হৃষ্টপুষ্ট দিনের কংকাল পড়ে পাশে,
মেঘেরা মেতে
আদল ভাঙার স্বেচ্ছাচারিতায় –
বেলা যায়
উনুনে ফূঁ-দেয়া লাল চোখে,
বাঁশির আশে
প্রাণ সঁপে দিয়ে
পোড়াভাতের ফেনও কেমন
যমুনাপানে ঝোঁকে,
কানু রে
কান্দন চেপে আছি
সেই কবে থেকে
এবারে আমার দিনরাতের
গতর ফিরায়ে দে!
টরেন্ট ডাউনলোড করুন IDM দিয়ে(torrific এর বিকল্প)
এর আগে পোষ্ট করেছিলাম কিভাবে Internet Download Manager দিয়ে torrent ফাইল ডাউনলোড করবেন। কিন্তু আগের লেখার torrific.com সাইট টি কিছুদিন আগে বন্ধ হয়ে গেছে। চিন্তা নেই এর বিকল্প ব্যাবস্থাও আছে, এটা বরং torrific এর চেয়েও অনেক দ্রুতগতির…
যাদের IDM নেই তারা IDM ডাউনলোড করে নিতে পারেন এখান থেকে।
এখন ডাউনলোড এর পালা।
প্রথমে আপনাকে যেতে হবে এইখানে ।
মা
অদ্ভুত সুন্দর এক গোধুলীর রং-এ মাখা পড়ন্ত বিকেল। পার্কের রাস্তায় একাকী হাঁটছি। দূরের মানজানো পাহাড়ের উপর পড়ন্ত বিকেলের শেষ রোদ্দুরের আলো এসে পড়েছে। আকাশে একই সাথে সাদা, কালো এবং কমলা মেঘের আনাগোনা। বিস্তীর্ন দিগন্ত একই সাথে দেখতে পাচ্ছি। পশ্চিমের দিগন্তে যেখানে সূর্য অস্ত যাবে সেদিকেই আমার ফেলে আসা প্রিয় জন্মভূমি। হাতের ঘড়িতে দেখলাম বুধবার, ১ আগষ্ট। তার মানে বাংলাদেশে এখন ২ আগষ্ট। বিশ বছর আগের ঠিক এই দিনে মন ছুটে গেল।
বিস্তারিত»মাথার-ব্যামো-১
ব্যাপারটার শুরু হয় একদিন বৃষ্টিতে অনেকক্ষণ ভেজার পর।ঘাড়ের পিছন থেকে হালকা একটা চিনচিনে ব্যথা মাথার তালু পর্যন্ত ছড়িয়ে যায়।আমি ফার্মগেট থাকি,কোচিং করি।মনে অনেক স্বপ্ন।মাত্র ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হলাম।এইসব ব্যাথাকে পাত্তা দেয়ার সময় কখন?তাই বাড়ি ছেড়ে ফার্মগেটে চলে এলাম।ব্যাথা টাও আমার সাথে এল।প্রতিদিন আমাকে জ্বালাতে লাগল।ব্যাথাকে থোরাই কেয়ার করে দিন কাটল।এদিকে ISSB র কল চলে আসছে।কেনাকাটা করে বাসায় গেলাম আগেরদিন।ব্যাথা নিয়েই গেলাম এবং যথারীতি স্ক্রীন্ড আউট হয়ে চলে আসলাম।এরপরই ঘটনা ঘটা শুরু হল।চিনচিনে ব্যাথা শেষ হয়ে দপদপ ব্যাথা শুরু হল।কিন্তু ঢাকার মায়া ছাড়তে পারলামনা।ফিরে গেলাম বন্ধুদের সাথে।একদিন ইফতারির পর মাথাব্যাথার জ্বালায় আর উঠতে পারলাম না।আমার চাচাত ভাই ইসলাম বাসায় ফোন করে সব আব্বুকে বলল।বাবার নির্দেশে পরদিন বাসায় চলে আসতে হল।ডাক্তার দেখালাম।ঘুমের ওষুধ দিল।দিন পাচেক পড়ে পড়ে ঘুমালাম।কিন্তু ব্যাথা আরও বাড়ল।ডাক্তার পালটালাম,কিন্তু লাভ হল না।আমার অবস্থা আরও খারাপ হতে লাগল।অবশেষে ঈদ এল।আমার জীবনে কাটানো সবচেয়ে খারাপ ঈদ।ঈদের পর অবস্থা আরও খারাপ হল।অবস্থা খুব খারাপ দেখে ডাক্তার CT SCAN করাইতে বলল।করাইলাম এবং রিপোর্ট আসল।আব্বু রিপোর্ট নিয়া নিওরো-সার্জনের কাছে গেলো।তবে ডাক্তার কী বললেন তা কাঊকে খুলে বলল না।শুধু বলল ছোট একটা অপারেশন করাইতে হবে।আমার তখন এইসব শোনার বা জানার মতো অবস্থা নাই।সারাদিন সেন্সলেসের মত বিছানায় পড়ে থাকি।শুধু এই ব্যথা থেকে পরিত্রাণ চাই।দুই দিন পর সন্ধ্যায় একবার বমি করে সেন্সলেস হয়ে গেলাম।তখন আব্বু-আম্মূ ডিসিশন নিল আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবে।সাথে সাথে এম্বুলেন্স ডাকা হল।আসা মাত্রই আমাকে গাড়িতে তোলা হল।সঙ্গে আব্বু,আম্মূ,ইসলাম এবং ইসলামের বাবা-মা অর্থাৎ আমার চাচা-চাচী।গাড়ী ছাড়ল টিকাটুলির সালাঊদীন হাসপাতালের উদ্দেশশে যেখানে ঐ ডাক্তারের চেম্বার।পথে এমন প্রাকৃতিক ডাক আসল যে মাথাব্যথা কমে গেল।অবশেষে রাত সাড়ে নয়টার দিকে হাসপাতালে পৌছালাম।আগেই কেবিন বুক করা ছিল,নয় তালায়।কেবিন নং ৩০২।কোনমতে কেবিনে ঢুকে আগে টয়লেট সারলাম।বের হয়েই দেখি নার্স হাজির।স্যালাইন লাগিয়ে দিল আর একটা ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে গেল।ব্যাস,
বিস্তারিত»একটু শুধু ঘেঁষতে দিও কাছে
তুমি একটু শুধু ঘেঁষতে দিও কাছে
তোমার কাছে অনেক কিছু বলার আমার আছে
একটু হবে ফিসফিসানি একটু হবে কথা
একটু হবে কোলাহলে ঘেরা নীরবতা
একটি কথায় হাসবে তুমি একটি কথায় কাঁদবে
একটি কথায় তোমার মনে রহস্য দানা বাঁধবে
এক পৃথিবীর কথা জমা এক আকাশের মেঘ
এক সাগরের জলরাশি জমানো আবেগ
তোমার জন্যে কথার ঝুড়ি গোপন প্রেমের কাব্যে
বলবো আমি এখন থেকে আমায় আবার ভাববে
আবার তুমি সুর সাজাবে দূর পাহাড়ের ঝরনা ধারা
তোমার গানের উচ্ছাসে আজ বায়ুস্তর বাঁধন হারা
একটি কথা কানে কানে একটি কথা জোড়ে
একটি কথা বলে ফেলা ভালোবাসার ঘোরে
একটু কাছে আসতে দিও একটু দিও ঠাঁই
আমিতো এক পাগল প্রেমিক ঠিক ঠিকানা নাই
আবার কবে তোমার কাছে ফিরে আসার ভাগ্য হবে
আবার কবে তোমার চোখে অপেক্ষার ই কান্না রবে
আবার কবে আকাশ হয়ে মেঘ জড়াবো তোমার গায়ে
আবার কবে ছায়া হয়ে থাকবো তোমার পায়ে পায়ে
এখন অনেক দুঃসময় এক কাব্য লিখে পেট ভরেনা
এখন বুঝি বিলাসিতাও তোমার মনে দাগ কাটেনা
কবিতা নয় বাস্তবতার দু এক কথা বলবো তাই
একান্তে আজ এই প্রহরে তোমার কাছে ঘেঁষতে চাই.
হাবুল হোসেনের সাথে হুমায়ুন আহমেদের একান্ত আড্ডা (অপ্রকাশিত সাক্ষাতকার)
রিকশাওয়ালার ভাড়া মিটিয়ে নিজের ঘরে পা দেয়ার পরে ছোট ভাইবোনদের হুমায়ুন বিষয়ক জল্পনা কল্পনা, মুখরোচক আলোচনায় এতক্ষণ ভুলে ব্যথাটা নতুন করে জেগে উঠে হাবুলের। হুমায়ুনের মৃত্যুতে যেখানে সবাই হুমায়ুনের সাথে স্মৃতিচারণ নিয়ে মেতে রয়েছে, তখন তার ভাণ্ডার একদম খালি। তার সহকর্মীদের কেউ হুমায়ুনের সাথে এক বিকালে চা খাওয়ার গল্প লিখছে, কেউ হুমায়ুনের বাসায় বসে দেওয়া আড্ডার কথা লিখছে, সাহিত্যিক কাম সাংবাদিকরা যেখানে হুমায়ুনের মুখ থেকে বুলি বের করে নিজের কৌতুককে জাতে উঠাচ্ছে,
বিস্তারিত»মাহে রমযানের গুরুত্ব
মাহে রমযান ইসলামের বিশেষ রুকন-রোযা পালনের মাস। এ রোযা প্রত্যেক বালেগ মুসলমানের উপর ফরজ। যে ব্যক্তি এ রোযা রাখাকে ফরয মনে করবে না, সে কাফির হয়ে যাবে। আর যে ফরয মনে করেও রোযা রাখবে না, সে মস্ত বড় গুনাহগার ও ফাসিক গণ্য হবে।
এই মাস পবিত্র কুরআন নাযিলের মাস, লাইলাতুল ক্বদরের মাস ও রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এমনিভাবে তা ত্যাগ-তিতিক্ষা ও চাহাত বিসর্জনের মাস,
বিস্তারিত»অপরের মতামতকে শ্রদ্ধা করা উচিৎ-অনুচিৎ
অপরের মতামতকে শ্রদ্ধা করা উচিৎ-অনুচিৎ
‘অপরের মতামতকে শ্রদ্ধা করা উচিৎ’ – এই কথাটা প্রায়ই শুনি। কখনো কখনো মনে হয় কথাটা ঠিক, আবার কখনো সন্দিহান হয়ে পড়ি। একবার এক জায়গায় এক দুর্নীতিবাজ বেশ জোর গলায় বলল, “দুর্নীতি কোন সমস্যা না, দুর্নীতিতে সমাজের কোন ক্ষতি হয়না”। ভদ্রতার খাতিরে সবাই চুপ করে রইল, একমাত্র আমিই প্রতিবাদ করে বললাম, “দুর্নীতিটাই সব চাইতে বড় সমস্যা।” উনি তার সপক্ষে কিছু যুক্তি উপস্থাপন করার উপক্রম করছিলেন।
বিস্তারিত»হূ আহমেদ এবং রোযার কিছু কায়দা কানুন
বাংলাদেশ এবং দেশে বিদেশে থাকা বাঙালিরা (পূর্ব বঙ্গের)এখন ভুগছে হুমায়ুন আহমেদিয় জ্বরে। আলাদা করে পুর্ব বঙ্গ বলার কারণ কলকাতার ওঁরা নাকি হুমায়ুনের শোকে পাথর হননি। কি আর করা বাংলাদেশের বাঙালিরা এর উপযুক্ত জবাব চায়। ইন্টারনেট (বিষেশত ফেসবুক) ও পত্রিকাগুলো খুললেই পাওয়া যাচ্ছে এসব খবর। কেনো আমি এভাবে ভাবছি?! আমিও তো কয়েকখান স্ট্যাটাস শেয়ার করে দিলেই পারি; কি অপুরণীয় ক্ষতি হয়েছে বাঙলা সাহিত্যের, হুমায়ুন কতো উচু মাপের লেখক ছিলেন,
বিস্তারিত»তিন তিতলী
“মেঘ বলেছে যাবো যাবো” বইটি দ্বিতীয় বারের মত পড়া শেষ করেছি। আমি তখন নবম শ্রেনীতে। ফাইনাল পরীক্ষা শেষ। ছুটি আর কয়েক দিন পর। আমাদের ক্যাডেট কলেজে অনেক নিয়ম কানুন। গল্পের বই পড়ার সময় ও সুযোগ সব সময় মেলে না। তবে এই সময়টা সবাই গল্পের বই পড়ে কাটায়। শিক্ষকরাও আমাদের মনের অবস্থা বুঝতে পেরে তেমন কিছু বলেন না। হাতে পড়ার মত কোন বই না থাকায় বন্ধু তৌফিকের কাছ থেকে নিয়ে এই বইটিই আবার পড়লাম।
বিস্তারিত»একটি ভালবাসার গল্প
১.
এস.এস.সি পরীক্ষা শেষ করে টানা চার মাস পর ক্যাডেট কলেজ থেকে বাসায় আসলাম। ছুটিতে অনেক কিছু করার পরিকল্পনা করলাম। কিন্তু বাসায় এসে আমার মাথায় হাত। আমি কলেজে থাকা অবস্থায় আমাদের বাসা চেঞ্জ হয়েছে। নতুন বাসায় এসে কিছুটা অস্বস্তিতে পরলাম। কাউকে চিনিনা। বাসায় এসে কিছুক্ষন ধাতস্ত হওয়ার চেষ্টা করছি, এমন সময় কেউ একজন ডেকে উঠল-
– আন্টি……………
একটা মেয়ে দৌড়ে ঘরে এসে ঢুকল।
বিস্তারিত»এই বৃষ্টিতে আমি কোনদিকে যাবো?

এই বৃষ্টিতে আমি কোনদিকে যাবো?
কার কাছে যাবো?
ঝাপসা উত্তর,পূর্বের কুয়াশা
পশ্চিম দৃষ্টি সীমানায় খরস্রোতা
দক্ষিণে ঘিরে আসে বিক্ষুব্ধ হাওয়া
অজগরের তুমুল হা
বিদ্যুতের চাবুক,বারবার কেঁপে উঠে
পৃথিবীর সব ভয়ার্ত হরিণেরা
এই অন্ধকারে আমি
কোন দিকে যাবো
কার কাছে যাবো তোমাকে ছাড়া?
আমাদের যূথবদ্ধতার কথা জেনে সহসা বৈরী যারা
আমাদের বিচ্ছেদে তাদের উল্লাস
অবিশ্বাস ছড়ানো চন্দ্রড্রাগনেরা
এই দুর্যোগে আমি
কার হাত ছোঁবো
কার ওম নেবো তোমাকে ছাড়া?
আমাদের বাদশাহ নামদার হুমায়ুন আহমেদ
অকালেই চলে গেলেন হুমায়ুন আহমেদ। দেশের সব স্তরের মানুষের কাছে জনপ্রিয় হলেও সব চেয়ে নন্দিত ছিলেন মধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর কাছে। ছিলেন মধ্যবিত্তের অন্যতম প্রতিনিধি। আমাদের একটি বিখ্যাত সামাজিক বচন- উত্তম নিশ্চিন্তে চলে অধমের সাথে, তিনিই মধ্যম যিনি চলেন তফাতে। মধ্যবিত্তের এই তফাতে চলা কথাটা এক ধরণের বক্রোক্তি হলেও, বাস্তব সত্য হচ্ছে মধ্যবিত্তের তফাতে চলা ছাড়া উপায় নেই। কারণ মধ্যবিত্তকে হিসাব করে চলতে হয়। সেই হিসেবে সামান্যতম ভুল হবার জো নেই,
বিস্তারিত»রহস্যময় মহাবিশ্ব ও চিরন্তন জীবন জিজ্ঞাসা -১
রহস্যময় মহাবিশ্ব ও চিরন্তন জীবন জিজ্ঞাসা –১
———————————– ডঃ রমিত আজাদ
অপার রহস্যে ঘেরা আমাদের এই মহাবিশ্ব। আর তার মধ্যে রহস্যময় একটি সত্তা আমরা – ‘মানুষ’। এই দু’য়ের সম্পর্কও কম রহস্যময় নয়। মহাবিশ্বের বিবর্তন বা বিকাশের সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ ফলাফল মানুষ, সেই মানুষই আবার গভীর আগ্রহ নিয়ে অধ্যয়ন ও পর্যবেক্ষণ করছে তার চারপাশের মহাবিশ্বটিকে। কি এই মহাবিশ্ব? আমরা কারা? কি সম্পর্ক মহাবিশ্বের সাথে আমাদের অথবা আমাদের সাথে মহাবিশ্বের?
বিস্তারিত»ধন্যবাদ হুমায়ুন আহমেদ ও তার মৃত্যুকে
হুমায়ুন আহমেদ মানুষ হিসেবে কেমন ছিলো সেটা নির্ণয় করার আমি কেউ না । অথবা অন্যভাবে বলতে গেলে এই মুহূর্তে আমি তাকে নিয়ে ভাবার প্রয়োজন বোধ করছি না । তবে গত ৫ দিনে যা ঘটলো সেটা থেকে মোটামুটি নিশ্চিতভাবেই বলা যায় তিনি একজন শক্তিধারী লেখক ছিলেন – হতে পারে সেটা সস্তা সাহিত্য, হতে পারে সেটা শ্রেষ্ঠ পর্যায়ের কথাসাহিত্যের রূপকার হিসেবে । কিন্তু সেটাও মাথা ঘামানোর মত তেমন কিছু না ।
বিস্তারিত»