“এ আলোয় তোমায় দেখিনা”

1.
ঝুম বৃষ্টির মাঝে রিকশা পাওয়াটা কষ্টের। ঢাকা শহরের রিকশাওয়ালা গুলো এম্নিতেই জমিদার। তারপর বৃষ্টি এলে এদের ভাব আকাশ চুম্বী হয়ে যায়। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বৃষ্টিতে ভিজবে ঠিকই কিন্তু কেউ বললে যাবেনা। বিরক্ত মুখে আসিফ একজনকে বলে ফেলল,মামা তাহলে জাহান্নামে যাবা? শাহবাগ থেকে কলাভবন যদি না যাও তাহলে কোথায় যাবা? আসিফের কথা রিকশাওয়ালা ভ্রুক্ষেপ করলোনা। বেচারা আগের মতই বলিউড টানতে শুরু করল। কিছুদূরে একটা ফাঁকা রিকশা দেখতেই আসিফ ডাক দিল,

বিস্তারিত»

চিঠি সমাচার

বহুদিন পর ইদানিং ব্লগে ঢুকা হচ্ছে। ব্লগে ঢুকে কিছু নবীন লেখকের লেখা পড়ে খুব মজা পাচ্ছি। মনে পড়ছে ১/২ বছর আগের কথা। তখন সারাদিন ব্লগেই পড়ে থাকতাম। এ যেন এক নিত্য updated গল্পের বই। যাই হোক তখন সকলকে দেখে মনে হয় আমিও ২/১ টা ব্লগ লিখেছিলাম। আজকে মনে হচ্ছে কিছু একটা লিখি। কিন্তু কি লিখব তাই নিয়ে ভাবছিলাম অনেক্ষন ধরে। হঠাত মোবাইল ফোনের দিকে তাকিয়ে কেন জানি না হলুদ রঙের খামের কথা মনে পড়ে গেল।

বিস্তারিত»

ঘুম

গ্রীষ্মকাল আর ঘুম ক্যাডেটদের জন্য এই সমীকরণটা মনেহয় একে অপরের সাথে সমানুপাতিক।

ঘটনা-১
ঘটনাটা কোন সময়ের তা মনে করে উঠতে পারছিনা। তবে ক্লাস ১০ এ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। আলভী (ডাকনাম) ক্লাস ১০ এর ফর্ম থেকে একটা চেয়ার নিয়ে টয়লেটে চলে গেল এবং যথারীতি আরাম করে ঘুমিয়ে গেল। আমরা ক্লাসের সবাই বেমালুম ভুলে গেলাম যে আলভী টয়লেটে ঘুমাচ্ছে। বাংলার রাবেয়া ম্যাডামের ক্লাস। হঠাৎ করে আমরা সবাই শুনি এক সুইপার চিৎকার করে বলছে টয়লেটে এক ক্যাডেট অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে।

বিস্তারিত»

বৃষ্টি আর জল কাদার বিরুদ্ধে

বৃষ্টি আর জল কাদার বিরুদ্ধে
এই সকল জোৎস্ন্যাদল,ফুল-পাখি
এই সকল চৈত্র আর শীত কুয়াশা
রাত জেগে প্রার্থনায়
ভাঙা বেড়া,ছাদ ফুটো ঘরের সব
শিশু এবং কিশোরীদের ভেজা স্তন
নিংড়ে নেয় মাঠপোড়া রৌদ্রালোক
বই ভিজে,ঘর ভিজে-
আর ভিজে গৃহস্থালী,গরীব লোকের সংসার আর
রান্নাঘর

তাই আষাঢ়,বর্ষা আর সব রকম জল কাদার
বিরুদ্ধে
এই সকল সূর্যদিন,দূর্বাদল,গাছ-পাখির বসন্ত
শিউলি আর হেমন্তের রাজপথে শোকসভা
নদীর দুকূল উপচানো নিষ্ঠুর এ প্লাবনে,বন্যাতে
ঘর ভাসে,দোর ভাসে-
আর ভাসে ফসল আর কৃষকের সুখের ঘর
ছাপোষা কেরানী আর মাস্টারের মফস্বল
বেচারীদের দুর্দিনের মাইনেতে ভাগবসায়
বর্ধমান মূল্যস্তর,খারাপ আর অসৎ সব ব্যবসায়ী

তাই এসব খারাপ আর সব রকম অসৎ লোকের বিরুদ্ধে
আমার এই কবিতা হোক আগ্রাসন
হুমকি আর হোক শ্লোগান
মন্দ লোক ধ্বংস হোক,তাদের সব
সঙ্গীরা,সঙ্গীদের নষ্ট মন,পায় ঘৃণা!

বিস্তারিত»

X-Files-5

চমনের বাবা ।নিজের আসল নাম বলতে নারাজ। কালো, ছোট খাট মানুষটি।আদি বাড়ী নাকি কামরূপ-কামাক্ষ্যা।

বেশ অপরিষ্কার, মলিন একটা ফতুয়া গায়ে, হাঁটু অব্দি চেক লুঙ্গী উঁচু করে পরা। একদম সাদারন একজন মানুষ। বন্ধু খসরূর আগ্রহে ওকে আবার তলব করা হল।

বিনীত ভঙ্গিতে জড়সড় হয়ে বসে আছেন।

আমাদের ইনভেস্টিগেটিভ ইন্টারভিউ শুরু হল। বেচারা সংকোচে ম্রিয়মান।একশত ভাগ বাঙালি বলে মনে হলোনা কথায়।

বিস্তারিত»

চিলড্রেন অব হ্যাভেন

<<সাদেক>>

বাসাটায় ঢোকার মুখে আমার পিচ্চি ছাত্রীর মায়ের ফোন এল। এক্ষেত্রে কখনও ফোন ধরি না, কেটে দেই। উনি বোঝেন যে হ্যা, আমি চলে এসেছি। কিন্তু কেন যে ধরেছিলাম, তবে ধরেছিলাম বলে ভালই হয়েছিল। “হ্যা আপা, আমি……” উনি আমার কথা কেড়ে বলেন, “হ্যা সাদেক, তোমাকে তো একটা কথা বলা দরকার ছিল…” কেমন জানি লাগল, “জ্বি আপা, বলেন…।।” উনি একটু থেমে থেকে তারপর বলতে লাগলেন,

বিস্তারিত»

ছিনতাইকারী এবং আমি

“ভাই কই যাবেন? ভাড়া দেন জলদি”।

কথাটা শুনেই বুঝি হুশ ফিরল আমার। তাকিয়ে নিজের ল্যাপটপের ব্যাগটা কে আর একটু জোড়ে আকড়ে ধরে বললাম “জিয়াকলনি, কত?”ভাড়াটা দিয়েই জানালার বাইরে তাকালাম। আগারগাও ক্রস করছি। হটাৎ হাসিই পেল। এতদিন যে বড় বড় বুলি ঝেরে এসেছি আজ তার একটা পরিক্ষাই দিয়ে আসলাম। মাত্র ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ড এর ঘটনা, কিন্তু একটু এদিক সেদিক হলেই দেউলিয়া হতে চলেছিলাম।

বিস্তারিত»

স্বয়ম্বর সভা ও কয়েকটি প্রেমের একটি গল্প

হাতের ক্যাপটা ডলে ডলে সমান করতে করতে চতুর্থবারের মতো ঘোষণা করে পারিসা,” আমার ভাল লাগছেনা।“ পাশে বসা তামান্না ওকে ফিসফিস করে বলে,” সারাক্ষন ভালো লাগে ভালো লাগেনা বলতে থাকলে ভালো লাগবেটা কি করে শুনি? আমার তো মজাই লাগছে।“ পারিসা হতাশ হয়ে কাধ ঝাঁকায় একবার, আড়চোখে চারপাশটা আরেকবার দেখে নেয়। অডিটোরিয়ামটা ভালোই লাগে ওর কাছে, এখনো মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়নি বলে চারপাশে একটা মৃদু গুঞ্জন। ICCLMM  এ আসার অভিজ্ঞতাটা পারিসার জন্য নতুন,

বিস্তারিত»

X-Files-4

 

“নাপিতের ভিটা” নিয়ে গ্রামে অনেক মুখরোচক গল্প প্রচলিত আছে।সবথেকে অথেনটিক গল্প বাবার তৃতীয় ভাই, ‘ চেয়ারম্যান চাচা’, বর্তমানে আমাদের ঢাকা জেলার দোহার পৌরসভার ‘মেয়র রহিম চাচার’ কাছ থেকে শুনা।

ঘোর বর্ষার রাত। থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। হিসেব-নিকেশ, মানুষের বিচার-সালিস শেষে বাড়ি ফিরতে রাত দশটা এগারটা প্রতিদিনই হয়। আসামান্য শারীরিক শক্তি, দুর্দম্য সাহস আর ন্যয় পরায়ণতা ‘রহিম চেয়ারম্যান’

বিস্তারিত»

X-Files-৩

ভদ্রলোকের নাম নাথ বাবু।সম্পূর্ণ নাম কি ছিল আজ আর মনে নেই।১৯৮৭~৮৮’র দিকে চট্টগ্রামে কৃষি ব্যাংক এর ডি জি এম ছিলেন। তুখোড় অংকবিশারদ। সেই সুবাদে অনুরোধে আমাদের ভাগিনা ‘রনি’ কে অংকে সাহায্য করার জন্যে শেলি আপা’র বাসায় যাতায়াত ছিল।

এই পর্বে এসে সংশ্লিষ্ট সকলের সঠিক নাম-পরিচয় উল্লেখ করবো মনস্থ করেছি, না হয় আবার কেউ আমাকে “কল্প কাহিনীকার” ভেবে বসতে পারেন।সঠিক নাম-পরিচয়ের সুবিধা হোলো, হয়তো কারো পরিচিত গণ্ডির মধ্যেই পরে গেলে,

বিস্তারিত»

সনেটীয় ছড়া

”আকাশ নীল,বাতাস কালো
আমি শ্যামলা,লাগে ভালো
সবাই ফর্সা,হাতে বর্শা
খায় ভাত, সোনার পাত
পৃথিবী সুন্দর, খাঁচায় বান্দর
করে চেঁচামেচি,আমি কিডনী বেঁচি”

(আমার ব্যাচ এ আমার নিক নেম ছিল কিডনী 😕 ।এই নামকরণের পিছনের কাহিনীও মজার ।তো SSC এর আগে আমার কবি প্রতিভার উন্মেষ ঘটেছিল এবং আমিও মাইকেল মধূসুদন দত্ত কর্তৃক অণুপ্রাণিত হয়ে “সনেট” লেখার প্রচেষ্টা চালিয়েছিলাম :gulli2: ।এই সনেটের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে কোন লাইনের সাথে কোন লাইনের মিল খুজতে যাওয়া যাবে না এবং কোন আগা মাথা নাই :chup: )

এরকম আরও একটি ছড়া—-

“আকাশে চাদ,বাতাসে কান্না
তাই আমি করেছি রান্না
ভুলে দিয়েছি চিনি,পাপুয়া নিউগিনি
খেল না তো কেউ,

বিস্তারিত»

বরাবর, অধ্যক্ষ, পাবনা ক্যাডেট কলেজ, পাবনা। (এপিসোড-২)

আগের পর্বের লেজ…

দুই।) ছুটি শেষে কলেজে ফিরলাম। দেখলাম কলেজে সাজ সাজ রব পড়ে গেছে। পাবনা ক্যাডেট কলেজের ইতিহাসে প্রথম আর্মির প্রিন্সিপাল আসছে, কি না জানি হয়। কলেজের বারবার চুল কেটে মাথার সাদা চামড়া বের করে দিল, স্টাফ সামনে দাড়াইয়া থেকে সবার চুল কাটাইতেছে, ব্যাগ একবার স্টাফ চেক করল একবার মকবুল স্যার(ভুগোল ডিপার্টমেন্ট) নিজে। নতুন প্রিন্সিপালের নাম লেঃকর্নেল রেজাউল করিম। মধ্য বয়স্ক স্মার্ট একজন মানুষ।

বিস্তারিত»

সিসিবি’র টোকিও আড্ডা+পিকনিক+গেট-টুগেদার!!!

প্রবাসে থেকে বাংলাদেশে অবস্থিত সিসিবিয়ানদের আড্ডা/পিকনিক/গেট-টুগেদার ইত্যাদির খবর শুনে+দেখে আফসোস করার দিন শেষ হতে চলেছে।

আগামী মাসের কোন এক পড়ন্ত বিকেলে টোকিওতে প্রবাসী সিসিবিয়ানদের এক আন্তর্জাতিক আড্ডা+পিকনিক+গেট-টুগেদার হতে যাচ্ছে :goragori: । উপস্থিত থাকবেন সিসিবি’র অন্যতম সিনিয়র ভাই আলীমুজ্জামানসহ জাপানে প্রবাসী সিসিবিয়ানবৃন্দ; অন্যান্য দেশের প্রতিনিধি হিসেবে আপাততঃ আমেরিকাবাসী আমি স্বয়ং B-)

বাংলাদেশে অবস্থানরত সিসিবিয়ানদের ঈর্ষা-উদ্রেককারী ছবি নিয়ে আরেকটা ব্লগ পোষ্ট করা হবে যথা সময়ে 😀

বিস্তারিত»

বিক্ষিপ্ত সৃতিতে কলেজের শেষ রাত

২৩ শে জুন,২০০২। এই সেই দিন যেদিন ৯৬-০২ ব্যাচের জন্য ছিল ক্যাডেট হিসেবে কলেজে কাটানো শেষ রাত। পরের দিন ২৪ শে জুন ২০০২, আমাদের কলেজের ৪৫ জন বন্ধুকে একে অপরের থেকে আলাদা হয়ে যেতে হবে। আর কোন দিন হয়তো এই ৪৫ জন আর একসাথে হতে পারবনা, আর কোন দিন এই কলেজের চত্বরে আনাগোনা করবে না এই বন্ধুগুলো। এমনিতেই সেইদিন গুলো অনেক মিস করি। কিন্তু আজকে এই দুরপরবাসে কেন যেন আরও বেশি মনে পরছে সবার কথা।

বিস্তারিত»

পুরানো সেই দিনের কথা…………

দীর্ঘ ১ বছর পর আজ কলেজে গেলাম। যাওয়ার সময় ১টা ব্যপার খেয়াল করলাম। কেমন যেন মন খারাপ লাগছে। বরিশালে ১ relative এর বাসায় উঠছিলাম। ওখান থেকে যাওয়ার পথে কেন যেন খুব কান্না পাচ্ছিল।
মনে পড়ল আগেও আমি কলেজে যাওয়ার সময় মন খারাপ করতাম।এখন ও মনে আছে junior ক্লাসে যখন ছিলাম bus এ করে যখন কলেজে যেতাম, যাওয়ার পথে খালি ভাবতাম, কেন cadet হলাম।কি দরকার ছিল…………ইস!

বিস্তারিত»