উনিশ শো একাত্তর ৭

লাঞ্চের আগে সিও(অধিনায়ক), লেফ্টেনেন্ট কর্নেল মাসুদুল হকের সালাম পেয়ে (ডাক) মেজর শফিউল্লাহর মনে হল, ঘটনা আর একটু খারাপের দিকে মোড় নিয়েছে। মার্চ মাসটা মোটেও ভালো যাচ্ছে না। ১০ তারিখে তাঁর শশুরের মৃত্যু হলো আচমকাই। ১৯ তারিখে হঠাৎ করেই ব্রিগেড কমান্ডারের আনশিডিউল্ড ভিজিট নিয়ে কী ভয়াবহ ঘটনা ঘটে গেল! আবার সেদিনই পাঁচজন সৈনিককে মারধর করে কালিয়াকৈর বাজার থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে গেলো সিভিলিয়ানরা। আওয়ামীলীগের দু’জন নেতার সহযোগিতায় তিনদিন পর গফরগাঁও থেকে উদ্ধার করা হলো সে অস্ত্র।

বিস্তারিত»

এক জনমের পূর্নতা

মোহমুক্তির পরে একদিন
তুমি যে চলে যাবে,
সে আমি জানতাম।
তোমার সেই চলে যাওয়াটা যে
বেদনাবিধুর হবে,
সেটাও জানতাম।
আর তাই একদিন ঘটতে যাওয়া
তোমার বিদায় দিনটাকে
মানিয়ে নিতে কি কি বলবো,
কি কি ভাবে বলবো –
তার সব নিয়ে একখানা মুসাবিদাও
করে রেখেছিলাম মনে মনে।

বুঝতেই পারছো, আমাদের যে সম্পর্কটা
হয়েছিলই ভাঙ্গার জন্য,

বিস্তারিত»

নাচঘরে দেখা হবে

flamenco-dancer-dance-series-ii-78376
‘নাচঘরে দেখা হবে’ এই বলে
জনৈক সন্ন্যাস হারিয়ে গেলো বিলীন সাগরে
নীল পাহাড়ের আড়ালে ক্রমশ লুকালো আর
নর্তকী বসে রইলো পাথরের মেঝেতে, প্রিয় সাজঘরে।

অবিরত এইসব কবিতাকল্প, সংকেতময় এক্রসটিকে
নিজেতে মুগ্ধ হই, তুমিও প্রশ্নবোধক টানো আমারই দিকে।

বিস্তারিত»

~ অনিবার্য রেষারেষি ~

আবারো আসছে শীত
শুকনো পাতার গায়ে ভর করে
গাছেদের জমানো দুঃখগুলো
একে একে পড়বে ঝরে।

এরপর বসন্ত এলে, নতুন সুখের গান
রঙ্গিন পাতার চাদর মুড়ে
ছোটাবে বর্ণিল কথার বান।
গাছের শরীর জুড়ে জমবে আসর
জীবন হাসবে রঙে।
আবারো সাজাবে বৃক্ষ
তার প্রাণের ঐকতান
বাঘা অর্কেষ্ট্রার কুশলী ঢঙে।

আর এই আমি !

বিস্তারিত»

ফেসবুক বন্ধ করা ও খুলে দেবার পরে …

[ফেবু বন্ধ করার পরে] –

শুনিয়া আঁতেল  সবে করে ধিক্‌-ধিক্‌,
কোথাকার গণ্ডমূর্খ পাষণ্ড নাস্তিক!
ফেবু নাকি হতে পারে অশান্তির আকর
একথা কেমন করে করিব স্বীকার!
জগৎ-বিখ্যাত মোরা ‘জ্ঞান-অন্ত’ জাতি –
জবান বাঁধিয়া  দিবে! দুপুরে ডাকাতি!

[ফেবু পুনর্বার খুলে দেবার পরে] –

সভাস্থ সবাই ভাসে আনন্দাশ্রুনীরে,

বিস্তারিত»

ভালবাসার দেড়যুগ!

কাল রাতে তোমাকে স্বপ্নে দেখবো বলে
সারামাস অপেক্ষার প্রহর গুনেছি।

আজ ২৬শে মে,
বহু প্রতিক্ষিত সেই দিন!
অতিক্রান্ত হলো আমাদের বিয়ের ১৮টি বছর!

চারচক্রযানে চেপে নিঃসঙ্গ আমি বেড়িয়ে পড়েছি,
আজ কোনো দিক নির্দেশনার প্রয়োজন নেই আমার।
চলমান বর্তমানকে সযত্নে পাশ কাটিয়ে,
স্মৃতি-বিস্মৃতির প্রশস্ত মহাপথ ধরে
দ্রুত এগিয়ে যাই আমি সামনের দিকে;
তারপর, সহসাই এক আলোড়িত ঘুর্ণিমোড় নিয়ে
অতীত স্মৃতির মহাকালকে সামনে রেখে
পেছন ফিরে রওনা হই আমি।

বিস্তারিত»

পাতা ঝরার গান

স্কুল জীবনের একটু সিনিয়র পর্যায়ে ঠিক কতদিন যে এসেমব্লির পর ক্লাস করা আমার পক্ষে সম্ভব হয়েছে সেটা আমি হাতে গুনে বলে দিতে পারব। এসেম্বলি হত থার্ড পিরিয়ডের পর। রংপুরে লায়ন্স দিয়ে আমার স্কুলিং শুরু। সে সময় আমি আবার তদানীন্তন কেজি শ্রেনীর বেশ উদিয়মান তারকা ছিলাম। প্রথম ক্লাস টিচার ছিলেন মধুছন্দা ম্যাডাম।ম্যডাম বেশ যত্ন করে আমাদের হ্যান্ড রাইটিং শেখাতেন। সে সময় আমাদের স্কুলে আমরা প্যাচানো হাতের ইংরেজী লেখা শিখতাম।

বিস্তারিত»

টুকিটাকি – ১


আকাশ যত অন্ধকার, তারারা ততই স্পষ্ট। এটি একটি পারসিয়ান প্রবাদ। মন খারাপের মুহূর্তে এরকম কিছু শুনতে ইচ্ছে করে। তারপরও মনে হলো এটি ঠিক মতো বুঝতে পারছি না। এর সঠিক অর্থটা কী? যখন আমাদের মন খারাপ থাকে তখনই আমরা জ্বলে উঠি নাকি অন্ধকার সময়েই দূরের আলোরা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। হয়তো শেষেরটা। একবার আর্ট কলেজে গিয়েছিলাম একটি চিত্র প্রদশর্নী দেখতে। সেখানে একটি ভাষ্কর্যের সামনে অদ্ভুত একটি নাম দেখে তার মর্মার্থ উদ্ধারে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম।

বিস্তারিত»

আমাদের স্বাধীনতার গল্প

লেখকঃ  উখ্যইনু (১৫১৩) মাওয়া (১৫১৫) হৃদিতা (১৫১৬) জান্নাত (১৫৩১) তাসনিয়া (১৫৩৯) আশিফা (১৫৪৬) নুঝাত (১৫৫৭) সাবাবা (১৫৬১)। কলেজ ম্যাগাজিনে ছাপা হওয়া লেখাটিকে এই চার বছর পর ডক ফাইলে এ রুপান্তর করেছেন জান্নাত (১৫৩১)।

(কলেজের শেষ বছর কলেজ ম্যাগাজিনের জন্য আমরা আট জন মিলে লিখেছিলাম “আমাদের স্বাধীনতার গল্প”। মূলত, স্মৃতিচারণ করতে করতেই লিখে ফেলেছিলাম এটি। গল্পের নাম স্বাধীনতার গল্প হবার পেছনের অন্যতম কারন হচ্ছে আমাদের ক্যাডেট কলেজে পদার্পণ করি পঁচিশে মার্চ।

বিস্তারিত»

সেইসব গল্পঃ তিন

পড়ন্ত বিকেলে উড়াল হাওয়া মনটাকে উড়িয়ে নিয়ে গেল।
মেপল পাতাগুলো উড়ে চলে তার পাশে পাশে। কানাডার ৪২তম সাধারণ নির্বাচন।
টানটান উত্তেজনা। নেতৃত্বের পরিবর্তন চায় বেশিরভাগ মানুষ!

পাগলা হাওয়া আজ। মনে জেগেছে ভাব।
দেবী আজ ভীষণ মানবী। দেবতাও বুঝি একদিন ছিলেন কবি।
দূর থেকে ভেসে আসে কানেঃ
যা দেবী সর্বভুতেষু শক্তিরূপেন সংস্থিতা!
লিখে দিলে নাম ‘দুর্গতিনাশিনী’ হেসে
তবু সে তোমারেই আজ দুর্গতির কারণ মানে!

বিস্তারিত»

সীমার!

 

সীমার!
 
আমার তখন সেই বয়স যখন মানুষ শুধুমাত্র দুই ধরনের হয় বলে আমি জানি। ছোট মানুষ বা বাচ্চা মানুষ এবং বড় মানুষ বা বয়স্ক মানুষ! এর বাইরে লিঙ্গভেদ ছাড়া মানুষের ভেতরে আর কোন ধরনের শ্রেণিভেদ হতে পারে সে সম্পর্কে আমার ভেতরে কোন ধরনের ধারনাই তখন জন্ম নেয়নি। কাজেই প্রকারভেদ অনুযায়ী আমি ছোট মানুষদের দলেরই অন্তর্ভুক্ত।
 
আমার চাচা চান মাস্টার আমাদের বাড়ির পাশের ঝাড় কাটা বহুমুখী স্কুলের ফিজিক্যাল টিচার।

বিস্তারিত»

নব্বই চর

নব্বই চর

আমার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে রেখে কেউ শব্দ করে কথা বললেও আমি শুনতে পাইনা, অথচ আমার দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে অস্পষ্টভাবে বিড়বিড় করলেও আমি বুঝতে পারি কি বলা হচ্ছে! ফলে ছোটবেলা থেকেই আমি ক্লাসের টিচারদের সব কথা ফলো করতে পারিনা, কারন তাদের দৃষ্টি সারাক্ষন ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে ক্লাসের ভেতরে। আমি শুধু বুঝতে পারি যমুনার ভাঙ্গনে দুভাগ হয়ে যাওয়া সারিয়াকান্দি থানার দ্বিখণ্ডিত পূর্ব অংশে (মাদারগঞ্জ থানার দিকে) নদীর সিকস্তিতে অবস্থিত ‘নব্বই চর’ গ্রাম থেকে আমাদের ঝাড়কাটা স্কুলে পড়তে আসা আমার ক্লাসমেট সাদুল্লাহর সকল কথা।কারন সে সবকথা আমাকে বলে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে,

বিস্তারিত»

নিউরনে আলাপনঃ পনেরো

: তুমি কোথায়, বলো তো?
: আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়াও। দেখবে ঠিক তোমার পেছনে দাঁড়িয়ে আছি।
তোমার চুলের সুবাস নিচ্ছি। তোমার ঘাড়ে নিঃশ্বাস পড়ছে। টের পাচ্ছো?
তুমি ঘুরে দাঁড়ালেই তোমাকে ধ’রে ফেলবো।
: তুমি এমন ক’রে বলো … আমার বুক ধুকপুক ক’রে … মনে হয় স্বপ্ন দেখছি না তো?
: আজ মনটা ফুরফুরে বলেই হয়তো এমন …
: ঘুম ভাল হলো?

বিস্তারিত»

Strange Darkness

জীবনানন্দ দাসের অসাধারন কবিতা ” অদ্ভুত আঁধার এক ” ইংরেজীতে অনুবাদ করে অল পোয়েট্রিতে প্রকাশ করলাম। অনুবাদ কেমন হল, এ ব্যাপারে মতামত আশা করি।

 http://allpoetry.com/poem/12382384-Strange-Darkness-by-Tito-Mostafiz

 

Strange darkness landed
on the earth today.
The blinds can see
more than anybody.
The world is obsolete
without their advice
who has no love or affection
in their hearts.

বিস্তারিত»

দাবা ও জুয়া

Jean_Metzinger,_1915,_Soldat_jouant_aux_échecs_(Soldier_at_a_Game_of_Chess),_oil_on_canvas,_81.3_x_61_cm,_Smart_Museum_of_Art
দেখেছো তোমার পুরাণ আমাকে পোঁড়ায়
আমি ভাসি নির্নিমেষ নিঃঘ্রাণে
আমিও কুয়াশায় বশ হারানো লোকের মতো
স্থানু থাকি, নির্বান্ধব সন্ধ্যায় কাঠের ক্যাম্পে বসে
একা একা বদল করি সাদা কালো সাইড
বড়ে-মন্ত্রী , দাবার গুটি,
উভয় পক্ষে বেটে দেই ট্রাম, তাসের স্পেড
তার পর বাজি ধরি তোমার নামে
জিতে গেলে সুউচ্চ প্রাসাদ বানাবো
হেরে গেলে মেনে নেবো নিঃশর্ত নির্বাসন
দুর দ্বীপে আবাস বানাবো,

বিস্তারিত»