স্বদেশপ্রেম, দেশের প্রতি ভালোবাসা অথবা জাতীয়তাবাদ, এসব যখন মানুষের চিন্তা-চেতনায় স্থান নেয় তখন এসব নিয়ে মানুষ কখনই তাদের মনে অস্পষ্টতা বা বিভ্রান্তি রাখে না। যদি কেউ বাংলাদেশকে ভালোবাসে তবে সে কখনই বলবে না যে, “আমি দেশকে ভালোবাসি” বরং বলবে, “আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি”—–অবশ্যই সুস্পষ্টভাবে, কোন সংকোচ না রেখেই। অথচ বাংলালিংকের এই বিজ্ঞাপনটা/TVC শুরুই হয়েছে “দেশের” এই শব্দটা দিয়ে। যেহেতু বিজ্ঞাপনে দেশপ্রেমের বিষয়টা মুখ্য সেহেতু “দেশ” শব্দটার পরিবর্তে “বাংলাদেশ” শব্দটা ব্যবহার করতে পারতো।
বিস্তারিত»কালি-কলম কাহিনী
আবার কালি কলম ব্যবহার করা শুরু করলাম। তবে প্রতিদিনকার লেখালেখির জন্য নয় অবশ্যই। এখন ব্যবহার করি শখ করে। কাগজের সাদা পাতার বুক চিড়ে রোপন করে যাই বুকের ভিতর জমে থাকা অযুত নিযুত শব্দমালা। কেমন যেন অন্যরকম একটা অনুভূতি। ভালোই লাগে। কেন জানি ঠিক এই একই কাজ বল পয়েন্ট কিংবা জেল পেনে আসে না। অরুচিকর লাগে খুব। বল পয়েন্ট আর জেল পেন আমার কাছে প্রানহীন কিছু একটা।
বিস্তারিত»একটি নতুন ধরনের হাইব্রীড প্রতারনা সম্পর্কে সতর্কিকরন ব্লগ
নানা ধরনের এনালগ প্রতারনা তো যুগ যুগ ধরেই চলে আসছে।
জীবন-যাত্রা ডিজিটালাইজড হবার সাথে সাথে শুরু হয়েছে নানাবিধ ডিজিটাল প্রতারনাও।
আবার এই দুইয়ের সংমিশ্রনে এক পর্যায়ে শুরু হয়ে যায় হাইব্রিড প্রতারনাও।
নানা ধরনের হাইব্রিড প্রতারনা থাকলেও, সম্প্রতি এক নতুন ধরনের হাইব্রিড প্রতারনার গল্প শুনলাম।
শোনার পর মনে হলো, তথ্যটা শেয়ার করে অন্যদের সতর্ক করা দরকার। বিষয়বস্তু জানা থাকলে অন্যরা হয়তো প্রতারিত হবার হাত থেকে রক্ষা পেতেও পারেন…
জীবনের জার্নাল – ২৮
‘জীবনের জার্নাল’ এ গত কয়েকটা পর্ব ধরে আমাদের শিক্ষকদের কথা বলে চলেছিলাম। এখনো অনেকের কথা বলার বাকী রয়ে গেছে। কিন্তু আজ আর ওনাদের কথা বলতে চাচ্ছিনা, আজ আমার নিজেরই কিছু কথা বলবো। তখন জীবনের এমন একটা সময় পার করছিলাম, যখন মানুষ কিছু বৈপরীত্যের সম্মুখীন হয়। কিশোর মনে অনেক প্রশ্ন আসে, যেগুলো সবাইকে জিজ্ঞেসও করা যায়না, যেগুলোর উত্তর সবাই দিতেও চায়না। এই বয়সের একটা কালজয়ী বর্ণনা দিয়ে গেছেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,
বিস্তারিত»অব্যক্ত অনুভূতি
দীর্ঘ সামরিক জীবনে,
যখনি কোন আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজ করেছি,
ব্যান্ডের তালে তালে মার্চপাস্ট করেছি,
জাতীয় সংগীতের সুরে সশস্ত্র সালাম দিয়েছি,
কেউতো দেখেনি আমার নীরব অশ্রুপাত।
কেন জানিনা,
সামরিক ব্যান্ডগুলোর সুরের মূর্ছনায়,
অপূর্ব বাঙ্ময় হয়ে উঠে যেকোন গান।
দেশাত্মবোধক হলে তো কোন কথাই নেই,
অশ্রু ও স্বেদ একাকার হয়ে প্রবাহিত হয়।
এখনো নাড়া দেয়,
জাতীয় কবির সেই তেজস্বী রণসঙ্গীত,
নিহোন এর দিনলিপিঃ শেষ পাতা
২৮.০২.২০০২
০৭.৫০ খুব ক্ষুধা লেগেছে। অথচ কাংগোফু ( নার্স) এখনও খাবার নিয়ে আসেনি। ০৮.১৫ কলম হাতে নিয়ে ডায়েরীর পাতা উল্টাতে শুরু করতেই দরজায় নক। : হাই : ওহাইও গোজাইমাছ (সুপ্রভাত) : ওহাইও গোজাইমাছ : দোজো ( খাবার এনেছি, প্লিজ খান) জাপানীদের সামনে একটা জাপানী শব্দ বললেই ওরা মনে করে খুব ভাল জাপানী ভাষা জানি। তখন সমানে জাপানী ভাষায় বকবক করতে থাকে। শেষ পর্যন্ত বলতে হয় ওয়াকারি মাছেন ( বুঝিনা ),
বিস্তারিত»তেপান্তর
আমরা ভার্সিটিতে ওঠার আগেই সমবয়েসী নীলাঞ্জনারা বড় হয়ে যেতে লাগল দ্রুত। আমাদের চেয়ে বড় বড় বিদেশফেরত ভাইদের হাতে মেহেদীরাঙা হাত তুলে দিয়ে সোনিয়া, টুম্পারা যখন মিন মিন করে কবুল বলছে, তখন চায়ের দোকানে বসে আমরা পান্থদার কাছে মিতুলের ঝাড়ি খাওয়া দেখছি। কৈশোরের পনের আনা সময় যে বালিকার কথা ভেবে কাটিয়ে দেয়া হয় তাকে সময়মত বলে ফেলার সাহস অর্জন করতে না পারায়, বাবার পরিবর্তে মামা হয়ে যাওয়ার করুণ ট্র্যাজেডি স্বচক্ষে দেখার সেই চিরায়ত বৃত্ত থেকে বের হতে পারে নাই আমার বাবা,
বিস্তারিত»ভয়াল নেশা- ইয়াবা
ঈদানীং খবরের কাগজ খুললেই দেখা যায়, কোথাও না কোথাও ইয়াবাসহ কেউ না কেউ গ্রেপ্তার। ক’বছর আগেও এমন ছিল না। বর্তমানে এই নেশা ছড়িয়ে পরেছে ব্যাপক হারে। আর এই নেশা সেবনকারী কিন্তু সমাজের কোন বিশেষ পর্যায়ের নয়। এটার বিস্তৃতি সমাজের উপরস্তর থেকে একদম নীচুস্তর পর্যন্ত। এ যেন সবার-আপামর-
এই নেশার বিক্রেতারা কিন্তু এখন আর দূস্প্রাপ্য নয়। তাদেরকে কিন্তু এক্কেবারেই হাতের নাগালেই পাওয়া যায়। তারা কিন্তু আবার ঈদানীং পয়সার চিন্তাও করে না।
বিস্তারিত»পঞ্চবার্ষিক প্রকাশ্য অনুবেদন
২০১১ সাল থেকে অনলাইন দুনিয়ায় আমার নিয়মিত পদচারণা। শুরুটা সিনেট.কম দিয়ে। বিভিন্ন সেফ এবং ফ্রি সফটওয়ারের জন্য এটি আমার প্রিয় ওয়েবসাইট।এর পর কম্পিউটার সম্পর্কিত বিভিন্ন ঝৈ ঝামেলা মুক্তির জন্য সামহোয়ার ইন ব্লগ- এর নিয়মিত পাঠক হয়ে পড়ি। ঐ সাইট থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি। মাঝে মাঝে ইআরসিসির গ্রুপ মেইলে ঢু মারতাম।ফেসবুকে আসার আমন্ত্রণ পেতে পেতে বেশ বিরক্তও হচ্ছিলাম। ফেসবুক শব্দটা প্রথম শুনেছিলাম ‘ফার্ষ্ট ডেট’ নাটকে।
বিস্তারিত»বরফকল
মাঝে মাঝে ঘরের দেয়ালগুলি
তরল হয়ে যায়,
আমি ইট-ভেজা হয়ে
বাইরে এসে দাড়াই।
স্বপ্ন বারান্দায়
বুক ভরে শ্বাস নেই ;
ঘরের ভেতর ক্রমাগত
জমাট বরফ ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে
জীবনানন্দ ক্লান্ত,
ক্লান্ত আমিও, ক্লান্ত সুবোধ বাবু
অথচ বরফকল অবিশ্রান্ত
চলছেই চলবেই …
ইচ্ছা পূরণের রোডম্যাপ (একটি ভিডিও ব্লগ)
বেশ কিছুদিন আগে একটি ভিডিও ব্লগ বানিয়েছিলাম। পশ্চিমেতো সবসময় ভিডিও কনটেন্ট দেখছি। তখন মনে হতো বাংলাতেও এরকম বানিয়ে দেখি। এটি একটি এক্সপেরিমেন্ট। এটি সময় কিভাবে সামলে আনা যায় তার উপর ভিত্তি করে বানানো। বই বা রেফারেন্স এই ভিডিওটির মধ্যেই আছে। ধন্যবাদ। সবাইকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা।
বিস্তারিত»নীল অশ্রু
আহ্…… কি যে ভালো লাগছে। কত দিন ধরে অপেক্ষা করেছি এই একটা খবরের জন্য। আনন্দে লাফাতে ইচ্ছা করছে। শেষ পর্যন্ত তা হলে রেসিডেনসিটা হোল। অনু অবরয় …… কনগ্রেসুলেসন ..অবশেষে তুমি পারলে, নিজেকে নিজেই ধন্যবাদ দিল অনু। নিজের যোগ্যতায় যতটুকু না হয়েছে তার চেয়ে মনে হয় বেশি কাজ হয়েছে মুরুব্বিদের দোয়ায়। গ্যাস ইস্টিসনে কাজ করার ফাঁকে কম্পিউটারে ইমেল চেক করে মাত্রই ইরেস (ইলেক্টনিক রেসিডেনসি এপ্লিকেশ্ন সিস্টেম) থেকে ইমেলটা পেলাম।
বিস্তারিত»কনা’র বিয়ে
আজ কনা’র বিয়ে। বিয়ে মানেই আনন্দ, আত্মীয়-স্বজন নিয়ে হৈ চৈ করে বাজার করা, রঙ্গিন স্বপ্নের জাল বোনা। অথচ কনা’র এগুলো কিছুই করা হয় নি, ওর হয়ে আত্মীয়-স্বজনরাই সব করেছে। কমিনিউটি সেন্টারে কণা বৌ সেজে, স্টেজে চুপচাপ বসে আছে। চারিদিকে বাচ্চাদের চেঁচামেচি আর দৌড়াদৌড়িতে কানে তালা লাগার অবস্থা। মনে হচ্ছে ওদেরই সবচেয়ে বেশী আনন্দ। অথচ কনা’র একটু আনন্দ লাগছে না, বরং সবকিছু বিরক্ত লাগছে। একরকম ভাবলেশহীন।
বিস্তারিত»সিসিবির সাথে সুখবর *টি শেয়ার করছি!
বছর দেড়/দুই আগেও এই ব্লগটি লেখার কথা কল্পনাও করতে পারতাম না!
সিসিবিতে সেসময় ‘ঠাণ্ডা প্রতিশোধ‘ নামে একটি ওয়েস্টার্ন গল্প লেখা শুরু করেছিলাম। আমার স্বভাব হচ্ছে লেখা পুরোটা (বা অনেকখানি) শেষ করে তারপর ব্লগে দেয়া শুরু করি। এতে করে নিয়মিত লেখা দেয়া সম্ভব হয় এবং যে দুই-একজন শুভাকাঙ্ক্ষী আমার লেখা পড়েন তাদের কাছেও ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। যাই হোক, সিসিবিতে কয়েকটি পর্ব দিয়ে আমি পুরো গল্পটি আমি সেবা প্রকাশনী বরাবর পাঠিয়ে দেই।
বিস্তারিত»দেখে এলাম ভারতবর্ষঃ পর্ব ২
আগের পর্ব ছিলো,কলকাতা পৌঁছানো নিয়ে।পৌঁছে তো গিয়েছি,এবার আগানো যাক।
কলকাতায় নেমে সবার আগে যেখানে গেলাম আমরা,সেটা হচ্ছে ফেয়ারলি প্লেস।ফরেন কোটার যাত্রীরা এখান থেকে সারা ভারতজুড়ে ট্রেনের টিকিট অগ্রীম কাটতে পারেন।ভিতরে ঢুকে দেখি কয়েকজন সাদা চামড়া বাদে বেশিরভাগই বাংলাদেশি।নোয়াখালি,বরিশাল,সিলেট,অনেক এলাকার ভাষা কানে এল।বেশিরভাগই চিকিৎসাপ্রার্থী,যাবেন চেন্নাই অথবা অন্য কোথাও।ফর্ম পূরণ করে বসে থাকলাম সবাই।ঘণ্টা দুই পর সিরিয়াল এল আমাদের।
আমাদের প্ল্যান ছিলো,যাওয়া আসা,২বারের যেকোনো একবার,ইন্ডিয়ার বিখ্যাত ট্রেন রাজধানী এক্সপ্রেসে চড়বো।কিন্তু কপাল খারাপ,কোনদিনের টিকিটই পেলাম না,পেলেও তা এসি-টায়ার ২,যেইটা আমাদের সাধ্যের বাইরে।তো কালকা মেইলের আপ এবং দুরন্ত এক্সপ্রেসের ডাউন টিকিট কেটে ব্যাগ টানতে টানতে বের হলাম সামনের মহাসড়কে।
বিস্তারিত»