখা মোটেও দুষ্ট কিছু হয়না,আমার ডায়ালগ মাসালা(একটু বেশি ঝাল)এর তুলনায় এই ব্লগ এর সব লিখা একেবারে সর্বজন পাঠ্য!
    ক্লাস সেভেনে থাকতে রিয়াজ আর শাবনুরের কি জানি একটা বাংলা সিনেমা আনা হয়েছিলো ওটায় একটা গান ছিল-"নিঃশ্বাস ধীরে ধীরে বাড়ছে, এই বুক থেকে থেকে কাঁপছে(সেইসাথে শাবনুরের বক্ষের সুস্পস্ট স্পন্দন......)
    এই গানটা দুই দুইবার রিপিট করা হয়েছিল দর্শক(পড়ুন ক্যাডেট)দের তীব্র অনুরোধে...(তখন ভিসিয়ার নিয়ন্ত্রন করত ক্যাডেটরাই)...

    কামরুল ভাই,সবকিছু মনে করিয়ে দিলেন আপনি......

    জবাব দিন
  5. ওবায়দুল্লাহ (১৯৮৮-১৯৯৪)

    দুষ্টুমি শিরোনামের এই লেখাটি একটি চমৎকার ফ্ল্যাশব্যাক হয়েছে।
    লেখাটা পড়েই মনে হলো তোমার বাকি সব লেখা গুলো একে একে পড়ে ফেলতে হবে।
    খুব ঝরঝরে লেখা তোমার ভাইয়া।
    🙂
    শুভেচ্ছা নিও।


    সৈয়দ সাফী

    জবাব দিন
  6. আদনান (১৯৯৪-২০০০)

    amader dekha first movie silo main khiladi tu anari..shilpa er shei famous gaan..senior vai ra (from memory sadekuzzaman vai, taslim vai) aki gaan bare bare rewind..r kono ek berishik vai er command class seven lookdown..ar sadek vai bole aha dekhte de shikhuk..hehe..aro onek mojar smriti ase vcr show niye..btw tokhon amader college e aktai vcr silo r vcr show hoto auditoriam e..good old days

    জবাব দিন
    • জিহাদ (৯৯-০৫)

      অডিটোরিয়ামের যুগ আমরা পাইনাই।
      তখন কি সবাই অডিটোরিয়ামে গিয়া দেখতো? ক্যামনে কি? 😕

      আমরা সবই পাইসি। ভিসিআর পাইসি। ডিভিডিও পাইসি। আবার শেষের দিকে ডিশ লাইনে সেন্ট্রালি চালাইতো। রিওয়াইন্ড করার সিস্টেম ছিল না তাই। :(( :((

      তখন বিশেষ বিশেষ জায়গায় ফাস্ট ফরোয়ার্ড করার জন্যে ইলেক্ট্রিশিয়ান মামুন ভাই ক্যাডেটগো কাছ থেকে যে পরিমাণ গালি খাইসে তার সমপরিমাণ টাকা যদি তারে দেয়া হয় তাইলে সে চোখ বন্ধ করে বিল গেটস রে টপকাইতে পারতো। :))


      সাতেও নাই, পাঁচেও নাই

      জবাব দিন
  7. আদনান (১৯৯৪-২০০০)

    কিযে দেখতাম !!! আর কি শুনতাম । TV তে বাড়ি VCP এ বাড়ি তাও খারাপ লাগতো না । obviously sound ভাল আসতোনা, আর যারা corner এ বসত ওদের তো কথাই নাই । ঘাড় শেষ !! এরপর ১৯৯৪ এর sports এ air vice marshall আলতাফ মাহমুদ তিন হাউসে VCP দিয়ে যায় । এই হলো VCP এর ইতিহাস ।

    জবাব দিন
  8. আলম (৯৭--০৩)

    লেখাটা বিপুল আনন্দদায়ক হইসে।
    লেকিন.. এই ব্লগে দু'একজন মেয়ে-সদস্য আছে, যারা কিনা এইজাতীয় কিছু লেখায় কমেন্ট করতে পারেনা!! কমেন্ট করার অধিকার তাদেরও আছে। কী বলেন?

    জবাব দিন
  9. এই ব্লগে দু’একজন মেয়ে-সদস্য আছে, যারা কিনা এইজাতীয় কিছু লেখায় কমেন্ট করতে পারেনা!! কমেন্ট করার অধিকার তাদেরও আছে। কী বলেন?

    ছেলে সদস্য/মেয়ে সদস্য বলে আলাদা কিছু আছে বলে আমি আসলে মনে করিনা। আমার ধারনা এখানে আমরা সবাই ক্যাডেট। সেটাই বড় পরিচয়।
    ভালো বা খারাপ লাগলে যে কেউ কমেন্ট করে বলতে পারে।

    ভালো থেকো।

    জবাব দিন
  10. তারেক (৯৪ - ০০)

    সেইরম একটা পোস্ট।
    আমার এই মুহুর্তে দুইটা ঘটনা মনে পড়তেছে-
    ১। টপ গান নামে টম ক্রুজের একটা সিনেমা আছে মনে হয়। সিনেমার জন্যে কে যেন সেই নাম পাঠাইছে, দোকানদার দিয়ে দিছে সেই একই নামের একটা লাল-নীল ছবি!
    হাউসে এনে ছাড়ার পরে কি মুশকিল, আমরা অবশ্য তখন টুএলভে পড়ি, বাকিদের বের করে দিয়ে টিভি রুমে পর্দা লাগিয়ে বেশ অনেকক্ষণ দেখা হয়েছিলো।
    ২। ডেসপারেডো দেখার কথা মনে আছে। মোমবাতির আলোয় সেই উদ্দাম দৃশ্য মাত্র শেষ হলো। তিন হাউসের সবাই নিঃশ্বাস আটকে বসে আছে, হঠাৎ কে জানি লাফ দিলো ভিসিপির ওপরে। তারপরে অবলীলায় সেই দৃশ্য রিওয়াইন্ড করে আবার দেখা হলো। :party:


    www.tareqnurulhasan.com
    www.boidweep.com

    জবাব দিন
  11. হাসনাইন (৯৯-০৫)

    ভাই ক্লাস সেভেন-এইটে বাসায় ত আর হিন্দি মুভি দেখতে পারতাম না, কলেজে গিয়ে তাই চোখ বড় বড় করে দেখতাম...। কষ্ট করলে কেষ্ট মেলে...। তাই ঘাড়ের ব্যাথা বেমালুম ভুলে যেতাম, আর কেষ্টরে নিয়া সুখে থাকতাম...। 😀
    কামরুল ভাই লেখা ফাটানি হইছে...। 😀

    জবাব দিন
  12. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

    গ্রাগৈতিহাসিক যুগে ফৌজদারহাটে অডিটরিয়ামে সিনেমা দেখার ব্যবস্থা ছিল। '৭১ সালে পাক্কুরা যেই ফিল্মগুলো নিতে পারে নাই, সেইগুলা চিটাগাং গ্যারিসন হল থেকে এনে আমাদের দেখানো হতো। 'এক ফুল এক পাত্থার', 'রঙ্গিলা', 'জ্বলতে সুরজ কি নিচে'- এইরকম আরো কতো! তবে ইংলিশ মুভিও আসতো। সেগুলা আবার বিশেষ বিশেষ অংশে হাতচাপা দিয়া দেখানো হইতো। লগে লগে পোলাপাইনের চিক্কুর!! কি যে দিন আছিল?


    "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।