পরিবারের ভবিষ্যত

এমন না যে আমি নতুন কোন কথা বলছি। কিন্তু বাংলা ব্ললগস্ফিয়ারে এই নিয়ে তেমন কোন কথাবার্তা আমার চোখে পড়েনি, তাই এই ব্যাপারে সবার মতামত জানার আগ্রহ থেকেই এই লেখা। আশা করবো সবাই খোলামেলা মত দিয়ে বিষয়টার আরো বিভিন্ন দৃষ্টিকোণকে সামনে তুলে আনবেন।

মানুষের ইতিহাসকে যারাই বস্তুবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যখ্যা করতে যান, সেটা বৈজ্ঞানিকই হোক আর মার্কসবাদী হোক অথবা মেইনস্ট্রিম সমাজ গবেষণাই হোক, সব গবেষণার মুল সুরটা থাকে সমাজের পরিবর্তনের একটা সাধারণ প্যাটার্ন বের করা যেন তার আলোকে ভবিষ্যৎকে আরো নিখুঁতভাবে ব্যখ্যা করা যায়।

বিস্তারিত»

ভিন্ন দেবীদর্শন

রাজপুত্তুর নই,
তাই, কারও জন্যই,
সাত-সমুদ্দুর তেরো-নদী
পেরুনো হয়নি কখনো।

তবে তোমার জন্য ঠিক ঠিকই
সাত জ্যাম ঠেলে,
তেরো রাস্তা পেরিয়ে,
দেবী-দর্শনে হাজির হতাম,
যখনই অনুমতি মিলতো –
মনে পড়ে, সেসব দিন?

সেই সব আগুন ঝরা দিন –
যখন লাল টুকটুক ঘোড়ায় চড়ে নয়,
পাল উড়িয়ে জাহাজে করেও নয়,
আমি পৌছুতাম,

বিস্তারিত»

রূপ আর বাবা মা’র গল্প

এখানে হুট করেই সন্ধ্যা নামে। মুরং পাড়ার ওপাশে শেষ ঝুপড়িটার ধার ঘেঁষে সূর্যটা হারিয়ে যায়। আঁধার নেমে এসে ঢেকে দেয় পাহাড়ের মাঝখানে দূরত্বটা। অনেক গুলো জোনাকি হঠাত করেই জেগে ওঠে আলোর মিছিল নিয়ে। একটা তক্ষক নিজের মনেই ডেকে ওঠে, একটানা, অনেকক্ষন ধরে। তারপর কোত্থেকে একটা ব্যাঙ, অনেক গুলো নাম না জানা পোকা থেকে থেকে ডেকে চলে। পৃথিবীর এক প্রান্ত যেন, অদ্ভুত নীরব, অনেকটা অন্যরকম। সন্ধ্যা নামে এই পাহাড়ে।

বিস্তারিত»

স্বাধীনতার মাসে স্বাধীনতা নিয়ে কিছু কথা

গতকাল দেখলাম আমার ভাই মুরশেদ (জেসিসি, ৭৯-৮৫) ফেসবুকে কয়েকখানা স্ট্যাটাস দিয়েছে স্বাধীনতা সম্পর্কিত।
প্রথমটাই গান্ধিজিীর সেই ভুল করার স্বাধীনতা সম্পর্কিত উক্তিটি নিয়ে।
উনি বলেছিলেন “Freedom is not worth having if it does not connote freedom to err.”
ভেবে দেখলাম, আসলেই তো তাই। স্বাধীনতার মানে তো মূলত চিন্তা, চেতনার ও মননের স্বাধীনতা। অন্যভাবে বললে, সিদ্ধান্ত গ্রহনের স্বাধীনতা। আর সেজন্য যেটা দরকার তা হলো কিছু বলা বা করার জন্য অন্যের মুখপেক্ষি হয়ে না থাকা।

বিস্তারিত»

বিভক্তি

আমাদের সীমাবদ্ধতা, আমরা সবকিছুতেই দুটি দিক খুজে পাই।
ঠিক যেন মুদ্রার দুই পিঠ, মাথা আর লেজ।
মানুষ খোঁজতে যাই, নারী আর পুরুষ।
ধর্ম বুঝতে যাই, আস্তিক আর নাস্তিক।
আস্তিকতার কথা বলবেন, একইশ্বর কিংবা বহুইশ্বর, অইত মুসলমান আর হিন্দু।
কেবল একইশ্বরের কথা শুনাতে চাচ্ছেন, হুম তাও জানি ইসলাম এবং ক্রীশ্চান।
বাদদিন ধর্মের কথা, বর্ণের কথা বলেন, অহ্ সাদা আর কালো।

বিস্তারিত»

জ্বর মস্তিষ্কে অনুর্বর কিছু ভাবনা……

এই ছোট আয়তনের শহরে,
বড় বড় দালান গুলো আকড়ে ধরে থাকে
বড় বড় কর্তা ব্যক্তিরা,
তারা এ শহর ছেড়ে আর অন্যকোন নোংরা মফস্বল শহরে যেতে চান না।
আর তাদের কে ঘিরে হু হু ঢল নামে মানুষের দলের।
সেই মানুষের জন্য আরো গড়ে উঠে দালান-কোঠা, দোকান-পাট
প্রয়োজনে বাড়িয়ে তোলে আরো প্রয়োজনীয়/অপ্রয়োজনীয় স্থাপনা।
আয়তনে ছোট্ট শহর হয় জনসংখ্যার হিসেবে অন্যতম।

বিস্তারিত»

শেকড়ের সন্ধানেঃ বাঙালি মুসলমানের আত্মপরিচয়-২

পর্ব-১

বৃটিশদের সময় ১৮৭২ সালে সর্বপ্রথম সরকারিভাবে বাংলার জনসংখ্যা গণনা করা হয়। তৎকালীন বাংলার রাজনীতি, শিক্ষাদীক্ষা, ব্যবসাবাণিজ্য ছিল কলকাতাকেন্দ্রিক এবং সেখানে ছিল হিন্দুদের প্রধান্য; অপরদিকে মুসলমানরা ইংরেজপূর্ব শাসনকেন্দ্র মুর্শিদাবাদ এবং উত্তরবঙ্গে কিছুটা প্রভাবশালী। তুলনামূলকভাবে অনুন্নত দক্ষিনবঙ্গ এবং পূর্ববঙ্গকে কলিকাতাকেন্দ্রিক বাংলার পশ্চাতভূমি হিসেবে বিবেচনা করা হতো। এসব এলাকার জনগোষ্ঠী সম্পর্কেও খুব একটা আগ্রহ দেখা যেতো না। এদেরকে ধরে নেওয়া হতো নিম্নবর্ণের হিন্দু এবং অন্যান্য স্থানীয় আদিবাসী হিসেবে।

বিস্তারিত»

শেকড়ের সন্ধানেঃ বাঙালি মুসলমানের আত্মপরিচয়-১

বাংলাদেশে বর্তমানে মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটির কিছু উপরে, যার মধ্যে শতকরা ৮৭ ভাগই মুসলমান। এই হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বের ৪র্থ বৃহত্তম মুসলিম দেশ। আমরা জানি, ভারতবর্ষ ঐতিহাসিকভাবে সিন্ধু ও গঙ্গা নদীর তীরবর্তী দ্রাবিড় এবং আর্য সভ্যতার আবাসভূমি। এরা ছিল মূলতঃ বৈদিক বা হিন্দু এবং বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী। এদের মধ্যে এতোগুলো মুসলমানরা এলো কিভাবে? তাও আবার প্রতি দশজনে নয়জনই মুসলমান? উপরন্তু ভারতবর্ষের একেবারে পূর্বপ্রান্তে যা কিনা মুসলমানদের শাসনকেন্দ্র থেকে সবচেয়ে দূরবর্তী অঞ্চল?

বিস্তারিত»

সমুদ্রপারে তাদের পাড়ায় পাড়ায় (৪র্থ পর্ব)

সমুদ্রপারে তাদের পাড়ায় পাড়ায় (৪র্থ পর্ব)

বুন্স আইল্যান্ড (BUNCE ISLAND )

“এল ওরা লোহার হাতকড়ি নিয়ে
নখ যাদের তীক্ষ্ণ তোমার নেকড়ের চেয়ে,
এল মানুষ-ধরার দল
গর্বে যারা অন্ধ তোমার সূর্যহারা অরণ্যের চেয়ে।
সভ্যের বর্বর লোভ
নগ্ন করল আপন নির্লজ্জ অমানুষতা”। -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

২০০২ সনের এপ্রিল/মে মাস। ইউনিট অধিনায়ক কর্নেল আসিফের নেতৃত্বে রেজিমেন্টেড জীবন যাপন করতে করতে আমরা ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের অফিসাররা সবাই ইতিমধ্যেই মনে মনে হাঁপিয়ে উঠেছি।প্রত্যহ সকালে সিনিয়রদের দায়িত্বে দল বেঁধে লাল রঙের ধুলা খেতে খেতে দুই/তিন মাইল দৌড়ে যেয়ে ‘লুমলে বিচে’ যাই এবং কিয়দকাল সেখানে অবস্থান এবং কাছিমের মতন নড়াচড়া করার পর সিনিয়দের তত্ত্বাবধানেই ফিরে আসি।

বিস্তারিত»

ডিজেলবাবা

খেজুর-গুড় হাসির
মিষ্টি রসে,
গাল ভরাইয়া,
পড়ে তরতরাইয়া-
জীবন উথালপাথাল আনন্দে ভাসে!
সে আনন্দ, তাহাকে বিনা কি আর আসে?

তাহার
ঘাড়ের মাঝখানে, দেখি হায় একী…
ভীষন সর্বনাশা, জোয়ান মশকী!
বিষভরা দংশন,
নিকষ কালো-
মুহূর্তে গিলিবে সে পৃথিবীর আলো!
কাঁদো কাঁদো কন্ঠে, প্রভুপানে কহি-
“সব মশা না মারিয়া ঘুমাইব নাহি!”

স্কন্ধ কুঞ্চিত,

বিস্তারিত»

লেখকের স্বাধীনতা এবং হুমায়ুন আজাদ

কলেজে মাঝে মাঝে খুব মেজাজ খারাপ হতো যখন দেখতাম একটা পার্টি সারাক্ষণ হুমায়ূন আহমেদের লেখা নিয়ে সমালোচনা করতো।ভালো লাগতো তাদের সমালোচনা যদি তারা অন্য লেখকদের বই পড়ে করতো কিংবা কেউ হুমায়ূন আহমেদের বই উপহার পেলে তারা প্রথম সিরিয়াল না দিত। তারা সমরেশ পড়তো না, তারা সুনীল পড়তো না এমনকি সেবা প্রকাশনীর বই ও পড়তো না। তাহলে কার সাথে কম্পেয়ার করে হুমায়ূন আহমেদের লেখাকে খারাপ বলতো বুঝতামনা।

বিস্তারিত»

সমুদ্রপারে তাদের পাড়ায় পাড়ায়! (তৃতীয় পর্ব)

সমুদ্রপারে তাদের পাড়ায় পাড়ায়! (তৃতীয় পর্ব)

গডরিচ জেলেপাড়া

সমুদ্র সৈকতে যাবার অনুমতি এখনো মেলেনি!কারন সিয়েরালিওনের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ধুলার ভেতরে লালমাটিতে স্থাপিত বাংলাদেশ সেক্টর সদর দপ্তর এখনো আমাদের ওপরে রুষ্ট। তারপরেও সমুদ্র প্রতিনিয়ত আমাদেরকে টানে। কারন মানুষের জীবনে জল একটা প্রধান অনুষঙ্গ।বিবর্তনের প্রাথমিক স্তরে জলজ জীবন থেকেই একদিন সে ডাঙায় উঠে এসেছিলো!

এপ্রিল ২০০২ সন। আমরা ইতিমধ্যেই জাতিসংঘের সরবরাহকৃত এ্যাম্বুলেন্স সাইজের ফ্রিজের ভেতরের বরফে রুপান্তরিত ফসিলের মতন কঠিন সামুদ্রিক মাছ-মাংশ ভক্ষন করতে করতে প্রথমে নিরাসক্ত এবং পরবর্তীতে ক্লান্ত হয়ে গেছি।বিশাল আকৃতির টার্কি মুরগিগুলোকে ফ্রিজ থেকে বের করার পর সকালের উজ্জ্বল আলোতে শিকারির গুলিতে নিহত হরিন শিশু বলে মনে হয়।

বিস্তারিত»

মনে আছে

তুমি একটা গল্পের কথা বলেছিলে।
ছোট্ট গল্প, তবু গল্পটা মনে নেই।
তবে, গল্প বলার ভঙ্গিটা মনে আছে,
গল্প শোনার দিনক্ষণটাও মনে আছে।

ঢাকা
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৬
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

বিস্তারিত»

আম জনতার সরলতা

গতকাল ০১ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ তারিখে এ বছরের একুশে বইমেলার উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগের রাতে আমি আমার প্রকাশকের সনির্বন্ধ অনুরোধে রাজী হয়েছিলাম, সকালে বাঙলাবাজারে তার অফিসে গিয়ে আমার প্রকাশিতব্য বই “জীবনের জার্নাল” এর চূড়ান্ত প্রুফ দেখে অনুমোদন দিয়ে আসবো। ছোটবেলায় স্কুলছাত্র থাকার সময়ে বাঙলাবাজারে বহুবার গিয়েছিলাম। দেশ স্বাধীন হবার পর মাত্র দু’বার বরিশাল যাবার সময় সদরঘাট যেতে ঐ পথে গিয়েছি।

বিস্তারিত»

শুভ যাত্রা

চলতে চলতে হঠাৎ থমকে

জিজ্ঞেস করি আপন মন কে,

“যাচ্ছ কোথাও, না আসছো ফিরে?

পথ কি মেলে, পথের শেষে?”

 

পথ – সে তো বৃত্তরেখা

কেন্দ্র কবেই গেছে মিলিয়ে!

পথ কি চলে, না আমরা চলি?

মুখ টিপে হাসে কানা গলি –

 

ছুটতে ছুটতে স্বপ্ন হয়ে-

স্বপ্নের খোঁজে –

বিস্তারিত»