মাহে রমযানের গুরুত্ব

মাহে রমযান ইসলামের বিশেষ রুকন-রোযা পালনের মাস। এ রোযা প্রত্যেক বালেগ মুসলমানের উপর ফরজ। যে ব্যক্তি এ রোযা রাখাকে ফরয মনে করবে না, সে কাফির হয়ে যাবে। আর যে ফরয মনে করেও রোযা রাখবে না, সে মস্ত বড় গুনাহগার ও ফাসিক গণ্য হবে।

এই মাস পবিত্র কুরআন নাযিলের মাস, লাইলাতুল ক্বদরের মাস ও রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এমনিভাবে তা ত্যাগ-তিতিক্ষা ও চাহাত বিসর্জনের মাস,

বিস্তারিত»

অপরের মতামতকে শ্রদ্ধা করা উচিৎ-অনুচিৎ

অপরের মতামতকে শ্রদ্ধা করা উচিৎ-অনুচিৎ

‘অপরের মতামতকে শ্রদ্ধা করা উচিৎ’ – এই কথাটা প্রায়ই শুনি। কখনো কখনো মনে হয় কথাটা ঠিক, আবার কখনো সন্দিহান হয়ে পড়ি। একবার এক জায়গায় এক দুর্নীতিবাজ বেশ জোর গলায় বলল, “দুর্নীতি কোন সমস্যা না, দুর্নীতিতে সমাজের কোন ক্ষতি হয়না”। ভদ্রতার খাতিরে সবাই চুপ করে রইল, একমাত্র আমিই প্রতিবাদ করে বললাম, “দুর্নীতিটাই সব চাইতে বড় সমস্যা।” উনি তার সপক্ষে কিছু যুক্তি উপস্থাপন করার উপক্রম করছিলেন।

বিস্তারিত»

হূ আহমেদ এবং রোযার কিছু কায়দা কানুন

বাংলাদেশ এবং দেশে বিদেশে থাকা বাঙালিরা (পূর্ব বঙ্গের)এখন ভুগছে হুমায়ুন আহমেদিয় জ্বরে। আলাদা করে পুর্ব বঙ্গ বলার কারণ কলকাতার ওঁরা নাকি হুমায়ুনের শোকে পাথর হননি। কি আর করা বাংলাদেশের বাঙালিরা এর উপযুক্ত জবাব চায়। ইন্টারনেট (বিষেশত ফেসবুক) ও পত্রিকাগুলো খুললেই পাওয়া যাচ্ছে এসব খবর। কেনো আমি এভাবে ভাবছি?! আমিও তো কয়েকখান স্ট্যাটাস শেয়ার করে দিলেই পারি; কি অপুরণীয় ক্ষতি হয়েছে বাঙলা সাহিত্যের, হুমায়ুন কতো উচু  মাপের লেখক ছিলেন,

বিস্তারিত»

তিন তিতলী

“মেঘ বলেছে যাবো যাবো” বইটি দ্বিতীয় বারের মত পড়া শেষ করেছি। আমি তখন নবম শ্রেনীতে। ফাইনাল পরীক্ষা শেষ। ছুটি আর কয়েক দিন পর। আমাদের ক্যাডেট কলেজে অনেক নিয়ম কানুন। গল্পের বই পড়ার সময় ও সুযোগ সব সময় মেলে না। তবে এই সময়টা সবাই গল্পের বই পড়ে কাটায়। শিক্ষকরাও আমাদের মনের অবস্থা বুঝতে পেরে তেমন কিছু বলেন না। হাতে পড়ার মত কোন বই না থাকায় বন্ধু তৌফিকের কাছ থেকে নিয়ে এই বইটিই আবার পড়লাম।

বিস্তারিত»

একটি ভালবাসার গল্প

১.

এস.এস.সি পরীক্ষা শেষ করে টানা চার মাস পর ক্যাডেট কলেজ থেকে বাসায় আসলাম। ছুটিতে অনেক কিছু করার পরিকল্পনা করলাম। কিন্তু বাসায় এসে আমার মাথায় হাত। আমি কলেজে থাকা অবস্থায় আমাদের বাসা চেঞ্জ হয়েছে। নতুন বাসায় এসে কিছুটা অস্বস্তিতে পরলাম। কাউকে চিনিনা। বাসায় এসে কিছুক্ষন ধাতস্ত হওয়ার চেষ্টা করছি, এমন সময় কেউ একজন ডেকে উঠল-

–      আন্টি……………

একটা মেয়ে দৌড়ে ঘরে এসে ঢুকল।

বিস্তারিত»

এই বৃষ্টিতে আমি কোনদিকে যাবো?

এই বৃষ্টিতে আমি কোনদিকে যাবো?
কার কাছে যাবো?
ঝাপসা উত্তর,পূর্বের কুয়াশা
পশ্চিম দৃষ্টি সীমানায় খরস্রোতা
দক্ষিণে ঘিরে আসে বিক্ষুব্ধ হাওয়া
অজগরের তুমুল হা
বিদ্যুতের চাবুক,বারবার কেঁপে উঠে
পৃথিবীর সব ভয়ার্ত হরিণেরা
এই অন্ধকারে আমি
কোন দিকে যাবো
কার কাছে যাবো তোমাকে ছাড়া?
আমাদের যূথবদ্ধতার কথা জেনে সহসা বৈরী যারা
আমাদের বিচ্ছেদে তাদের উল্লাস
অবিশ্বাস ছড়ানো চন্দ্রড্রাগনেরা
এই দুর্যোগে আমি
কার হাত ছোঁবো
কার ওম নেবো তোমাকে ছাড়া?

বিস্তারিত»

আমাদের বাদশাহ নামদার হুমায়ুন আহমেদ

অকালেই চলে গেলেন হুমায়ুন আহমেদ। দেশের সব স্তরের মানুষের কাছে জনপ্রিয় হলেও সব চেয়ে নন্দিত ছিলেন মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর কাছে। ছিলেন মধ্যবিত্তের অন্যতম প্রতিনিধি। আমাদের একটি বিখ্যাত সামাজিক বচন- উত্তম নিশ্চিন্তে চলে অধমের সাথে, তিনিই মধ্যম যিনি চলেন তফাতে। মধ্যবিত্তের এই তফাতে চলা কথাটা এক ধরণের বক্রোক্তি হলেও, বাস্তব সত্য হচ্ছে মধ্যবিত্তের তফাতে চলা ছাড়া উপায় নেই। কারণ মধ্যবিত্তকে হিসাব করে চলতে হয়। সেই হিসেবে সামান্যতম ভুল হবার জো নেই,

বিস্তারিত»

রহস্যময় মহাবিশ্ব ও চিরন্তন জীবন জিজ্ঞাসা -১

রহস্যময় মহাবিশ্ব ও চিরন্তন জীবন জিজ্ঞাসা –১

———————————– ডঃ রমিত আজাদ

অপার রহস্যে ঘেরা আমাদের এই মহাবিশ্ব। আর তার মধ্যে রহস্যময় একটি সত্তা আমরা – ‘মানুষ’। এই দু’য়ের সম্পর্কও কম রহস্যময় নয়। মহাবিশ্বের বিবর্তন বা বিকাশের সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ ফলাফল মানুষ, সেই মানুষই আবার গভীর আগ্রহ নিয়ে অধ্যয়ন ও পর্যবেক্ষণ করছে তার চারপাশের  মহাবিশ্বটিকে। কি এই মহাবিশ্ব? আমরা কারা? কি সম্পর্ক মহাবিশ্বের সাথে আমাদের অথবা   আমাদের সাথে মহাবিশ্বের?

বিস্তারিত»

ধন্যবাদ হুমায়ুন আহমেদ ও তার মৃত্যুকে

হুমায়ুন আহমেদ মানুষ হিসেবে কেমন ছিলো সেটা নির্ণয় করার আমি কেউ না । অথবা অন্যভাবে বলতে গেলে এই মুহূর্তে আমি তাকে নিয়ে ভাবার প্রয়োজন বোধ করছি না । তবে গত ৫ দিনে যা ঘটলো সেটা থেকে মোটামুটি নিশ্চিতভাবেই বলা যায় তিনি একজন শক্তিধারী লেখক ছিলেন – হতে পারে সেটা সস্তা সাহিত্য, হতে পারে সেটা শ্রেষ্ঠ পর্যায়ের কথাসাহিত্যের রূপকার হিসেবে । কিন্তু সেটাও মাথা ঘামানোর মত তেমন কিছু না ।

বিস্তারিত»

জীবনের টুকরো – দেশবিদেশে (পুবের মানুষ যখন পশ্চিমে – ৪)

সংবিধাণ সতর্কিকরণ বিজ্ঞপ্তীঃ ইহা একটি দীর্ঘ এবং বোরিং পোস্ট। পাঠক নিজ দায়িত্বে পড়বেন। আর না পড়লেও একবারে শেষ অনুচ্ছেদ (২০) চলে যেতে পারেন।
১৪
এখন কথা হলো ‘পশ্চিম ফ্রি-সেক্সের দেশ’ বহুশ্রুত এই বাক্যটির সঠিক এবং যথার্থ দৃশ্য কিভাবে ফুটিয়ে তোলা যায়? পশ্চিমে পাবলিক ন্যুইসেন্সকে খুব গুরুত্ব দেওয়া হয়। এখানকার উন্মুক্ত পরিবেশে এমন কিছু করা যাবে না যা অন্যের মনে বিরক্তির উদ্রেগ সৃষ্টি করবে।

বিস্তারিত»

স্বপ্ন এবং নিজস্ব অভিব্যক্তি…।

স্বপ্ন।। আসলেই একটা বিচিত্র জিনিস। রাত হোক দিন হোক ঘুম এর মধ্যে কখন কি স্বপ্ন দেখি তার ঠিক ঠিকানা থাকে না। কিছু কিছু স্বপ্ন থাকে যা মানুষ দেখতে চায় বার বার। আবার এমন ও আছে যে সে চায় স্বপ্নটা কোন ভাবে সত্যি হয়ে যাক। কিন্তু এই সত্যি হয়ে যাক বেপারে কিন্তু মারটীন লুথারকিং এর “I have a dream” তত্ত্ব খাটে না। কেননা সাধারনত মানুষ এই সব স্বপ্ন পুরনের আশাই করে,

বিস্তারিত»

মাতা-পিতার অধিকার

Ø যদি মাতা-পিতার প্রয়োজন হয় এবং সন্তান তাদের ভরণ-পোষণ দিতে সক্ষম হয়, তাহলে মাতা-পিতার ভরণ-পোষণ দেয়া সন্তানের উপর ওয়াজিব। এমন কি পিতা-মাতা কাফের হলেও তাদের ভরণ পোষণ দেয়া ওয়াজিব।

Ø প্রয়োজন হলে মাতা-পিতার খেদমত করা। খেদমত নিজে করতে পারলে করবে নতুবা খেদমতের জন্য লোকের ব্যবস্থা করা দায়িত্ব। উল্লেখ্য যে, খেদমতের ক্ষেত্রে পিতার তুলনায় মাতাকে প্রাধান্য দিতে হবে।

Ø পিতা-মাতা ডাকলে তাদের ডাকে সাড়া দেয়া এবং হাজির হওয়া।

বিস্তারিত»

রোমান্টিকতা নিয়ে লেখা

অনেকে বলে, অনেকে ভাব নেয় বা অনেকে cool সাজার চেষ্টা করে আর বলে “ আমার Love Story ভাল লাগে না”। আমি শুনলে হাসি মনে মনে আর ভাল বন্ধুরা বললে সামনাসামনি ই হাসি আর বলি চাপা মেরে লাভ নেই।
যে যত যাইই বলুক না কেন। আমরা এই মানব জাতির সকলেই লাভ স্টোরি কম বেশি ভালবাসি। মানে আমাদের ভাল লাগে আর কি। দেখা যায় কেও কেও সেটা স্বীকার করতে লজ্জা পায়।

বিস্তারিত»

আবু জাহলের ছেলে ইকরামাঃ ইনিই কি সেই লোকটি?

রাসুলুল্লাহ সাঃ এর সাহাবা হবার সৌভাগ্য যারা লাভ করেছেন কুরআনে বর্ণিত আয়াতের প্রেক্ষিতে তাদের নামের সাথে একটি বিশেষণ তৎপরবর্তি কালের স্কলারগণ যুক্ত করেছেন যা হলো ‘রাদিআল্লাহু আনহু’, যে কথাটার অর্থ হলো আল্লাহ্ যার উপর সন্তুষ্ট হয়েছেন। এই বিশেষণটি যে একদিন ইকরামার জন্য প্রযোজ্য হবে তা ছিল অসম্ভব কল্পনার মতো। তার বাবার নাম হলো আবু জাহল্, যে লোকটি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ছিলো ইসলামের প্রধান শত্রু। বাবার মতোই ইসলাম ও মুসলিমদের সাথে শত্রুতায় আর সকলের চেয়েই অগ্রগামী ছিলো ইকরামা (কিংবা ইকরিমা,

বিস্তারিত»