বিরক্তি-অবহেলা চক্র: খুব খারাপ! খুব খারাপ!!
আজ সকালেই দালাইলামার একটি কোটেশন পড়ে যা বুঝলাম তা হলো এই যে –
কখনো কারো ক্রোধের কারন হলেও, বিরক্তির কারন হতে নেই। কারন:
ক্রোধ ও বিরক্তি, দুই-ই মানব মনে থাকা কাছাকাছি ধরনের অবস্থা হলেও তাদের মধ্যে পার্থক্য বিস্তর।
ক্রোধ জিনিষটা তুলনামূলকভাবে তীব্রতর একটি অবস্থা হলেও তা আসে যায়। অর্থাৎ তা দীর্ঘস্থায়ী কিছু নয়।
কিন্তু বিরক্তি কম দৃশ্যমান হলোও তা দীর্ঘ্যস্থায়ী একটি অবস্থা যা ধিকি ধিকি করে জ্বলতেই থাকে।
শুভ জন্মদিন হুমায়ুন আহমেদ
[ হুমায়ুন আহমেদের জন্মদিন উপলক্ষে লেখা একটি Bilingual Poem. অলপোয়েট্রিতেও প্রকাশিত ]
You taught us
to enjoy rain
and crying is not
a matter of shame.
আজ আমার খুব
কাঁদতে ইচ্ছা করছে
কষ্টের বাষ্পগুলো সব
ঝরে পড়ুক নিঃশেষে।
অষ্টম বর্ষে সিসিবিঃ আসছে পিকনিক।
৮ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখটি নিয়ে চিন্তা করতে থাকুন। আগামী ৮ ডিসেম্বর সেই তারিখটি অষ্টম বর্ষে পদার্পণ করবে। চিন্তা করে দেখুন আটটি বছর কিন্তু অনেকটা লম্বা একটি সময়। সিসিবির জন্যেও এই আটটি বছর ছিল অনেক লম্বা একটি পথ। এই পথটি ছিল নির্মল আনন্দের, ছিল কোলাহলপূর্ণ, ছিল মত পার্থক্যের, ছিল কলহের, ছিল দুঃখের, ছিল কোলাহলশূন্য, ছিল ঘুরে দাঁড়ানোর, ছিল পূনর্জাগরণের। এই আট বছরের চড়াই উতরাইকে উদযাপন করতেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে সিসিবি এবার লেখক,
বিস্তারিত»উনিশ শ’ একাত্তর -১
ব্রিগেডিয়ার মজুমদারের রবিবাবের সকালটা পানসে হয়ে গেল। মিনিট দুই আগে কোয়ারটার মাষ্টার জানিয়েছে, ঢাকা থেকে হেলিপ্যাড রেডি করতে বলা হয়েছে। তার মানে সিনিয়র কারো আসার কথা, অথচ তিনি কিছুই জানেন না। তিনি ঢাকায় ফোন বুক করলেন। কোর্সমেট জাহাঞ্জেব আরবাব ঢাকায় ৫৭ ব্রিগেডের অধিনায়ক। তিনি বললেন “আশ্চর্য তুই কিছুই জানিস না? চীফ যাচ্ছেন, কিঊএমজিকে নিয়ে, জিওসিও যেতে পারেন”।
মার্চের শুরু থেকেই একের পর এক অদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।
তিন শহর
ফ্রাঙ্কফুর্ট। জার্মানী।
ম্যাসেঞ্জারে বন্ধুর ম্যাসেজ। আর এক মহাদেশ পার হয়ে আসাতেই যেন হ্যান্ডসেট স্ক্রীণে মৃদু কাঁপন অনুভব করে দূরের বন্ধু। মৃদু হাসি নিয়ে বিছানায় পাশ ফিরে আরাম অনুভব করে। ভালো লাগাটুকু চোখ বন্ধ করে উপভোগ করে।
স্ক্রীণে বন্ধুর মুখ।
‘ পারুর সাথে একবার কথা বলতে চাই। আমার ফোন ই ধরছে না। তোর বুবুকে বল না..’
সময় যেন থমকে যায়।
নিঃশ্বাসগুলো বিশ্বাসের ওপার থেকে এপারে আসতে বাঁধা পায়।
~ বেভুল বিটোভেনে এখন ~
জীবনকে ক্ষ্যাপা ষাঁড়ের শিঙে
আমূল বিদ্ধ করে
দেখতে চেয়েছিলাম
কতোটা রক্তপাত ধারন করে
তার লৌকিক শরীর !
কোষের ভিতর
নুনের পরিমান মাপতে মাপতে
ক্লান্ত জিভের চামড়া খুঁইয়েছি ।
বুঝিনি –
কতোটুকু ছিলো তার ঘাম,
কতোটা রক্তস্নান !
বোধের মরফিনে
ডুবে থাকা অনুভূতির ঢল
তখনো অবাক
ঝরায় অশ্রুজল !
চামড়ার পোষাক খোয়ানো
নাংগা জিভখানা অকস্মাৎ
বুঝে ফেলে অশ্রুতে
জল ও নুনের মিশ্রণ অনুপাত ।
ববি ডারিন – “ভুল সময়” যাকে “কিংবদন্তি” হতে দেয়নি
“কাম সেপ্টেম্বর” ছবিটা তরুণ্যের কালে বিটিভিতে দেখেছিলাম।
কিন্তু তখন রক হাডসন আর জিনা লোলা ব্রিজিডাকে দেখায় এতটাই মশগুল হয়ে ছিলাম যে এ ছবির তরুণ সাপোর্টিং একটর-একট্রেসদের কে লক্ষ করা হয়নি সেভাবে।
তাছাড়া তখনতো আর তথ্য-প্রযুক্তির কাল আসে নাই, তাই পরে তাঁরা এছবি থেকে কি কি স্বীকৃতি অর্জন করেছিলেন, তার কোন কিছুও জানা হয়নি আর।
কিছুদিন আগে অনেকটা হঠাৎ করেই এক বন্ধুর কাছে জানলাম,
বিস্তারিত»জীবনের জার্নাল – ২৩
আমার শিক্ষকেরাঃ
জনাব আব্দুল্লাহ আল আমিন
জনাব আব্দুল্লাহ আল আমিন আমাদের বাংলার শিক্ষক ছিলেন, তবে ইংরেজীতেও তাঁর বেশ ভালো দখল ছিলো। একইসাথে তিনি নজরুল হাউসের হাউস মাস্টারও ছিলেন। প্রতিদিন সিরিয়াসলী পড়াতেন না, কিন্তু যেদিন তাঁর পড়ানোর মুড আসতো, সেদিন তিনি পিন পতন নিস্তব্ধতার মাঝে গড়গড় করে লেকচার দিয়ে যেতেন। আমরা হয়ে থাকতাম তাঁর বিমুগ্ধ শ্রোতা। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, দ্বিজেন্দ্রলাল, গোলাম মোস্তফা, জসিম উদ্দিন প্রমুখ কবিদের লেখা থেকে তিনি প্রচুর রেফারেন্স টানতেন।
তারপর…
একদিন ঝড়ো রাতে তুমি এসেছিলে,
চুপচাপ কাছে এসে পাশে বসেছিলে।
বোশেখের আমগুলো ঝরে পড়েছিলো,
প্রদীপের শিখাটুকু নিভে গিয়েছিলো।
তারপর…
মনে পড়ে?
তারপর আর তেমন কিছু নয়…
আঁধার মাঝেই উঠে তুমি রসুইঘরে গেলে,
উনুন ফুঁকে পাটখড়িতে আগুন ধরালে।
সেই আগুনে নিভে যাওয়া সলতে জ্বালালে,
আবার পাশাপাশি আলোয় বসে গল্প শোনালে…
ঢাকা
০৪ নভেম্বর ২০১৫
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
নিউরনে আলাপনঃ তেরো
: কোথাও কোন লেখা পড়লে বুঝি তুমি আসলেই কত সুন্দর লেখো …
: কী যে বল না তুমি? আমারগুলো এমনি এমনি লেখা, তাতে এমন কী যায় আসে?
মূল্যের দিক থেকে তো সমুদ্রের তীরের বালুকণাও না …
: সে তুমি বুঝবে না … শুধু আমার মন জানে … তোমার মুগ্ধ পাঠকেরাও তো বলে …
তুমি কত ভালো লিখছো সত্যি বুঝতে পাচ্ছো তো?
কেমন হতো যদি এমন হতো ????
কিছু কিছু দেখা না হলেই বুঝি ভাল হতো ……………
কিছু কিছু কথা না বললেই বুঝি ভাল হতো ………………
কিছু কিছু স্পর্শও না ছুঁলেই বুঝি বেশি ভাল হত…………
সেসব এর অভাব কি তবে এতটা মরমে মরমে মারতো ????
কিছু কিছু দিন না আসলেই বুঝি ভাল হতো ……………
কিছু কিছু ঘটনা না ঘটলেই বুঝি ভাল হতো ……………
কিছু কিছু অ্যাডভেঞ্চার না করলেই বুঝি বেশি ভাল হতো ……
অদ্ভুত এক মানসিক অবস্থা, নাম তার “বাই পোলার ডিজঅর্ডার” – (শেষ পর্ব)
অদ্ভুত এক মানসিক অবস্থা, নাম তার “বাই পোলার ডিজঅর্ডার” – (প্রথম পর্ব)
অদ্ভুত এক মানসিক অবস্থা, নাম তার “বাই পোলার ডিজঅর্ডার” – (দ্বিতীয় পর্ব)
দ্বিতীয় পর্বে বলেছিলাম, শেষ পর্বে চিকিতসা নিয়ে আরও কিছু কথা বলবো।
তবে জানিয়ে রাখা দরকার যে। “চিকিৎসা” কথাটা বললেই যেমন তা অসুস্থ্যকে সুস্থ্য করে তোলার একটা প্রক্রিয়া কথা মাথায় ঢোকায়, বাইপোলার ডিসঅর্ডারের চিকিৎসা কিন্তু আক্ষরিক অর্থে ব্যাপারটাকে সেই ভাবে কাজ করায় না।
টু হুম ইট মে কনসার্ন – চল্লিশের আত্মকথন
টু হুম ইট মে কনসার্ন – চল্লিশের আত্মকথন
এটা কেবলমাত্র প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য একটা জনসচেতনতামূলক লেখা। নিজদায়িত্বে পড়তে হবে এবং লেখার কোন অংশের জন্য লেখককে কোনভাবেই দায়ী করা যাবে না। লেখাটা কিছুটা পুরুষ মানষ থেকে লেখা; নিজের জেণ্ডার এবং বয়সের উপলব্ধির রিফ্লেকশনস মাত্র। এখানে লেখককে জেণ্ডারবিদ্বেষী না ভাবাই স্বস্তিকর, কারন এটা এই লেখাটার একটা বড় দূর্বলতা, আর নিজের দূর্বলতা কেই বা আলোচনায় আনতে চায়?
বিস্তারিত»রুবাইয়াত-ই-মোস্তাফিজ
এক
কি হবে সব ঠিক করেছ
অনেক অনেক আগে
তবু প্রভু সাজা দেবে
ন্যায় বিচার কি হবে?
দুই
দেখছি ভেবে ভেবে
শুরুর থেকে এবে
বদলোকে সব জিতে
ভালোয় ডুবে দুখে।
তিন
তালা দিলি কেন ওরে
বিবেকের জালামুখে
এভাবে কি নিরাপদে
ধনে মানে রবি সুখে?
বিস্তারিত»