ডিম পাড়া মুরগির মত লাবণ্য ঘিরে থাকে কারুর চেহারায় – কবিতায় পড়ি আর বাস্তবে মেলানোর চেষ্টা করি। কাপ্তান বাজার হয়ে হেঁটে বাসায় ফিরি সান্ধ্য অফিস শেষে। জীবনের প্রথম চাকুরি বিকাল চারটা থেকে সন্ধ্যা আটটা। দু’দিন হল পাল্লা দিয়ে বাজারের দুই প্রান্তে রাতে ওয়াজ মাহফিল আর কাওয়ালি চলেছে। উৎসব শেষে প্যান্ডেল খোলার কাজ চলছে।
বাজারে প্রায়ই বেশি আয়ের কিংবা স্বল্প আয়ের মানুষদের কাজকারবার মনে দাগ কাটে।
অতীত নেই, ভবিষ্যতও নেই কোনখানে!
অতীত নেই, ভবিষ্যতও নেই কোনখানে!
“মাহফুজা আমরা যাতে যুদ্ধ থেকে না পালাই, সেজন্য আমাদের পশ্চাতে নিয়োজিত/ প্রশিক্ষিত কুকুর বাহিনী। সামনে শক্রর তরবারি; পিছনে ততোধিক নিষ্ঠুর/ সম্রাটবাহিনী। মাহফুজা, কথা হলো, কে আমাকে যুদ্ধে নামিয়েছে?” – কবি মজিদ মাহমুদ
পৃথিবীতে অসংখ্য মানুষের কোন অতীতই নেই!আমি স্বচক্ষে দেখেছি অন্তত তিনবার!তাই যাদের অন্তত একটা অতীত আছে বা ছিল তাদেরকে আমি সৌভাগ্যবানই মনে করি।
বিস্তারিত»হ্রস্ব দ্বিপ্রহর, দীর্ঘ বিক্ষিপ্ততা
কার্তিকের এই হ্রস্ব দ্বিপ্রহরে আমি অস্থির থাকি।
মনে হয়, গাছপালা ফুল পাখি প্রকৃতির সবকিছু
যেন বিষন্নমনে তপস্যায় বসা, গোধূলির খোঁজে।
খুঁজতে খুঁজতেই বিকেলটা হারিয়ে যায় অবেলায়।
দুপুরের পরেই সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসে। টেবিলে বিক্ষিপ্ত
পড়ে থাকে কাগজ কলম, যাবতীয় বিল আর পত্রাদি।
অগোছালো মনের মতই ইতস্ততঃ ছড়ানো ছিটানো।
ত্রস্ত মনে যা গোছানোর কথা ভেবে অস্থির হয়ে উঠি।
আলস্য ঘিরে ধরে।
বিস্তারিত»জীবনের জার্নাল – ২৫
কিংবদন্তী শিক্ষক JRS (দ্বিতীয় পর্ব)

JRS taking a break from walking around Hyde Park

JRS at Prof Saleh’s (my batch mate) apartment.

JRS at Albert Memorial
“কিংবদন্তী শিক্ষক JRS” এর উপর আমার আগের লেখাটা পড়ে অনেকেই অভূতপূর্ব সাড়া দিয়েছেন। কেউ টেলিফোনে, কেউ ই মেইলে, কেউ ফেইসবুকে জানতে চেয়েছেন তাঁর সাথে আমার ব্যক্তিগত যোগাযোগ হয়েছে কিনা,
বিস্তারিত»পাঠ-প্রচেষ্টা: মেহের নিগারের “বন্ধু আমার কই?”
এই কবিতাটা দেখার পর থেকেই পাঠের আগ্রহ হচ্ছিল, খুব! খুব!! খু-উ-ব-ই!!!
শেষ পর্যন্ত পড়েই ফেললাম!!!
‘বন্ধু আমার কই?’
মেহের নিগার
[এম.জি.সি.সি -এর প্রিয় মুখগুলোকে মনে করে]
স্মৃতির নোনা নদীর ধারে
বছর বছর বাদে,
বন্ধু যখন মিলল দেখা,
কান্না কি বাদ সাধে?
হাজার স্মৃতি খোঁজার তোড়ে
একশ’ কথার ফানুস,
ওড়ায় দেখ আকাশ জুড়ে
আমার প্রিয় মানুষ …।
মৃত্যুঞ্জয়ী
মৃত্যুঞ্জয়ী
১৯৭১ সালে আমাদের মাদারগঞ্জ থানায় পাকবাহিনী ঢুকতে পারেনি।কারন এর পশ্চিম দিকে যমুনা আর অবশিষ্ট তিন দিক যমুনার শাখা প্রশাখা দ্বারা বেষ্টিত থাকার ফলে নদী অতিক্রম করা ছাড়া এখানে প্রবেশ বা অনুপ্রবেশ করা সহজসাধ্য ছিলনা। ফলে যুদ্ধের পুরো সময়েই এই এলাকা ছিল অনেকটা মুক্ত স্বাধীন ক্ষুদ্র একটা রাষ্ট্রের মতন, যেখানে মুক্তিযোদ্ধারা অভয়ারণ্যের মৃগয়াদের মতন চলাফেরা করত। ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’ থেকে নাকি একবার বলা হয়েছিল মাদারগঞ্জ থানার গাছের পাতায় পাতায় নাকি মুক্তিযোদ্ধারা বিচরন করে!
বিস্তারিত»পুরনো ঢাকা’র গল্পঃ এক
ওয়ারির এই ছায়াঘেরা স্থানটি বাইরের কোলাহলের সাথে মানাচ্ছে না। শুনেছিলাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একবার এখানে অবকাশ যাপন করতে এসেছিলেন, জয় হাউজে থেকেছেন। এই বলধা গার্ডেন দেখতে এসে অনেক বৃক্ষের বাংলা নামকরণ করেছিলেন। ‘ক্যামেলিয়া’ রচনার পেছনের ইতিহাস এখানকার ক্যামেলিয়া বাগানটি!
তন্ময় হয়ে ভাবতে ভাবতে হাঁটছি। বড় অশোক গাছটির পেছন থেকে এক পুরুষ কন্ঠ ভেসে এল, “আল্লার কছম! তুমারে ক্যামনে বুঝাই? আমি বুড়া হইবার পারি, মাগার আমার দিলডা এক্কেরে কচি,
বিস্তারিত»~ বিচ্ছেদের অরণ্যলোক ~
শহরের সব পার্ক, উদ্যান,
সুদূর অতীত গন্ধ মাখা
প্রাচীন বৃক্ষ কিংবা জলাশয়,
মৌ মৌ আড্ডার ক্যাফে,
থিয়েটার, নাট্যশালা, আর্ট গ্যালারী,
ছায়ামাখা ফুলার রোড,
ভার্সিটির কড়িডোর, ক্যান্টিন,
সর্বত্রই স্মৃতির ব্যপক সন্ত্রাসী বাড়াবাড়ি।
নাট্যমঞ্চের আধো আলো চেয়ারে,
চীনে রেঁস্তোরার টেবিল কাভারে,
বা ধরো যতনে ভাঁজ করা ন্যাপকিনে
স্পর্শের আভা, এমন কি সেই চেনা
সুরভির রেশ,
ধন্যবাদ মিচ. . . . .
“অ্যাশেজ টু অ্যাশেজ, ডাস্ট টু ডাস্ট, ইফ টমসন ডাজন্ট গেট ইউ, লিলি মাস্ট………………” সত্যি সে এক সময় ছিল। লিলি, টমসন, হোল্ডিং, গার্নার রা তখন রাজত্ব করতেন পুরো ক্রিকেট সাম্রাজ্যটা জুড়ে। ২২ গজে দোর্দণ্ড প্রতাপে দাপিয়ে বেড়াতেন ‘দ্যা ফ্যান্টাস্টিক ফোর’। কত রথী মহারথী ব্যাটসম্যান রা তাদের ব্যাটিং পসিশন বদলে ফেলতেন শুধু নতুন বলে মার্ভ হিউজকে ফেস করতে হবেনা ভেবে। ম্যালকম মার্শাল এর এক একটা অগ্নিগোলক যখন ব্যাটের কিনারা ছুঁই ছুঁই করে বেরিয়ে যেত,
বিস্তারিত»অসভ্য সামরিক ছাউনি !
১। “পার্বত্য চটগ্রামে প্রবেশ করার সময় সামরিক ছাউনির অভ্যর্থনার দৃশ্যের মত কদর্যতম চেহারা একটি রাষ্ট্রের হতে পারে না।”
২। “আপনি একটি শহরে প্রবেশ করতে যাচ্ছেন আর তখনি প্রবেশ্মুখে আপনাকে অভ্যর্থনা জানাচ্ছে সামরিক বাহিনীর ছাউনি। এটা কোন সভ্য দেশে চলতে পারে না।
৩। “প্রতিনিয়ত সামরিক ছাউনির সঙ্গে এখানকার মানুষের সাক্ষাৎ হবে এটা বাঞ্ছনীয় নয়। এটা কাম্য হতে পারে না।”
সম্প্রতি বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ডঃ মিজানুর রহমান রাঙামাটি জেলা পরিষদের হলরুমে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি ব্যবস্থাপনা ও বর্তমান পরিপ্রেক্ষিত’
বিস্তারিত»গ্রীকপুরাণ এর ছোঁয়া
নারীর মন
কহিলা ম্লান হেসে
হিফাস্টাস দেবে
নারীর মন বুঝে
কার সাধ্য ভবে!
মিনোটর
জীবন নামের গোলক ধাঁধায়
মিনোটর ই শেষ কথা
থেসিউস হানিমুনে
সে তো ভাই রুপকথা।
অগ্ন্যাশয়ে আততায়ী
অগ্ন্যাশয়ে আততায়ী
বাজায় তালি নিন্দুক
কল্প থেকে বাস্তবেতে
প্যানডোরার সিন্দুক।
উনিশ শো একাত্তর ৭
লাঞ্চের আগে সিও(অধিনায়ক), লেফ্টেনেন্ট কর্নেল মাসুদুল হকের সালাম পেয়ে (ডাক) মেজর শফিউল্লাহর মনে হল, ঘটনা আর একটু খারাপের দিকে মোড় নিয়েছে। মার্চ মাসটা মোটেও ভালো যাচ্ছে না। ১০ তারিখে তাঁর শশুরের মৃত্যু হলো আচমকাই। ১৯ তারিখে হঠাৎ করেই ব্রিগেড কমান্ডারের আনশিডিউল্ড ভিজিট নিয়ে কী ভয়াবহ ঘটনা ঘটে গেল! আবার সেদিনই পাঁচজন সৈনিককে মারধর করে কালিয়াকৈর বাজার থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে গেলো সিভিলিয়ানরা। আওয়ামীলীগের দু’জন নেতার সহযোগিতায় তিনদিন পর গফরগাঁও থেকে উদ্ধার করা হলো সে অস্ত্র।
বিস্তারিত»এক জনমের পূর্নতা
মোহমুক্তির পরে একদিন
তুমি যে চলে যাবে,
সে আমি জানতাম।
তোমার সেই চলে যাওয়াটা যে
বেদনাবিধুর হবে,
সেটাও জানতাম।
আর তাই একদিন ঘটতে যাওয়া
তোমার বিদায় দিনটাকে
মানিয়ে নিতে কি কি বলবো,
কি কি ভাবে বলবো –
তার সব নিয়ে একখানা মুসাবিদাও
করে রেখেছিলাম মনে মনে।
বুঝতেই পারছো, আমাদের যে সম্পর্কটা
হয়েছিলই ভাঙ্গার জন্য,
নাচঘরে দেখা হবে

‘নাচঘরে দেখা হবে’ এই বলে
জনৈক সন্ন্যাস হারিয়ে গেলো বিলীন সাগরে
নীল পাহাড়ের আড়ালে ক্রমশ লুকালো আর
নর্তকী বসে রইলো পাথরের মেঝেতে, প্রিয় সাজঘরে।
অবিরত এইসব কবিতাকল্প, সংকেতময় এক্রসটিকে
নিজেতে মুগ্ধ হই, তুমিও প্রশ্নবোধক টানো আমারই দিকে।
~ অনিবার্য রেষারেষি ~
আবারো আসছে শীত
শুকনো পাতার গায়ে ভর করে
গাছেদের জমানো দুঃখগুলো
একে একে পড়বে ঝরে।
এরপর বসন্ত এলে, নতুন সুখের গান
রঙ্গিন পাতার চাদর মুড়ে
ছোটাবে বর্ণিল কথার বান।
গাছের শরীর জুড়ে জমবে আসর
জীবন হাসবে রঙে।
আবারো সাজাবে বৃক্ষ
তার প্রাণের ঐকতান
বাঘা অর্কেষ্ট্রার কুশলী ঢঙে।
আর এই আমি !
বিস্তারিত»