ভাষার মত সকল নাগরিক অধিকার উন্মুক্ত হোক!

প্রথম সাইকেল চালানোর ব্যাপারটি কেমন?
কিংবা প্রথম সাঁতার শেখা?
অথবা প্রথম গাড়ি চালানো?

সবগুলো ক্ষেত্রেই প্রথম প্রথম মনের মধ্যে কাজ করে কিছুটা শঙ্কা, কিছুটা সংকোচ, আবার একই সাথে কাজ করে নতুন কিছু করার রোমাঞ্চ, শিহরণ। শুরুতে কিছুটা বেঁধে যাওয়া, গুঁতো-ব্যথা-পানি খাওয়া, ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হওয়া এবং সবশেষে দারুণ পটু হয়ে যাওয়া! কিন্তু এই কাজগুলোই নিজের ইচ্ছের বিরুদ্ধে করতে কেমন লাগবে? নিশ্চয়ই আনন্দদায়ক কিছু নয়।

বিস্তারিত»

পাতা ঝরার গান- ০৩

শাহাজাদা সেলিম , আনারকলির সাথে প্রেম প্রেম খেলে ১৬০৫ সালে নুর উদ্দিন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর নাম ধরে সালতানাতে বসে অতঃপর ১৬১১ সালে ২০ তম!!! ২০ তম পত্নী হিসাবে মেহেরুন্নিসাকে বিয়ে করে ” নুরমহল” উপাধি দিয়ে দিলেই সেলিম- আনারকলি কিম্বা জাহাঙ্গীর- নুরমহল প্রেম হয়ে যায় অপরূপ প্রেমের নিদর্শন ।

আর আমি মুখে মুখে ৩-৪ টা প্রেম করতে চাইলেই আমার চারিত্রিক অবক্ষয় এর নিদর্শন হয়।

কৃষ্ণ করলে লীলা হয়,

বিস্তারিত»

অনিশ্চিত তীর্থযাত্রা-১

যেদিন প্রকাশকের কাছে আমার প্রথম বই “গোধূলীর স্বপ্নছায়া”র পান্ডুলিপিটা ইমেল করে পাঠালাম, সেদিন থেকে মনে হচ্ছিল যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম, আমার দায়িত্ব শেষ হলো। অপেক্ষায় থাকলাম, প্রকাশক কী বলেন, তা শোনার জন্য। কিন্তু তখন পীক টাইম, তাই প্রকাশক কেন, কর্মচারী কিংবা সাহায্যকারীদেরও কথা বলার সময় নেই। তাই দিন গুনতে লাগলাম। একদিন প্রচ্ছদ শিল্পী প্রচ্ছদ ডিজাইনটা মেল করে পাঠালেন। প্রথম দেখাতে ভালোই লাগলো, তবে কিছুটা খুঁতখুঁতের বিষয়ও থেকে গেল।

বিস্তারিত»

ঝরা পলেস্তারা

তুমি যখন পেরেক ঠুকো শক্ত হাতে,
ঠকঠকিয়ে ঠুকতে থাকো দিনমনে
আমার জীর্ণ মনের দেয়ালটাতে,
নিঠুর তোমার আপন মনে…

তখন সেথা ঝুরঝুরিয়ে ঝরে কত,
সকাল বিকেল যখন তখন অবিরত,
ইতিহাসের স্বাক্ষী যত পলেস্তারা,
তুমি জানো কি তা, নয়নতারা?

ঢাকা
১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৬
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

(ফেইসবুকে প্রকাশিত)

বিস্তারিত»

পাথরের ঝর্ণা জানে জলের আঘাত

পাথরের ঝর্ণা জানে জলের আঘাত
তোমাতে মগ্ন থাকার ঘুমভাঙা রাত
সুবহে সাদিক জানে চোখের ধকল
তবুও বুঝছো না কেন্ বুকের দখল

বুকেতে ঘাস জমেছে, ঘ্রাণ নিতে রোজ
পানকৌড়িদের রাজা চাইছিলো খোজ
লুকোবে সাতার এবং ডুবের শেষে
তুমি তো মুখ ফিরিয়ে আলতো হেসে

ও রাণী, তোমার চোখের অমল দ্বিধায়
আমি যে রোজ ভুলে যাই মন যে কী চায়
পাথরের মন্দিরে রোজ ফুল দিয়ে যায়
দেবী মুখ চাইবে ফিরে এই তো আশায়

আমি ডুবি চায়ের কাপে,

বিস্তারিত»

জুলিয়েটের ঝুল বারান্দায়

জুলিয়েটের ঝুল বারান্দায়

অনেক সময়ে কাল্পনিক চরিত্ররাও বাস্তব মানুষের চেয়ে বেশি জীবন্ত এবং প্রভাব সৃষ্টিকারী হয়ে উঠতে পারে! যেমন কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দেবদাস’! ১৯১৭ সালের প্রকাশিত হবার পর থেকে দেবদাসের ক্রমাগত মৃত্যু দৃশ্যের বর্ণনা বা মৃত্যুদৃশ্যের অবলোকন চোখের কোণায় অন্তত জল টেনে আনেনি এমন পাষাণ হৃদয়ের বাঙালি আদৌ আছে/ছিল কিনা সে সম্পর্কে আমার ধারনা নেই। ১৯৩৫ সনে প্রমথনাথ বড়ুয়া নির্মিত এবং অভিনীত দেবদাস থেকে শুরু করে ২০০২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত শাহরুখ খানের আধুনিক ‘দেবদাস’ সকলেই শুধুমাত্র বাংলা ভাষাভাষীদের নয়,

বিস্তারিত»

আবোল-তাবোল (গ্রাভিটেশনাল ওয়েভ)

একশ বছর বছর আগে আইনস্টাইন নামে এক ইহুদি পণ্ডিত অংক কষে এর কথা অনুমান করেছিলো। প্রায় আধাশ’ বছর আগে হকিং নামের এক নাছারা বিজ্ঞানী উপায় বাৎলে ছিল, কোন ঘটনার দিকে নজর দিলে তারে ছোঁয়া যাবে, মাপা যাবে। আর এইতো সেদিন, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫, আমেরিকা নামের এক নচ্ছার দেশের বিজ্ঞানীরা সেইসব কল্পনা আর অনুমানকে বাস্তবে পরিনত করে গ্রাভিটেশনাল ওয়েভকে পর্যবেক্ষন করে ফেলল। গোপনে বলি, এই ১৪ই সেপ্টেম্বর দিনটা আবার এই আধমের জন্মদিন ও বটে।

বিস্তারিত»

অভিসারনামা

প্রথম অভিসারটির রঙ ধুসর।
অবিশ্বাস্য দ্রুততায় কেটে যায় তা
পরিচিতিই ঘটে কেবল,
স্মরণে থাকে না আর কোনো কিছুই
কিন্তু কানে কেবলই বাজে একটা সুর,
“আবার কবে দেখা হবে, প্রিয়তমেষু………”

দ্বিতীয় অভিসারের রঙ বেগুনি।
কত কত নিরীক্ষায়ই না ঘটে তখন
আর সময়টা কাটতে থাকে
অভিজ্ঞতায়, অর্জনে,
যার কতক টেকে
আর কতক ঝরে পড়ে
গন্তব্যহীন হয়ে।

বিস্তারিত»

কিছু সবুজ বাতির সারি এবং তুমি

মধ্য রাতে ও কিছু সবুজ বাতির ভিড়ে
তোমায় খুঁজে ফিরি
কিছু সবুজ বাতি, তুমি, আমি।
বাতাসের উষ্ণতা কমে,
আঁধারের চাদর আরো বেশি আঁটসাঁট হয়
সবুজ বাতি নিভে যেতে থাকে একে একে
তখন তুমি ধ্রুবতারা হয়ে জ্বলছ নয়ন মাঝে
তারা খসে পরে, আলো নিভে যায়
তুমি ঠিক রয়ে যাও দুরে
ভেসে উঠ তবু স্বপ্নে-সুরে,
বারেবার চলে যাও এভাবেই এসে ফিরে।।

বিস্তারিত»

কেন ‘দুষ্টু ক্যাডেটের গল্প’ লেখলাম

dushtu22
বাইরে থেকে ক্যাডেট কলেজগুলোকে অনেকের কাছে স্বপ্নপুরী মনে হয়। ওখানে বাচ্চারা খুব ভাল থাকে। আবার কেউ-কেউ মনে করেন ইট-পাথরের দালানের মধ্যে কিছু রুক্ষ ছাত্র-ছাত্রীর বসবাস। আসলে এই কলেজগুলোতে যারা বেড়ে ওঠে তাদের তৈরী করা হয় সশশ্রবাহিনীর উপযুক্ত করে। তিনশো-ষাঠ ডিগ্রি শিক্ষায় তাদের গড়ে তোলা হয়। সবাই হয়তো সশশ্রবাহিনীতে যোগ দেয় না, তবে তিনশো-ষাঠ ডিগ্রি শিক্ষা লাভ করে সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পরে।

বিস্তারিত»

~ সেই ফাগুনের অপেক্ষাতে ~

শুকনো পাতার মতোন
কুঁকড়ে আছে অপেক্ষার সময় সব
সানকিতে সাদা ফুল
রঙধনুর চেয়ে কিছু বেশী রঙ
মেখে সবুজাভ
আসবে বসন্ত সময় নয় শুধু
মানুষের উৎসবে
কলরব মুখরিত দীপ্রতার
হুল্লোড়ে জীবনের
টক ঝাল মাখা প্রাণবান গান নিয়ে

ভাস্কর্যের মগ্নতায়
আছি স্থির সেই ফাগুনের অপেক্ষায়

(য তি চি হ্ন হী ন – তি ন)

বিস্তারিত»

মিলন হবে কতো দিনে …


ক্লাসে মেয়েদের অলিখিত দলনেত্রীর পদটি বাগে রাখার জন্য ভেতরে ভেতরে আমাকে অনেক রাজনীতির হিসেবনিকেশ কশে চলতে হতো। তাই তিথির সৌন্দর্য নিয়ে কেউ যাতে বেশি উচ্ছ্বসিত প্রসংশায় মেতে উঠতে না পারে সে ব্যাপারে ছিল আমার কড়া নজরদারী। মসনদ – তা সে ময়ূর সিংহাসনেরই হোক কিম্বা পদ্মপাতার উপর দু’ফোঁটা পানিরই হোক – কব্জা করা আর তা ধরে রাখা এতো সহজ নয়। প্রতিনিয়ত নিত্যনতুন কথার যন্তর-মন্তরে আমার শিষ্যানুসদকে বশ করে রাখতে হতো।

বিস্তারিত»

তিনটি প্রতিক্রিয়া (//)

এক

দুই

একটি কৌতুক দিয়ে শুরু করি। খুব সম্ভবতঃ হুমায়ুন আহমেদের এলেবেলে তে পড়েছিলাম। উচ্চ শিক্ষার্থে এক মেধাবী শিক্ষার্থী গেছে মার্কিন মুলুকে। কিছুদিনের মধ্যেই সেখানকার অন্যান্য ছাত্রছাত্রীদের সাথে পরিচয়, বন্ধুত্ব হয়ে গেল। সেখানকার ছেলেমেয়েদের মাঝে সে একটা অদ্ভুত ব্যাপার লক্ষ্য করল। কথাবার্তার মাঝে কেউ একজন হঠাৎ একটা নাম্বার বলে ওঠে আর অন্যরা হো হো করে হেসে ওঠে। বিদেশী ছেলেটি কিছু বুঝতে না পেরে বোকার মত তাকিয়ে থাকে।

বিস্তারিত»

একজন কিংবদন্তীর কথা বলছিঃ ক্লাইভ লয়েড (১ম পর্ব)

প্রখ্যাত ক্রিকেট সাংবাদিক অরুনভ সেনগুপ্ত কয়েক বছর আগে ক্রিকেট সংক্রান্ত ওয়েবসাইট cricketcountry.com এ ক্লাইভ লয়েডের উপর বিশাল এক আর্টিকেল লিখেছিলেন। আর্টিকেলটির নাম Clive Lloyd: The mastermind behind West Indies’s domination of world cricket. এতে তাঁর ক্রিকেট জীবনের শুরু থেকে প্রায় সবকিছুই দারুণভাবে উঠে এসেছে। সুপাঠ্য এই লেখাটি সবার পড়ার জন্য দুই খণ্ডে অনুবাদ (ভাবানুবাদ) করার চেষ্টা করছি। মূল লেখাটি পাওয়া যাবে এখানে

বিস্তারিত»

অন্য বসন্ত

ছেলেটি অসম্ভব চুপচাপ ধরনের ছিলো।।কিন্তু প্রচন্ড ভালোবাসতো মেয়েটিকে।।মেয়েটির কোনো আবদার কখনো অপূর্ণ থাকতে দিতোনা সে।।শুধু একটা হাসিকে জুড়ে ছিলো তার জগতের সব চাওয়া পাওয়া।।তার মুখে হাসি ফোটাবার জন্য এমন কিছু নেই যা সে করতোনা।।তার মলিন মুখ দেখলে ভেতরে ভেতরে অস্থির হয়ে উঠতো ছেলেটি।।সত্যিই অনেক বেশি লাকি ছিলো মেয়েটি।।আজকালকার যুগে কেই বা এমন করে ভালোবাসতে পারে।
মেয়েটি ছিলো বড্ড বাচ্চা বাচ্চা।।জগত সংসার সম্পরকে খুব কম বুঝতো।।ছোট্ট কারনেই মন খারাপ করতো আবার অনেক কিছু হলেও যেনো কিছুই হতোনা।।তার মায়াকাড়া মুখের দিকে চাইলে যে কেউই তার সরলতাকে অবলোকন করতে পারবে।।ভালোবাসা বোঝার মত ক্ষমতা তার ছিলোনা।।তবে এটা বুঝতো যে কেউ একজন তাকে অনেক care করে,তার সুখে হাসে,দুঃখে কাদে।।এই মায়াটাকে সে ছাড়তে পারতোনা কখনো।।কিংবা হয়তো তার অবচেতন মন অপেক্ষা করতো যে ছেলেটা তাকে কিছু বলবে!!

বিস্তারিত»