ছিনতাইকারী এবং আমি

“ভাই কই যাবেন? ভাড়া দেন জলদি”।

কথাটা শুনেই বুঝি হুশ ফিরল আমার। তাকিয়ে নিজের ল্যাপটপের ব্যাগটা কে আর একটু জোড়ে আকড়ে ধরে বললাম “জিয়াকলনি, কত?”ভাড়াটা দিয়েই জানালার বাইরে তাকালাম। আগারগাও ক্রস করছি। হটাৎ হাসিই পেল। এতদিন যে বড় বড় বুলি ঝেরে এসেছি আজ তার একটা পরিক্ষাই দিয়ে আসলাম। মাত্র ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ড এর ঘটনা, কিন্তু একটু এদিক সেদিক হলেই দেউলিয়া হতে চলেছিলাম।

বিস্তারিত»

স্বয়ম্বর সভা ও কয়েকটি প্রেমের একটি গল্প

হাতের ক্যাপটা ডলে ডলে সমান করতে করতে চতুর্থবারের মতো ঘোষণা করে পারিসা,” আমার ভাল লাগছেনা।“ পাশে বসা তামান্না ওকে ফিসফিস করে বলে,” সারাক্ষন ভালো লাগে ভালো লাগেনা বলতে থাকলে ভালো লাগবেটা কি করে শুনি? আমার তো মজাই লাগছে।“ পারিসা হতাশ হয়ে কাধ ঝাঁকায় একবার, আড়চোখে চারপাশটা আরেকবার দেখে নেয়। অডিটোরিয়ামটা ভালোই লাগে ওর কাছে, এখনো মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়নি বলে চারপাশে একটা মৃদু গুঞ্জন। ICCLMM  এ আসার অভিজ্ঞতাটা পারিসার জন্য নতুন,

বিস্তারিত»

X-Files-4

 

“নাপিতের ভিটা” নিয়ে গ্রামে অনেক মুখরোচক গল্প প্রচলিত আছে।সবথেকে অথেনটিক গল্প বাবার তৃতীয় ভাই, ‘ চেয়ারম্যান চাচা’, বর্তমানে আমাদের ঢাকা জেলার দোহার পৌরসভার ‘মেয়র রহিম চাচার’ কাছ থেকে শুনা।

ঘোর বর্ষার রাত। থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। হিসেব-নিকেশ, মানুষের বিচার-সালিস শেষে বাড়ি ফিরতে রাত দশটা এগারটা প্রতিদিনই হয়। আসামান্য শারীরিক শক্তি, দুর্দম্য সাহস আর ন্যয় পরায়ণতা ‘রহিম চেয়ারম্যান’

বিস্তারিত»

X-Files-৩

ভদ্রলোকের নাম নাথ বাবু।সম্পূর্ণ নাম কি ছিল আজ আর মনে নেই।১৯৮৭~৮৮’র দিকে চট্টগ্রামে কৃষি ব্যাংক এর ডি জি এম ছিলেন। তুখোড় অংকবিশারদ। সেই সুবাদে অনুরোধে আমাদের ভাগিনা ‘রনি’ কে অংকে সাহায্য করার জন্যে শেলি আপা’র বাসায় যাতায়াত ছিল।

এই পর্বে এসে সংশ্লিষ্ট সকলের সঠিক নাম-পরিচয় উল্লেখ করবো মনস্থ করেছি, না হয় আবার কেউ আমাকে “কল্প কাহিনীকার” ভেবে বসতে পারেন।সঠিক নাম-পরিচয়ের সুবিধা হোলো, হয়তো কারো পরিচিত গণ্ডির মধ্যেই পরে গেলে,

বিস্তারিত»

সনেটীয় ছড়া

”আকাশ নীল,বাতাস কালো
আমি শ্যামলা,লাগে ভালো
সবাই ফর্সা,হাতে বর্শা
খায় ভাত, সোনার পাত
পৃথিবী সুন্দর, খাঁচায় বান্দর
করে চেঁচামেচি,আমি কিডনী বেঁচি”

(আমার ব্যাচ এ আমার নিক নেম ছিল কিডনী 😕 ।এই নামকরণের পিছনের কাহিনীও মজার ।তো SSC এর আগে আমার কবি প্রতিভার উন্মেষ ঘটেছিল এবং আমিও মাইকেল মধূসুদন দত্ত কর্তৃক অণুপ্রাণিত হয়ে “সনেট” লেখার প্রচেষ্টা চালিয়েছিলাম :gulli2: ।এই সনেটের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে কোন লাইনের সাথে কোন লাইনের মিল খুজতে যাওয়া যাবে না এবং কোন আগা মাথা নাই :chup: )

এরকম আরও একটি ছড়া—-

“আকাশে চাদ,বাতাসে কান্না
তাই আমি করেছি রান্না
ভুলে দিয়েছি চিনি,পাপুয়া নিউগিনি
খেল না তো কেউ,

বিস্তারিত»

বরাবর, অধ্যক্ষ, পাবনা ক্যাডেট কলেজ, পাবনা। (এপিসোড-২)

আগের পর্বের লেজ…

দুই।) ছুটি শেষে কলেজে ফিরলাম। দেখলাম কলেজে সাজ সাজ রব পড়ে গেছে। পাবনা ক্যাডেট কলেজের ইতিহাসে প্রথম আর্মির প্রিন্সিপাল আসছে, কি না জানি হয়। কলেজের বারবার চুল কেটে মাথার সাদা চামড়া বের করে দিল, স্টাফ সামনে দাড়াইয়া থেকে সবার চুল কাটাইতেছে, ব্যাগ একবার স্টাফ চেক করল একবার মকবুল স্যার(ভুগোল ডিপার্টমেন্ট) নিজে। নতুন প্রিন্সিপালের নাম লেঃকর্নেল রেজাউল করিম। মধ্য বয়স্ক স্মার্ট একজন মানুষ।

বিস্তারিত»

সিসিবি’র টোকিও আড্ডা+পিকনিক+গেট-টুগেদার!!!

প্রবাসে থেকে বাংলাদেশে অবস্থিত সিসিবিয়ানদের আড্ডা/পিকনিক/গেট-টুগেদার ইত্যাদির খবর শুনে+দেখে আফসোস করার দিন শেষ হতে চলেছে।

আগামী মাসের কোন এক পড়ন্ত বিকেলে টোকিওতে প্রবাসী সিসিবিয়ানদের এক আন্তর্জাতিক আড্ডা+পিকনিক+গেট-টুগেদার হতে যাচ্ছে :goragori: । উপস্থিত থাকবেন সিসিবি’র অন্যতম সিনিয়র ভাই আলীমুজ্জামানসহ জাপানে প্রবাসী সিসিবিয়ানবৃন্দ; অন্যান্য দেশের প্রতিনিধি হিসেবে আপাততঃ আমেরিকাবাসী আমি স্বয়ং B-)

বাংলাদেশে অবস্থানরত সিসিবিয়ানদের ঈর্ষা-উদ্রেককারী ছবি নিয়ে আরেকটা ব্লগ পোষ্ট করা হবে যথা সময়ে 😀

বিস্তারিত»

বিক্ষিপ্ত সৃতিতে কলেজের শেষ রাত

২৩ শে জুন,২০০২। এই সেই দিন যেদিন ৯৬-০২ ব্যাচের জন্য ছিল ক্যাডেট হিসেবে কলেজে কাটানো শেষ রাত। পরের দিন ২৪ শে জুন ২০০২, আমাদের কলেজের ৪৫ জন বন্ধুকে একে অপরের থেকে আলাদা হয়ে যেতে হবে। আর কোন দিন হয়তো এই ৪৫ জন আর একসাথে হতে পারবনা, আর কোন দিন এই কলেজের চত্বরে আনাগোনা করবে না এই বন্ধুগুলো। এমনিতেই সেইদিন গুলো অনেক মিস করি। কিন্তু আজকে এই দুরপরবাসে কেন যেন আরও বেশি মনে পরছে সবার কথা।

বিস্তারিত»

পুরানো সেই দিনের কথা…………

দীর্ঘ ১ বছর পর আজ কলেজে গেলাম। যাওয়ার সময় ১টা ব্যপার খেয়াল করলাম। কেমন যেন মন খারাপ লাগছে। বরিশালে ১ relative এর বাসায় উঠছিলাম। ওখান থেকে যাওয়ার পথে কেন যেন খুব কান্না পাচ্ছিল।
মনে পড়ল আগেও আমি কলেজে যাওয়ার সময় মন খারাপ করতাম।এখন ও মনে আছে junior ক্লাসে যখন ছিলাম bus এ করে যখন কলেজে যেতাম, যাওয়ার পথে খালি ভাবতাম, কেন cadet হলাম।কি দরকার ছিল…………ইস!

বিস্তারিত»

X-Files-২(অতীন্দ্রিয় না ষষ্ঠইন্দ্রিয়?)

বাড়ীর মসজিদের ঘাটে বসে  ছিপ দিয়ে মাছ ধরছি।অদ্ভুত দর্শন একটা লোক দাড়িয়ে মাছ ধরা দেখছিল, ছোট খাট টাকি-পুঁটি পেলে খ্যক খ্যক করে হাসছিল।কেমন যেন অস্বস্থিকর মানুষটা। যেন ঋণাত্মক  একটা অনুভূতি ছড়াচ্ছে ওর চারি পার্শে।কোন কারন ছাড়াই  বিরক্তি উৎপাদন করে চলছে লোকটা।

পড়ন্ত বিকেল। বাবা আসর নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বেরুলেন।

বড় মিয়াঁ, পেন্নাম হই! বাবাকে দেখে কপালে হাত ঠেকালো লোকটা।

বিস্তারিত»

বেঁচে আছি

বৃষ্টিতে  ঝুম ঝুম
মেঘেরা   নির্ঘুম
হৃদয়ে উথাল-পাথাল
চিন্তায়   পরকাল…।।

সবই   খেলা
যাচ্ছে  বেলা
স্মৃতিতে ধুলো বালি
ভিতরটায় চোরা বালি…।।

ঘুম ঘুম ঘোর
স্বপ্নে বিভোর
বেদনায় সব্যসাচী
চিমটে কেটে দেখেছি
এখনও বেঁচে আছি…… ।।

বিস্তারিত»

একটি কিশোর ও তার ভালবাসা

“ভালবাসি” এই কথাটিতে আজ আর কোন দ্বিধা নাই
“ভাললাগে” এই শব্দের সাথে আজ আর কোন দ্বন্দ নাই,
এই বিস্তৃত নীল আকাশের নিচে দাড়িয়ে
এক সাধারন কিশোর ভাবে শুধু ভাল লাগার কথা,
কোন দ্বন্দ্ব নাই…….
তোমার চোখের মাঝে অপলক তাকিয়ে থাকে সে
বোঝাতে চায় তার ভালবাসার প্রগাঢ়তা
কোন দ্বিধা নাই……

অতপর…..কিশোর
বহুদিনের যত্নে লালিত আবেগ উন্মোচিত করল,

বিস্তারিত»

“মালাউন কা বাচ্চা… কাভি নেহি আচ্ছা !!!”

শিরোনামের বাক্যটা আমার এক বন্ধুর বাবা’র কাছ থেকে শোনা। একটি আর্থিক লেনদেনের ব্যাপারে আরেক আংকেলের “ডিসকোয়ালিফিকেশন” এর কারন তিনি হিন্দু। এইদেশে হিন্দুদের বিরুদ্ধে এমন বিষেদগার করেনা কিংবা মনে মনে এমন ভাবেনা, লোকের সংখ্যা অনেক কম। কিন্তু এমন কথা শুনেনাই এরকম লোকের সংখ্যা শূন্য। কেন এই বিদ্বেষ? এই বিদ্বেষের দুইটি কারন পাওয়া যায়।

একনম্বর বা প্রধাণ কারন আমাদের দেশের অধিকাংশ (প্রায় ৮৯%) মানুষ মুসলিম।

বিস্তারিত»

ঘুম,ক্লাস ও একজন ক্যাডেট ২

ঘটনা ২
নারগিস মাডামের ইংরেজি ক্লাস, ঝিমাইতে ঝিমাইতে ঘুমায়ে গেছিলাম।নিয়ম ছিল ক্লাসের সময় পারমিশন নিয়ে ১ জন বাইরে যেতে পারবে।ঘুম থেকে উঠে মনে হল বাইরে যাওয়া দরকার।আমি জানতাম না ১ জন বাইরে ছিল।পারমিশন চাইলাম ঃ may I go out ,madam? মাডাম কট মট করে উত্তর দিল is there anybody out? কিন্তু আমি শুনলাম is there any doubt? মনে মনে কইলাম মাডাম এতক্ষন যা পড়াইছে সেই সম্পর্কে আমার কোন doubt আছে কিনা সেটাই মনে হয় জানতে চাইছে ।

বিস্তারিত»

সততার পুরস্কার

…অনেক দিন ধরেই ভাবছি কি লেখা যায়,মন খারাপ হলে একা একা এখানে আসি আর সবার লেখা পড়ে চুপচাপ মন ভাল করে চলে যাই …লেখার হাত খুবই বাজে বলে লেখার কথা ভুলেও ভাবতে যাই না তবুও একবার লিখেছিলাম;এত ছোট হয়েছিল যে এডজুট্যান্ট সাহেব আমাকে এত ছোট ব্লগ না লেখার ব্যাপারে অনুরোধ করলেন ,আসলেই এত সুন্দর লেখাগুলোর মধ্যে এরকম বোরিং লেখা মানাবে না যাই হোক,একটা মজার ঘটনা শেয়ার করি…আমি তখন ক্লাস ১১ এ,JP শীপ দেয়া হয়ে গেছে.মোটামুটি শিওর কারা প্রিফেক্ট হতে যাচ্ছে।এরই মাঝে parents day আসল,তখন আবার আম-কাঁঠাল এর সময়।parents day তে যতটুকু সম্ভব দান মেরে এবার হাউসে নিয়ে আসলাম।কিন্তু স্যার এর কড়া আদেশ সব হাউস অফিসে জমা রাখতে হবে।কি আর করা,রেখেও আসলাম।Night prep এর পর house master sir শুনি আমাদের সবাই কে হাউস অফিসে ডেকেছেন।গিয়ে দেখি ২ টা ঝুড়িতে ২ টা বিশাল সাইজ এর কাঁঠাল।তার মধ্যে একটা আবার খাওয়া হয়ে গেছে।

বিস্তারিত»