খুব ছোটোবেলায় যখন বাসার সবাই মিলে বাংলা সিনেমা দেখা একটা নিখাদ বিনোদন ছিলো। সেই রকম একটা সময়ে কোনো এক সিনেমায় দেখেছিলাম কমেডি ক্যারেকটারটি (খুব সম্ভবত খান জয়নুল) রান্নার বই দেখে রান্না করছে। কিন্তু মাঝে কিঞ্চিত বিঘ্ন ঘটায় বইটির পাতা উলটে যায়। তারপর মাছ রান্নায় দুধ, চিনি, এমন সব উপকরনের নাম পাঠ করে তার সবই দিতে থাকে সে রান্নার হাঁড়িতে। হল ভর্তি মানুষের হাসিতে দম আঁটকে মরার দশা।
বিস্তারিত»বুড়িঘাট ঝুড়ি থেকে এইসব দৃশ্য
বুনো মেঘ উড়ে যায় পাহাড়ের আড়ালে
দুর্নাম বেড়ে যায় লুকোচুরি চাঁদনীর
মশারীর খাঁচা খুলে দরোজায় দাড়ালে
তন্দ্রায় দুই চোখ বুঁজে যেন আধ নীড়।
শেষ রাতে ভাঙে ঘুম, চাঁপাফুল উঠোনে
কার্পেট দুর্বা ও ঘাসদল মাড়িয়ে
ধীর পায়ে হেটে হেটে শিউলিকে মুঠো নেয়
তারপর পাহাড়ের প্রান্তে দাঁড়িয়ে–
চাঁদ ডাকে আয় আয়, অদ্ভুত উজ্জ্বল
এ্যালুমিনিয়াম মাখা চমকিত ধুধু মাঠ
যতদূর চোখ যায় থৈ থৈ ভরা জল
কাপ্তাই কোলে সেই স্মৃতিময় বুড়িঘাট!
একটি স্ট্যাটাস থেকে জন্ম নেয়া কবিতার কাহিনী…
আগে তো আবৃত্তিটা শুনুন, তারপরেই না হয় পিছনের গল্পটা শোনাবো…
এবার তাহলে এই আবৃত্তির পিছনের গল্পটা শুনাই…
এক স্নেহাষ্পদ ফেবু বন্ধুর অনুগল্পধর্মি একটা অসাধারন স্ট্যাটাস দেখলাম দিন দুই আগে।
দ্বিতীয় বার মনে মনে তা পড়ার সময় কেমন যেন একটা ছন্দ ছন্দ ম ম গন্ধ পাচ্ছিলাম। আর সেই গন্ধের টানেই সশব্দে তা পড়া শুরু করলাম, তৃতীয়বারে এসে।
এবার বুঝলাম,
বিস্তারিত»স্মৃতির নিনাদ
ডর্ম ১০ এর ফোর্থ প্লেস। তখনকার সময়ের পুরো আপস্টোর এর সবচেয়ে ভীতিকর প্লেস। প্রতি আফটার লাঞ্চ প্রায় একঘণ্টা ধরে “লুক দেয়ার সাইড” হয়ে থাকা, আর তারপর মাথা ঘোরাবার সুযোগ পেলেই দেখি সামনে যমদূতের মত দাঁড়িয়ে থাকা সিনিয়রদের রক্তবর্ণ চোখের রক্তহিম করা চাহনি। বুঝতে বাকি থাকেনা পরের পর্বটুকু।
তবে আর যাই হোক ঘড়ির কাঁটাটা ৩টা ১৫ এর ঘর স্পর্শ করতেই মুক্তি মিলতো।
বিস্তারিত»জীবনের জার্নাল – ১২
এমসিসিতে রোজাঃ
এমসিসিতে প্রথম রোজাটা পেয়েছিলাম মাঘের শীতে। যেদিন আকাশে প্রথম রোজার বাঁকা চাঁদটি ওঠার কথা, আমরা সবাই সেদিন হাউসের ছাদে উঠেছিলাম তাকে স্বাগত জানাতে, আর আশ্বস্ত হতে। কিন্তু আমরা তার দেখা পাইনি। পরে রাতে খবরে শুনেছিলাম রাওয়ালপিন্ডির কোথাও চাঁদ দেখা গেছে, তাই পরদিন থেকে রোজা শুরু, অর্থাৎ ঐ রাতেরই শেষরাত থেকে সেহেরী খেতে হবে। কলেজে যাবার আগেও বাসায় রোযার মাসে রোযা রাখতাম, তবে তখনো সম্ভবতঃ পুরো মাসব্যাপী রোযা রাখা হয়নি।
দ্বিখন্ডিতা
অনামিকা স্বেচ্ছায় দ্বিখন্ডিতা হয়ে যায়।
এক খন্ড দিয়ে সে কবিতা লেখায়,
আরেক খন্ড দিয়ে সে কবিতা লেখে।
এক খন্ড হয়ে যায় যাপিত জীবন,
অপরখন্ড থেকে যায় অশ্রুর কারণ।
ঢাকা
০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
নেই-ই তো
অথচ চুম্বন নামে কোন দেশ নেই
যেখানে পরিখাঘেরা দুর্গ
আর অনুগত সৈন্যদল নিয়ে
শত্রুঠোঁটের আক্রমণ রুখে দিয়ে
বিজয়নিশান ওড়াতে পারো পতপত,
শান্তির কপোত উড়িয়েও
সন্ধিপ্রস্তাব ছিঁড়ে ফেলতে পারো
কপট হেলায়
ছিলোই না অমন কোন দেশ,
নইলে এ অবেলায়
জনহীন করিডোরে
প্রতিরোধ নেই;
একাকী ঠোঁটে
প্রতিকারবিহীন
কেন মুছে চলো
লালিমার একগুচ্ছ রেশ!
লিমেরিক
[ বেসামরিক নন ক্যাডার গেজেটেড কর্মকর্তাদের প্রতি নিবেদিত ]
সোয়া যুগ,একই আসন
না ক্ষত্রিয়, নয় ব্রাহ্মণ
গ্রহের ফেরে
কর্ম দোষে
ইঁদুরকপালে হরিজন।
বিস্তারিত»বিপ্রতীপ
“ছেড়ে যাবো” বললেই যদি ছেড়ে যাওয়া যেতো,
“সরে যাবো” বললেই যদি সরে যাওয়া যেতো,
“ভুলে যাবো” বললেই যদি ভুলে যাওয়া যেতো –
তুমি তাহলে কবেই তো
সব ছেড়েছুড়ে
দূরে সরে গিয়ে
সব ভুলে গিয়ে
মুক্ত বিহঙ্গের মত ডানা ঝাপটে বেড়াতে সারাটা আকাশ জুড়ে………
“ধরে রাখবো” বললেই যদি ধরে রাখা যেতো,
“পাশে থাকবো” বললেই যদি পাশে থাকা যেতো,
ধাঁধাঁ
ছিটিয়ে ছাই ইচ্ছে মত
মস্ত নীলাভ গম্বুজে
রঙ হারিয়ে ঝরলো কত
করতে সবুজ অম্বু যে।
সূত্র-http://allpoetry.com/poem/12248049-Sprinkle-of-ashes-by-Tito-Mostafiz
বিস্তারিত»
সিসিবি’র সকলকে দাওয়াত
গতমাসে কাতারের রাজধানী দোহায় এসেছি, সপরিবারে।
সিসিবি’র সকলকে দাওয়াত দিয়ে রাখলাম।
স্বাচ্ছন্দ্যে থাকা+খাওয়া সহ সামান্য ঘোরাঘুরির আয়োজনও করা যাবে 🙂
(ব্লগে রাজনীতি ট্যাগ যোগ করে দিলাম। কারণ, আমাদের বাসায় বেড়াতে আসলে আড্ডা হবে। আর সেই আড্ডায় রাজনীতিও থাকবে, থাকবেই। রাজনীতি ছাড়া বাঙালির আড্ডা হয় নাকি?)
বিস্তারিত»সামান্য ঘটনা
ইয়ুনিভার্সিটির পূব পাশে “টেক গেটো” বা বস্তি, সেখানে রাজ্যের পুরোনো জরাজীর্ন বাড়িঘর আর এপার্টমেন্ট। আসার পরপরই সাবধান করে দেয়া হয়েছিল যেন শহরের ওদিকটায় বেশি একটা না যাই। ওটা অপরাধ প্রবন এলাকা। ছিনতাই রাহাজানি খুন সবই চলে। আর আছে ড্রাগস- কতগুলো বাড়ী তো রীতিমত “ক্র্যাক হাউস” হিসাবে পরিচিত। এই মহল্লায় থাকে যত নিম্ন আয়ের লোকজন, বেশির ভাগই কালো আর হিস্পানিক। আর থাকে যত বিদেশী ছাত্রছাত্রী, যার মধ্যে ভারতীয় ও চীনেরাই বেশি।
বিস্তারিত»ইসলামের স্বর্ণযুগ – পর্ব ৩

ইসলামের স্বর্ণযুগ – পর্ব ৩
———- ড. রমিত আজাদ
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
অতি প্রাচীন কালে মানুষের ধর্ম কি ছিলো? তারা কি একেশ্বরবাদী ছিলেন না পলিথেইস্ট ছিলেন? যদি একেশ্বরবাদী থেকে থাকেন তা হলে পলিথেইজম শুরু হলো কবে থেকে? আবার যদি পলিথেইস্ট থেকে থাকে তাহলে একেশ্বরবাদী হলেন কবে থেকে? এসব প্রশ্ন মানব মনে জেগে ওঠা স্বাভাবিক। কিন্তু এসব প্রশ্নের জবাব পেতে হলে তো ইতিহাস পড়তে হবে।
বিস্তারিত»দিনলিপিঃ পাশ্চাত্যের জীবন প্রাচ্যের যাপন
আ বিউটিফুল মাইন্ড মুভিটা কতবার যে দেখেছি! নোবেল বিজয়ী গনিতজ্ঞ জন ন্যাশের জীবন অবলম্বনে বানানো এই মুভিটি আমার অল টাইম ফেভারিট। এখনো কানে বাজে এলিশিয়া (মিসেস ন্যাশ) বলছেন, গড মাস্ট বি আ পেইন্টার। হোয়াই এলস উড উই হ্যাভ সো ম্যানি কালারস?
নোবেল পাওয়ার বহু আগে থেকেই জন ন্যাশ প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রিয়মুখ ছিলেন। অন্তর্মুখী স্বভাবের কারণে তিনি যেচে পড়ে কারো সাথে কথা বলতেন না বটে,
বিস্তারিত»ইসলামের স্বর্ণযুগ – পর্ব ২

ইসলামের স্বর্ণযুগ – পর্ব ২
———- ড. রমিত আজাদ
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
গত পর্বে আলোচনা করেছিলাম, ৫৭০ খ্রীষ্টাব্দের আগে ও পরের কিছু ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট। এর মধ্যে ছিলো পলিথেইস্ট গ্রীক ও রোমানদের যুগ, রোম সম্রাজ্যের উত্থান-পতন, ইউরোপে একেশ্বরবাদী খ্রীষ্টধর্মের উদ্ভব ও প্রসার, রোম সাম্রাজ্যের দ্বিভাগ, প্রথম জাস্টিনিয়ানের সংস্কার ও জাস্টিনিয়ান কোড, পোপ গ্রেগরীর সংস্কার, ৫৭০ খ্রীষ্টাব্দে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে যে সকল পরিবর্তন ঘটেছিলো,
বিস্তারিত»
