১.
আলেকজান্ডার দি গ্রেট নাকি এরিষ্টটলের ছাত্র ছিলেন। আমি অবশ্য শিওর না, তবে কলেজ লাইব্রেরিতে ইতিহাসের এক বইয়ে একবার একটা ছবি দেখেছিলাম, হাতে আঁকা, এরিষ্টটল নেংটো হয়ে বসে আছেন। তার সামনে নেংটা হয়ে বসে আলেকজান্ডার দি গ্রেট মনোযোগ দিয়ে পড়াশুনা করছেন।
ফিজিক্সের আসাদুজ্জামান স্যার অবশ্য এরিষ্টটলের মতো এতো অশ্লীল ছিলেন না। স্যারের শুধু প্যান্টের জিপারটা খোলা থাকতো মাঝেমাঝে। স্যার সরল দোলক পড়াতেন। পড়াতে পড়াতে হাঁটু দুইটা একটু ব্যান্ড করে কোমরটা পিছনের দিকে একটু বাঁকা করতেন।
সেন্স অফ প্রোপরসন
অনেক দিন ধরেই কিছু লিখতে পারছিনা,সবার লিখা নীরবে পড়ে যাচ্ছি আর ভাবছি যে কি লেখা যায়।কাল রাতে খবর আমাদের ফাইনাল পরীক্ষা সাতদিন পিছিয়েছে তাই আজকে বসলাম কিছু আমাকে লিখতেই হবে………………………।
বিস্তারিত»পেছনের টানে,ফেলে আসা সুখ আর গানে…..
ক্যান্ডিডেট…ব্যাপারটা প্রথম মাথায় ঢুকল বাসা থেকে আব্বার চিঠি আসার পর…”এখন অনেক গুরুত্বপুর্ণ সময়…এই ফলাফল সবক্ষেত্রে কাজে লাগবে…হাবিজাবি..হাবিজাবি..”পুরাটা অ্যান্টেনার উপর দিয়ে গেলেও শুধু বুঝতে পারলাম সময়টা অনেক গুরুত্বপুর্ন এবং এটাকে কাজে লাগানো দরকার 😉
বিস্তারিত»অপ্রিয় প্রসঙ্গ
ক্যাডেট কলেজ বিষয়ে আজ আমার ১টি অপ্রিয় প্রসঙ্গে বলবো। আর পরের কিস্তির লেখাটা হবে ক্যাডেট কলেজের প্রিয় ২টি বিষয় নিয়ে। আজকের লেখাটা তারেক ভাইকে উত্সর্গ করলাম।
বাঁশিঃ
বোধকরি এটা আমাদের সবারই অন্যতম অপ্রিয় একটি অভিজ্ঞতা। আমার কাছে বাঁশির একেকটা আওয়াজকে যেন অসহায় জীবের আর্তনাদ বলে মনে হতো। একদল নিষ্পাপ কিশোরকে উপুর্যুপরি অত্যাচারের বাহন ছিলো এই বাঁশি।
কখনোই এই বাঁশির আওয়াজে আমি তৃপ্তির আভাস পাইনি।
ক্যাডেট কলেজ -২০৫০ (প্রথম কিস্তি)
[এই লেখাটা মাশরুফ কে উৎসর্গ করা। এই লেখার থিম ও আমাকে দিয়েছে। কেউ যদি এই লেখা চালাতে চাও আমার আপত্তি নাই। তবে কেউ নাই মনে হয় ঐরকম]
-“ক্যাডেট মাশরুফ আপনি প্লিজ হলুদ বক্সের ভিতরে এসে দাড়ান”
ঘড়ঘড়ে একঘেয়ে যান্ত্রিক গলা শুনেই মেজাজটা খারাপ হয়ে গেল মাশরুফের। শালার বাসা থেকে কলেজে ঢুকার সময়ে এই চেকিংটা না হলেই কি নয়? নতুন ৯ এ উঠেছে ও।
অপলাপ
[একটু অফ টপিক। একটা কবিতা দিলাম সবার জন্য।]
বাতাসে পাতার শব্দ ।
দূরে কোথায় যেন কিসের কোলাহল,
আমি কান পেতে থাকি কিছু বুঝতে পারিনা।
আবার সব চুপচাপ, নিস্তব্ধ।
আমি কবি নই
তাই বাতাসে পাতার শব্দে গান খুঁজে নিতে পারিনা।
ঘুম
জয়পুরহাট ক্যাডেট কলেজের কাহিনী, আমার এক ছোট বোনের। তাদের কলেজে খুব মজা, ক্লাস টেন সিনিয়র মোস্ট ক্লাস এখন পর্যন্ত, তাই ওই ব্যাচ থেকেই প্রিফেক্ট হয়। এক বছর করে করে প্রিফেক্ট শীপ, ক্লাস টুয়েলভ এ উঠে ফাইনাল টা দিবে।
এই বছর আমার বোনটা ডাইনিং হল প্রিফেক্ট। এক ফেয়ারওয়েল ডিনারে স্যার বক্তৃতা দিচ্ছে, সে হঠাৎ খেয়াল করলো বক্তৃতার কিছু কিছু অংশ যেন উড়ে উড়ে যাচ্ছে।
বিস্তারিত»কথোপকথন
(দুই ক্যাডেট এর দেখা হলে বিভিন্ন সময়ে কি রকম কথা হয় তার একটা চিত্র তুলে ধরতে চেষ্টা করেছি)
ভর্তি পরীক্ষার আগে
-কি অবস্থা কামরুল তোর ? প্রিপ্যারেশন কেমন চলছে রে।
-আরে ধুর , পড়ালেখা কিচ্ছু হয়না। ক্লাসের পড়া নিয়েই বাঁচিনা আবার ক্যাডেট কলেজ।
-আমারো একই অবস্থা। আসলে তো শুধু দেওয়ার জন্য দিচ্ছি। তেমন পড়ালেখা করিনা।
বিস্তারিত»শান্টিং
“এই কামরুল এদিকে আস”। শুনেই বুকে দুরুদুরু শুরু হয়ে গেল। লাঞ্চ করে আজ পর্যন্ত একদিন ও সরাসরি রুমে যেতে পারলাম না। আমার রুম নাম্বার ১০১ আর আমার গাইডের রুম নাম্বার হল ১০৫। আমি আসার আগে আগেই কিভাবে যেন উনি এসে ওনার রুমের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকেন আমি বুঝি না। যেদিন আস্তে আস্তে করে ১০৫ নাম্বার রুমটা পার হয়ে যায় সেদিন খুব সাবধানে একটা হাঁপ ছেড়ে বাঁচি।
বিস্তারিত»টিভি রুম @ক্যাডেট কলেজ
বহুদিন ধরে এক সাথে খেলা বা টিভি দেখা হয়না। একা থাকি ৪ বছর হয়ে গেছে। তাই এইগুলার জন্য আফসোস ও এখন আর হয়না। গত ২ বছর আগে বিশ্বকাপ ফুটবল দেখেছিলাম একজনের সাথে নেটে বসে। দুজনে নেটে বসে ভয়েস করি আর টিভির খেলা দেখি । মন্দের ভাল আর কি। কিন্তু সিসিবি এসে অনেক পুরান পুরান আক্ষেপ নতুন করে এনে দিয়েছে।
বিস্তারিত»লেখাচুরির গল্প
তো, এটা আসলে আপনাতেই হয়ে যায়। পঞ্চাশটা ছেলে-পেলে একসাথে থাকলে, সবার দোষগুণ একদিকে ধায় না, একেকজনের প্রতিভা একেকদিকে স্ফূরিত হয়।
ব্যাতিক্রম কেবল আমি, মোটামুটি প্রতিভাহীন অবস্থাতেই আমি পুরো কলেজলাইফ কাটিয়ে দিয়েছি। আমি খেলাধূলায় কখনোই ভাল না। রুম ক্রিকেট বা করিডোর ক্রিকেটে প্লেয়ার শর্ট পড়লে আমার ডাক পড়ে, আর তা না হলে আমার কোন গুরুত্বই নেই। আমিও অলস মানুষ, মাথা গুঁজে কোনমতে একটা বই শেষ করে কখন আরেকটা গল্পের বই ইস্যু করবো,
কুমিল্লার গর্ব আশিক
একাডিয়া ইউনিভার্সিটি, কানাডা। এর বিগত ২০০ বছরের ইতিহাসে দুর্লভ এক প্রতিভার স্বাক্ষর দেখিয়েছেন বাংলাদেশি ছাত্র মোঃ আশিকুর রহমান।
আশিকের কম্পিউটার সায়েন্সে অনার্স শেষ হলো। তার সাথে অসাধারণ এক সমন্বয় কম্পিউটার সায়েন্স ও ম্যাথে তার মেজর। ইতিমধ্যে IEEE জার্নালে তার ১টি পেপার প্রকাশিত হয়েছে এবং IEEE সম্মেলনে এ পর্যন্ত ৮টি।
(তথ্যসূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, ২৪.০৩.২০০৮, ৫ম পৃষ্ঠা)
মনে সুখ নাইরে…
আমাদের এক বড় ভাই আছে উনি আমাদের এখানে সব গেদারিং এ এই গানটা গায়। এই গান আমি প্রথম শুনেছিলাম আমাদের কলেজের এক্স ক্যাডেটদের সাথে একটা পিকনিকে। বোরহান ভাই জাপানে এই গানটাকে চরম জনপ্রিয় করে তুলেছে। আমার পুরাটা মনে নেই। তবে কিছুটা স্মরণশক্তি আর কিছুটা নিজে বানিয়ে লিখার চেষ্টা। ওহ বোরহান ভাই হল ফৌজদারহাট এর ৯০-৯৬ ব্যাচ মনে হয়। (সচলায়তন আর সিসিবি দুটাতে একসাথে এই লেখাটা দিলাম)
যাহোক দেখা যাক বোরহান ভাইর মনে
ডাব চুরির ইতিকথা!!
বেশ কিছু দিন ধরে লিখা লিখা করে লিখা হচ্ছে না। আমার একটা ফালতু টাইপ assignment due ছিল আজ। তো assignment এর দোহাই দিয়ে নিজেকে অনেক কষ্টে কন্ট্রোল করেছি। কিন্তু এখন আর পারছি না। গত কয়েক দিন প্রচুর ঘটনা মনে পড়ছিল, কিভাবে লিখব, কিভাবে শুরু করব, টাইটেল কি হবে সব কিছুর খসড়া মনে মনে রেডী। but এখন কিছুই মনে পড়ছেনা। আমার খুব একটা বাজে স্বভাব হইছে ১০/১৫ মিন পর পর এক বার ব্লগ চেক্ না করলে কেমন জানি অস্থির অস্থির লাগে।
বিস্তারিত»অন্যরকম ক্যাডেট কলেজ – ৬
[এই ধারাবাহিক উপন্যাসের একেক পর্ব একেকজন লিখবেন। যে কেউ লিখতে পারেন। কেউ যদি পরের পর্ব লিখতে চান তাহলে তাকে এই পর্বে মন্তব্য করে তা বলে দিতে হবে। যিনি আগে বলবেন তিনিই লিখবেন পর্বটি।]
প্রথম পর্ব
গত পর্ব
১৪
-এই আশিক শুনেছিস, আমাদের কলেজে যে নতুন ইংরেজির টিচার আসার কথা উনি কিন্তু ম্যাডাম।
-কি? চাপা মারার জায়গা পাস না না শালা।