
একটি বই পর্যালোচনা
ভুমিকা
সেই অর্থে ‘বই পর্যালোচনা’ বা ‘বুক রিভিউ’ কখনও করা হয়ে ওঠেনি। এটা আমার প্রথম চেষ্টা। এই কাজটা করতে উৎসাহিত বোধ করার কারণ যে বইটা নিয়ে কাজ শুরু করলাম তার লেখক এবং বই নিজেরাই। বইটা আমার একজন সহকর্মী আমাকে উপহার দেন। ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল স্যার এই বইটার ভুমিকা লিখেছেন। সেখান থেকে কিছুটা উদ্ধৃত না করলেই নয়-“ আমাদের দেশে লেখাপড়া নিয়ে অনেক সমস্যা- সবাই বছরের শুরুতে বই পেয়ে যায় কিন্তু বইগুলো খুব ভালো না;
বিস্তারিত»বৃষ্টি, সারস ও অন্যান্য
এইসব টুপটাপ বৃষ্টির রাতে,
সারস পাখির মত তোমার কাঁধে মাথা গুঁজতে সাধ হয়।
মাটির সোঁদা গন্ধ তখন তোমার-
পাঞ্জাবীর কলারে,
উৎসের খোঁজে-
প্রথমে তোমার গাল,
তারপর,
অ্যাডাম’স অ্যাপেল পেরিয়ে দেখা মেলে-
সব উপরের বোতাম দুটির।
ধরা পড়ে যাওয়া চাহনি নিয়ে
তোমার দিকে তাকাতেই-
আমার চিবুকে আলতো হাত রেখে বল,
বিস্তারিত»শেখ আমিন ঘুমিয়ে পড়েছে বন্ধুরা।
শেখ আমিন ঘুমিয়ে পড়েছে বন্ধুরা।
জীবন এমনই , এত হাসি এত কথা এত চিন্তা এত কল্পনা এত ভাবনা শেষ হয়ে যায় হঠাৎ করেই। জানিনা ” মরন কি টেনে দেবে অন্ধ আবরন” – উপলব্ধি থেকে কত কবিই তো কত কিছু লিখে গেছে। শেখ আমিন চলে গেলো, আমরাও যাবো কিন্তু মনে হয় জীবন এমনি মাতাল যে এত কাছে থেকে ও আমাদের একটু সময় হয়না কাছে বসার ,
বিস্তারিত»ভাল থাকা
কতদিন হয়ে গেল –
তোমার কাছে জানতে চাওয়া হয়নি,
“কেমন আছো তুমি?”
অথবা, “সব ভাল তো?”
সেই যে শেষবার, কবে যেন,
জিজ্ঞাসা করেছিলাম,
আর তুমি বলেছিলে:
“খুবই ভাল আছি, আর হ্যা,
আপনার কি দরকার জেনে,
আমি কেমন থাকি বা না থাকি……”
সেই থেকে তোমাকে
আমি আর জিজ্ঞাসা করি না,
কারন, ঠিকই তো,
ইঁদুর মরন
ইঁদুর মরন
আচ্ছা এই যে ইঁদুর টা মারা গেল
সে কি খুব ভালো হলো।
কাল রাতে উৎপাত করেছে ঘরে
সুর সুর শব্দে ভেঙেছে নিশব্দ
বাতিটা জ্বালাতেই পালিয়েছে
লজ্জায় নাকি প্রানভয়ে?
তা কেন? ওরাতো এ ঘরে ই থাকে
আমাদের সাথে । বেশ তো দেখাও হয়,
জানি দেখা হলেই ওরা লুকোয়
সেঁত আমার ছাত্রীরা করে
হয়তো ওরা সালাম ঠুকে না
তবে তাও সঠিক বলতে পারবো না
ভাষাতো আমাদের এক না
চ্যা চু করে যে পালায়,
স্বাধীনতার শৃংখল
স্বাধীনতা মানে কিন্তু বিশৃংখলতা নয়,
স্বাধীনতার মাঝে আছে এক শৃংখল।
যে শৃংখলে ঠিক শেকলের ঝনঝনানি শব্দ না পাওয়া গেলেও
বাঁধন কিন্তু ঠিকই কাজ করে।
যে বাঁধনে দম আটকানো হাঁশফাঁস করা
প্রকোষ্ঠের গুমোট বাতাসের ছোয়া তুমি পাবে না।
স্বাধীনতার মাঝেও আছে অন্যরকম
আটকে পরার আনন্দ, অন্যভাবে।
বিশৃংখলা কথাটার সাথে কেমন যেন
বেতাল একটা ভাব আছে-
গানের শ্রুতিমাধুর্য্য যে কারণে নষ্ট হয়,
কিন্নরকণ্ঠী নদী – ১৪
(পিলখানার শহীদদের স্মরণে আমার প্রথম উপন্যাসের এই অধ্যায়টি এখানে দিলাম। পিলখানা বিষয়ক অনেক তথ্য আমি এখানকার ব্লগার সাইফের ব্লগ থেকে নিয়েছিলাম।)
চৌদ্দ
হিয়া ভেবেছিলো বয়স্ক কোন ড্রাইভার আর অফিসের পিয়নের সাথে বোধহয় তাকে বান্দর বনে যেতে হবে। কিন্তু হোটেল লাউঞ্জ থেকে ফোন পেয়ে ভোর ছয়টায় যখন নিচে নেমে এল তখন দেখল যে তার অপেক্ষায় অল্পবয়সী এক আর্মি অফিসার একটা জীপের মধ্যে বসে আছে।
~ দৃশ্যপট : দৃশ্যের পর দৃশ্য, দৃশ্যের পর দৃশ্য …… দৃশ্যের অন্তর্ধান ~
~ দৃশ্য-এক
দীনবন্ধু মিত্র যখন নীলচাষীদের কান্নার ধ্বনিকে শব্দের সৌকর্যে সাজালেন কালোত্তীর্ণ সাহিত্য উপস্থাপনায় তখন রাজা রামমোহন বললেন “নীলচাষের জমির নিকটবর্তী অঞ্চলের অধিবাসীদের জীবনযাত্রার মান অন্যান্য অঞ্চলের জীবনযাত্রার মানের তুলনায় উন্নততর। নীলকরদের দ্বারা হয়তো সামান্য কিছু ক্ষতি সাধিত হতে পারে, ……. নীলকর সাহেবগণ এদেশীয় সাধারণ মানুষের অকল্যাণের তুলনায় কল্যাণই করেছেন বেশী”। দ্বারকানাথ বাবু বললেন, “নীলচাষ এদেশের জনসাধারণের পক্ষে সবিশেষ ফলপ্রসূ হয়েছে। জমিদারগণের সমৃদ্ধি ও ঐশ্বর্য বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কৃষকদের বৈষয়িক উন্নতি সাধিত হয়েছে।” বৃটিশ শাসনের কল্যাণে এভাবে পশ্চিমা সুবাতাসে যখন আধুনিক ভারত জন্ম নিচ্ছিল গ্রাম্য কৃষকদের জীবন-শ্রম-ঘামের বিনিময়ে।
বিস্তারিত»শিলাজিৎ-এর “যা পাখি উড়তে দিলাম তোকে…” শোনার পর
যদি ভুলে যাওয়া যেতো
প্রথম ভাললাগা
প্রথম ছোঁয়া
প্রথম চুম্বন…
যদি ভুলে থাকা যেতো
উদ্ভিন্ন পংক্তিমালা
স্বলজ্জ আনত নয়ন
কবিতার উত্তাপ…
যদি ভুলে যাওয়া যেতো
মুখোমুখি বসা
হাতে হাত রাখা
শরীরের ঘ্রান…
যদি ভুলে থাকা যেতো
অস্বীকার
প্রত্যাখ্যান
উপহাস…
আমি ভুলতে পারি না
আমি ভুলতে চাইও না
তুমি পারো?
পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ গোলাম মুরশিদের “হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি”
১
প্রখ্যাত লেখক+গবেষক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলার অধ্যাপক এবং পরবর্তীতে লন্ডনে বিবিসিতে কর্মরত ডঃ গোলাম মুরশিদ যে বইটার জন্য বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাস চর্চায় চিরস্থায়ী আসন অর্জন করেছেন, তা হল “হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি” (২০০৫)। বই আকারে প্রকাশের আগে এর বেশ কয়েকটা অধ্যায় প্রথম আলো এবং ঈদ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। সেসময় বাংলা সাহিত্যের উপর লেখা অধ্যায়টি পড়ে পুরো বই সম্পর্কে বেশ আগ্রহ জেগেছিল। প্রথম আলো বইটিকে পুরস্কৃত করলে সেই আগ্রহ আরও বেড়ে যায়।
টুকিটাকি – ৪
১
আমাদের সময় এই সমস্যাটি অতো প্রকট আকারে ছিল না। এটি এই জেনারেশনের সমস্যা। তা হল ব্যক্তিগত সম্পর্কে ফেসবুক হানা দেওয়া। গত বছর শুনলাম আমার এক আত্মীয় বিয়ে করেছে। খুব ধুমধামে বিয়ে হল। ছেলে আর মেয়ে দুজনের বাবাই একসময় প্রভাবশালী উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন। ছেলেমেয়েরা সব প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছে। তাদের উপর তেমন অর্থনৈতিক চাপ নেই। বাবারাই ঢাকা শহরে ঘরবাড়ি করেছেন। সন্তান সংখ্যাও কম। চাকরীটা তাদের দরকার সামাজিক স্ট্যাটাসের জন্য।
একজন কিংবদন্তীর কথা বলছিঃ ক্লাইভ লয়েড (শেষ পর্ব)
শুধুই সামনে এগিয়ে যাওয়া
লয়েড সে সময় সম্ভবত জীবনের সেরা ফর্মে ছিলেন। সেরা ফর্ম দেখানোর জন্য তিনি বেছেও নিলেন সেরা প্ল্যাটফর্ম, প্রথম বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনাল ম্যাচ! মাত্র ৮৫ বলে ১২ চার ও ২ ছক্কায় সাজানো তাঁর দৃষ্টিনন্দন ১০২ রানের ইনিংসটি আজও বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা ইনিংস বলে স্বীকৃত। তিনি যখন মিড উইকেট দিয়ে অবলীলায় অসি বোলারদের পুল করছিলেন তা দেখে প্রখ্যাত সাংবাদিক জন আরলট লিখেছিলেন,
বিস্তারিত»সমুদ্রপারে তাদের পাড়ায় পাড়ায়! দ্বিতীয় পর্বঃ লাক্কা বীচ (Lakka Beach)

সমুদ্রপারে তাদের পাড়ায় পাড়ায়!
দ্বিতীয় পর্বঃ লাক্কা বীচ (Lakka Beach)
২০০২ সালের ফেব্রুয়ারি মাস। মজার অথচ বিষাদময় একটা ঘটনা ঘটেছে। ঠিক সমুদ্র থেকে মাত্র কয়েক শ’ গজ দুরেই আমাদের ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর। আমাদের ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর থেকে একটা প্রকাণ্ড পাথরের মাঠ পেরিয়ে ‘মিলটন মারগাই কলেজ অফ এডুকেশন এন্ড টেকনোলজি’ অতিক্রম করার পর ঘন নলখাগড়ার বনের ভেতরের ৫০/১০০ গজ পথ পেরুলেই গডরিচ বীচ।অথচ দলবদ্ধভাবে ইউনিটের তত্ত্বাবধানে ছাড়া আমাদের কারুরই এখানে আসার অধিকার নেই।
বিস্তারিত»রসনায় স্মৃতিযাপন
রিইউনিয়নের দিনতারিখ ঘনিয়ে আসছে, কিভাবে যাওয়া হবে কোথায় থাকা হবে এই ছুতোয় ক্যাডেট কলেজ ক্লাবে আড্ডা দিতে বসেছি এক শনিবার দুপুরে। কথার তুবড়ি ছুটছে, পেটে ছুঁচোর কেত্তনও শুরু হয়ে গেছে। দুপুরের খাবারের মেন্যুতে সেদিন ক্লাবে দেখি খিচুড়ি, দেখেই আমাদের আলাপের বিষয় হয়ে গেল কলেজে থাকার সময় বুধবার লাঞ্চের মেন্যু। খেতে খেতেও চলল একই আলাপ, কারণ ক্লাবের খিচুড়ির স্বাদ নাকি কলেজের খিচুড়ির মতই এবং এতক্ষণ ধরে চলে আলাপে আমাদের বহুমত থাকলেও এই একটা ব্যাপারেই আমরা দ্রুত একমত হয়ে গেলাম।
বিস্তারিত»