Sorry, but you do not have permission to view this content.
দিনাজপুর – শিবরামপুরের জোড়া মন্দির
উত্তরবঙ্গে বিশেষ করে দিনাজপুর জেলায় দিনাজপুর রাজবংশের কীর্তিকলাপ সর্বজনবিদিত। জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে যে প্রাচীন সভ্য জনপদ প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে কালের পরিক্রমায় গড়ে উঠেছিল সে ধারাবাহিকতায় ঈতিহাসে দিনাজপুর রাজবংশের একটি আলাদা স্বকীয়তা রয়েছে। শিবরামপুর গ্রামে পাশাপাশি অবস্থিত শিব মন্দিরদ্বয় তারঈ এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
জেলা সদর থেকে উত্তরমুখী যে সড়কটি দিনাজপুর – পঞ্চগড় বরাবর চলে গেছে সে রাস্তা ধরে এগোলে চেহেলগাজীর মাযার হতে প্রায় ১ কি.মি.
বিস্তারিত»একটি আইডিয়ার পোস্টমর্টেম, অথবা(শূন্য + শূন্য)=দুই
আজ একটা হিসেব কষা যাক –
“সত্য আর স্বপ্নের মাঝে দূ র ত্ব কতখানি?”
সত্য – সুন্দর,
স্বপ্ন – স্বপ্নময় ।
সত্য কে আঁকড়ে আমরা বাঁচতে চাই –
আর স্বপ্ন যোগায় সেই প্রেরণা ।
স্বপ্ন যদি হয় শরতের রাতের আকাশ জুড়ে জ্যোৎস্নার প্লাবন – আলো আঁধারের প্রেমালাপ,
তবে,
বিস্তারিত»স্রষ্টার আজাব: রজনীর ঘুম ঘোরের আজব ভাবনা

জানেন নাকি, আমরা আগে একত্রে ছিলাম।
পৃথিবীতে কেবল একটি মাত্র মহাদেশ ছিল, প্যানজিয়া
না, কোন ধর্মীয় গ্রন্থের কথা নয়,
আমি টেক্টোনিক প্লেটের কথা বলছি
স্রষ্টা আমাদের কিভাবে আজাব দেন তার কথা বলছি
সেই একক মহাদেশটিতে প্রধান আটটি প্লেটের খন্ডন ছিল
ছিল আরো ছোট ছোট অনেক অপ্রধান প্লেট
পৃথিবীর অভ্যন্তরে গলিত তরল ধাতুর প্রবাহের কারনে
প্লেটগুলো পরস্পরকে ঠেলে দিচ্ছে
দক্ষিন থেকে উত্তরের দিকে ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে তারা
ফলে সৃষ্টি হয়েছে মহাসাগর,
বিস্তারিত»পিএমএস নিয়ে লিখা একটি অপ-এড
পিএমএস নিয়ে সেভাবে প্রথম জানা বছর দুয়েক আগে।
আমার এক ফেবু বন্ধুর কাছে।
শুনে বিষয়টা নিয়ে তখন কিছুটা ঘাটাঘাটি করলাম, কিন্তু সার্বিক জনগোষ্ঠির উপর কষ্টের গুরুত্ব নাবুঝেই তাঁর কষ্টের বোঝা লাঘবে জন্য কোনো উপায় বের করা যায় কিনা, সেটা বাতলানোর চেষ্টা করলাম।
কিন্তু এক পর্যায়ে এই ব্যাপারে তাঁর আর কোনো অংশগ্রহনে অনিহা দেখে এবোর্ট করা ছাড়া আর কোনো গতি থাকলো না।
দ্বিতীয় কেইসটাও আরেক ফেবু বন্ধুর।
আজও
আজও চাঁদ ওঠে আকাশের বুকে…
পৃ্থিবীর কত লোক ঐ চাঁদ দেখে…
চাঁদের জ্যোৎস্নাটুকু নিজ মুখে মাখে…
আমি শুধু আড়ালে একটি মুখ খুঁজি অবিরত,
চাঁদের পাশে দেখায় যাকে ঠিক তোমারই মত…
ঢাকা
২১ মার্চ ২০১৬
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
অনিশ্চিত তীর্থযাত্রা-২
অনেক প্রতীক্ষার পর গত ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ তারিখে অবশেষে আমার আত্মজৈবনিক স্মৃতিকথা “জীবনের জার্নাল” বইটি ‘বইপত্র প্রকাশন’ এর স্টলে ( নং ১২৭-১২৮) আবির্ভূত হয়। ঐদিন সন্ধ্যের পর আমি বইমেলায় গিয়েছিলাম। বইটিকে স্টলে দেখতে পেয়ে মনটা প্রফুল্ল হয়ে উঠেছিলো। অনেকক্ষণ বসেছিলাম, দেখি অনেকেই এসে স্টলের অন্যান্য বই এর দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে হঠাৎ আমার বইটা হাতে নিয়ে পৃষ্ঠা ওল্টাতে থাকে। আমি বেশ রোমাঞ্চিত বোধ করতে থাকি,
বিস্তারিত»ক্রিকেট, দেশপ্রেম, জাতীয়তাবাদ
বেশ অনেকদিন ধরেই ক্রিকেটের আলোচনায় দেশপ্রেম, জাতীয়তাবাদ শব্দগুলি উঠে আসছে। আমাদের জাতীয় দল, যারা আমাদের পুরো জাতিকে প্রতিনিধিত্ব করছে, আমাদের জাতীয় পতাকা সামনে রেখে খেলে যাচ্ছে তাদেরকে সমর্থন করাটা স্বাভাবিক ভাবেই আমাদের দেশপ্রেম, জাতীয়তাবোধের অংশ হবে এই ধারনাই আমার ছিল। কিন্তু কিছুদিন ধরে এই বিষয়টা একটু ভাবাচ্ছে। এই ভাবনাগুলোর প্রকাশ আর নিজের মাঝে উঠে আসা কিছু প্রশ্নের জবাব খুঁজতে (সেই সাথে বহুদিন পরে সিসিবিতে নিজের উপস্থিতি জানান দিতে) ভাবলাম সিসিবির ক্যারিয়ারে নিজের ইনিংসে আরেকটা রান বাড়িয়ে ফেলি।
বিস্তারিত»অভিমানী ‘তনু’ ও ‘তুবা’
(লেখাটি কয়েকদিন আগে ফেসবুকে স্ট্যাটাস হিসেবে দিয়েছিলাম। পরে আমার দীর্ঘদিনের রুমমেট রাজীবের কথায় ক্যাডেট কলেজ ব্লগে তুলে দিলাম। পুরোটাই আমার ব্যক্তিগত মত, আমি কাউকে ইঙ্গিত করে লেখিনি।)
১. কয়েকদিন যাবতই ভাবছি আমাদের ‘তনু’ ও ‘তুবা’র কথা। আজ হঠাৎ করেই লিখতে ইচ্ছে হলো। কারন আজকে ফেসবুকে আমার নিউজ ফিডে দেখলাম আগামীকাল আমার শ্যালক শাহবাগ যাচ্ছেন – তনু হত্যার প্রতিবাদ জানাতে। ওর সঙ্গে যখন কথা বললাম,
বিস্তারিত»ভালবাসা মন্দবাসা
“ভালবাসা হলো দুজনের পাগলামি…” – রফিক আজাদ
কখনো বলিনি তোমায়, “ভালবেসো”,
তুমি নিজে থেকেই বাসলে তা।
কখনো বলিনি তোমায়, “ছেড়ে যাও”,
তুমি নিজে থেকেই গেলে তা।
ভালবাসার সময়ও বলো নাই,
“কেন তা বেসেছো?”
ছেড়ে যাবার সময়ও তাই জানতে চাইনি,
“কেন যাচ্ছো?”
স্বেচ্ছায় এসেছিলে,
স্বেচ্ছায় চলে গেলে –
সমাপ্ত!
দি এন্ড!!
বিস্মৃত নক্ষত্রের আলোয়
কবিগুরু যে বছর জন্মগ্রহণ করেন সে বছরই খুলনার রাড়ুলি গ্রামের জমিদার বংশে জন্ম হয় আরেক মনীষীর। তিনি আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়। ‘প্রাণে প্রাণে মুখরিত হন রবীন্দ্রনাথ। তিনি থেকে যান কেমন যেন অজ্ঞাত অন্ধকারে।’ (১) অথচ, আচার্য পি সি রায় ভারতবর্ষে রসায়নের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার প্রথম সার্থক চরিত্র। ইন্ডিয়ান স্কুল অব কেমিস্ট্রি ও ইন্ডিয়ান কেমিক্যাল সোসাইটি গঠনের উদ্যোগ নিয়ে এই উপমহাদেশে আধুনিক রসায়নচর্চাকে তিনি শক্ত বুনিয়াদের ওপর প্রতিষ্ঠিত করেন।
বিস্তারিত»কিছু প্রশ্ন ছিল মনে। (অবশেষে রাইটার্স ব্লক ছেড়ে কিছু লিখতে পারলাম)
বাঙলাদেশ
(১) জনসংখ্যাঃ ১৬,৮৯,৫৭,৭৪৫ (আনুমানিক ষোল কোটি ঊননব্বই লক্ষ সাতান্ন হাজার সাতশ পয়তাল্লিশ)। বাস করেঃ ১৪২,৬১৫ (আনুমানিক এক লক্ষ বেয়াল্লিশ হাজার ছয়শ পনের) বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে।
(২) রাজধানীঃ ঢাকা। রাজধানীর জনসংখ্যাঃ ১,৫৬,৬৯,০০০ (আনুমানিক এক কোটি ছাপ্পান্ন লক্ষ ঊনষাট হাজার)
(৩) বিটিআরসির ৩০ নভেম্বর ২০১৫ হিসেব মতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যাঃ ৫,৩৯,৪১,০০০ (আনুমানিক পাঁচ কোটি ঊনচল্লিশ লক্ষ একচল্লিশ হাজার)
অন্তর্জাল ব্যাপ্তির হারঃ ৩১.৯%
(৪) নভেম্বর ২০১৫ হিসেব মতে ফেইসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যাঃ ২,৮০,০০,০০০ (আনুমানিক দুই কোটি আশি লক্ষ)।
না চাওয়া স্বাধীনতা
এতটা স্বাধীনতা চাইনি। ছোটবেলা থেকে আব্বু আম্মু একটু বেশিই কেয়ার নিত। স্কুল -কোচিং শেষে বন্ধুরা যখন খেলত বা ঘুরতে যেত আমি তখন আব্বু কিংবা আম্মুর সাথে বাসায় ফিরতাম।আর শুধু চাইতাম একটু বড় হতে।ক্যাডেট কলেজেও ভ্যাকেশন শেষে সবাই যখন একা একাই কলেজ যেত, আমাকে কলেজ যেতে হতো আব্বু আম্মু দুইজনার সাথে। ” আম্মু আমি বড় হইছি। একা একা যেতে পারি।” কথাটা বাতাসেই মিলায় যেত। আম্মু শুনে শুধু হাসত।
বিস্তারিত»বিপ্লব, যুদ্ধ এবং শৈশব (তৃতীয় পর্ব)
বিপ্লব, যুদ্ধ এবং শৈশব (তৃতীয় পর্ব)
“বালক হিসেবে আপনি যখন যুদ্ধে যাবেন তখন আপনার মধ্যে অমরত্বের মোহ কাজ করবে। অন্যরা নিহত হবে; কিন্তু আপনি নন…” – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
স্বাধিকার বা স্বাধীনতার জন্যে সংগ্রামের অনিবার্য পরিণতিই যুদ্ধ। এটা পৃথিবীর আদিমতম চরম সত্যগুলোর একটি। যুদ্ধের রকমফের যাই হোক না কেন, কোন দেশ বা জাতিই এই সত্যকে পাশ কাটিয়ে যেতে পারেনি।
বিস্তারিত»বিপ্লব, যুদ্ধ এবং শৈশব (দ্বিতীয় পর্ব)
বিপ্লব, যুদ্ধ এবং শৈশব (দ্বিতীয় পর্ব)
‘‘একটি কবিতা লেখা হবে তার জন্য অপেক্ষার উত্তেজনা নিয়ে/ লক্ষ লক্ষ উন্মত্ত অধীর ব্যাকুল বিদ্রোহী শ্রোতা বসে আছে/ ভোর থেকে জনসমুদ্রের উদ্যান সৈকতে/ কখন আসবে কবি? / …শতবছরের শত সংগ্রাম শেষে/ রবীন্দ্রনাথের মতো দৃপ্ত পায়ে হেঁটে/ অতঃপর কবি এসে জনতার মঞ্চে দাঁড়ালেন/ …কে রোধে তাঁহার বজ্রকণ্ঠ বাণী?/ গণসূর্যের মঞ্চ কাঁপিয়ে কবি শোনালেন তাঁর অমর-কবিতাখানি/ ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,/ এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’।/ সেই থেকে স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের।’’ –
বিস্তারিত»