১
কারমা আর নিউটনের তৃতীয় সূত্র এক নিয়ম মেনেই কাজ করে। কে ভেবেছিল পলাশীতে যে সূর্য ডুবেছিল ২৫০ বছর পরে তাই আবার একদিন উদিত হবে সিলিকন ভ্যালিতে। স্বর্গ আর নরকের মাঝামাঝি নো ম্যানস ল্যান্ডে এসে নবাব সিরাজুদ্দৌলা নাকি উত্তেজিত স্বরে লর্ড ক্লাইভকে প্রায়ই শাসিয়ে যায়, ‘ তোমাদের ছিল কূট বুদ্ধি আর আমাদের হলো ইঞ্জিনিয়ারিং বুদ্ধি।’
‘ইয়োর মাজেস্টি, তার জন্য কী আমাডের প্রণীট এডুকেশন দায়ী নয়?’,
~ চাঁদে জীবন কাঁদে ~
স্বপ্ন সিঁড়ি
আঁকতে
আঁকতে
গেছি উঠে
চাঁদে
ফ্রেমবন্দী এক
আকাশ
আমায়
একলা দেখে
কাঁদে
২৭ জানুয়ারী ২০১৬
বিস্তারিত»প্রেমিক
“প্রেমিক”
( জাপানী মরমী কবি তামাহোমা-সানের(১৮৮৪-১৯৮৪) সুদীর্ঘ কবিতা। প্রিয় সামুরাই শিষ্য হু-সেন ((মতান্তরে হু-সান) যখন কবির কাছে প্রেমিকের সংজ্ঞা জানতে চায়, তিনি তখন এ কবিতাটি বর্ণনা করেন। বঙ্গানুবাদ এই অধম )
১
বসিয়াছিলেন কবি তামা-হোমা শান্ত নদীর তীরে,
শিষ্য হু-সান পাশে আসিয়া দাঁড়াইল নতশীরে।
হু-সান ছিল দারুণ যোদ্ধা সামুরাই দুর্বার,
তরবারী হাতে করিত সকল বিপত্তি চুরমার।
জীবনের জার্নাল – ২৯
সাধারণতঃ তিন শ্রেণীর ক্যাডেটদের জন্য ক্যাডেট লাইফটা চরম আনন্দের ও আত্মতৃপ্তির হয়ে থাকে। প্রথম শ্রেণীতে পড়ে যারা স্পোর্টস এবং এ্যথেলেটিক্সে ভালো হয়ে থাকে। এরা বাকী ক্যাডেটদের জন্য, বিশেষ করে জুনিয়রদের জন্য রোল মডেল হয়ে থাকে। তারা খুবই জনপ্রিয় হয়ে থাকে। হাউসের জন্য তারা পয়েন্ট অর্জন করে থাকে বলে তারা হাউস মাস্টার, হাউস টিউটর এবং হাউস এনসিওদের প্রিয়ভাজন হয়ে থাকে। এজন্য এদের ছোটখাট দোষ ত্রুটিও হাল্কাভাবে দেখা হয়।
বিস্তারিত»পত্র নয়, পদ্য
বুকটা যখন কোন কারণে ভারী হয়ে ওঠে,
পাখিরা তখন এসে আমায় গান শুনিয়ে যায়।
ভালো লাগে পাখিদের কণ্ঠ, বর্ণ, চলাফেরা।
কারো সযত্ন অবহেলা যখন বুকে বেজে ওঠে,
চোখের পাতা দুটো তখন ভারী হয়ে আসে।
আমি ঘুমিয়ে পড়ি। পরে সব ঠিক হয়ে যায়।
স্বপ্নেরা খেলা করে আমায় নিয়ে, শিশুদের মত
কখনো হাসায়, কখনো কাঁদায়। আমি বালিশকে
আঁকড়ে ধরে একটা অবলম্বন খুঁজে যেতে থাকি।
শুভ-পরিনয় সম্পর্কিত একটি সুসংবাদ…
আমাদের “পারুল বোন” সাবিনা চৌধুরী সম্প্রতি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে।
কবে কখন কোথায় শুভকর্মটি সম্পন্ন হয়েছে, এখনো জানি না।
শুধু জানি, সৌভাগ্যবান পাত্রটিও আমাদের মতই একজন এক্সক্যাডেট।
কোন কলেজের, কোন ব্যাচের – এখনো কিছুই জানি না…
এই মুহুর্তে শুধু সংবাদটি দেয়ার অনুমতি পেয়েছি।
সেটাই দিলাম।
এর পর বাকি কথা, ছবি, ইত্যাদি কমেন্টে হবে।
এখানে সাবিনাকে অভিনন্দন জানানো যাবে।
বিস্তারিত»কর্তৃপক্ষ সমীপে
নিজের লেখায় লাইক/কমেন্ট/শেয়ার পড়লে ভালই লাগে। যেমন আমার লেখা ক্যাপ্টেন কারেজিয়াস ক্যাডেট ম্যাগাজিনে এবং Bangladesh Navy এর ফেসবুক পেজে ব্যাপক নন্দিত হয়েছে। কিন্তু তাদের সম্পাদক/ এডমিন অনুমতি চাওয়া দূরের কথা আমাকে জানানর ন্যূনতম ভদ্রতা দেখাননি। এ বিষয়ে ক্যাডেট কলেজ ব্লগ কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
বিস্তারিত»আমাদের হারুন স্যার
আমাদের হারুন স্যার
“পুত্রশোকাতুর রবীন্দ্রনাথ রাত্রে ট্রেনে আসতে আসতে দেখলেন জ্যোৎস্নায় আকাশ ভেসে যাচ্ছে, কোথা কিছু কম পড়েছে তার লক্ষণ নেই। তাঁর মন বললে, কম পড়েনি- সমস্তের মধ্যে সবই রয়ে গেছে, আমিও তারি মধ্যে। সমস্তর জন্যে আমার কাজও বাকি রইল। যতদিন আছি সেই কাজের ধারা চলতে থাকবে। সাহস যেন থাকে, অবসাদ যেন না আসে, কোনওখানে কোনও সূত্র যেন ছিন্ন হয়ে না যায়- যা ঘটেছে তাকে যেন সহজে স্বীকার করি,
বিস্তারিত»বেলাশেষে ( ইন দ্যা অটম অফ লাইফ )
মুভিঃ বেলাশেষে(২০১৫)
জেনার/রীতিঃ ফ্যামিলি ড্রামা।
পরিচালানাঃ নন্দিতা রায় / শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়।
অভিনয়ঃ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়,স্বতীলেখা সেনগুপ্ত,ঋতুপর্না সেনগুপ্ত,খরাজ মুখোপাধ্যায়,প্রমুখ।

কোন সাধারন বা ক্লিশে কাহিনী সঠিক কারিগরের হাতে পড়লে সেটা কতটা নান্দনিক রূপ নিতে পারে বেলাশেষে দেখে আর একবার উপলব্ধি করালাম।নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় জুটির ইচ্ছে,মুক্তধারা ও রামধনু দেখে আগেই বুঝেছিলাম সাবলীল গল্প বলা একটা শিল্পের নাম;আর সেইধারার সর্বশেষ সংযুক্তি বেলেশেষে।
~ এই শীতে, অবশেষে – দুই ~
এই শীতে অবশেষে
কয়েক ছত্র বৃষ্টি এসে,
নগরীতে দিয়ে গেলো
প্রতীক্ষিত সেই হিম স্বাদ।
শীতের শরীর ছুঁয়ে
আহলাদী নাগরিক
উল্লাসে জানায় তার
বরফ ভাঙা উদযাপন সাধ।
মেহেগনি ইউক্যালিপটাস বা
বোগেনভেলিয়ার লাজুক
পাতাদের গায়ে ধূলার
চাদর মুছে জমা বিন্দু জলে –
শখের ডিএসএলআর তার
দীর্ঘ অক্ষিকাঁচ দিয়ে
অপূর্ব ফ্রেমের গায়ে
বুঝি শীতছবি আঁকা খেলে।
প্রবাসে প্রাকৃতজন (বিলাতি তিলেরখাজা)
সুপারশপের শেলফে দেখি সুন্দর করে প্যাক করে রাখা তিলের খাজা। তিলের খাজা! হ্যাঁ তিলের খাজা ই তো!! কি সাংঘাতিক! এতদিন পরে এই জিনিষ দেখলে কি মাথা ঠিক রাখা সম্ভব? এই মুহুর্তে যদি গোটা চারেক না খাই তাহলে আমার বংশ পদবীটাই বৃথা। আবার ওদিকে মধ্যপ্রদেশের আপোষহীন ক্রমবৃদ্ধি আর বাসায় লীডার-অব-দ্য-হাউজের ব্যপক চোখ রাঙ্গানিকে ও তো উপেক্ষা করা সহজ কাজ না।
অনেকক্ষণ ভাবলাম, আশেপাশের অন্যান্য আইলে ঘুর ঘুর করলাম।
বিস্তারিত»কলেজে গেলে ঘুমুতে ইচ্ছে করে না
আমাদের ক্যাডেট কলেজে গেলে আমার ঘুমুতে ইচ্ছে করে না। নাহ, যা মনে করছেন, তা নয়। না ঘুমিয়ে সারারাত গান শুনবো বা ডিজে’র সাথে সবার নাচ দেখবো সেকারণেও নয়। কলেজের আকাশে ফানুষ ওড়ানো দেখবো সেজন্যেও নয়।
শুধু মনে হয় ঘুমুলেই সময় নষ্ট হবে, কলেজটাকে মন ভরে দেখতে পারবো না। কবে সারা জীবনের জন্য ঘুমিয়ে যাই তার ঠিক নেই! তাই, না ঘুমিয়ে কলেজটাকে যত বেশি পারি দেখে নিতে চাই,
টুকিটাকি – ২
১
আশির দশকের একজন স্মার্ট নায়িকা ছিলেন দিতি। অনেক সংগ্রামী জীবন। অনেকটা সেলফ-মেড। এখন তিনি অসুস্থ। সহকর্মীরা তাঁর জন্য দোয়া করছেন। আবার বাংলাদেশের মতো রক্ষণশীল সমাজে নায়িকা মানেই শুধু একজন অভিনয়শিল্পী নয় – যেন অন্যকিছু। তাকে সম্মানিত করতে নেই, তার জন্য অপেক্ষা করছে ভয়ংকর পরিণতি। একটি রক্ষণশীল সমাজ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এই ভয়ংকর পরিণতির ভাবনায় আচ্ছন্ন হয়ে। তাই সে সমাজে কোন সৃষ্টিশীলতা নেই, গতিময়তা নেই।
বার বার তিন বার
কথায় বলে বার বার তিন বার, ইংরেজিতে দে কাম ইন থ্রিজ। বিশেষ করে ফাঁড়া গর্দিশে ইত্যাদি। তেমনি এক তিন ফাঁড়ার গল্প বলছি।
সেদিন হিউষ্টনের বিরাট চীনা বাজারে গিয়েছি। কেনাকাটা সেরে কিউতে দাঁড়িয়ে আছি। আমার আগের খদ্দের গোটা চারেক দুরিয়ান কিনেছেন। সেগুলো কাউন্টারের উপরে ডাঁই করে রাখা। এই বিশেষ ফল সম্পর্কে দুটো কথা আগে বলে রাখা দরকার। কাঁঠালের মত চেহারার এই ফল প্রাচ্যদেশীয়দের কাছে খুবই পছন্দের জিনিষ।
বিস্তারিত»কবিতা মানবী
যদি প্রেমাষ্পদ হয়েই থেকে যেতে,
আজ তুমি হতে পারতে স্ত্রী,
কবিতা না।
অথবা হতে পারতে
আমাদের সন্তানের মা,
কিন্তু কবিতা না।
কিংবা হতে প্রেমিকা, প্রেয়সী,
অথবা আত্মার আত্মীয়,
কিন্তু কখনোই কবিতা না।
তুমি যখন প্রেমাষ্পদ হিসাবে
আর থাকতে চাইলে না,
চাইলে আমাকে ছেড়ে অন্য কোনো
ঠাই খুজে নিতে,
তুমি জানতেও পারলে না,