দুই রুমের একটা বাসা হবে আমার। একটা বেডরুম আর একটা কমনরুম। একটা কিচেন আর একটা বাথরুম ও থাকবে।বেডরুমের সাথে একটা বেলকনিও থাকবে। বেডরুমে কোন বেড থাকবে না। শুধু ম্যাট্রেস। একটা টেবিল, চেয়ার আর একটা বুকশেলফ। কমনরুমটাও ফ্লরিং হবে। একটা টিভি থাকবে। আর দেয়ালে দেয়ালে স্পোর্টস, মিউজিক ওয়ালপেপার। বাসাটা হবে কোন এক শহুরে নদীর তীরে। তিনতলা কি চারতলা। বেডরুমটা হবে নদীর ধারে, বারান্দায় দাড়ালেই যাতে দূর থেকে আসা কোন ইঞ্জিনচালিত নৌকা দেখা যায়।
বিস্তারিত»কান্তজীর মন্দির – দিনাজপুর
আদি এক রত্ন মন্দির
রাজা প্রাণনাথ দিনাজপুর রাজ পরিবারের মধ্যে অন্যতম এবং তিনি নিজ গুনে তার বংশের সকল নৃপতিকে অতিক্রম করে ইতিহাসের খেরো-খাতায় অত্যন্ত সফলভাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন। তিনি তার জীবণদশায় শুধু জনহিতকর কাজই করেননি বরং রাজ্য বিস্তারেও তার অবদান সর্বজনবিদিত। রাজ্য বিস্তারের ধারাবাহিকতায় তিনি তার বৈমাত্রীয় ভাই রাজা জয়দেব কর্তৃক অধিগৃহীত ঘোড়াঘাটের প্রজা-পীড়ক জমিদার রাঘবেন্দ্রের ৯ আনা, ভারতের মালদহ জেলার মালিগাঁও পরগনা ও দিনাজপুরের আশে-পাশের ১২টি ক্ষুদ্র-ক্ষুদ্র জমিদারি নিজ রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত করতে সমর্থ হন।
বিস্তারিত»0
স্থবির
এখনো দাঁড়িয়ে আছি সেখানেই,
যেখানে তুমি রেখে গিয়েছিলে।
কোন অগ্র পশ্চাৎ নেই,
কোন ভূত ভবিষ্যত নেই, তবু
সেখানেই ঠায় দাঁড়িয়ে আছি,
এখনও নির্বিকার, যেমন ছিলাম।
এখনো দাঁড়িয়ে আছি সেখানেই,
আনত পত্রপল্লব, শাখাপ্রশাখা সহ,
পাখিহীন, প্রজাপতিহীন দেবদারু
যেমন নির্বাক, নিথর, মৌ্ন থাকে।
বাতাস এলে শুনি মর্মর ধ্বনি,
বৃষ্টিতে ধুয়ে যায় যত নোনা পানি।
আকাশে এখনো চাঁদ ওঠে,
বিস্তারিত»মানব মনের বিষন্নতা এবং প্রকৃতিঃ
গত বুধবার সকালে ল্যাপটপে লেখালেখির কিছু কাজ করছিলাম। হঠাৎ ছোট বোনটা ফোন করে জানালো, আম্মার শরীরটা বেশী ভালো নেই, যেন ফোন করি। কয়েকদিন আগেই ফোনে আম্মার সাথে কথা বলেছিলাম, তখন তিনি ভালো ছিলেন। আমার স্ত্রীও আগের দিনই কথা বলেছিলেন, তখনো ভালোই ছিলেন এবং অনেকক্ষণ ধরেই কথা বলেছিলেন। তাই হঠাৎ কি হলো, এ কথা ভাবতে ভাবতেই আম্মাকে ফোন করলাম। আম্মা জানালেন, তার কিছু ভালো লাগেনা। যেন একবার গিয়ে দেখা করে আসি।
বিস্তারিত»পোকোমন গো বাংলাদেশে আসলে কি হতে পারে!! (সত্য কাহিনী অবলম্বনে)

নুরুর আলম নামক এক ব্যক্তি খুব দুষ্ট এবং লোভী একজন পোকো খেলোয়াড়। পোকোমন ধরার সময়, ভাগিনা ভাগ্নির মোবাইল সাথে নিয়ে যায়, যাতে নিজের ব্যাটারি শেষ হলেও তাদের ফোন দিয়ে খেলা যায়। সাধারণত নিজের ফোন পরেই ব্যাবহার করেন তিনি। অন্য যেকোনো অলস সন্ধ্যার মত সেদিন ও তিনি বসে বসে স্মার্ট ফোন ব্যাবহার করছিলেন। স্মার্ট ফোন টিপতে টিপতে রাত ১১ টা বাজিয়ে ফেললেন, এখন বিরক্ত তিনি। কি করবে কি করবে ভাবতে ভাবতে পোকোমন গোতে টিপ দিয়ে দিল।
বিস্তারিত»সোলারিয়া, আসিমভের এক কাল্পনিক গ্রহ
আইজাক আসিমভ যখন ফাউন্ডেশন সিরিজ লেখা শুরু করেন তখন তার সম্পাদক চেয়েছিলেন তিনি যেন দশক শেষ হওয়ার আগেই সিরিজের ছয়টি বই লিখে ফেলেন।
কিন্তু আসিমভ সাহেব ১৯৫৩ পর্যন্ত ফাউন্ডেশন ট্রিলজি লেখার পর বিরক্ত হয়ে লেখা ছেড়ে দেন। লেখক যেই সিরিজের উপর বিরক্ত হলেন সেই সিরিজকে কয়েক বছর পর ‘বেস্ট অল টাইম সিরিজ’ হিসেবে হুগো অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়।
পরে ভক্ত এবং প্রকাশকদের চাপে ১৯৮১ সালে লিখলেন “ফাউন্ডেশন এজ”
বন্দী রাজা
ফেসবুকে ফ্রেন্ড হাজার পাঁচেক বুকের ভিতর নাইকো ফ্রেন্ড,
ফলো লাইক স্ট্যাটাস শেয়ার চলছে দেদার এটাই ট্রেন্ড।
দশ বছরে হয়না দেখা, ব্যস্ত জীবন সময় কই?
স্ট্যাটাস দেখে জানছি সবই, পাচ্ছি খবর সমস্তই।
অমুক দিবস, তমুক দিবস, বিয়ে জনম সকল দিন,
মনে রাখার নাই কোন দায়, ঠিক নোটিফাই ভ্রান্তহীন।
রোদের আগুন, বর্ষা কাদা, জ্যাম, ধোঁয়া আর সন্ত্রাসী,
আয়েশ শুয়ে মাথায় বালিশ,
চেহেলগাজীর মাযার – দিনাজপুর
মাযার
দিনাজপুর শহরের উত্তর প্রান্তে দিনাজপুর-পঞ্চগড় মহাসড়ক সংলগ্ন সদর উপজেলার চেহেলগাজী গ্রামে চেহেলগাজী মাযার নামে একটি অস্বাভাবিক দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট্য মাযার রয়েছে। মাযারের নামে গ্রাম ও ইউনিয়নের নামও হয়েছে চেহেলগাজী। আপাতঃ দৃষ্টিতে মাযারের আকৃতি দেখে মনে হয়, এখানে একক কোন ব্যাক্তি শায়িত নন। সম্ভবত, যুদ্ধে শহীদ যোদ্ধাদের খন্ড-বিখন্ড দেহ একত্রে করে এখানে কবর দেওয়া হয়েছিল। মাযারটি কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তার কোন সঠিক ইতিহাস এ যাবত খুঁজে পাওয়া যায়নি।
ঘুমন্ত শহরে, রূপালী রাতে
ভূমিকা
অনেক দিন পরে আমার ক্যাডেট কলেজের অনুজ যার ক্যাডেট নাম শফিক আর ডাক নাম অ্যাঞ্জেল । তবে ক্যাডেট নামের থেকে অ্যাঞ্জেল শফিক হিসাবে বেশি পরিচিতি। অনেকদিন পরে দেখা আর একই কলেজের প্রায় পিঠাপিঠি ব্যাচ তাই দীর্ঘদিন দেখা না হলেও হৃদয়ের এক আলাদা বন্ধনের সাথে জড়িত বলেই মন হতে দূরে যাওয়ার কোন উপায় নাই। শ্মশ্রুমণ্ডিত অ্যাঞ্জেল শফিকের দাড়িতে আবার হালকা পাক ধরেছে। এই লেবাসে অনেকদিন পরে দেখা বলে একটু চিনতে কষ্টই হচ্ছিল।
মেঘ জমে মস্তকে
আবার
চুপটি করে যখন-তখন
হানা দিয়ে যায় তোমার কাহন।
বৃষ্টি রোদে, শারদ নীলে-
জর্জরিত বেহালা বাদন।
সত্যান্বেষ ব্যর্থ আবার, মেঘ জমে মস্তকে।
কেবল
বাচাল চিন্তা সাঁতরায় মেঘে, পরিণতি সব ভুলে।
হাহা-
অদৃষ্ট জাল। অনন্তকাল! ভ্রান্তি সে যায় বুনে!
বেশ!
সেনাবাহিনীর অনুশীলন এবং আমার বন্ধু হারানো!
সেনাবাহিনীর অনুশীলন এবং আমার বন্ধু হারানো!
“হঠাৎ রাস্তায় অফিস অঞ্চলে
হারিয়ে যাওয়া মুখ চমকে দিয়ে বলে
বন্ধু কি খবর বল
কত দিন দেখা হয়নি”! – (গান, শিল্পীঃ সুমন চট্টপাধ্যায়)
১৯৯০ সাল।বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘স্কুল অফ মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স’ (এস এম আই) এর ছাত্র অফিসার হিসেবে বহিরাঙ্গন অনুশীলনের জন্য কুমিল্লা সেনানিবাস হতে ঢাকায় এসেছি।‘মোবাইল সারভেইলেন্স’ নামক গোয়েন্দা প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় পর্যায়ের অনুশীলন।
বিস্তারিত»“জীবন যখন শুকায়ে যায়, করুনাধারায় এসো”
“জীবন যখন শুকায়ে যায়, করুনাধারায় এসো”
অবশেষে আজ থেকে তিনদিন পূর্বে আমি সারাজীবনের মতন ধূমপান পরিত্যাগ করলাম!
বর্তমান থেকে ঠিক তিন দশক পূর্বে কোন এক আনন্দিত প্রত্যুষে সিগারেট নামক আপাত নির্দোষ ধুমায়িত বস্তুটির সঙ্গে আমার নিবিড় পরিচয় হয়। আমি তখন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন স্বাধীন সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট। অতঃপর এতটা বছর আমাদের পরস্পরের হাত ধরে চলা। কখনো সমতল, কখনো বন্ধুর পথে! সম্পর্কের এই জীবন কখনোসখনো ক্ষীণ হয়ে আসলেও একেবারে শুকিয়ে যায়নি কখনও!
বিস্তারিত»রিভিউ: দ্য ভেজিটেরিয়ান
এ বছর ম্যান বুকার ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ বিজয়ী উপন্যাস দক্ষিণ কোরীয় লেখক হ্যান ক্যাং এর ‘দ্য ভেজিটেরিয়ান’। লিটারারি থিওরি পড়া নেই, ভাল ক্রিটিকও পড়িনি। বলা যেতে পারে একজন ‘নাইভ’ পাঠকের বিশ্লেষণ এটা।
কিছু অদ্ভূত স্বপ্ন দেখার ফলে নিতান্ত সাদামাটা বিশেষত্বহীন ইয়াং হাই হঠাৎ ভেজিটেরিয়ান হয়ে যায়। তাকে ‘স্বাভাবিক’ খাদ্যাভ্যাসে ফিরিয়ে আনতে পরিবারের সদস্যরা জোর চেষ্টা চালায়। ইয়াং হাইয়ের এই পরিবর্তনের ধাক্কায় তার কাছের মানুষদের জীবনের অনেক কিছুই আর আগের মত থাকে না।
নীতাদের অদ্ভুত বাড়ি
বাইশে মার্চ রাত আড়াইটায় যখন নীতাদের বাড়ি এলাম, কুয়াশা মাখা জোসনার ঘোলাটে আলোয় পাতাহীন গাছের ছায়ায় বাড়িটাকে গুগলে দেখা ৯৮ একেডিয়া বে’র নেগেটিভ মনে হচ্ছে। শাদা বরফের একটা পাতলা আস্তর গেটের বাইরে সাবানের ফেনার মত ছড়িয়ে আছে। তারমধ্যে বাস্কেট বলের একটি পোষ্ট বাড়ির কাঠের বেড়ার সামনে নিঃসঙ্গ দাঁড়ানো।পেছনে খানিকটা দূরে আরও কয়েকটা গাছের কঙ্কাল। কাঠের সিঁড়ির কয়েকটা ধাপ পেরিয়ে ঘরে ঢোকার সময় মনে হল বড়দিয়ার লঞ্চে উঠছি।
বিস্তারিত»