কিশোর পারেখ

কিশোর পারেখ নামক এক ভারতীয় ফটো জার্নালিষ্ট মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে বাঙলাদেশে যুদ্ধকালীন সময়ের ছবি তুলে তিনি বিখ্যাত হন। এতে তিনি পাকিস্থানী সামরিক বাহিনীর বর্বরতা সহ বাঙালি জণগণের দুঃখ-দুর্দশা এবং আশাবাদ তুলে ধরেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন কিশোরের কাজ সম্পর্কে বলতে গিয়ে পাবলো বার্থলমিউ বলেন,

“Bangladesh was Kishor’s highest point. Self-assigned, self-funded, driven by his own instincts, emotions and guts, in a two week period he produced a startling set of images that became a powerful book and statement.”

বিস্তারিত»

কমোডে বসে লেখা

হাগলে আরামবোধ হয়, যেমন ফরাসী পতাকায়
কিংবা কুরবানীর গরুর জন্য ব্যথিত হৃদয়ের
উহু আহা শুনলে; আরো ভালো লাগে অতিকায়
মস্তকের রঙধনু প্রীতি; অথবা লোমশ ভাতৃদ্বয়ের
রগরগে গল্পে পুলকিত হই। ‘পাদ’ শব্দটি
অশ্লীল বলে মেনে নিয়েছে রাষ্ট্র, যদিও সানি লিওন
কখনো নয়।হঠাৎ জেগে ওঠা যৌন উত্তেজনার মতো স্থায়ী প্রতিটি
বিপ্লব বা আন্দোলন আমাদের, তাই বীর্যস্খলন শেষেই নিওন
আলোর মধ্যেই আরামসে ঘুমিয়ে পড়ি।

বিস্তারিত»

প্রলাপ – শ্যুবার্ত এর সিম্ফনি ৭ শুনে

সংলাপ গুনে দেখিনি তো!
মনমতো
কিছু দৃশ্য, কিছু কথা
নাজুক নীরবতা নিয়ে
নিশ্চয়
একদিন প্রচ্ছদ হবে তুমি;
অনাগত সন্তানের মত
আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থের প্রুফ হবে
পা-ছোঁড়া অস্থিরতা

স্কেচপেন তোমাকে এঁকে
পাবেনা কূল,
উল্টো চক্ষুশূল
হয়ে আসে
সূর্যোদয় কিংবা বৃষ্টির মতন
স্বার্থপর, মনোরম মুহূর্তেরা

এরপর চটির ওই একফালি
ছিঁড়ে যাওয়া ঢেকে দিয়ে
বিব্রত শাড়িটি
মরমে মরে গেছে —

বিস্তারিত»

কিভাবে মেডিটেট করবো – বাংলা – সিম্পল সাইন্টিফিক উপায়ে মেডিটেশন

প্রথম পোস্ট তাই খুবই আশঙ্কায় আছি।

এই ভিডিও ব্লগ এ চেষ্টা করেছি কোন ব্যাপার গুলো আমাদের ক্রনিক স্ট্রেস জন্ম দেয়, কেন মেডিটেশন করা দরকার এবং খুব এ সিম্পল ওয়ে তে কিভাবে মেডিটেশন করা যায়।

আপনাদের মতামত জানাবেন।

ধন্যবাদ।

বিস্তারিত»

বিজয়ের মাসে একটি দেশের গান

ডিসেম্বের আমাদের বিজয়ের মাস। যারা মাতৃভূমির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছে, তাদের জন্য রইল বিনম্র শ্রদ্ধা। সুদূর প্রবাসে আছি অনেক বছর। কিন্তু দেশের মাটি সবসময় আমাকে টানে। একটি দেশের গান গাইলাম। আশাকরি ভালো লাগবে।

বিস্তারিত»

তিন দিনের জন্যে হলেও যদি দেখতে পেতাম

(১৯৩৩ সালে স্বনামধন্য পত্রিকা আটলান্টিক মান্থলিতে ‘Three Days to See’ শিরোনামে মহীয়সী হেলেন কেলার-এর লেখা একটি মর্মস্পর্শী নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। লেখাটি আজো আলোড়িত করে অনুভূতিশীল যে-কোনো পাঠককে।)
১.
একদিন যে মারা যাব এটা সবাই জানি। কিন্তু, আমরা ধরেই নিই সেই দিনটি আসতে এখনো অনেক দেরি। যৌবনে মৃত্যুকে তাই এক অসম্ভব ব্যাপার বলে মনে হয়। জীবনের ব্যাপারে আমরা যেমন ঝিমোতে থাকি, ইন্দ্রিয়গুলো ব্যবহার করার ক্ষেত্রেও তেমনিভাবে ঝিমোই।

বিস্তারিত»

পুরনো ঢাকা’র গল্পঃ দুই

ডিম পাড়া মুরগির মত লাবণ্য ঘিরে থাকে কারুর চেহারায় – কবিতায় পড়ি আর বাস্তবে মেলানোর চেষ্টা করি। কাপ্তান বাজার হয়ে হেঁটে বাসায় ফিরি সান্ধ্য অফিস শেষে। জীবনের প্রথম চাকুরি বিকাল চারটা থেকে সন্ধ্যা আটটা। দু’দিন হল পাল্লা দিয়ে বাজারের দুই প্রান্তে রাতে ওয়াজ মাহফিল আর কাওয়ালি চলেছে। উৎসব শেষে প্যান্ডেল খোলার কাজ চলছে।
বাজারে প্রায়ই বেশি আয়ের কিংবা স্বল্প আয়ের মানুষদের কাজকারবার মনে দাগ কাটে।

বিস্তারিত»

অতীত নেই, ভবিষ্যতও নেই কোনখানে!

অতীত নেই, ভবিষ্যতও নেই কোনখানে!

 

“মাহফুজা আমরা যাতে যুদ্ধ থেকে না পালাই, সেজন্য আমাদের পশ্চাতে নিয়োজিত/ প্রশিক্ষিত কুকুর বাহিনী। সামনে শক্রর তরবারি; পিছনে ততোধিক নিষ্ঠুর/ সম্রাটবাহিনী। মাহফুজা, কথা হলো, কে আমাকে যুদ্ধে নামিয়েছে?” – কবি মজিদ মাহমুদ

 

পৃথিবীতে অসংখ্য মানুষের কোন অতীতই নেই!আমি স্বচক্ষে দেখেছি অন্তত তিনবার!তাই যাদের অন্তত একটা অতীত আছে বা ছিল তাদেরকে আমি সৌভাগ্যবানই মনে করি।

বিস্তারিত»

হ্রস্ব দ্বিপ্রহর, দীর্ঘ বিক্ষিপ্ততা

কার্তিকের এই হ্রস্ব দ্বিপ্রহরে আমি অস্থির থাকি।
মনে হয়, গাছপালা ফুল পাখি প্রকৃতির সবকিছু
যেন বিষন্নমনে তপস্যায় বসা, গোধূলির খোঁজে।
খুঁজতে খুঁজতেই বিকেলটা হারিয়ে যায় অবেলায়।

দুপুরের পরেই সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসে। টেবিলে বিক্ষিপ্ত
পড়ে থাকে কাগজ কলম, যাবতীয় বিল আর পত্রাদি।
অগোছালো মনের মতই ইতস্ততঃ ছড়ানো ছিটানো।
ত্রস্ত মনে যা গোছানোর কথা ভেবে অস্থির হয়ে উঠি।

আলস্য ঘিরে ধরে।

বিস্তারিত»

জীবনের জার্নাল – ২৫

কিংবদন্তী শিক্ষক JRS (দ্বিতীয় পর্ব)
12080911_10206498642160036_1449238350_n
JRS taking a break from walking around Hyde Park
12067766_10206498641600022_1126490871_n
JRS at Prof Saleh’s (my batch mate) apartment.
12092728_10206498639479969_743500688_n
JRS at Albert Memorial

“কিংবদন্তী শিক্ষক JRS” এর উপর আমার আগের লেখাটা পড়ে অনেকেই অভূতপূর্ব সাড়া দিয়েছেন। কেউ টেলিফোনে, কেউ ই মেইলে, কেউ ফেইসবুকে জানতে চেয়েছেন তাঁর সাথে আমার ব্যক্তিগত যোগাযোগ হয়েছে কিনা,

বিস্তারিত»

পাঠ-প্রচেষ্টা: মেহের নিগারের “বন্ধু আমার কই?”

এই কবিতাটা দেখার পর থেকেই পাঠের আগ্রহ হচ্ছিল, খুব! খুব!! খু-উ-ব-ই!!!
শেষ পর্যন্ত পড়েই ফেললাম!!!

‘বন্ধু আমার কই?’
মেহের নিগার
[এম.জি.সি.সি -এর প্রিয় মুখগুলোকে মনে করে]

স্মৃতির নোনা নদীর ধারে
বছর বছর বাদে,
বন্ধু যখন মিলল দেখা,
কান্না কি বাদ সাধে?

হাজার স্মৃতি খোঁজার তোড়ে
একশ’ কথার ফানুস,
ওড়ায় দেখ আকাশ জুড়ে
আমার প্রিয় মানুষ …।

বিস্তারিত»

মৃত্যুঞ্জয়ী

মৃত্যুঞ্জয়ী

১৯৭১ সালে আমাদের মাদারগঞ্জ থানায় পাকবাহিনী ঢুকতে পারেনি।কারন এর পশ্চিম দিকে যমুনা আর অবশিষ্ট তিন দিক যমুনার শাখা প্রশাখা দ্বারা বেষ্টিত থাকার ফলে নদী অতিক্রম করা ছাড়া এখানে প্রবেশ বা অনুপ্রবেশ করা সহজসাধ্য ছিলনা। ফলে যুদ্ধের পুরো সময়েই এই এলাকা ছিল অনেকটা মুক্ত স্বাধীন ক্ষুদ্র একটা রাষ্ট্রের মতন, যেখানে মুক্তিযোদ্ধারা অভয়ারণ্যের মৃগয়াদের মতন চলাফেরা করত। ‘স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র’ থেকে নাকি একবার বলা হয়েছিল মাদারগঞ্জ থানার গাছের পাতায় পাতায় নাকি মুক্তিযোদ্ধারা বিচরন করে!

বিস্তারিত»

পুরনো ঢাকা’র গল্পঃ এক

ওয়ারির এই ছায়াঘেরা স্থানটি বাইরের কোলাহলের সাথে মানাচ্ছে না। শুনেছিলাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একবার এখানে অবকাশ যাপন করতে এসেছিলেন, জয় হাউজে থেকেছেন। এই বলধা গার্ডেন দেখতে এসে অনেক বৃক্ষের বাংলা নামকরণ করেছিলেন। ‘ক্যামেলিয়া’ রচনার পেছনের ইতিহাস এখানকার ক্যামেলিয়া বাগানটি!

তন্ময় হয়ে ভাবতে ভাবতে হাঁটছি। বড় অশোক গাছটির পেছন থেকে এক পুরুষ কন্ঠ ভেসে এল, “আল্লার কছম! তুমারে ক্যামনে বুঝাই? আমি বুড়া হইবার পারি, মাগার আমার দিলডা এক্কেরে কচি,

বিস্তারিত»

~ বিচ্ছেদের অরণ্যলোক ~

শহরের সব পার্ক, উদ্যান,
সুদূর অতীত গন্ধ মাখা
প্রাচীন বৃক্ষ কিংবা জলাশয়,
মৌ মৌ আড্ডার ক্যাফে,
থিয়েটার, নাট্যশালা, আর্ট গ্যালারী,
ছায়ামাখা ফুলার রোড,
ভার্সিটির কড়িডোর, ক্যান্টিন,
সর্বত্রই স্মৃতির ব্যপক সন্ত্রাসী বাড়াবাড়ি।

নাট্যমঞ্চের আধো আলো চেয়ারে,
চীনে রেঁস্তোরার টেবিল কাভারে,
বা ধরো যতনে ভাঁজ করা ন্যাপকিনে
স্পর্শের আভা, এমন কি সেই চেনা
সুরভির রেশ,

বিস্তারিত»

ধন্যবাদ মিচ. . . . .

“অ্যাশেজ টু অ্যাশেজ, ডাস্ট টু ডাস্ট, ইফ টমসন ডাজন্ট গেট ইউ, লিলি মাস্ট………………” সত্যি সে এক সময় ছিল। লিলি, টমসন, হোল্ডিং, গার্নার রা তখন রাজত্ব করতেন পুরো ক্রিকেট সাম্রাজ্যটা জুড়ে। ২২ গজে দোর্দণ্ড প্রতাপে দাপিয়ে বেড়াতেন ‘দ্যা ফ্যান্টাস্টিক ফোর’। কত রথী মহারথী ব্যাটসম্যান রা তাদের ব্যাটিং পসিশন বদলে ফেলতেন শুধু নতুন বলে মার্ভ হিউজকে ফেস করতে হবেনা ভেবে। ম্যালকম মার্শাল এর এক একটা অগ্নিগোলক যখন ব্যাটের কিনারা ছুঁই ছুঁই করে বেরিয়ে যেত,

বিস্তারিত»