
ফিল্মি ফ্যান্টাসিতেই এতোকাল সম্ভব ছিল এমন নির্মমতা। এবার কল্পলোক থেকে বুঝি তা নেমে এসেছ তা বাস্তব জীবনের রোজনামচায়। নিত্য নিত্য ঘটছে হত্যাকাণ্ড। ঘটছে বারংবার। ভয়ংকর রকম ক্ষুদ্র বিরতিতে। আজ পাদ্রী তো কাল সাদা চামড়ার স্বেচ্ছাসেবী চিকিৎসক। একদিন এনজিও কর্মী তো অন্যদিন মসজিদের ইমাম বা মুয়াজ্জিন। কোনদিন সমকামী বা তৃতীয় লিংগের মানবাধিকার সমর্থক কি পরদিন হিন্দু দর্জী। কোনোদিন খ্রীস্টান মুদি দোকানী তো পরদিন মন্দিরের পুরোহিত।
নির্জনতা প্রিয়তা

নির্জনতা প্রিয়তা
(আমার নিচের এই লেখার ওপরের উদ্ধৃতিটা আমি অনুঘটক হিশেবে ব্যবহার করেছিলাম ২০০৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী তুরস্কের অন্যতম প্রধান লেখক ওরহান পামুকের লেখা হতে! গতকাল অর্থাৎ ১৯৫২ সালের ৭ জুন তারিখে জন্মগ্রহনকারী প্রিয় লেখকের জন্মদিনে আমার এই ছোট্ট স্মৃতিকথনকে তার প্রতি আমার শ্রদ্ধাঞ্জলি হিশেবে ব্যবহার করলাম। তার লেখা উপন্যাস ‘ISTANBUL’ এর প্রতি আকর্ষিত হয়েছিলাম ছোটবেলায় প্রিন্সিপাল ইব্রাহীম খাঁর ‘ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র’ পড়ে!)
“প্রত্যেকদিন রাতে,
বিস্তারিত»ছেলেবেলার প্রান্তর

ছেলেবেলার প্রান্তর
আমার মাঝে মধ্যেই মনে হয় স্মৃতি সত্য ধারন করতে পারলেও পূর্ণ সত্যকে ধারন করতে পারেনা। কারন একটাই। স্মৃতিকে সব সময়েই বিস্মৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে যেতে হয়। অসম এই যুদ্ধে আমি দেখেছি বিস্মৃতিই বেশিরভাগ সময়ে বিজয়ী হয়!বিজয়ী এই বিস্মৃতি পরাজিত সকল স্মৃতিদেরকে রুপকথার সাত সমুদ্দুর আর তেরো নদীর ওপারে পদ্মপুকুরের নীচের লোহার সিন্দুকে অথবা গহীন কোন অন্ধ কুঠুরিতে রেখে আসে! এই স্থানে আধুনিক বিজ্ঞানও পৌঁছতে অক্ষম!
বিস্তারিত»মমতা
এক লহমায়
করে দেয়া যায়
অঙ্গীকার বিকল।
কিছু অনিহায়
ভেঙ্গে ফেলা যায়
ঘনিষ্টতার শিকল।
মুগ্ধতা জেগেছিল যেভাবে,
উবে যেতে পারে তা সেভাবে,
কিন্তু, মমতা?
আছে কি, তোমার তা
ভোলানোর কোনো ক্ষমতা?
অকারণ তাই এই অঙ্গীকার ভেঙ্গে দেয়া,
অকারণ তাই এই ঘনিষ্টতা ভুলে যাওয়া,
ব্যার্থ তুমি যাবতিয় মুগ্ধতা হারিয়ে,
লেষ্টার রহস্য
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ২০১৫-১৬ মৌসুমের শিরোপা জিতেছে লেষ্টার সিটি ফুটবল ক্লাব। মৌসুমের শুরুতে কেউ ঘুনাক্ষরেও এটা কল্পনা করেনি। বিগত শত বছরে তারা কখনো চ্যাম্পিয়ন হয়নি। তাহলে এমন অভাবনীয় ঘটনা ঘটার পেছনে কি কারন থাকতে পারে?
কারন খুঁজতে হলে চলে যেতে হবে ইতিহাসের গহীনে, প্রায় পাঁচ শত বছর আগে। রাজা তৃতীয় রিচার্ড তখন ইংল্যন্ডের সিংহাসনে আসীন। তিনি ছিলেন ধর্মপ্রান ক্যাথলিক। অত্যন্ত ন্যায়পরায়ন প্রজাবৎসল এই রাজার শাসনামলে গোটা ইংল্যান্ড জুড়ে ছিল সুখ আর সমৃদ্ধির অপার বিস্তার।
বিস্তারিত»★★ধূসর পান্ডুলিপি★★
জানালার পাশ ঘেষে দু’সারি গ্রিল। মাঝখানে এক চিলতে ব্যালকনি। তার ওপাশে আয়তাকার জমাট আঁধার বুকে নিয়ে এক মহানগর। তবে নাগরিক জীবনের পথ চলায় যাতে ছন্দপতন না ঘটে, দিগন্তব্যাপী ‘সুপারস্ট্রাকচার’ গুলো বিভিন্ন বর্ণচ্ছটায় মায়াবী নরম আলোয় মোমের মতন রুপালী তরল!
ক্যানাবিসের মিষ্টি অনুভবে চিন্তাভাবনার জগতে সুস্থির শিহাবের সবসময় এমনই মনে হয়।
আজ বিকেলে লেকের পাড় ধরে হেঁটে আসার সময় ওদেরকে দেখেছে সে। এই সময়ে প্রতিদিন এই গ্রুপটিকে দেখা যায়।
বিস্তারিত»বাঁচতে চাই
অমরত্বের লোভ নিয়ে আমি বাঁচতে চাই না এই পৃথিবীতে
প্রতিদিন একটা নতুন সূর্যোদয় দেখা যোগ করতে চাই জীবনের খেরোখাতাতে
জীবনকে আটকাতে চাই না ফিগার এইট নটে কিংবা কোন ফসকা গিরোতে
অনেক খরার মাঝে এক পশলা বৃষ্টির জন্য আমি বাঁচতে চাই
দিনশেষে রাখাল আর গরুর পাল মেঘ্নার সবুজ ঘাসের উপর যে সরল রেখা একে ঘরে ফিরে তার জন্য আমি বাঁচতে চাই
অগ্নিঝরা রোদের আড়াল থেকে হঠাত যে কালবোশেখির কালো ছবি আড়াল করে দেয় পৃথিবির সমস্ত চকচকে ঝকঝকে ছবিগুলাকে
তা দেখার জন্য আমি বাঁচতে চাই অনেকদিন
নারকেলের খোসা দিয়ে গাড়ী বানিয়ে খেলা ছোট্ট শিশু দুটোকে দেখার জন্য বাঁচতে চাই
রাজ হাসের দল ঘ্যাত ঘ্যাত শব্দ তুলে যে সংগীত গেয়ে গৃহস্থের খোয়ারে ফিরে সেই দৃশ্য আর সংগীত এর জন্য বাঁচতে চাই
মাঠের মাঝখানে বৃষ্টিতে আটকে পরা গরুটি গৃহস্থের অপেক্ষায় যেই মায়াময় দৃশ্য তইরি করে তা দেখার জন্য আমি বাঁচতে চাই
সারারাত নদীতে মাছ ধরে রতইন্যা জেলে যখন ঘাটে নাও ভিড়ায় তখন উলংগ শিশুটা কোমরে বাধা ঘন্টার ছন্দে দৌড়ে এসে-বাজান বলে চিৎকার দিয়ে যে।আনন্দ আর হাসির দৃশ্যপট তৈরী করে সেই দৃশ্য দেখার জন্য আমি।বাঁচতে চাই আরো অনেকদিন
এমনি কিংবা তার চাইতে অনেক তুচ্ছ লজ্জাবতীর শিশিরভেজা রুপ দেখার জন্য আমি বাঁচতে চাই অনেকদিন –
ভবঘুরের গপ্পোঃ দেবশিশু দর্শন
জগৎ সংসারে মায়া দুই প্রকার – অপরাপর মানুষের মায়া এবং তাহার চারপাশের নশ্বর পৃথিবীর কিয়দংশের প্রতি সৃষ্ট মায়া। ব্যক্তি বিশেষের মায়া ছাড়িয়া থাকিলে একাকীত্ব চাপিয়া ধরে, আর পরিপার্শের বস্তুসর্বস্ব নিবাসের প্রতি মায়া উঠিয়া গেলে মানুষ হইয়া যায় ভবঘুরে। কথায় আছে না – এক জায়গায় বেশিদিন থাকিলে মায়া পড়িয়া শেকড় গজাইয়া যায়? আমাদের নরেন বোধহয় এই শেকড়ের ভীতিতে কাবু। নইলে ছোটাছুটি করিবার আর কোন হেতু আছে বলিয়া মনে হইতেছে না।
বিস্তারিত»আমি কি? শিক্ষক? – ১ম পর্ব
আমি কি? শিক্ষক? – ১ম পর্ব
আমি কি? শিক্ষক? – ২য় পর্ব
শিক্ষকতার পেশায় এক যুগেরও বেশি সময় পার করে আজ আমি ভাবতে বসেছি, আমি কি? আমি কি পড়াচ্ছি? আসলেই কি পড়াতে পারছি? আমি জানি যে, আমি নিজেও অনেক কম জানি। যত দিন যাচ্ছে, নিত্যনতুন বিষয় জানছি। নিজের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতাও টের পাচ্ছি। আসেপাশের কারো কাছে যেকোন ধরনের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিষয় যখনই পাচ্ছি,
বিস্তারিত»শেয়ার পার্টনার
A person attached to another by feelings of affection or personal regard who gives assistance, patron, support.
dictionary.com এর মতে এটাই ফ্রেন্ডশিপের সংজ্ঞা।
এয়ারটেল বলে “Sharing is caring. ”
ফ্রেন্ডশিপ অনেকটা সেটাই। শেয়ারিং।
ছোটবেলায়…. খুব বেশি ছোট না, আম্মু বলেছিল নিজের কথাগুলো ফ্রেন্ডদের সাথে শেয়ার না করতে। এতে কোন শেয়ারিং হয় না। বরং ওদের কাছে নিজেকে ছোট করা হয়। বরং দরকার হলে বাবা-মার সাথে শেয়ার করো।
দিনাজপুর – দিনাজপুর রাজবাড়ি
দিনাজপুরের প্রাচীনতম নাগরিক এলাকায় ৪০০ বছরের অধিক কাল ধরে বাংলাদেশের অন্যতম একটি রাজবাড়ি সকল প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম ঘাত-প্রতিঘাত উপেক্ষা করে অত্যন্ত জীর্ণাবস্থায় কালের স্বাক্ষী হয়ে নীরবে দাঁড়িয়ে আছে। জায়গাটির নামই আজ রাজবাড়ি। রাজবাড়িকে ঘিরেই দিনাজপুর শহরের গোড়া পত্তন। সেই কবে প্রাচীন অখন্ড বাংলার উত্তর রাঢ়ীয় এক কায়স্থ বংশের রায় উপাধিধারী পরিবার দ্বারা সূচিত হয়েছিল এ রাজবংশ তা আজ কিংবদন্তী। কে ছিল এ রাজবংশের আদি পুরুষ?
বিস্তারিত»দিনাজপুর
হিমালয়ের পাদদেশ থেকে উতপন্ন হয়ে নানা চড়াই – উতরাই ঠেলে প্রায় ১৬০ কি.মি. দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে, প্রাচীন জনপদের নানা ইতিহাস রচনার মাধ্যমে; প্রাকৃতিক কারণে উrসমুখ হারিয়ে নির্জীব-ক্ষীন স্রোতধারায় আজও বহমান যে পুর্নভবা নদী, তারই তীর ঘেঁষে পৌরানিক কালে গড়ে উঠা এক সম্মৃদ্ধ জনপদ – দিনাজপুর। ‘পরশুরাম’ যিনি ভগবান বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার হিসাবে স্বীকৃত তার রাজ্যের অধীন ছিল দিনাজপুর। মৌর্য্য যুগে বগুড়ার পুন্ড্রবর্ধনে ছিল রাজা পরশুরামের রাজধানী।
বিস্তারিত»শুভ জন্মবার্ষিকী (২৪ মে…)
আজ আমার ২৮তম (দ্বিতীয়) জন্মবার্ষিকী। ১৯৮৮ সালের এই দিনে আমার আগের আমি-কে ভেঙেচুড়ে… … পূনর্বিন্যস্ত করে……… নতুন আমি-কে সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিলো।
আজকের যে আমি…… ভালো-মন্দ মিলিয়ে সকলই… সে সব আমার কলেজের (পরিবেশ/সিস্টেম, শিক্ষক/শিক্ষিকা, ষ্টাফ) অবদান।
আর, আমার বুকের ভিতরে যে বিরাট সাহস, যে কোন বাধা/ সমস্যাকে আল্লাহর রহমতে ডিঙিয়ে যেতে পারার যে আত্মবিশ্বাস… সে সব আমার বন্ধুদের জন্য…
আমার কলেজের (জেসিসি) আমার ব্যাচের সব বন্ধুরা তো বটেই… আমি সাহায্য পেয়েছি আমার ব্যাচের (৮৮-৯৪) যাদের কাছাকাছি এসেছি… তাদের সবার কাছ থেকে-ই।
বিস্তারিত»গভীর তমসায় আলোক রশ্মির সন্ধানে….
ডাঃ মোঃ আনিসুর রহমান, দেশের প্রখ্যাত এনডক্রিনোলজিস্ট। বারডেম হাসপাতালে চাকুরী করতেন, দীর্ঘদিন ধরে প্র্যাকটিস করেন ঢাকার সেন্ট্রাল হাসপাতালে। মাঝে মাঝে সপ্তাহান্তে ছুটির দুই দিন সিলেটেও প্র্যাকটিসের জন্য বসেন তার ভক্ত রোগীদের আহ্বানে। মাস ছয়েক আগে চাকুরী থেকে অবসর নিয়েছেন। আমার বাল্যবন্ধু, ১৯৬৭-৭৩ সালে মোমেনশাহী ক্যাডেট কলেজে এক সাথে পড়াশুনা করেছি, একই হাউসে ছিলাম। সেইসব দিনগুলো থেকেই তাকে দেখেছি, ক্যাডেট কলেজের কঠোর নিয়ম শৃঙ্খলা তার পছন্দের ছিলনা।
বিস্তারিত»খুঁজে নিও পদচিহ্ন
কখনো চাই ঊষার আলো,
কখনো অমানিশা।
কখনো চাই নীরব আঁধার,
কখনো দীপশিখা।
কখনো হই কাজের ঘোড়া,
কখনো জবুথবু,
কখনো ছড়াই আলোক রশ্মি,
কখনো নিবুনিবু।
সবাই চলেছে আপন ধারায়,
গতি তাদের ভিন্ন।
আমিও চলেছি আমার পথেই
খুঁজে নিও পদচিহ্ন।
ঢাকা
০৪ মে ২০১৬
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।