কিছুদিন আগে কলেজে জয়েন করলাম! অন্য ছেলেমেয়েদের চেয়ে একেবারে ভিন্ন আমাদের কলেজ জীবনের প্রথম দিনের অনন্য অভিজ্ঞতার কথা লিখেছিলাম আমার ডায়েরীতে। সেখান থেকে আমার পোস্ট!
২০-০৭-২০০৮
একটি নতুন জীবনে প্রবেশ করলাম আজ।এস.এস.সি.’র বিশাল এক ভ্যাকেশন শেষে কলেজে জয়েন করলাম!আমাদের নবীনবরণটা চমৎকার হয়েছে। কলেজ গেটে আমরা ৩০ জনের মত দাঁড়িয়ে ছিলাম,বাকিদের আসার অপেক্ষায়!
এমন সময় কবীর স্টাফ কোত্থেকে এল,এসে আমাদের উপর সেকী ঝাড়ি!-কেলাস ইলিভেন,বাইরে দাড়ায়া আড্ডা মারতেস?এইডা আড্ডার জায়গা?”
আমরা সমস্বরে প্রতিবাদ জানালাম,স্টাফ একটু!
ব্লগাড্ডা!!!
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ সিসবি আড্ডা শেষ হবার পর আমরা কয়েকজন টং এর দোকানের সামনে বসে গুলতানী মারছিলাম। এমন সময় বিল উত্থাপিত হলো যে, আজকের এই আড্ডাটা নিয়া কে ব্লগ লিখবে। কেউ বলে মাসরুফ ভাই, কেউ বলে কামরুল ভাই, কেউ বা জিহাদ-জিহাদ বলে রব তুললো। আমার কথা কেউ কয় নাই। আমারে কেউ পাত্তা দেয় নাই। আমি মাইন্ড খাইছি। এইটা এমনেই ব্লগর ব্লগর। আড্ডা নিয়া বেশী কথা নাই।
বিস্তারিত»Most বেয়াদব জুনিয়র- পার্ট টু
আমাদের Alternate ব্যাচ এর তখন অনেক দাপট চলছে। SSC-র সময় সিনিয়র আপারা ওই ব্যাচকে সাধারনত ঘাটাঘাটি করতেন না। তার উপর ৪তলা পুরোপুরি SSC candidatesদের দখলে হওয়ায় ওনারা তার যথাযোগ্য ব্যবহার শুরু করলেন। আমরা কয়েকজন ছিলাম ওনাদের প্রিয় পাত্রি। rest time, free time থেকে শুরু করে lights off এর আগ পর্যন্ত বিভিন্ন কায়দায় ওনারা আমাদের torture করার উপায় আবিস্কার করতে থাকলেন।
একদিন games time এ আমরা বাস্কেটবল খেলছি।
বিস্তারিত»একদিনে একশ!!
কালকে মাসরুফ ভাই আর আমি এম এস এন এ গ্যাজাইতেসিলাম। তখনই কথাটা প্রথম পাড়লাম।
– মাসরুফ ভাই, ফেসবুকে একটা গ্রুপ খুললে ক্যামন হয়? ক্যাডেট কলেজ ব্লগের নামে?
– কি কস! ফেসবুকে গ্রুপ খুইলা কি হইব?!
মাসরুফ ভাই টাশকি খায়। ব্লগ থাকতে গ্রুপ দিয়া কি হবে এইটা ভেবে। টাশকি খাইলাম আমিও। এই পাবলিক কয় কি! ক্যানভাস করার জন্যে ফেসবুক এর কোন বিকল্প আছে নাকি!
বিস্তারিত»Most বেয়াদব জুনিয়র!
আমাদের কলেজ়ে ১টা common term ছিল- ‘Most বেয়াদব জুনিয়র’। প্রত্যেক ক্লাসেরই কিছু ক্যাডেট এর ভাগ্যে somehow এই tag নাজিল হত। ক্লাস সেভেনে আসতে না আসতেই কিভাবে কিভাবে জানি ১দিন আমারও ভাগ্যে এই খেতাব জুটে গেল।
2nd টার্মের ঘটনা। একদিন আমরা form এ বসে গানের কলি খেলছিলাম। B form এর শেষ ৪টা ডেস্কে বসতাম আমি, পলেন, জিনিয়া আর সোনিয়া। তখনকার ১টা famous গান ছিল ‘o maria o maria…’
বিস্তারিত»আট বছর আগে এক দিন
একটু আগেই এইচ.এস.সি পরীক্ষার রেজাল্ট দিলো। যারা এইবার পরীক্ষা দিয়েছে তারা নিশ্চয় জিপিএ-৫ পাওয়া নিয়ে খুব টেনশনে ছিলো। আট বছর আগে এমন এক দিনে আমিও খুব টেনশনে ছিলাম। এ প্লাস, জিপিএ-৫ এইগুলি নিয়ে না। আমার পাস করা নিয়া টানাটানি ছিলো।
রেজাল্ট আনতে গিয়া দেখি কানের পাশ দিয়া গুল্লি গেছে। ফার্স্ট ডিভিসন। ফোন করে আব্বারে জানানোর পর আব্বা বললেন- গরু ছাগল রে দুই বছর পড়াইলেও তো স্টার মার্ক পাইবো।
প্রসঙ্গ – অনাগত
জানিনা মনবিদ্যার উপরে মাসরুফের দখল কতখানি, তবে আমার মনের কথা পড়ে নিতে যে ওর এতটুকু ভূল হয়নি তা বলতে পারি। অনাগতদের জন্য মাসরুফের লেখাটি পড়ে নিজের মনের ভাবটুকু প্রকাশ না করে আর পারলামনা।
২৮ আগষ্ট দিনটি খুব ই ব্যস্ত কাটিয়েছি। ষ্টেজ ডেকরেশন থেকে শুরু করে লাইটিং, হ্যান্ডস নিয়ে আসা, পারফর্মারদের নিয়ে লাস্ট মুহুর্তের ড্রেস রিহার্সেল, পুরো প্রোগ্রাম পরিচালনার দায়িত্বভার, প্রোগ্রাম নিয়ে আমার বসের টেনশন –
বিস্তারিত»সিসিবির ব্যাক হওয়ার খুশিতে আবোল তাবোল ব্লগ
(ব্লগ চালু হইছে। লেখা দেয়া দরকার, কিন্তু রোজা রাখছি দেইখা বিতলামি মার্কা লেখা দিমু না ঠিক করলাম।)
১…
মামা হইলাম এই প্রথম। কিন্তু, মামা হইবার খবর এইখানে কেন, আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতেই পারে। যদি এসে থাকে, তার উত্তরে বলছি, আমার ভাগ্নে, রাকসান আল ইসলাম-এর মা, মামি এবং মামা এক্স ক্যাডেট। সুতরাং এই ব্লগে এতো এতো খালা,
বিস্তারিত»অনাগতদের প্রতিঃ
(এ লেখাটি গত মাসে হয়ে যাওয়া আমাদের প্রিয় সিসিবির গেট টুগেদারে অংশ নিতে না পারা সবার জন্যে লিখেছিলাম,বাসা থেকে বের হবার মাত্র মিনিত ত্রিশেক আগে।সার্ভার কাজ না করায় হারিয়ে গিয়েছে তাই আমার আপলোড করে দিচ্ছি।আশা করি গেট টুগেদারে উপস্থিত কেউ আমাদের দুর্দান্ত আড্ডার কথা তাড়াতাড়ি লিখে ফেলবে)
আর মাত্র ৫৫ মিনিট পর আমাদের সমাবেশ শুরু হতে যাচ্ছে।গতকাল রাত থেকে সময় যেন পেরুতেই চাইছিলনা…খালি ভাবছিলাম কখন কালকের সময়ের ঘড়িতে বিকাল ৫ টা বাজবে…স্টার কাবাব মুখরিত হয়ে উঠবে আমাদের ছোট্ট কিন্তু একান্ত আপন সিসিবি ব্লগের সদস্যদের হাসিমুখর কলতানে।বিশেষ করে শেষ কয়েক ঘণ্টা যেন শেষই হতে চাইছিলনা।একবার ভাবলাম যাই ধানমন্ডী লেকের পাড় দিয়ে চিরাচরিত ক্যাডেট স্টাইলে ১ মাইল দৌড় আর ১০০ বুক ডন দিয়ে সময়টা পার করি…তারপর ঘামে ভেজা দেহ নিয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে হাজির হই স্টার কাবাবে…ঠিক সদ্য গেমস পিরিয়ড শেষ করা ৫ বছর আগের সেই আমির মত করে…
বিস্তারিত»আমি যেভাবে ক্যাডেট হইলাম…এবং অতঃপর – ৩
(শুরুতে নাম ছিল ‘প্রথম দিন…প্রথম মাস…প্রথম টার্ম’। পরে দেখলাম যেভাবে লিখতেছি তাতে টাইটেলটা ঠিক যাচ্ছে না। তাই নাম পালটে দিলাম।
এই লেখাটা আগেই লেখা। পোস্ট করতে গিয়ে দেখি সিসিবি ডাউন…যেদিন আপ হলো অফিসে দেখলাম কিন্তু লেখা সাথে ছিলো না, বাসায় এসে পোস্ট করতে গিয়ে দেখি সিসিবি আবার ডাউন! লাভের লাভ হলো এখন আপ হবার পর এডজুট্যান্ট বাদে প্রথম লেখাটা আমিই দিলাম……হেহ হেহ…)
আগের লেখাঃ
আমি যেভাবে ক্যাডেট হইলাম…এবং অতঃপর –
সি সি বি ইজ ব্যাক !!
গত ৩০ অগাস্ট শনিবার সকালে হঠাৎ করে সিসিবি যে সার্ভারে হোস্ট করা হচ্ছিল সে সার্ভার হার্ডডিস্ক অনাকাংক্ষিত ভাবে ক্র্যাশ করে। এর ফলে গত কয়েকদিন ধরে ক্যাডেট কলেজ ব্লগ সাইটটি ডাউন ছিল। আমাদের সাইটটি হোস্ট করা হচ্ছিল শফি ভাইয়ের (‘৮৬ ব্যাচ, বি সি সি) অফিস সার্ভারে। কিন্তু অসম্ভব কাজের ব্যাস্ততার দরুণ আমাদের জন্য সময় দেয়া তার পক্ষে সম্ভবপর হচ্ছিলনা। এজন্য সিসিবি কে আবার ফিরিয়ে আনার ব্যাপারেও কিছুটা বিলম্ব হচ্ছিল।ফলে সাময়িকভাবে আমরা বিকল্প কোথাও সাইট আপ করার সিদ্ধান্ত নেই।
বিস্তারিত»আমাদের খেলা দেখা ও রোমাঞ্চকর এক রাত
***এই লেখাটাও আমার সামহোয়ারইনে লেখা একটি পোস্ট। এক রোমাঞ্চকর রাতের অনুভুতি শেয়ার করলাম। দুটি চরিত্র বাদে সব চরিত্রই বিভিন্ন জনের স্বভাবের মিক্সচার। তবে কাহিনীটা পুরোপুরি সত্য।
২০০১ সাল,সোহরাওয়ার্দী হাউস,মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ
রাত দশটা ,পোর্চ
সারাদেশে ক্রিকেটের জোয়ার চলছে। কয়েকদিন আগে মাত্র বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস পেয়েছে। ক্রিকেটিয় উম্মাদনার আচড় থেকে মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ ও বাদ যায়নি। আর এইসব উম্মাদদের মধ্যে বদ্ধ উম্মাদ
তারা দুইজন পিয়াল আর পুলক।
প্রসংগঃ ক্যাডেট কলেজের ভিতর-বাহির (পর্ব-২)
………..নিজস্ব অপারগতাগুলো তুলে ধরতে খুব আপন কেউ চাই। এমন কেউ যার সাথে কোন কম্পিটিশন নাই। যার সাথে কোন লেনাদেনা নাই। যার সাথে কোন রাখ-ঢাক বা ইজ্জতের ব্যাপার নাই। প্রশ্ন উঠতে পারে…ক্যাডেট কলেজের বন্ধুরা তাহলে কি? উত্তরে বলব। জ্বী। অবশ্যই ক্যাডেট কলেজের বন্ধুরাই হতে পারে এরকম কেউ এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ। আমি নিজেও কতবার অংকে খারাপ করার পর আমার বন্ধুর কাছে গিয়ে অংক বুঝিয়ে নিয়েছি। বরং বলা যায় ক্যাডেট কলেজই পড়াশুনার জন্য আদর্শ স্থান যেখানে সার্বক্ষনিক সাহায্যের হাত বাড়ানো আছে।
বিস্তারিত»আমার ভিতর-বাহিরে অন্তরে অন্তরে…
কালবেলা ভাইয়ার পোস্টটা পড়ে একটু মন খারাপের মতো হলো। কমেন্ট দিতে গিয়ে দেখলাম অনেক বড় হয়ে যাচ্ছে। বাধ্য হয়ে আলাদা পোস্ট লিখতে হলো।
ভাইয়ার বেশ কিছু বিষয়ের সাথে একমত হতে পারছিনা।
“ক্যাডেট কলেজে ক্যাডেট রা হল রাস্তার পাশে সারি সারি পাতাবাহারের মত…………………… পাতাবাহার গাছ গুলোকে কি করা হয় কিছুদিন পর পরই? কাঁচি দিয়ে ছেটে দেয়া ………………………এখানে নিজের মত করে বড় হবার সুযোগ নেই।
বিস্তারিত»ভালোবাসার রঙ? – উত্তর না পাওয়া একটি প্রশ্ন !
প্রিয় জিহাদের ‘ভালবাসার রং সবুজ’ লেখাটা পড়তে গিয়ে হুরমুর করে কিছু স্মৃতি এসে আমার মনের দরজায় ঠকঠক শুরু করলো।
:ahem:
বাংলার একরামুল হক স্যার এর ক্লাস ভাল লাগতো আমার।
স্যারের পড়ানোর স্টাইল আর কথাগুলো খুব আপন আপন লাগতো।
আর স্যারের রবীন্দ্রপ্রীতি আর কথায় কথায় ‘বাপু…’ সুরটা এখনো যেন কানে বাজে। :dreamy:
শেষে স্যার যেন কোথায় বদলী হয়ে যান।
বিস্তারিত»