কিছু প্রশ্ন ছিল মনে। (অবশেষে রাইটার্স ব্লক ছেড়ে কিছু লিখতে পারলাম)

বাঙলাদেশ
(১) জনসংখ্যাঃ ১৬,৮৯,৫৭,৭৪৫ (আনুমানিক ষোল কোটি ঊননব্বই লক্ষ সাতান্ন হাজার সাতশ পয়তাল্লিশ)। বাস করেঃ ১৪২,৬১৫ (আনুমানিক এক লক্ষ বেয়াল্লিশ হাজার ছয়শ পনের) বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে।
(২) রাজধানীঃ ঢাকা। রাজধানীর জনসংখ্যাঃ ১,৫৬,৬৯,০০০ (আনুমানিক এক কোটি ছাপ্পান্ন লক্ষ ঊনষাট হাজার)
(৩) বিটিআরসির ৩০ নভেম্বর ২০১৫ হিসেব মতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যাঃ ৫,৩৯,৪১,০০০ (আনুমানিক পাঁচ কোটি ঊনচল্লিশ লক্ষ একচল্লিশ হাজার)
অন্তর্জাল ব্যাপ্তির হারঃ ৩১.৯%
(৪) নভেম্বর ২০১৫ হিসেব মতে ফেইসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যাঃ ২,৮০,০০,০০০ (আনুমানিক দুই কোটি আশি লক্ষ)।

বিস্তারিত»

না চাওয়া স্বাধীনতা

এতটা স্বাধীনতা চাইনি। ছোটবেলা থেকে আব্বু আম্মু একটু বেশিই কেয়ার নিত। স্কুল -কোচিং শেষে বন্ধুরা যখন খেলত বা ঘুরতে যেত আমি তখন আব্বু কিংবা আম্মুর সাথে বাসায় ফিরতাম।আর শুধু চাইতাম একটু বড় হতে।ক্যাডেট কলেজেও ভ্যাকেশন শেষে সবাই যখন একা একাই কলেজ যেত, আমাকে কলেজ যেতে হতো আব্বু আম্মু দুইজনার সাথে। ” আম্মু আমি বড় হইছি। একা একা যেতে পারি।” কথাটা বাতাসেই মিলায় যেত। আম্মু শুনে শুধু হাসত।

বিস্তারিত»

বিপ্লব, যুদ্ধ এবং শৈশব (তৃতীয় পর্ব)

বিপ্লব, যুদ্ধ এবং শৈশব (তৃতীয় পর্ব)

 

“বালক হিসেবে আপনি যখন যুদ্ধে যাবেন তখন আপনার মধ্যে অমরত্বের মোহ কাজ করবে। অন্যরা নিহত হবে; কিন্তু আপনি নন…” – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

 

স্বাধিকার বা স্বাধীনতার জন্যে সংগ্রামের অনিবার্য পরিণতিই যুদ্ধ। এটা পৃথিবীর আদিমতম চরম সত্যগুলোর একটি। যুদ্ধের রকমফের যাই হোক না কেন, কোন দেশ বা জাতিই এই সত্যকে পাশ কাটিয়ে যেতে পারেনি।

বিস্তারিত»

বিপ্লব, যুদ্ধ এবং শৈশব (দ্বিতীয় পর্ব)

বিপ্লব, যুদ্ধ এবং শৈশব (দ্বিতীয় পর্ব)   

‘‘একটি কবিতা লেখা হবে তার জন্য অপেক্ষার উত্তেজনা নিয়ে/ লক্ষ লক্ষ উন্মত্ত অধীর ব্যাকুল বিদ্রোহী শ্রোতা বসে আছে/ ভোর থেকে জনসমুদ্রের উদ্যান সৈকতে/ কখন আসবে কবি? / …শতবছরের শত সংগ্রাম শেষে/ রবীন্দ্রনাথের মতো দৃপ্ত পায়ে হেঁটে/ অতঃপর কবি এসে জনতার মঞ্চে দাঁড়ালেন/ …কে রোধে তাঁহার বজ্রকণ্ঠ বাণী?/ গণসূর্যের মঞ্চ কাঁপিয়ে কবি শোনালেন তাঁর অমর-কবিতাখানি/ ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,/ এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’।/ সেই থেকে স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের।’’ –  

বিস্তারিত»

আত্মহত্যা সম্পর্কিত সচেতনতামূলক আরেক কিস্তি লিখালিখি…


একটা গল্প দিয়ে শুরু করি।
যদিও পুরনো গল্প। আগেও বলেছি কোনো কোনো জায়গায়। তবুও বলছি, আরেকবার……
বেশ কিছুদিন ধরেই আমি মানসিক সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতামূলক লিখালিখি করে যাচ্ছি। সেগুলোর মধ্যে আত্মহত্যা নিয়ে লিখাও ছিল।
এরকম প্রথম লিখাটা পড়ে আমার এক বেশ পুরোনো স্টুডেন্ট ফোন করে কি ঝাড়ি! কি ঝাড়ি!!
“লিখালিখির কি আর কোনো সাবজেক্ট পাচ্ছেন না, স্যার? এইসব কি হাবিজাবি লিখা শুরু করেছেন,

বিস্তারিত»

ত্যাল

ইঞ্জিনে ঢালে, খাবারে মেশায়,
কুন্তলে মাখে বালিকা;
তরল সে এক পদার্থ ভাই,
তেল- জগতের চালিকা।

কিন্তু ভ্রাতারা, জান কি তোমরা, সকল তেলের মাসী-
আছে সে ‘ত্যাল’ এক, অসীম শক্তি, সিংহকে করে খাসী?
মাখামাখি ওই তরলে আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা-জনগণ,
সেই ত্যালেরই গুণ গাহি আজ, শুনিও ভ্রাতারা দিয়া মন।

ত্যালের প্রকৃতি অদ্ভুত বড়, মধুর মতই মিষ্ট;
কষ্ট ছাড়াই আনিবে ঠিক সে,

বিস্তারিত»

প্রজন্ম-প্রজন্মান্তর

রংপুর ক্যাডেট কলেজের আমাদের ব্যাচ (১৯৮৮-‘৯৪)-এর দুজন (লেঃ কর্নেল হুমায়ুন এবং অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন শহীদ)-এর সন্তান বর্তমান প্রজন্মের ক্যাডেট। হুমায়ুনের বড় ছেলে ফৌজদারহাটে ক্লাস এইটে পড়ছে, আর শহীদের বড় মেয়ে আজ জয়পুরহাটে সপ্তম শ্রেনিতে ভর্তি হলো। নতুন প্রজন্মের সবার জন্য দোয়া, অভিন্দন, শুভকামনা এবং ভালবাসা!

আমার মেয়েটার কেবল সাড়ে তিন বছর বয়স। স্বপ্ন দেখি তাকেও ক্যাডেট বানানোর। কিন্তু ইদানিং কালের দূর্ঘটনাগুলো আসলেই মনে চাপ ফেলছে।

বিস্তারিত»

গল্প হলেও সত্যি

ছেলেটি পড়ত রংপুর ক্যাডেট কলেজে।নাম আসিফ।দুষ্ট ক্যাডেটডের লিডার ছিল সে।কিন্তু মনটা পানির মত পরিস্কার আর সরল।আমার বেস্ট ফ্রেন্ড।তাই বলে তাকে এই কমপ্লিমেন্ট দিচ্ছিনা।যে বা যারা তাকে চিনে সবাই একই কথাই বলবে।
মেয়েটি পড়ত জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজে।নাম নিশাত।শান্ত শিষ্ট লেজ বিশিষ্ট মেয়ে।মনের দিক দিয়ে হয়তো সৃষ্টিকর্তা ই তাদের এক বিন্দুতে মিলিয়েছিলেন।তবে আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে গল্পের এই ২ চরিত্র কলেজ জীবনে একে অন্যকে সেভাবে চিনতই না।বলে রাখা ভাল যে ছেলেটার আগে আমি নিজে মেয়েটার বাসা ঘুরে এসেছি!!!:-p
চেনা বলতে ছেলেটার বাসা ছিল গাইবান্ধায় আর মেয়েটির কুড়িগ্রামে।তো মেয়েটির কিছু কলেজমেটের বাসা ছিলো গাইবান্ধায় আর ছেলেটির কিছু কলেজ মেটের বাসা ছিলো কুড়িগ্রামে।তো দেখা যেত যে ছুটির পরে কলেজে গিয়ে তারা সারাদিনই ছুটির গল্পই কেবল করত।এটুকুই তাদের একে অন্যকে চেনার পর্ব ছিল শুরুতে।

বিস্তারিত»

ছয়টি তারে (গীটার উপাখ্যান)

ছয়টি তারে পাঁচটি আঙুল
বাজিয়ে দিলাম সুর,
একটি তারে ঝুমকা বাজে
একটিতে নূপুর।

একটি তারে ঠমক-ঠামক
বিছায় আলোড়ন,
একটি তারে রেশমি চুড়ি
উদাস করে মন।

একটি তারে সুখ-দুঃখে
জড়িয়ে থাকার পণ,
আর একটি তারে ভালোবাসি
তাকেই অনুক্ষণ।

বিস্তারিত»

শেকড়ের সন্ধানেঃ বাঙালি মুসলমানের আত্মপরিচয়-৩

পর্ব-১

পর্ব-২

প্রথম পর্বে পর্যালোচনা করে দেখেছি যে, বাইরে থেকে মুসলমানদের ভারতবর্ষে মাইগ্রেশন, মুসলিম শাসকদের তলোয়ারের মাধ্যমে জোরপূর্বক হিন্দুদেরকে ইসলামে ধর্মান্তর অথবা সুফিদের মাধ্যমে সাম্যবাদী ইসলামে হিন্দুদের স্বেচ্ছায় ধর্মান্তর কোন তত্ত্বই ঐতিহাসিক তথ্য এবং যুক্তির বিচারে টেকেনা, বিশেষ করে যখন আমরা ভারতবর্ষের কেন্দ্রে নয়, বরং প্রান্তিক অঞ্চলে মুসলমানদের সংখ্যাধিক্য দেখি, যেমন পূর্ববঙ্গ তথা আজকের বাংলাদেশ।

বিস্তারিত»

একজন সুখী মানুষের কথা (অনুবাদ কবিতা)

Edwin Arlington Robinson এর “A Happy Man” কবিতাটি পড়ে আমার খুব ভালো লেগেছিলো। “When these graven lines you see, Traveller, do not pity me;” (“হে পথিক, রেখাঙ্কিত এ সমাধিগুলো দেখে কখনো আমার প্রতি করুণা কাতর হয়োনা”) এই পংক্তি দুটো পড়ার সাথে সাথে আমার মনে গভীরভাবে রেখাপাত করে। আমি কবিতাটি অনুবাদ করার সিদ্ধান্ত নেই এবং কবির জীবনী সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হই। তাঁর জীবনী পড়ে বিস্ময়ে অভিভূত হই।

বিস্তারিত»

বইমেলার টুকিটাকি

এবারের একুশে বইমেলায় নিজের বই বিক্রী হোক বা না হোক, কোন কোন দিনে বেশ চমকপ্রদ অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছি। যেমন একদিন একটা নয় দশ বছরের বাচ্চা মেয়ে আমার “জীবনের জার্নাল” এর প্রচ্ছদের ছবিটার দিকে অনেকক্ষণ ধরে তাকিয়ে দেখছিলো। তার পরে কয়েকটা পৃষ্ঠা উল্টিয়ে একটা চ্যাপ্টার পড়া শুরু করলো। দুই একটা পৃষ্ঠা একনাগাড়ে পড়লো। ততক্ষণে ওর মা কয়েকবার ওকে ডেকে পাশের একটা স্টলের দিকে হাঁটতে শুরু করলেন।

বিস্তারিত»

~ বোহেমিয়ান সেই কবির জীবন মন্তাজ : যোদ্ধা, প্রেমিক, দ্রোহী এক স্বপ্নবাজ ~

কোথায় আলো জ্বেলে অপেক্ষায় বসে আছে আমার বিদায় উৎসব তোরণ! কে জানে কোন ক্ষণে আমি পৌঁছে যাবো সেইখানে। আমার প্রস্থান লগ্নটিকে ছুঁয়ে দিতেই বুঝিবা নিভে যাবে তার সমস্ত আলোকসজ্জা।
টিকিটের গায়ে অদৃশ্য গন্তব্য স্টেশনের নামটি ঠিক ঠিক বুঝি তখনই দৃশ্যমান হয়ে উঠবে – আমার যাত্রাশেষের ইংগিত আলোকবর্তিকার মতোন। অদৃশ্য ট্রাফিক হাতের ইশারা বলবে যখন, থামো। এটাই শেষ স্টেশন। নামো।
ভালোবেসে যা কিছু প্লাবন এনেছো মাটির গায়ে পাললিক আহলাদে,

বিস্তারিত»

ঘোলা জল – পরিষ্কার জল – পুরানো কথা – নতুন কথা

জাতি হিসাবে আমরা বেশ অদ্ভুত। যদিও নিকট অতীতে এক সার্ভেতে আমরা ১১তম সুখী রাষ্ট্র কিন্তু পরচর্চা, পরনিন্দা, পরকে ঘৃণা করা আমাদের জাতীয় বৈশিষ্ট্য বললে মনে হয় কম বলা হয় না। প্রতিবেশি ব্যাগ উপচে পড়া বাজার নিয়ে ঘরে ফিরলে বলি, এই দুর্মূল্যের বাজারে এতো টাকা পায় কই! আর খালি হাতে বা তলানি নিয়ে বাড়ি ফিরলে বলি, ছোটজাত, কোনদিন খেয়েছে নাকি, বাজার করা শিখবে কোথা থেকে!
আমরা ভালো কে ভালো,

বিস্তারিত»

সম্পর্ক: ভার্চুয়াল বনাম একচুয়াল

মুখবই বন্ধ করেছো জানি
বুকের বইটা বন্ধ করতো দেখি?

হিসাবখানা নিস্ক্রিয় করেছো জানি
আলাপগুলো নিস্ক্রিয় করতো দেখি?

সুখস্মৃতি অস্বীকার করতে পারো
সঙ্গসুখ অস্বীকার করবে কি করে?

মুখবই-এ বাধা দিতে পারো
মনটা তোমার বাঁধবে কেমন করে?

বিস্তারিত»